বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস পর্ব-৪০

দ্য ফার্স্ট ম্যান

সেই বিস্মৃতিতেই তিনিও ডুবে গেছেন। কোনো রকম শিকড় ছাড়াই শুরু হয়েছিল তাদের জীবন এবং সেই জীবনের পরিণতি ওই বিশাল বিস্মৃতিতে। সময়ের গ্রন্থাগারে হয়তো আছে তাদের মতো কুড়িয়ে পাওয়াদের বসতিস্থাপনের কথা, তাদের দ্বারা গড়ে ওঠা ক্ষণস্থায়ী শহরের কথা। তারা ওইসব ক্ষণস্থায়ী শহর গড়ে তুলেছিল যেন সেখানে নিজেদের মাঝে এবং অন্যদের মাঝে মৃত্যুবরণ করার জন্যই।

মানুষের ইতিহাস যেন পুরনো ভূ-খণ্ডের উপর দিয়ে নিরবধি হেঁটে যায়। খুব বেশি স্পষ্ট পদচিহ্ন রেখে যায় না। যেটুকু চিহ্ন থাকে সেটুকুও চিরন্তন সূর্যের প্রখর তাপে বাষ্পে পরিণত হয়ে যায়। যারা ওই ভূখণ্ড তৈরি করেছিল তাদের স্মৃতিও খুন আর ঘৃণার আগুনে পরিণত হয়েছে। তার আকস্মিক প্রকোপের ফলে ঝড়েছে রক্তের ধারা। দ্রুত তৈরি হয়েছে ক্ষত। আবার দ্রুত শুকিয়ে গেছে ঠিক এই দেশের মৌসুমি নদীগুলোর মতোই। এখন রাত নেমে আসছে, যেন সরাসরি মাটির ভেতর থেকে, দেশের বুকের ভেতর থেকে। যেন সব সময়ের আকাশতলে জীবিত মৃত সবকিছু গিলে খাওয়ার জন্য নেমে আসছে এই রাত। না, জ্যাক বাবাকে কখনো জানতে চিনতে পারবে না।

বাবা ঘুমিয়ে আছেন ওখানে, ওই মাটিতে। তার মুখটা ছাইয়ের মধ্যে মিশে গেছে, হারিয়ে গেছে। বাবাকে ঘিরে ছিল একটা রহস্য। সেই রহস্যের ভেতর সে প্রবেশ করতে চেয়েছে। কিন্তু দেখা গেছে, যে রহস্য পাওয়া গেছে সেটা ছিল দারিদ্রের রহস্য। দারিদ্র মানুষকে তৈরি করেছে নামহীন অবস্থায়। সে মানুষের যেন কোনো অতীত নেই। দারিদ্র তাদের সবাইকে ঠেলে দিয়েছে মৃতদের বিশাল ভীড়ের মধ্যে। ওই মৃতরা পৃথিবী তৈরি করেছে; বিনিময়ে নিজেরাই চিরতরে ধ্বংস হয়ে গেছে। লাব্রাডরে করে যারা দেশান্তরে বের হয়েছিল তাদের নিয়তির সঙ্গে জ্যাকের বাবার নিয়তির এখানেই মিল। সেহেলের মাহুন গোত্রের লোকেরা, উঁচু মালভূমির অ্যালসেসীয়রা ছড়িয়ে পড়েছিল সমুদ্র আর মরুভূমির মাঝের বিশাল দ্বীপাঞ্চলে। পরিচয়হীনতার নীরবতা সেই বিশাল অঞ্চলটা গ্রাস করতে শুরু করে। রক্ত, সাহস, কর্ম আর প্রবৃত্তিও গ্রাস করে ফেলে।

সেই নীরবতা একই সঙ্গে নিষ্ঠুর এবং করুণাময়। আর যে দেশ থেকে, মানুষদের ভীড় থেকে, নামহীন পরিবার থেকে নামহীন অবস্থায় পালাতে চেয়েছিল এবং যার ভেতরে অন্ধকার আর নামহীনতা গজিয়ে উঠেছিল সেও ওই গোত্রেরই একজন হয়ে যায়। সেও ডাক্তারের ডানপাশে থেকে হাঁপাতে হাঁপাতে রাস্তার মোড়ের উচ্চনাদী সংগীতের জোয়ারে ভাসতে ভাসতে, বাদন মঞ্চের চারপাশের আরবদের দুর্বোধ্য মুখগুলো আরেকবার দেখতে দেখতে, ভেইলার্ডের হাসি আর কঠিন চাহনির মুখের দিকে তাকিয়ে রাতের মধ্যে এগিয়ে যেতে থাকে। তার মনে ভেসে ওঠে বোমা পতনের সময় মায়ের মুখের ওপরের মৃত্যু-সদৃশ চেহারা। সেই মুখচ্ছবি তার হৃদয় মিষ্টি আর দুঃখী একটা অনুভূতিতে মোচড়াতে থাকে।

বছরের পর বছর সময়ের ব্যাপ্তি জুড়ে থাকা রাতের ভেতর ঘুরতে ঘুরতে সে চলে যায় বিস্মৃতির দেশে। সেখানে সবাই প্রথম মানব। সেখানে নিজেকে গড়ে তুলতে হয়েছে পিতৃহীন অবস্থায়; বাবা নিজের মুখে ছেলেকে ডাক দিলে কী অনুভূতি জাগে, সে মুহূর্ত কেমন তার জানা হয়নি কখনো। অন্যদের কথা বুঝতে পারার বয়স পর্যন্ত তার জন্য অপেক্ষা করে পরিবারের গোপনীয় বিষয়াদি সম্পর্কে তার সঙ্গে কথা বলার জন্য, কিংবা সুদূর অতীতের কোনো দুঃখ অথবা জীবনের কোনো অভিজ্ঞতা তার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেছে সে। এরকমই কোনো মুহূর্তে হাস্যকর পোলোনিয়াম তার কাছে হঠাৎ করে মহান হয়ে ওঠে যেহেতু সে লিয়ারটেসের সঙ্গে কথা বলে। তারপর তার বয়স হয়ে গেল ষোল, এরপর বিশ।

কিন্তু কেউ তার সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে আসেনি। জীবন জগত সম্পর্কে তাকে নিজে জানতে হয়েছে; ধৈর্য ধারণ করে একা একা বড় হতে হয়েছে। নিজের শক্তি বলে নিজের নৈতিক শক্তি আর সত্যকে খুঁজে নিতে হয়েছে। শেষে মানুষ হিসেবে জন্ম নেওয়া এবং অন্যদের সংশ্লিষ্টতায় শিশু হিসেবে কঠিন অবস্থায় জন্ম নেওয়া, এখানকার পুরুষরা যেমন শিকড় ছাড়া এবং বিশ্বাস ছাড়াই বেঁচে থাকতে শেখে তেমনি নারীরাও। চিরন্তন পরিচয়হীনতা এবং পৃথিবীতে নিজের একমাত্র চিহ্ন মুছে যাওয়ার হুমকির মুখে পড়েছে আজ তারা সবাই। রাত তাদের অস্পষ্ট কবর ফলক ঢেকে দিয়েছে। অন্যদের সংশ্লিষ্টতায় তাদের বেঁচে থাকতে শিখতে হয়েছে। অন্যদের, মানে বিজেতাদের যারা এখন ক্ষমতাবর্জিত হয়ে পড়েছে তাদের সংশ্লিষ্টতায়। এই বিভূঁইয়ে তারাই প্রথম এসেছিল এবং তাদের মধ্যেই বর্তমানের মানুষগুলোকে ভ্রাতৃত্ব, জাতি এবং গন্তব্য খুঁজে নিতে হচ্ছে।

বিমান এখন আলজিয়ার্সের দিকে নেমে যাচ্ছে। সেইন্ট ব্রিউকের ছোট কবরখানার কথা মনে পড়ছে জ্যাকের। ওখানে সৈনিকদের কবরগুলো মনডোভির কবরগুলোর চেয়ে অপেক্ষাকৃত ভালো অবস্থায় রাখা হয়েছে। ভূমধ্যসাগর আমার মনের ভেতরের ভুবন দুভাগে ভাগ করে ফেলছে: এক দিকে স্মৃতি আর নামগুলো পরিমাপমতো জায়গায় সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। অন্য অংশে খোলা প্রান্তরে মানুষের সব চিহ্ন মুছে দিয়ে গেছে বাতাস আর বালির ঝড়। দরিদ্র, অজ্ঞ আর পশুর মতো জীবন থেকে এবং পরিচয়হীনতা থেকে সে পালাতে চেষ্টা করেছে বর্তমানের বাইরে, কোনো চিন্তা নেই যে জীবনে সেই বোবার মতো অন্ধ সহিষ্ণুতার জীবন যাপন করতে সে পারেনি। অনেক দূরে দূরে সে ভ্রমণ করে বেরিয়েছে।

অনেক কিছু তৈরি করার চেষ্টা করেছে, সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছে। মানুষজনকে ভালোবেসেছে। আবার ছেড়েও এসেছে তাদের। তার জীবন মাঝে মাঝেই ভরপুর হয়ে উপচে পড়েছে। তবু এখন সে অন্তরের অন্তস্থল দিয়ে বুঝতে পেরেছে, সেইন্ট ব্রিউক এবং এর সকল তাৎপর্য তার কাছে যেন কিছুই নয়। একটু আগে ছেড়ে আসা ক্ষয়ে যাওয়া নীল আবরণ ধারণ করা কবরস্থানের কথা তার মনে আসছে। মনে আসছে, মৃত্যু তাকে তার সত্যিকারের মাতৃভূমিতে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে ভাবনাটা মনে আসতে কিছুটা যেন আনন্দের ছোঁয়া অনুভব করে সে। যে মানুষটি সমুদ্র পাড়ের ভাগ্যবাহী দেশে এসে কারো সাহায্য ছাড়াই দারিদ্রের মাঝে নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন দেশত্যাগী ওই সাধারণ মানুষটিকে মৃত্যু তার বিশাল বিস্মৃতি দিয়ে তার সব চিহ্ন মুছে দেবে। পৃথিবীর প্রথম সকালের আলোয় একাকী স্মৃতিহীন বিশ্বাসহীন অবস্থায় তার সমসাময়িক মানুষদের জগতে, তাদের ভয়াবহ এবং মর্যাদাসম্পন্ন ইতিহাসে তিনি প্রবেশ করেছিলেন।

চলবে...

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩০

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২০

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১০

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে রাঙামাটির বাঘাইহাট ও সাজেক পরিদর্শন শেষে স্থানীয় বিজিবি সেক্টরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “৫ আগস্টের পর সমতলের অনেক থানার অস্ত্র লুট হয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।”

পাহাড়ের উন্নয়নকে সঠিক জায়গায় পৌঁছানোর জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

এই সফরে তিনি বিজিবির বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং সৈনিকদের খোঁজ-খবর নেন। এছাড়া, তিনি রাঙামাটি বিজিবি সেক্টর পরিদর্শন করেন।

সাজেকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে অস্থায়ীভাবে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি নিয়োজিত রাখার নির্দেশনা দেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালককে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা