বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব ২০

দ্য ফার্স্ট ম্যান

শান্তশিষ্টভাবেই মামা সৈকতের দিকে ফিরত। কয়েকবার শ্বাস নিয়ে এমনভাবে ফিরতি পথ ধরত যেন সে শক্ত মাটির ওপর দিয়ে চলছে। তীরে ফিরে উচ্চস্বরে হাসতে হাসতে জ্যাকের গা ডলে পরিষ্কার করে দিত এবং একদিকে সরে মুখ ঘুরিয়ে সশব্দে প্রস্রাব করত। তখনও তার হাসা চলতেই থাকত। শেষে ভালোভাবে কাজটা সারতে পারার জন্য নিজের মূত্রথলিকে ধন্যবাদ দিত এবং পেটের ওপরে চাপড় মারতে মারতে বলত, ভালো ভালো। এর সঙ্গে প্রকাশ পেত তার সকল সংবেদী আনন্দ, হতে পারে সে আনন্দের উৎস প্রস্রাব করে স্বস্তি পাওয়ার অথবা খেয়ে দেয়ে ভালো পুষ্টিলাভ করার। যেটাই হোক না কেন, সে উৎস যে তাকে নিষ্পাপ আনন্দ দিচ্ছে সে ব্যাপারটাই জোর দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা থাকত তার।

সে চাইত পরিবারের সবাই যেন তার আনন্দ যজ্ঞে যোগ দেয়। সে আনন্দের মুহূর্তে, বিশেষ করে খাবার ঘরে, নানি বাগড়া দিতে চেষ্টা করতেন এবং বলতেন এইসব কথা আগেই বলা হয়ে গেছে বহুবার, এমনকি তিনি নিজেও বলেছেন। তবে যদিও তিনি বলতেন, আমাদের খাওয়ার সময় ওসব বাদ দাও, তবু তিনি আর্নেস্ট মামার তরমুজ-অভিনয় মেনে নিতেন: মুত্রবর্ধক ওষুধ হিসেবে তরমুজের সুনামের কথা জানা ছিল মামার। তরমুজ তার খুব প্রিয় ছিল এবং সে তরমুজ খাওয়া শুরু করত হাসতে হাসতে আর দুষ্টুমিতে চোখ টিপত নানির দিকে, সঙ্গে যোগ হতো তার হাপুস হুপুস শব্দে তরমুজের পানি ছিটানোর কাজ। কয়েক কামড়েই সে পৌাঁছে যেত তরমুজের খোসার কাছাকাছি আর খাওয়ার সময় যেন গোটা একটা রূপকথার কাহিনী অভিনয় করে ফেলত: হাত দিয়ে দেখাতে থাকত কিভাবে তরমুজ তার মুখ থেকে মুত্র নির্গমনের অঙ্গ পর্যন্ত পৌঁছে যেতে পারে।

মুখের বিচিত্র ভঙ্গি আর চোখ ঘোরানোর সঙ্গে মুখে বলত, ভালো, কী চমৎকার, একেবারে ধুয়ে দেয়; ভালো ভালো। তার প্রতি নজর না দিয়ে যেহেতু পারাই যেত না তাই সবাই হাসিতে ফেটে পড়ত। তার এই আদমসুলভ নিষ্পাপ আচণের সঙ্গে যোগ করতে হতো কয়েক ধরনের অসুস্থতার অতিরঞ্জিত ভান। ঠোঁট উল্টে দেখাতে চাইত, সে যেন তার অঙ্গ প্রতঙ্গের গোপন রহস্যগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। সে বুঝাতে চাইত, শরীরের বিভিন্ন স্থানে সুচের খোঁচার মতো ব্যথা অনুভব করছে, কিংবা একটা পিণ্ড তার শরীরে ঘোরা ফেরা করছে। পরবর্তীতে জ্যাক যখন লিসিতে পড়াশোনা করছে তখনকার দিনের কথা মনে আছে: মামা মনে করত, এমন কোনো বৈজ্ঞানিক বিষয় আছে যেটা সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য। সে বিশ্বাস থেকে মামা তার পিঠের নিচে এবং কোমরের ওপরের দিকে দেখিয়ে জ্যাককে বলত, এই যে এখানে, এখানে কেমন যেন টান লাগছে। জ্যাক জিজ্ঞেস করত, এখানে ব্যথা? আসলে ওখানে কিছু হয়নি।

মামা স্বস্তি নিয়ে সিঁড়ি ভেঙে ছোট ছোট পদক্ষেপে তার বন্ধুদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য পাড়ার কোনো ক্যাফের দিকে রওনা হয়ে যেত। রাতের খাবার খেতে মামাকে ডাকার জন্য সে ওই করাতের ঘুণের গন্ধ আর কাঠের আসবাবপত্র সজ্জিত রেস্তোরায় বহুবার গিয়েছে। জ্যাক দেখেছে মামা তার বন্ধুদের আড্ডায় দেদারসে কথা বলে যাচ্ছে আর বন্ধুরা হো হো করে হাসছে। তাদের হাসির মধ্যে কোনো রকম বিদ্রুপ থাকত না; আর্নেস্টের সোজাসাপটা উদারতার কারণে সবাই তাকে খুব ভালোবাসত।

এই বিষয়টা জ্যাক আরো ভালো করে বুঝতে পারত মামা যখন তার বন্ধুদের সঙ্গে শিকার অভিযানে তাকেও সঙ্গে নিত। তার বন্ধুদের সবাই তার মতোই টব, পিপে ইত্যাদি নির্মাণের কাজ, রেলওয়ের কাজ কিংবা বন্দরের কাজ করত। শিকারে যাওয়ার দিন খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠতে হতো। মামাকে জাগানোর দায়িত্ব থাকত জ্যাকের ওপর। কোনো অ্যালার্মের শব্দেই তার ঘুম ভাঙত না। অ্যালার্মের শব্দে জ্যাক জেগে ওঠার সময় তার ভাই বিছানায় পাশ ফিরে শুতে শুতে গজ গজ করে বিরক্তি প্রকাশ করত। আরেক বিছানায় মা ঘুমের মধ্যেই একটুখানি নড়াচড়া করে চুপ হয়ে থাকতেন। বিছানা ছেড়ে অন্ধকারে হাতড়াতে হাতড়াতে দুই বিছানার মাঝখানে রাতের টেবিলের ওপরে রাখা কেরোসিন বাতিটা জ্বালাত জ্যাক। (ঘরে আসবাব বলতে ছিল একটা সিঙ্গেল বিছানা–সেখানে মা ঘুমাতেন এবং একটা ডাবল বিছানা–সেখানে ঘুমাত জ্যাক এবং তার ভাই; দুই বিছানার মাঝখানে ছিল রাতের টেবিল; আর টেবিল বরাবর আয়নাঅলা একটা আলমারি। মায়ের বিছানার গোড়ার দিকে উঠোনমুখি একটা জানালা। জানালাটার নিচে হাতে ফুলতোলা কম্বলে ঢাকা একটা বেতের ট্রাঙ্ক। জ্যাক যখন খুব ছোট ছিল তখন জানালার ঝাঁপ বন্ধ করার জন্য হাঁটু মুড়ে ট্রাঙ্কের ওপর উঠে দাঁড়াত।)

তারপর খাবার ঘরে গিয়ে মামাকে ধাক্কা দিয়ে জাগিয়ে দিত। মামা ভয়ে চিৎকার দিয়ে মুখের ওপরে ধরা বাতিটার দিকে ভয়ার্ত চোখে তাকাত এবং শেষে ধাতস্থ হতে পারত। দুজনই বাইরে যাওয়ার পোশাক পরে নিত। রাতে খেয়ে বেঁচে যাওয়া কফি গরম করত জ্যাক। আর মামা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র একটা বস্তায় প্যাকেট করতে থাকত: তার মধ্যে থাকত এক খণ্ড পনির, সাব্রাসাডা সস, লবণ মরিচ মাখানো কয়েক টুকরো টমেটো আর আধখানা রুটি, তার মাঝখানে ভাগ করে নানির বানানো ওমলেট ঢুকিয়ে দেওয়া থাকত। তারপর মামা দোনালা ছটকা-বন্দুক এবং কারতুজ শেষ বারের মতো পরীক্ষা করে নিত।

ওইসব অস্ত্রের ওপর অবশ্য আগের রাতেই মোটামুটি একটা আনুষ্ঠানিক যজ্ঞ শেষ করে রাখা হতো। আগের রাতেই খাবারের পর টেবিল পুরষ্কার করে ওপরে ঝোলানো বতির আলোয় নিজে টেবিলের একপাশে বসে সামনে বন্দুকের খুলে ফেলা অংশগুলোতে যত্নের সঙ্গে গ্রিজ মাখাত মামা। টেবিলের আরেক পাশে বসে জ্যাক নিজের কাজের পালার জন্য অপেক্ষা করত। তেমনি অপেক্ষা করত তাদের কুকুর ব্রিলিয়ান্ট। দীর্ঘ লোমঅলা মিশ্র রঙের অতিশয় শান্ত স্বভাবের একটা কুকুর, একটা মাছিকেও আঘাত করতে পারত না। তার প্রমাণ অনেক আছে: যদি কখনও কোনো উড়ন্ত মাছি তার হা করা মুখের ভেতর আটকে যেত তাহলে বিরক্ত মুখভঙ্গির সঙ্গে চোয়াল আর লম্বা জিহ্বা বের করে থুথু ফেলার মতো করে ফেলে দিত। আর্নেস্ট এবং কুকুরটা ছিল একাত্মা; দুজনের মধ্যে ছিল চমৎকার বোঝাপড়া। আর্নেস্ট এবং কুকুরটাকে যুগল না ভেবে উপায় ছিল না। যারা কোনোদিন কুকুর সম্পর্কে ভালো করে জানেনি কিংবা কুকুরকে ভালোবাসেনি শুধু তাদের পক্ষেই এই যুগলবন্দি দস্তিকে হাস্যকর মনে করা সম্ভব ছিল। কুকুরটা মনিবের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করত আনুগত্য আর ভালোবাসা দিয়ে। আর মনিব কুকুরকে ভালোবাসা দিত। তাদের জীবন যাপন ছিল এক সঙ্গে এবং একজন আরেকজনকে কখনওই ফেলে কোথাও যেত না।

দুজনের ঘুম হতো এক সঙ্গে, এক জায়গায়: মনিব খাবার ঘরের একটা মোটা বিছানার ওপরে আর কুকুরটা তার বিছানার পাশে ছোট একটা কম্বলে। দুজনে কাজে যেতো এক সঙ্গে: আর্নেস্টের কর্মস্থলে শুধু তার কুকুরের জন্য র‌্যাদা দিয়ে চেঁছে একটা চাঁচনি কাঠের শোবার জায়গা তৈরি করা হয়েছিল একটা বেঞ্চের তলায়। ক্যাফেতেও যেত এক সঙ্গে: মনিবের কাজকর্ম শেষ না হওয়া পর্যন্ত কুকুরটা তার দুপায়ের মাঝখানে ধৈর্যসহকারে বসে থাকত। দুজনের কথাবার্তা হতো ধনাত্বক শব্দে এবং একজন আরেকজনের গায়ের গন্ধও উপভোগ করত। কেউ কোনোদিন আর্নেস্টকে বলতে পারেনি, তার কুকুরটাকে খুব কম ধোয়ার কারণে গা থেকে কড়া দুর্গন্ধ বের হচ্ছে, বিশেষ করে বৃষ্টির পরে। কুকুরের কম্পমান কানের ভেতরে আদরের ভঙ্গিতে মুখ নিয়ে শুকে দেখে আর্নেস্ট কলত, ওর গন্ধ নেই।

চলবে..

এসএ/

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১০

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে রাঙামাটির বাঘাইহাট ও সাজেক পরিদর্শন শেষে স্থানীয় বিজিবি সেক্টরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “৫ আগস্টের পর সমতলের অনেক থানার অস্ত্র লুট হয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।”

পাহাড়ের উন্নয়নকে সঠিক জায়গায় পৌঁছানোর জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

এই সফরে তিনি বিজিবির বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং সৈনিকদের খোঁজ-খবর নেন। এছাড়া, তিনি রাঙামাটি বিজিবি সেক্টর পরিদর্শন করেন।

সাজেকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে অস্থায়ীভাবে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি নিয়োজিত রাখার নির্দেশনা দেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালককে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা