বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস র্পব-৩৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান

এখন জ্যাকের শ্বাস নেওয়া সহজ হয়ে গেছে। প্রথম পর্যায়ের অন্ধকারের প্রবাহ থেমে গেছে। জোয়ার ভাটার মতো এই প্রবাহ। পেছনে ফেলে গেছে তারার মেঘ। সারা আকাশ ছেয়ে আছে তারায় তারায়। এখন শুধু মোটরের বিকট শব্দ বিরক্তি ঘটাচ্ছে। পশু-খাদ্যের বৃদ্ধ ব্যবসায়ীর মুখটা স্মৃতিতে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে সে। লোকটা তার বাবাকে চিনত। জ্যাকের বাবার চেহারা আবছা আবছা মনে আছে তার। লোকটা বার বার বলছিল, কথা বলতেন না। একদম কথা বলতেন না তিনি।

তবে হট্টোগোলের কারণে জ্যাকের চিন্তাশক্তি রহিত হয়ে যাচ্ছে; এই হট্টোগোল তাকে এক অসাড় অবস্থায় ফেলে দিয়েছে; বাবার চেহারাটা মনে আনার চেষ্টা করেও পারছে না। অনেক কল্পনা খাটিয়েও বাবাকে স্পষ্টরূপে পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি এই বিশাল এবং বৈরী দেশে নিরাকার হয়ে যাচ্ছেন। গ্রাম এবং সমতলভূমির অনামি ইতিহাসের মধ্যে তিনি গলিত হয়ে মিশে গেছেন। প্যারিসের বসতি স্থাপনকারীদের সলফেরিনোতে আনা হয়েছিল বজরায় করে। ওইসব বজরার মতোই ডাক্তারের ওখানে শোনা কথাবার্তার রেশ যেন ঢেউয়ে ঢেউয়ে ফিরে আসছে জ্যাকের মনে। তখন এদিকে কোনো ট্রেন ছিল না। একটা ট্রেন ছিল; শুধু লিয়নের দিকে যাতায়াত করত। বাছাই করা ঘোড়া দিয়ে টেনে নেওয়া হতো বজরাগুলো। নগরের পিতলনির্মিত বাদ্যযন্ত্র ব্যাবহারকারী বাদকদল ‘মার্সে’ এবং ‘চান্ট ডু ডিপার্ট’ বাজাত। বজরার যাত্রীরা কোনো এক যাদু বলে যে গ্রামের পত্তন করবে এমন একটা গ্রামের নাম লেখা ব্যানার হাতে সিন নদীর তীড়ে দাঁড়িয়ে একজন যাজক তাদের জন্য আশীর্বাদ প্রার্থনা করত, খোদা আপনাদের দায়িত্ব নেবেন।। ততক্ষণে বজরা যাত্রা শুরু করেছে; প্যারিস পেছনের দিকে সরে যেতে যেতে এক সময় অদৃশ্য হয়ে যেত। যাত্রীদের মধ্যে যাদের আত্মিক শক্তি প্রবল, যারা মনের দিক থেকে সবার চেয়ে শক্ত তারাও প্রচণ্ড রকমের দমে যেত, নিশ্চুপ হয়ে থাকত। তাদের শক্তিতে ভর করেই তাদের স্ত্রীরা ভরসা পেত। বজরার খোলে বিছানো খসখসে খড়ের মধ্যে তাদের ঘুমাতে হতো; চোখ বরাবর ময়লা পানির দৃশ্য। পোশাক বদলের সময় নারীরা পালাক্রমে বিছানার চাদরের আড়াল তৈরি করত। ওইসবের ভেতর তার বাবার অস্তিত্ব কোথায় জ্যাক বুঝে পায় না। কোথাও না। তবু বজরাগুলো শ খানেক বছর আগে শরতের শেষে খানাখন্দ, নালা পার হয়ে এগিয়ে যেত। মাসের পর মাস ধরে গাছের শেষ পাতার জমাট হয়ে থাকা ছোট বড় নদী পার হয়ে যেত। বাদাম আর উইলো গাছ সামনের দিকে হাতছানি দিয়ে ডেকে নিয়ে যেত। শহরাঞ্চলে পৌঁছুলে দামামা বাজিয়ে তাদের স্বাগত জানানো হতো। তাদের সঙ্গে আরও কোনো বজরা যোগ হতো আরো সব যাত্রী নিয়ে। সবারই গন্তব্য অজানা দেশ। বয়সী মানুষের এলোমেলো যে তথ্য সে সংগ্রহ করতে এসেছিল তার চেয়ে বরং সবার কাছ থেকে শোনা তথ্যে জ্যাক দেখতে পায়, সবাই তাকে সেন্ট ব্রিউকে মারা যাওয়া অল্প বয়সী এক যুবকের কথা বলে।

মোটর এখন গতি বদল করছে। রাতের ঘন অন্ধকারের পিণ্ডগুলো, রাতের স্থানচ্যুত তীক্ষ্ণ ফলার মতো টুকরোগুলো এখন কাবিলিয়ার উপরে। দেশের এই হিংস্র এলাকাটার দিকে, এই রক্তাক্ত এলাকাটার দিকেই যাত্রা করেছিল তার পূর্বপুরুষেরা একশ বছর আগে। ’৪৮ সালের শ্রমজীবি মানুষেরা একটা প্যাডেল করা চাকাঅলা বজরায় গাদাগাদি অবস্থায় যাত্রা করেছিল। ডাক্তার বলেছেন, বজরাটার নাম ছিল লাব্রাডর। কল্পনা করতে পারো, লাব্রাডর মশা আর সূর্যের আধিপত্যের এলাকায় যাবে? একদিকে লাব্রাডরের চাকার ব্লেড ঘুরতে ঘুরতে ঠাণ্ডা পানিতে ফেনা তুলছে। অন্যদিকে ঠাণ্ডা বাতাস সেখানে ঝড়ের পাঁয়তারা খুঁজছে। বজরার পাটাতন পাঁচ দিন পাঁচ রাত বিধৌত হয়েছে গোলার্ধের বাতাসে। আর বিজেতারা বজরার খোলে মৃতপ্রায় অসুস্থ অবস্থায় একে অপারের গায়ে বমি করতে করতে মরে যেতে উদ্যত। অবশেষে সকলেই তারা বন বন্দরে পৌঁছে। বন্দর তাদের স্বাগত জানাতে সংগীতের আয়োজন করেছে। ইউরোপের রাজধানী থেকে ততক্ষণে স্ত্রী সন্তানদের এবং পোটলাপুটলি যার যা ছিল সব নিয়ে তারা যেন খোঁড়াতে খোঁড়াতে পাঁচ সপ্তাহের দীর্ঘ ভ্রমণে বহুদূর এই দূরবর্তী নীলাভ পটভূমির দেশে চলে এসেছে। এসেই মুখোমুখি হয়েছে সার, মসলা আরও কত কিছুর।

জ্যাক তার আসনে পাশ ফিরল। আধো ঘুমে জ্যাক বাস্তবে না দেখা বাবাকে স্বপ্নে দেখল। বাবার উচ্চতা সম্পর্কেও তার কোনো ধারণা নেই। স্বপ্নে দেখল, বাবা অন্যান্য অভিবাসীদের মাঝে বন বন্দরে দাঁড়িয়ে আছেন। কপিকলের গুড়ি দিয়ে সবার জিনিসপত্রের যা কিছু টিকে আছে সেসব তুলে ধরা হচ্ছে। এরপর খোয়া যাওয়া জিনিসপত্র নিয়ে তর্কবিতর্ক শুরু হলো সবার মাঝে। বাবা খুব দৃঢ়চিত্তে ভাবগম্ভীর চেহারায় দাঁতে দাঁত আটকে দাঁড়িয়ে আছেন। যে রাস্তাটা দেখা যাচ্ছে এই রাস্তা ধরেই প্রায় চল্লিশ বছর আগে ওয়াগনে চড়ে এরকম একই শরতের আকাশের নিচে তিনি বন থেকে সলফেরিনো গিয়েছিলেন, তাই না? তবে অভিবাসীদের জন্য সেরকম কোনো রাস্তা আসলে ছিল না। নারী এবং শিশুদের সেনাবাহিনীর অস্ত্রের গাড়িতে এবং পুরুষদের পায়ে হেঁটে জলাপূর্ণ সমতলভূমি কিংবা কণ্টকিত ঝোপঝাড় পার হতে হয়েছে কিছুদূর পর পর দূরে দাঁড়িয়ে থাকা আরব পাহারাদারদের কড়া চোখের নজরদারির অধীনে। অভিবাসীদের সঙ্গী বলতে ছিল অবিরত ঘেউ ঘেউ করে যাওয়া কাবিলে কুকুরের দল। চল্লিশ বছর আগে তার বাবাও ওই দলের সঙ্গে দিনের শেষে পৌঁছেছিলেন ওই দেশেরই একটা এলাকায়। সেখানে চারপাশে দূরে দূরে পাহাড় পর্বত; কোথাও জনবসতি ছিল না, কোথাও একখণ্ড আবাদী জমি ছিল না; শুধু মাঝে মাঝে মেটে রঙের সামরিক তাবু চোখে পড়েছিল তাদের। বিশাল ফাঁকা জায়গা ছাড়া আর কিছু চোখের সামনে ছিল না। তাদের মনে হয়েছিল, জগতের শেষ প্রান্তে এসে গেছে তারা। ফাঁকা আকাশ আর বিপদসঙ্কুল ভূমির মাঝখানে আর কিছু দেখতে পায়নি তারা। ক্লান্তি, ভয় আর হতাশায় নারীরা সারারাত কান্নাকাটি করে কাটিয়েছে।

সেই একই রকম রাতে একটা হতভাগা বৈরী জায়গায় পৌঁছনো; সেই মানুষগুলোই, তারপর তারপর...,নাহ, বাবা সম্পর্কে জ্যাক আর কিছু জানে না। তবে শুধু এরকমই শুনেছে, তারা সবাই সৈনিকদের হাসি তামাশার সামনে নিজেদের একত্রিত করতে এবং তাঁবুতে বসতি স্থাপন করতে পেরেছে। বাড়িঘরের প্রসঙ্গ পরে এসেছে। বাড়িঘর তৈরি করতে হয়েছে; জমি ভাগাভাগি হয়েছে; কাজ করতে হয়েছে। হ্যাঁ কাজই তখন পবিত্র কর্ম ছিল নিজেদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য। ভেইলার্ড বলেছে, তারা কাজ করতেও পারেনি ঠিক মতো। কারণ বৃষ্টি, আলজেরিয়ার কঠিন বৃষ্টি ঝড়েছে একটানা আট নয় দিন। ব্যাপক বৃষ্টি পতনের যেন কোনো শেষ ছিল না। গোটা সেবাউস প্লাবিত হয়েছে। তাঁবু পর্যন্ত পানি উঠেছে। তারা বাইরে বের হতে পারেনি। যেখানে সেখানে তৈরি আবর্জনাপূর্ণ বড় বড় তাঁবু বিরামহীন অশেষ বৃষ্টির নিচে অনুরণন তুলতে থাকে। ভেতরের আবদ্ধ অবস্থার দুর্গন্ধ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তারা ফাঁপা নল খাগড়া কেটে নালার মতো ব্যবহার করতে থাকে যাতে তাদের শরীরিক বর্জ্য ভেতর থেকে বাইরে বের করে দিতে পারে। বৃষ্টি থামলে শেষে তারা ছুতারের আদেশ অনুসারে হালকা পলকা ঘরবাড়ি তৈরি করতে কাজে বের হয়।

ভেইলার্ড হাসতে হাসতে বলেছে, আহা, সহজ সরল মানুষগুলো। বসন্তকালে তাদের বাড়িঘর তৈরির কাজ শেষ করে। তারপরই তারা কলেরার তালিকাভুক্ত হয়ে যায়। আমার বুড়ো বাবার কথা যদি বিশ্বাস করি তাহলে বলতে পারি, আমাদের পূর্বপুরুষ যিনি ছুতার ছিলেন এভাবেই তিনি তার স্ত্রী এবং মেয়েকে হারান। তারা ওই ভ্রমণে যেতে অনিচ্ছুক ছিলেন।

এদিক ওদিক পদচারণা করতে করতে বৃদ্ধ তবে টান টান শরীরের ডাক্তার বললেন, হ্যাঁ, তারা গড়ে দিনে দশ জনের মতো মারা গেছে। গরমের মৌসুম আগে আগেই শুরু হয়ে যায়। আর তারা সবাই কুঁড়ে ঘরগুলোতে তাপে ভাজা ভাজা হতে থাকে। স্বাস্থ্য বিষয়ক ব্যাপার, কী বলব আর...,সব দিক থেকে তারা দিনে দশ জন করে মারা যায়।

চলবে...

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩০

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২০

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১০

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১

এমএমএ/

 

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে রাঙামাটির বাঘাইহাট ও সাজেক পরিদর্শন শেষে স্থানীয় বিজিবি সেক্টরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “৫ আগস্টের পর সমতলের অনেক থানার অস্ত্র লুট হয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।”

পাহাড়ের উন্নয়নকে সঠিক জায়গায় পৌঁছানোর জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

এই সফরে তিনি বিজিবির বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং সৈনিকদের খোঁজ-খবর নেন। এছাড়া, তিনি রাঙামাটি বিজিবি সেক্টর পরিদর্শন করেন।

সাজেকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে অস্থায়ীভাবে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি নিয়োজিত রাখার নির্দেশনা দেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালককে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা