বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব ৩৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান

এখন সে বড় হয়ে গেছে। বন থেকে মনডোভি পর্যন্ত রাস্তায় জে করমারি যে গাড়িটাতে যাচ্ছিল সেটা খাড়া বন্দুক বোঝাই ধীর গতির জিপগুলো পাশ কাটিয়ে এগিয়ে চলল।

এম ভেইলার্ডের ওখানে যাবেন?
হ্যাঁ।

খামার বাড়ির দরজায় দাঁড়ানো জ্যাক করমারির দিকে তাকিয়ে থাকা লোকটা বেঁটে খাটো সতেজ চেহারার। তবে কাঁধ চওড়া। বাম হাত দিয়ে দরজা খুলে ডান হাত দিয়ে দরজার বাজু ধরে দাঁড়ানো লোকটা তার জন্য পথ খুলে দিলেও আসলে সে পথ আটকেই দাঁড়িয়েছিল। লোকটার বয়স হয়তো চল্লিশ হবে। তার পাতলা হয়ে যাওয়া সাদা সাদা চুলের কারণে সেরকমই মনে হয়। চুলের জন্যই চেহারায় একটা রোমান রোমান ভাব ফুটে আছে। তবে স্বাভাবিক গঠনের তামাটে মুখ, উজ্জ্বল চোখ, খাকি ট্রাউজারের মধ্যে পা দুখানি, ক্ষীণ তবে শক্ত শরীর, স্যান্ডেল এবং পকেটওলা নীল শার্টের কারণে তাকে আরও অল্পবয়সী মনে হয়। চুপচাপ দাঁড়িয়ে লোকটা জ্যাকের ব্যাখ্যা শোনে। তারপর, ভেতরে আসুন, বলে একপাশে সরে পথ করে দেয়। একটা শুধু বাদামী রঙের সিন্দুক আর একটা কাঠের তৈরি ছাতা রাখার স্ট্যান্ড সজ্জিত সাদা রং করা হলরুম পেরিয়ে যেতে যেতে জ্যাক পেছনে লোকটার হাসি শুনতে পায়, তাহলে রীতিমত তীর্থযাত্রা হয়ে গেল। ঠিক আছে, আপনি ঠিক সময়েই এসেছেন।

জ্যাক জিজ্ঞেস করল, কেন?
কৃষক লোকটা বলল, খাবার ঘরে আসুন। এটাই সবচেয়ে ঠাণ্ডা রুম।

খাবার ঘরটা অর্ধেক বারান্দা। সহজে পেঁচিয়ে বোনা যায় এমন খড়ের তৈরি খড়খড়ি; খড়খড়িগুলোর একটা নামানো। কাঠের তৈরি আধুনিক টেবিল এবং বুফে ছাড়া রুমটাতে ছিল রত্তনের চেয়ার এবং ডেক চেয়ার। জ্যাক পেছনে তাকিয়ে দেখল সে একা, লোকটা আসেনি। বারান্দায় এগিয়ে গিয়ে খড়খড়ির ভেতর দিয়ে তাকিয়ে দেখল, সামনে একখণ্ড উঠোন, সেখানে কাগজের গাছপালার মধ্যে চকচক করছে উজ্জ্বল লাল রঙের কয়েকটা কলের লাঙল। সকাল এগারোটার সহনীয় সূর্যের তাপের নিচে দেখতে পেল, সামনের দিকে শুরু হয়ে গেছে আঙুরের ক্ষেত। এক মুহূর্ত পরে লোকটা একটা ট্রেতে সারিবদ্ধ করে সাজানো একটা মৌরির রসের বোতল, দুটো গ্লাস এবং বরফ জলের একটা বোতল নিয়ে ফিরে এল।

লোকটা দুধের মতো সাদা তরল ভরা গ্লাসটা তুলে বলল, আপনি আরও দেরি করে এলে এখানে কোনো কিছুই পেতেন না। এ সম্পর্কে আপনাকে বলার মতো কোনো ফরাসিকেও পেতেন না।
বৃদ্ধ ডাক্তারই আমাকে বলেছেন আপনার এই খামারে আমার জন্ম হয়েছিল।
হ্যাঁ, সেইন্ট আপোর্ত্রের সম্পত্তির একটা অংশ এটা। তবে আমার বাবা মা এটা কিনেছিলেন যুদ্ধের পরে। জ্যাক চারপাশে চোখ বুলিয়ে নিল।

ভেইলার্ড বলল, আমার বাবা মা সবকিছুই নতুন করে তৈরি করেছেন।
ওনারা কি যুদ্ধের আগে আমার বাবাকে চিনতেন? আমার মনে হয় না। ওনারা আগে তিউনিসিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় বসতি স্থাপন করেছিলেন। পরে সভ্যতার কাছাকাছি এলাকায় আসতে চেয়েছিলেন। তাদের কাছে সলফেরিনো ছিল সভ্যতার প্রতীক।
তাহলে তারা আগের ম্যানেজার সম্পর্কে কিছু শোনেননি?
না, যেহেতু এখান থেকেই আপনার শুরু বিষয়টা আপনি ভালো জানবেন। আমরা এখানে কোনো কিছুই সংরক্ষণ করি না। সবকিছু ভেঙেচুরে আবার নতুন করে গড়ি। আমরা শুধু ভবিষ্যতের কথা চিন্তা কর, বাকি সব ভুলে যাই।

জ্যাক বলল, ঠিক আছে। আমি আপনার সময় নষ্ট করলাম শুধু।
জ্যাকের দিকে মৃদু হাসি দিয়ে ভেইলার্ড বলল, না, আপনি এসেছেন এটা তো আনন্দের বিষয়।

নিজের গ্লাসের পানীয়টুকুতে শেষ চুমুক দিয়ে জ্যাক বলল, আপনার বাবা মা কি সীমান্ত এলাকাতেই থেকে গেলেন?
না, সেটা তো এক নিষিদ্ধ এলাকা, মানে বাঁধের কাছের এলাকা। আর আপনি অবশ্যই আমার বাবাকে চেনেন না, তাই না? একথা বলেই সে-ও তার অবশিষ্ট পানীয়টুকু শেষ করে ফেলল।

পানীয় শেষ করায় যেন অতিরিক্ত শক্তি সঞ্চয় হলো এমন ভাব করে সে হাসিতে ফেটে পড়ল, বাবা তো পুরনো ঘরানার একজন আসল ভিনদেশি বসতি স্থাপনকারী। আপনি হয়তো জনেন, তাদের মতো মানুষকে প্যারিসে ভিন্ন চোখে দেখা হয়। সত্যিকার অর্থেই বাবা একজন কঠিন মানুষ। বয়স ষাট বছর, তবে পিউরিটানদের মতোই লম্বা চওড়া এবং হালকা গড়নের। পুরুষ মানুষ হিসেবে নিজের প্রাধান্য বিস্তার করে রাখতে পছন্দ করেন। তার আরব শ্রমিকদের এমনকি সব রকমের স্বচ্ছতার ভেতর দিয়ে হলেও তার ছেলেদেরও কঠিন পরিশ্রম করিয়েছেন বাবা। তারপর গত বছর যখন তাদের বের করে দেওয়া হয় সেটা সবার জন্য উন্মুক্ত একটা সুবিধা হয়ে দাঁড়ায়, কেননা ওখানকার জীবন অসহনীয় হয়ে উঠেছিল। ঘুমানোর সময় বন্দুক কাছে নিয়ে ঘুমাতে হতো। রাসকিল খামারে আক্রমণের সময়ের কথা আপনার মনে আছে?
জ্যাক বলল, না।

মালিক আর তার দুই ছেলের গলা কেটে হত্যা করা হয়েছিল। মা এবং মেয়েকে উপর্যুপরি ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছিল। কৃষকদের একটা সভায় জেলাধ্যক্ষ সাহেব দুর্ভাগ্যবশত বলে ফেলেছিলেন, ঔপনিবেশিক বিষয়গুলো তাদের আরেকবার ভেবে দেখা উচিত, মানে তারা আরবদের কী চোখে দেখবে। কেননা নতুন সময় এসেছে। তারপর একজন বৃদ্ধ তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, কারো সম্পত্তি সম্পর্কিত আইন কেউ নিজে তৈরি করতে পারে না। তবে তার পরদিন থেকে তিনি আর মুখ খোলেননি। মাঝে মাঝে রাতে বিছানা থেকে উঠে তিনি বাইরে বের হতেন। আমার মা তার ঘরের খড়খড়ির মধ্যে দিয়ে তাকিয়ে দেখেছেন, তিনি তার জমির আশেপাশে হাঁটহাঁটি করছেন। ছেড়ে যাওয়ার হুকুম যখন এল তিনি কোনো কথাই বললেন না। তার আঙুরের মৌসুম শেষ হয়ে গিয়েছিল, তার মদ সংরক্ষিত ছিল ভাঁটিতে। ভাঁটিগুলো খুলে তিনি লোনা জলের একটা ঝরনার কাছে গেলেন। আগে থেকেই তিনি এই জলের ধারা আলাদা করে রেখেছিলেন। এবার তার মাঠের দিকে স্রোতের ধারা চালিয়ে দিলেন। মাটি খোঁড়ার লাঙল দিয়ে সজ্জিত করলেন তার কলের লাঙল। তার জমির ভেতরে লতাগুল্মের গাছগুলো তোলার জন্য একটানা তিন দিন খালি মাথায় কাজ করলেন কলের লাঙল চালিয়ে। কল্পনা করুন ওই বৃদ্ধ লোকটি কলের লাঙলের উপরে বসে লাঙলের ঝাঁকুনিতে উঠা-নামা করছেন, অন্য লতাগুল্মলোর চেয়ে মোটা কোনো লতায় তার লাঙল আটকে গেলে এক্সেলারেটারে চাপ দিচ্ছেন, খাওয়ার জন্যও থামছেন না। আমার মা তার জন্য রুটি, পনির নিয়ে গেলে চুপচাপ খেয়ে নিচ্ছেন। তিনি অবশ্য অন্যান্য সব কাজই এরকম নীরবে করে যান। রুটির শেষ টুকরো শেষ করেই আবার কলের লাঙলের উপরে উঠে বসছেন। সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত তিনি এভাবে কাজ করছেন, দিগন্তের পাহাড়ের দিকে তাকাচ্ছেন না, দূর থেকে তাকে হঠাৎ দেখতে পেয়ে যেসব আরব লোক তার দিকে তাকিয়ে আছে তাদের দিকেও তার খেয়াল নেই। তারাও কিছু বলছেন না তাকে। কার কাছ থেকে যেন খবর পেয়ে যখন এক অল্প বয়সী ক্যাপ্টেন এসে ব্যাখ্যা দাবি করল তিনি বললেন, ইয়াং ম্যান, আমরা যা করছি সেটা যদি অপরাধ হয়ে থাকে তাহলে তো সেটাকে তুলে ফেলতে হয়। সবকিছু শেষ হয়ে গেলে তিনি খামার বাড়ির দিকে হাঁটা দিলেন, ভাঁটির মদে ভেজা উঠোন পেরোলেন এবং ব্যাগ গোছানো শুরু করলেন। আরব শ্রমিকরা তার অপেক্ষা করে উঠোনে দাঁড়িয়েছিল। ক্যাপ্টেনের পাঠানো প্রহরীও ছিল। কেউ জানেনি, কী কারণে পাঠানো হয়েছিল, লোকটা তার সহকারীকে নিয়ে হুকুমের অপেক্ষায় ছিল।

চলবে………

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩০

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২০

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১০

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১

 

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

পার্বত্য চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে রাঙামাটির বাঘাইহাট ও সাজেক পরিদর্শন শেষে স্থানীয় বিজিবি সেক্টরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি বন্ধে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “৫ আগস্টের পর সমতলের অনেক থানার অস্ত্র লুট হয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধার হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।”

পাহাড়ের উন্নয়নকে সঠিক জায়গায় পৌঁছানোর জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

এই সফরে তিনি বিজিবির বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং সৈনিকদের খোঁজ-খবর নেন। এছাড়া, তিনি রাঙামাটি বিজিবি সেক্টর পরিদর্শন করেন।

সাজেকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে অস্থায়ীভাবে ফায়ার সার্ভিসের একটি গাড়ি নিয়োজিত রাখার নির্দেশনা দেন তিনি। ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালককে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেন।

Header Ad
Header Ad

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা। ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিরপুর এলাকার সাবেক সমন্বয়ক তানিফা আহমেদ এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

বুধবার (২ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ১০ জন নিহত হন, যার মধ্যে তানিফা আহমেদও ছিলেন।

বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় মুখপাত্র উমামা ফাতেমা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তানিফার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি লেখেন— “তানিফা আহমেদ ছাত্র আন্দোলনের প্রতি অত্যন্ত নিবেদিত ছিলেন এবং তিনি সব সময় নিষ্ঠার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করতেন। তার অকালমৃত্যু সংগঠনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

তানিফার আকস্মিক মৃত্যুতে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উমামা ফাতেমা বলেন, “তিনি শুধু একজন নেতা ছিলেন না, বরং বিশ্বাস ও আদর্শের জন্য কাজ করে গেছেন।”

সংগঠনের পক্ষ থেকে তানিফার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয় এবং তার সহকর্মীদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

উমামা ফাতেমা আল্লাহর কাছে তানিফার আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করার দোয়া করেন।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২