রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

পদ্মা সেতু উদ্বোধন

দক্ষিণবঙ্গের মানুষের কাছে জেল থেকে মুক্তির আনন্দ

দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের কাছে ‘পদ্মা সেতু’ হচ্ছে জেল জীবনের অবসান হওয়ার মত। যাবৎজীবন জেল খেটে একটা মানুষ যখন মুক্ত আকাশ দেখে দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়েন ঠিক সেরকমই অনভূতি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের।

২৫ জুন উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বহুল প্রতিক্ষীত পদ্মা সেতুর। যার জন্য বছরের পর বছর নিজেদের মনের গহীণে স্বপ্ন বুনেছিলেন পদ্মার দক্ষিণ পাড়ের ২১ জেলার মানুষ। অপেক্ষায় দিনের পর দিন কাটিয়েছিলেন। সেই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দুরোগের অবসান ঘটতে যাচ্ছে আর মাত্র তিন দিন পর।

যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরবির্তন আসার পাশাপাশি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ঘটবে শিল্প বিপ্লব। হবে আর্থসামাজিক উন্নয়ন। তবে সবকিছু ছাপিয়ে এখন পরিবহন চালকদের মুখে মুক্তা ঝরানো হাসি। আর ফেরিঘাটে অপেক্ষা করতে হবে না ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

মাওয়া ফেরিঘাট ব্যবহার করে দক্ষিণাঞ্চলের জেলা বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরগুনা, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বাগেরহাট, খুলনা, যশোর, নড়াইল, সাতক্ষীরা, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জসহ অন্যান্য জেলাগুলোতে নিয়মিত ঢাকা থেকে যাতায়াত করে যাত্রবাহী বাস। কোন কোন পরিবহনের গাড়ি মাওয়া ঘাটে গিয়ে লঞ্চে যাত্রীদেরেকে পারাপার করে অপরপ্রান্ত থেকে নিজেদের পরিবহনে গন্তব্যে পৌঁছে দিত। একইভাবে ওই পার থেকে যাত্রীদের নিয়ে আসা হত মাওয়া প্রান্তে তারপর গাড়িতে করে ঢাকায়। এখন আর সেই ঝুঁকি নিতে হবে না পরিবহনগুলোকে।

পরিবহন চালকরা বলছেন, পদ্মা সেতু তাদের জীবনের গল্প পাল্টে দিচ্ছে। বিষিয়ে উঠা জীবনে স্বস্তি ফিরছে তাতেই চালকরা খুশি।

ইমাদ পরিবহনের চালক জহিরুল ইসলাম বলেন, গত ২৫ বছর ধরে এই সড়কে গাড়ি চারিয়ে জীবনটা একেবারে বিষিয়ে উঠেছিল। ফেরঘিাটের অপেক্ষা ছিল মৃত্যুর চেয়ে ভয়ঙ্কর। ঝড়বৃষ্টি আর ঘন কুয়াশায় যখন ফেরি বন্ধ থাকত তখন তো অপেক্ষার শেষ হত না। পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ায় সব কষ্ট দূর হয়ে গেছে।

এই চালক বলেন, পদ্মা সেতু হলে যাত্রীদেরও কষ্ট কমে যাবে। এক্ষেত্রে হয়ত কিছুটা বাড়তি ভাড়া গুণতে হবে যাত্রীদেরকে। তবে সেটা কুব বেশি হবে না। তিনি বলেন, সেতু দিয়ে যখন গাড়ি চলাচল করবে ‍যাত্রী প্রতি বাড়তি ৩০ টাকা ভাড়া বেশি হতে পারে। ফেরি পারাপারে গাড়ি প্রতি খরচ হয় ১৮০০ থেকে ১৯০০ টাকা দিতে হয় উল্লেখ করে তিনি জানান, সেতুতে সেটা হয়তো ২৩০০ থেকে ২৪০০ টাকা হতে পারে। তাহলে বাড়বে ৬০০ টাকা। এক্ষেত্রে জনপ্রতি হয়তো ২০ টাকা করে বাড়তে পারে।

গ্রীণ লাইনের চালক আল মামুন বলেন,১৫/১৬ বছর ধরে গ্রীণ লাইনের এসি বাস চালাই। দেশের উত্তরবঙ্গ-দক্ষিণবঙ্গ সব জায়গায়ই গাড়ি চালিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী দেশের যে উন্নয়ন করেছেন সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে সব উন্নয়নকে ছাপিয়ে গেছে পদ্মা সেতু। এই সেতুর কারণে এখন নতুন নতুন গাড়ি যাবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে। তিনি বলেন, আগে লোকজন বলত, সব পুরোনো, ভাঙ্গাচুরা গাড়ি যেত দক্ষিণে। সেতু হয়ে যাওয়ায় এখন নতুন আর দোতলা বাস যাবে। এখন আর সেটা বলবে না।

ইমাদ পরিবহনের চালক রানা মোল্লা বলেন, বছরে পর বছর কষ্ট করে আসছি। একটা ট্রিপ নিয়ে ঘাটে আসার পর দ্বিতীয় ট্রিপ দিতে মন চাইতো না। আবহাওয়া যাই থাক, ঘাট পাড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতেই হতো। সেই দিনের অবসান ঘটছে পদ্মা সেতুর মধ্য দিয়ে।

শাহীন মোল্লা বলছিলেন, তিনি গাড়ি চালান ঢাকা-খুলনা-সাতক্ষীরা রোডে। কিন্তু গাড়ি চালাতে গিয়ে যেন জীবনটাই শেষ হয়ে যেত। এতো কষ্ট বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। এখন মনে হচ্ছে সব কিছু পানির হয়ে গেছে। এই তো আর তিন চার দিন পরই সেতু দিয়ে গাড়ি চালব। সেদিনের অনুভূতিটা যে কেমন হবে তা আপনাকে বলে শেষ করতে পারব না।

পদ্মা সেতু চালু হওয়ার কথা শুনে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষকে নিরাপদে ও কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে নতুন নতুন পরিবহন নামছে। ইমাদ পরিবহন, শ্যামলী, গ্রীণ লাইন, সাকুরা, ইউনিক, হানিফ ও এনা পরিবহন আরও অনেকগুলো পরিবহন নতুন বাস নামাচ্ছে যাত্রীসেবা দিতে।

২৬ জুন থেকেই পদ্মা সেতু হয়ে এসব পরিবহন যাবে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে।

 

এএনএইচবি/

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। রবিবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে যেসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, সেগুলোর প্রভাব মোকাবিলা করা কঠিন হবে না।

তিনি জানান, “ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। আমাদের রপ্তানি বাজার বহুমুখী, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছি।”

ঈদের পরবর্তী সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “মানুষ এবার ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করেছে। মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যার প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।”

সালেহউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং যেকোনো বৈশ্বিক চাপে তা টিকে থাকতে সক্ষম হবে।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫