বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪ | ৯ শ্রাবণ ১৪৩১
Dhaka Prokash

নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িত রেল কর্মকর্তা কুদরতের সম্পত্তির পাহাড়

রাজশাহীর বহরমপুরে কুদরতের বিলাসবহুল বাড়ি। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

সম্প্রতি রেলের সাবেক প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী (পশ্চিম) কর্মকর্তা কুদরত ই খুদার নারী কেলেঙ্কারির ঘটনায় গোটা রেল অঙ্গনে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে এবং রেলভবনের চায়ের কাপের প্রধান আলোচনা এই প্রেম কাহিনী। শুধু নারী কেলেঙ্কারীই নয় রেলে দুর্নীতির মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন সম্পত্তির পাহাড়।

উল্লেখ্য যে, রাজশাহী রেল মেডিকেলের হিন্দু ধর্মের এক মহিলা কর্মচারীর সাথে তার ৩ বছরের অনৈতিক সম্পর্কের রেশ ধরে তাকে বিয়ে করতে রাজী না হওয়ায় উক্ত মহিলা কর্মচারীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী (পশ্চিম) থেকে বদলি করে ঢাকায় যুগ্ম মহাপরিচালক হিসেবে বদলি করে আনা হয়। টুম্পা ছাড়াও আরও অনেকের সাথে সম্পর্ক থাকায় কুদরতের সাথে প্রায়ই তার উপপত্নী টুম্পা রাণীর সাথে মনোমালিন্য হত। কিন্তু তবুও তার এ অপকর্মের পথচলা থামাতে পারেনি। এই কাজে কুদরতকে সহযোগিতা করতে কয়েকজন ঠিকাদার। আরও পড়ুন: রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নারী কেলেঙ্কারি, রেল সচিবের কাছে অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

 মুহাম্মদ কুদরত-ই-খুদা এবং টুম্পা রাণী সরকার। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি তার আরেক মহা দুর্নীতির তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। রেলের আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় নিয়োগ নিয়ে তিনি দুর্নীতি করেছেন বলে জানা গেছে। অনুসন্ধানে জানা যায় যে, পশ্চিমাঞ্চল যান্ত্রিক বিভাগে প্রায় ৪৭৩ জন্য কর্মী আউট সোর্সিং প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়া হয় যা সবই অনুমোদন করেন কুদরত ই খুদা। আউট সোর্সিং নিয়োগ বিধিমালা -২০১৮ এর ৩(১) ধারা মতে- আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে কোন পদ সৃষ্টির প্রয়োজন হবে না এবং কোন পদের বিপরীতেও এ সেবা ক্রয় করা যাবে না। ৩(১০) ধারা মতে আউট সোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা প্রদানকারী ব্যক্তির বয়স সীমা ১৮-৬০ বছর। ১২ টি ক্ষেত্রে ৫ ক্যাটাগরিতে আউটসোর্সিং নিয়োগ সম্পন্ন করা যাবে অঞ্চলভেদে যাদের ন্যূনতম বেতন ১৬, ১৩০/ টাকা থেকে ১৯,১১০/ টাকা পর্যন্ত।

পিপিআর-২০০৮ এর ৭৬(৫) ধারা মতে সন্তোষজনক সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সহিত পুনরায় চুক্তি নবায়ন করা যাবে অর্থাৎ একবার আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় নিয়োগ পেয়ে গেলে ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত আর চাকুরির নিয়ে চিন্তা থাকার কথা না।

আগে যে টিএলআর বা অস্থায়ী শ্রমিক নিয়োগ করা হত তা ছিল কেবল শূন্য পদের বিপরীতে, ফলে সেখানে পদ শূন্য না থাকলে নিয়োগ করার কোন সুযোগই থাকতো না। অথচ এখন একেবারে এক্ষেত্রে উদারহস্ত যে কোন সরকারি অফিস ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির যে কোন পদে যত ইচ্ছে নিয়োগ আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় নিয়োগ প্রদান করতে পারবে। তাছাড়া প্রতি বছর শেষে সেবাদানকারী ঠিকাদারের সাথে সেবা গ্রহণকারী কর্মকর্তা পুনরায় ১ বছরের চুক্তি নবায়ন করতে পারবে।

এই বিধিমালার পুরো অসদব্যবহার করতে কুদরত তার পুরো শক্তি নিয়োগ করেন। লোকজনের মাঝে তার বাহিনী ছড়িয়ে দেয় যে এটা এক ধরনের সরকারী চাকুরী। ৬০ বছর পর্যন্ত একজন কর্মচারী এই চাকরি করতে পারবে। এমন প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে কুদরত বাহিনী তথা কিছু অসাধু ঠিকাদার, কিছু দালাল, নারী ঠিকাদার এবং সুযোগসন্ধানী নানা গ্রুপের প্ররোচনায় চাকরিপ্রার্থী প্রত্যেকের নিকট ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষের বিনিময়ে তিনি ৪৭৩ জনকে নিয়োগ প্রদান করেন যাতে প্রায় ৫০-৬০ কোটি টাকার নিয়োগ বাণিজ্য হয় যেখানে কুদরতের শেয়ার ২০-৩০% এর কোন অংশেই কম নয় বলে জানা যায়।

কুদরত ই খুদা টেন্ডারের মাধ্যমে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে নিয়োগ দিলেও বাস্তবে তার প্রতি জনের বিপরীতে ৩ লাখ টাকা পাওয়ার পরই নিয়োগে সম্মতি দিতেন। রাজশাহী, লালমনিরহাট, পাকশী, সৈয়দপুর এই ৪ জায়গায় ৪৭৩ জন নিয়োগে তিনি প্রায় ১০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে নিয়োগ বাণিজ্য করেন বলে অনুসন্ধানে জানা যায়।

কুদরত লালমনিরহাট, পাকশী,রাজশাহী এবং সৈয়দপুরে ১৬ টি প্যাকেজে ৬ টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কে উক্ত কাজগুলো দেন। এই টেন্ডারগুলো তদন্ত করলে আরও থলের বিড়াল বের হয়ে আসবে বলে ধারণা করা যায়। কারণ এই প্রতিষ্ঠানগুলোর এই আউটসোর্সিং কাজ করার কোন অভিজ্ঞতা নাই এবং তাদের ন্যূনতম যোগ্যতাও নাই। কলকারখানা পরিদর্শন দপ্তর থেকে যে সার্টিফিকেট নেওয়া লাগে তার সবই ভুয়া। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে র‍য়েছে মডার্ন এন্টারপ্রাইজ, জামান এন্টারপ্রাইজ, জাকি এন্টারপ্রাইজ, জান্নাত এন্টারপ্রাইজ, জান্নাত এন্টারপ্রাইজ, এইচ এন্ড এইচ এন্টারপ্রাইজ এবং শাহ আমান্ত এন্টারপ্রাইজ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কুদরতের দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া এই ৪৭৩ জনের মধ্যে অর্ধেককেই মাঠে পাওয়া যায়নি। এইসব কর্মচারী সংশ্লিষ্ট ইনচার্জের সাথে বেতনের ৩০% বা ৪০% দেওয়ার চুক্তিতে রয়েছেন। এর ফলে কাউকে অফিস করতে হয় না। প্রতি মাসে একদিন অফিসে এসে সাইন করে গেলেই হয়। পরে মাস শেষে ইনচার্জকে চুক্তি মোতাবেক পার্সেন্টেজ দিয়ে টাকা তুলে নিয়ে যায়। এভাবেই ইনচার্জরা তাদের কমিশন বাণিজ্য নিয়মিত পরিচালনা করে আসছেন। তাছাড়া বাকী যারা সার্ভিসে আছেন তাদেরও বড় একটা অংশ বড় স্যারদের বাসায় বাসায় ৪/৫ জন করে পালাক্রমে ডিউটি করছেন। তাদের কেউ স্যারের নিয়মিত বাজার করেন, কেউ সবজি বাগান করেন, কেউ আবার স্যারের ছেলেমেয়েকে স্কুলে আনা নেওয়ার কাজ করেন। এভাবেই চলছে তথাকথিত আউটসোর্সিং এর নামে নিয়োগকৃত কর্মচারীদের দিনকাল। এছাড়াও রেলভবনের অনেক প্রভাবশালী স্যার মেডামদের বাসায়ও আউটসোর্সিং নিয়োগ প্রাপ্তরা কাজ করে থাকেন।

এছাড়াও আফরাইম এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী সাইফুজ্জামান (চপল) নামে কুদরতের আছে নিজস্ব ঠিকাদার বা পার্টনার। এই সাইফুজ্জামানের গ্রিন সিগন্যাল ছাড়া মেকানিক্যাল ডিপার্টমেন্টের কোন কাজ করা কোন ঠিকাদারের সম্ভব নয়। নতুন কোনো ঠিকাদার আসলে কৌশলে সেই ঠিকাদারকে সাইফুজ্জামানের ইশারায় কঠিন কাজ দেয়া হয়। পরে অফিস থেকে বলে দেয় এই কাজ আপনাকে উঠিয়ে দিবে সাইফুজ্জামান। তাছাড়াও পশ্চিমাঞ্চলের যান্ত্রিক বিভাগের সৈয়দপুর পার্বতীপুর পাকসী দপ্তরের প্রধানগণ অনেক সময় কাজ অন্য ঠিকাদারকে দিলেও বলে দেন মালামাল যেন সাইফুজ্জামানের থেকে নেয়া হয়। এই সুযোগে সাইফুজ্জামান (চপল) ২ লাখ টাকার মালামাল ৮-৯ লাখ টাকার বিক্রি করেন। এই লাভের একটি অংশ যায় কুদরতের পকেটে। এই ভাবে কদরতের সাথে অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন সাইফুজ্জামান। এছাড়াও অনেক ঠিকাদার বলেন সাইফুজ্জামান (চপল) এর অর্ধেক সম্পদের মালিক কুদরত।এই সাইফুজ্জামানের সম্পদের তথ্য খুজলে কুদরতের আরও সম্পদের তথ্য পাওয়া যাবে বলে রাজশাহীর ঠিকাদারদের একটি অংশ নিশ্চিত করেছেন। এছাড়াও সৈয়দপুর পার্বতীপুরের অনেক রেলওয়ে কর্মকর্তা সাইফুজ্জামানের পকেটে থাকেন বলে অনেকেই নিশ্চিত করেছেন।

রাজশাহীর পদ্মা আবাসিকে কুদরতের ব্যবসায়িক পার্টনার সাইফুজ্জামান(চপল) ও কুদরতের একাধিক ফ্লাট।ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

এছাড়াও কুদরত একের পরে এক লাভজনক পদে থাকার সুবাদে তিনি প্রায় শত কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। রাজশাহী বহরমপুর সম্প্রতি তিনি ৫ তলার একটা আলিশান বাড়ি গড়েছেন। যার বাজার মুল্য আনুমানিক ৮-১০ কোটি টাকা। এই বাড়িতেই তিনি সপরিবারে বসবাস করেন। এছাড়াও রাজশাহী শহরের শিরোইল কলোনীতে তার রয়েছে একটা ৫ তলা বাড়ি, পদ্মা আবাসিকে একাধিক ফ্ল্যাট। রাজশাহী রেলভবনের একটি সূত্রে জানা যায়, ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ২টি, মোহাম্মদ ও ধানমন্ডিতে ১ টি করে ফ্ল্যাট রয়েছে কুদরতের। তাছাড়া ঢাকায় এক রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ীর সাথে তার রয়েছে পার্টনারশিপ ব্যবসা।

এসব বিষয়ে জানতে কুদরত-ই-খুদার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তার ব্যবহৃত অফিশিয়াল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

টুম্পা রাণীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে কুদরতকে রেলভবনে নামকাওস্তে বদলি করা হলেও অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে তিনি রাজবাড়ি ক্যারেজ ও ওয়াগন মেরামত কারখানার প্রকল্প পরিচালক হিসেবে এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। কুদরতের এই দাপটের সহযোগী হিসেবে রয়েছে নীতিহীন কিছু রেল কর্মকর্তা এবং কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। হয়তো অচিরেই আরেকটা ঘটনার আড়ালে এসব ঘটনা সব চাপা পড়ে যাবে। দুর্নীতিবাজ চরিত্রহীন রেলওয়ের কর্মকর্তা কুদরতের কিছু হবে জাতিও এমনটাও আশা করে না। কারণ অসাধু ব্যবসায়ী, কর্মকর্তা এবং প্রভাবশালী মহলের চাপে রেলপথ মন্ত্রণালয় অনেকটাই মেরুদণ্ড সোজা করে দৃষ্টান্তমূলক কিছু পদক্ষেপ নিবে নাকি ম্যানেজ হয়ে ঘুমে থাকার ভান করবে সেটিই এখন দেখার বিষয়।

Header Ad

গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিক হাসান মেহেদি নিহত

ছবি: নিহত সাংবাদিক হাসান মেহেদী

রাজধানীতে যাত্রাবাড়ীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের সময় হাসান মেহেদী নামে এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। নিহত সাংবাদিক হাসান মেহেদী ঢাকা টাইমস-এ কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি বেসরকারি টেলিভিশন নিউজ২৪-এর রিপোর্টার ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মারা যান।

নিহত মেহেদীর ৭ মাসের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তিনি পরিবারসহ যাত্রাবাড়ী এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

সোয়া আটটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা টাইমসের প্রধান প্রতিবেদক সিরাজুম সালেকিন।

আমার সন্তানের লাশের বিনিময়ে দেশে শান্তি চাই: নিহত তানভীরের মা

নিহত তানভীর। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরায় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী জাহিদুজ্জামান তানভীন। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে এখন পাগলপ্রায় তার মা। থেকে থেকেই মূর্ছা যাচ্ছেন, বিলাপ করছেন তানভীনের মা বিলকিস জামান। তিনি বলেন, ‘আমার সন্তানের লাশের বিনিময়ে দেশে শান্তি চাই।’

বিলকিস জামান বলেন, ‘আমার ছেলে দেশের জন্য শহীদ হয়েছেন। আল্লাহ তাকে জান্নাতে স্থান দেবেন।

এসময় শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ চেয়ে তিনি বলেন, আর যেন কোনো মায়ের বুক খালি না হয়।

জাহিদুজ্জামান তানভীন মা-বাবা আর এক বোনকে নিয়ে থাকতেন উত্তরা আজমপুর কাঁচাবাজার জামতলার ভাড়া বাড়িতে। ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি ইউনিভার্সিটিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

জাহিদুজ্জামান তানভীনের মামা সমকালের সাংবাদিক আবু সালেহ মুসা বলেন, অত্যন্ত মেধাবী জাহিদুজ্জামান তানভীনের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের ডিটি ভিশারা গ্রামে। তার বাবা শামসুজ্জামানও একজন ইঞ্জিনিয়ার। বৃহস্পতিবার সকালে আজমপুর ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য বের হয়েছিলেন তিনি। বারোটার দিকে সংবাদ পান ভাগ্নে গুলিবিদ্ধ হয়ে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে আছেন। এরপর হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন আদরের ভাগ্নে মারা গেছেন।

তানভীনের মামা আরও জানান, তার ভাগ্নে ও চারজন বন্ধু মিলে এনএনটিএস ড্রোন কোম্পানি খুলেছিলেন। আজ দেশের জন্য তার ভাগ্নে জীবন দিয়েছেন।

রাতেই মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখানেই দাফন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।

অস্ত্র জমা দিয়েছি কিন্তু ট্রেনিং জমা দিইনি : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে অস্ত্র জমা দিয়েছি কিন্তু ট্রেনিং জমা দিইনি, চেতনা জমা দিইনি। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে কোটি কোটি মানুষ আছেন তারা কখনোই অশুভ শক্তির কাছে মাথা নত করতে পারে না, আপস করতে পারে না। ৭১ সালে এই অপশক্তিকে পরাজিত করা হয়েছে। ৫৩ বছর আগে যেভাবে পরাজিত করেছি দরকার হলে আরেকবার লড়ব।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা শ্রমিক-কর্মচারী-পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা এর বিরুদ্ধাচরণ করি না। আমাদের একটাই দাবি যেন আন্দোলনের নামে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত না করা হয়। সুন্দরভাবে আন্দোলন চলছিল বাধা দেওয়া হচ্ছিল না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হঠাৎ রাতের অন্ধকারে জামায়াত শিবির ও ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা ঢুকে যে তাণ্ডব চালিয়েছিল তারপরেই আন্দোলন যারা শুরু করেছিল তাদের হাতে থাকেনি।

আন্দোলন ইতোমধ্যে ছিনতাই হয়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের হাতে চলে গেছে উল্লেখ করে আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, চলে গেছে বলেই গত তিন দিন ধরে সংঘাত, নৈরাজ্য চলছে। যা আমরা দেখছি।

প্রধানমন্ত্রীর গতকাল দেওয়া জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের কথা উল্লেখ করে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী বলেন, শুধু বাঙালি জাতি নয় সারা বিশ্ব এর প্রশংসা করেছে। তারপরও কারা আজ এই সন্ত্রাস করেছে, ভাঙচুর করেছে, অগ্নিসংযোগ করেছে?

তিনি বলেন, যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়, যারা অতীতে সকল আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে এবং বিএনপি মহাসচিবও বলেছেন আমরা যা পারিনি এখন তাই করা হচ্ছে। অর্থাৎ তারা আমাদের কোমলমতি সন্তানদের সামনে নিয়ে একটি অশুভ চক্রান্ত করছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য।

সর্বশেষ সংবাদ

গুলিবিদ্ধ হয়ে সাংবাদিক হাসান মেহেদি নিহত
আমার সন্তানের লাশের বিনিময়ে দেশে শান্তি চাই: নিহত তানভীরের মা
অস্ত্র জমা দিয়েছি কিন্তু ট্রেনিং জমা দিইনি : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
ইন্টারনেট বন্ধ করায় গ্রামীণফোনের হেডঅফিস ঘেরাও
ধৈর্যের পরীক্ষা দিচ্ছি, এটি দুর্বলতা নয়: ডিবি প্রধান
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সেতু ভবনে আন্দোলনকারীদের আগুন
নরসিংদীতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিহত
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক
উত্তরায় সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিহত
নওগাঁয় কোটাবিরোধী মিছিলে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
পুলিশের সাথে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে টাঙ্গাইল রণক্ষেত্র, আহত ৩০
আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে স্ট্যাটাস, তোপের মুখে শিরিন শিলা
রাজধানীর উত্তরায় সংঘর্ষে ৪ জন নিহত
ধানমন্ডিতে সংঘর্ষে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীর মৃত্যু
২১ থেকে ২৫ জুলাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
শান্তিপূর্ণ সমাধানের দিকে এগোতে চায় সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী
রাজধানীতে সংঘর্ষে এবার ইমপেরিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী নিহত
রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় আগুন
আইনমন্ত্রীর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন কোটা আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ
রামপুরায় বিটিভি ভবনে আগুন