রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

নতুন প্রকল্প নয়, চলমান প্রকল্প দ্রুত শেষ করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

নতুন প্রকল্প গ্রহণ না করে চলমান প্রকল্পসমূহের কাজ নির্ধারিত সময়ে নিশ্চিত করা, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ব্যতীত অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প গ্রহণকে নিরুৎসাহিত করতে অনুশাসন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই অনুশাসন যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে চিঠি ইস্যু করেছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিযা স্বাক্ষরিত এই চিঠিতে ১৫টি নির্দেশনা দিয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হল। গত ১৩ জুন ইস্যু করা হয় চিটির অনুলিপি সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব, সকল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিবকে দেওয়া হয়েছে।

ওই চিঠিতে নতুন প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন ও সংশোধনের জন্য গাইডলাইন তৈরি করার নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বিভিন্ন একনেক সভায় বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন প্রকল্প তৈরি ও বাস্তবায়নের বিষয়ে। তারপরও কোনো কোনো প্রকল্পে ত্রুটি দেখা দিচ্ছে। সঠিক সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ হচ্ছে না। নানান অযুহাতে প্রকল্পের সময় বাড়ছে। একই সঙ্গে ব্যয়ও বাড়ছে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসায় নতুন করে এই নির্দেশনা জারি করা হল।

সূত্র জানায়, নতুন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সাল থেকে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় প্রায় এক হাজারের মতো অনুশাসন দিয়েছেন। যা বাস্তবায়ন করলে কখনো কোনো প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ত্রুটি দেখা দিবে না। কিন্তু দেখা গেছে অনেক মন্ত্রণালয় তা মানে না। তাই প্রকল্প সঠিক সময়ে হচ্ছে না। এতে বাড়ছে ব্যয়। অথচ সরকার প্রতি বছর লাখ লাখ কোটি টাকা উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করছে। চলতি অর্থবছরে সোয়া দুই লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নতুন অর্থবছরের জন্যও আড়াই লাখ কোটি টাকা কোটি বরাদ্দ দিয়েছে।

আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করে ২০০৯ সালে বাংলাদেশের ৬৪ জেলা সদরে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। যা ২০১৪ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু চারবার সংশোধন করে শেষ হয়নি। আবারও দুই বছর সময় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ৭৩২ কোটি টাকার প্রকল্প ব্যয় বেড়ে হয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকা। প্রকল্পটি এক যুগেও বাস্তবায়ন হচ্ছে না। উন্নয়নমূলক প্রায় প্রকল্পের একই দশা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রকল্প যাচাইবাছাই কমিটি কর্তৃক সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও পর্যালোচনা করে দ্রুততম সময়ে প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

তাতে বলা হয়েছে, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ছাড়া অপেক্ষাকৃত কম গুরুতপূর্ণ প্রকল্প গ্রহণকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, ফাষ্ট ট্যাক প্রকল্প, ও মেগা প্রকল্পসহ বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্পে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি উৎপাদনশীলতা, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, সামাজিক সুরক্ষা স্বাস্থ্য সেবার মতো অপরিহার্য প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দে অগ্রাধীকার দিতে হবে।

ঠিকাদার সঠিক সময়ে কাজ বাস্তবায়ন না করলে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নতুন প্রকল্প গ্রহণকালে অ্যালোকেশন অব বিজনেস অনুসরণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে দ্বৈততা পরিহার করতে হবে। প্রকল্প গ্রহণের সকল ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের এমটিবিএফ এর বিষয় বিবেচনা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনে আরও বলা হয়েছে-প্রকল্পের মেয়াদের মধ্যেই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগ থেকে নিবিড় তত্বাবধায়ন নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি(পিআইসি) ও প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটিসহ ( পিএসসি) অন্য সভা যথা নিয়মে নিশ্চিত করতে হবে। জেলা প্রশাসনকে নির্ধারিত সময়ে ভূমি অধিগ্রহণ নিশ্চিত করে প্রত্যাশী সংস্থার কাছে ভূমি দখল হস্তান্তর নিশ্চিত করতে হবে।

বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্প গ্রহণের আগেই পূর্বের অবস্থা যাচাই করার জন্য প্রয়োজনীয় ভিডিও চিত্র ধারণ করতে হবে। নতুন সড়ক নির্মাণে খাল ও নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণে নেভিগেশন চ্যানেল অক্ষুন্ন রাখতে হবে। বৃষ্টির পানি সড়ক থেকে জলাধারে প্রবেশের ব্যবস্থা রাখতে হবে, অগ্নিনির্বাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পানি সংরক্ষণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আরও বলা হয়েছে-একজন কর্মকর্তাকে একাধিক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না। এ বিষয়ে ইতোপূর্বে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে-তা প্রতিপালন করতে হবে। দক্ষ ও কারিগরি জ্ঞান সম্পন্ন কর্মকর্তা নিয়োগে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রকল্প শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকল্পের গাড়ি, যন্ত্রপাতির তালিকা তৈরি করে পরিবহনপুলে জমা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত গাইড লাইনের (পরিপত্র) নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।

সার্বিক ব্যাপারে জানতে সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার যোগাযোগ করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

জেডএ/এনএইচবি

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। রবিবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে যেসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, সেগুলোর প্রভাব মোকাবিলা করা কঠিন হবে না।

তিনি জানান, “ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। আমাদের রপ্তানি বাজার বহুমুখী, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছি।”

ঈদের পরবর্তী সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “মানুষ এবার ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করেছে। মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যার প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।”

সালেহউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং যেকোনো বৈশ্বিক চাপে তা টিকে থাকতে সক্ষম হবে।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫