রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

আলাপচারিতায় আ. ফ. ম রুহুল হক

ছাত্রজীবনের আন্দোলন 'পদ্মা সেতু বানাতে হবে'

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। পদ্মা সেতুর কারণে বদলে যাবে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আর্থসামাজিক অবস্থা। শিল্পায়নের বিপ্লব ঘটবে। বাড়বে মানুষের জীবন যাত্রার মান। যোগাযোগ ব্যবস্থায় আসবে আমূল পরিবর্তন। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্যতম দুই স্থলবন্দর ভোমরায ও বেনাপোলের কর্মকাণ্ড বেড়ে যাবে কয়েকগুণ। ব্যবসা-বাণিজ্যে আসবে গতি। পদ্মা সেতু কি ধরনের বিপ্লব ঘটাতে যাচ্ছে- সে নিয়েই ঢাকাপ্রকাশ-এর পক্ষ থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলছেন ঢাকাপ্রকাশের প্রতিবেদক।

গত ১৬ জুন (বৃহস্পতিবার) সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য আ. ফ.ম.রুহুল হক ঢাকাপ্রকাশের সঙ্গে আলাপচারিতায় পদ্মা সেতুর কারণে কি ধরণের পরিবর্তন আসবে সেসব বিষয়ে নানান কথা বলেছেন। 'পদ্মা সেতু বানাতে হবে' এজন্য ছাত্রজীবনে আন্দোলন করেছিলেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের সাতক্ষীরা- ৩ আসনের সংসদ সদস্য আ.ফ.ম রুহুল হক। তাছাড়া এই সেতু জাতীয় অর্থনীতিতে ধারণার চেয়ে অনেক বেশি অবদান রাখবে বলেও মনে করেন সাবেক এই স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

৭৮ বছর বয়সী এই আওয়ামী লীগ নেতা পদ্মা সেতুর বহুমাত্রিকতার কথা বলতে গিয়ে বলেন, একদিন হয়তো ট্রেনে চড়ে পদ্মাসেতুর ওপর দিয়ে এশিয়া ছাড়িয়ে প্যারিসে চলে যাওয়া যাবে, আমাদের বয়সীরা হয়তো দেখবো না। বিষয়টি সময় সাপেক্ষ নয় বলেও জানান তিনি।

রুহুল হক বলেন, সব সড়কই তো আছে, শুধু সিদ্ধান্তের বিষয় যে, এই সুযোগ আমরা (সংশ্লিষ্ট দেশগুলো) কাজে লাগাবো কিনা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রতীক পদ্মা সেতু যানবাহনের জন্য খুলে দিলে কীভাবে তার সংসদীয় আসনের মানুষ উপকৃত হবে, সারাদেশের মানুষ উপকৃত হবে। এমনকি এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব প্রত্যক্ষভাবে এশিয়া থেকে ইউরোপ পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।

রুহুল হক বলেন,পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ -পশ্চিমাঞ্চলসহ সারাদেশের মানুষ উপকৃত হবে। এখানকার উৎপাদিত মাছসহ কাঁচা পণ্য আগে ফেরির অপেক্ষায় থেকে অনেকখানি পচে নষ্ট হয়ে যেতো। এখন তা হবে না। ফলে সাতক্ষীরার কৃষক বা উৎপাদনকারী উপকৃত হবেন। আবার পচে নষ্ট হওয়া পণ্যের টাকা তুলতে মধ্যসত্ত্বভোগীরা নষ্ট না হওয়া বাকি ভালো পণ্যের দাম বাড়িয়ে নিতেন শহুরে ক্রেতার কাছ থেকে। সেতু হওয়াতে এখন পণ্য পচবে না, তাই শহুরে ক্রেতাকে বাড়তি পয়সাও দিতে হবে না৷ তার মানে শুধু দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ উপকৃত হবে তা নয়, রাজধানীসহ সারা দেশের মানুষই উপকৃত হবে।

সাবেক এই স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগে মাছসহ কাঁচাপণ্যের পচন ঠেকাতে ফরমালিনসহ বিভিন্ন রাসায়নিকের ব্যবহার হতো। ফলে ভোক্তার স্বাস্থ্যহানী হতো। এখন পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়াতে ফেরিতে পড়ে থেকে কাঁচা পণ্য পচে নষ্ট হওয়ার কারণই নেই, তাই ফরমালিন দিয়ে মানুষের স্বাস্থ্যহানীর ঝুঁকিও নেই। কিন্তু স্বাস্থ্যগত এই উপকারিতার কথাতো অর্থনীতির হিসেবে আসবে না। তাই পদ্মা সেতু জাতীয় অর্থনীতিতে যা অবদান রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে, বাস্তবে তারচেয়ে অনেক বেশি অবদান রাখবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক এই স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা অতিমারিতে করণীয় নিয়েও কথা বলেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হিসেবে কমিটির সাম্প্রতিক কার্যক্রম নিয়েও কথা বলেন তিনি। এছাড়া তামাকমুক্ত বাংলাদেশ বাস্তবায়নে 'কক্সবাজার ঘোষণাপত্র' নিয়েও কথা বলেন এই সংসদ সদস্য।

করোনাকালে তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকলে বাড়তি কী উদ্যোগ নিতেন বা কোন উদ্যোগটি এড়িয়ে যেতেন? এমন প্রশ্নের জবাবে আ. ফ. ম রুহুল হক বলেন, করোনার শুরুর দিকে পূর্বানুমানটা (ফরকাস্টিং) আরও যথাযথভাবে করতাম। তবে করোনা ইস্যুটি প্রধানমন্ত্রী নিজে তদারকি করেছেন বলেই পাশ্ববর্তী দেশ ভারতসহ বিভিন্ন দেশের চেয়ে আমাদের দেশে ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম হয়েছে। করোনায় স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক তাদের মতামত নিয়েছেন বলেও জানান আ. ফ. ম রুহুল হক।
এনএইচবি/এএজেড

Header Ad
Header Ad

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসা সংক্রান্ত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি তার স্ত্রীসহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, “স্যার এবং ভাবী হেলথ চেকআপ করাতে সিঙ্গাপুর গেছেন। সেখানে একটি ক্লিনিকে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করবেন। ইতোমধ্যে ডাক্তারদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বিএনপি মহাসচিবের এক সপ্তাহ পর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী।

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক