রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

পদ্মা সেতু-১৫

ঢাকা-বরিশাল দূরত্ব কমবে ৪ ঘণ্টা, সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান

পদ্মা সেতু দক্ষিণ জনপদের ছয় জেলাকে বদলে দেওয়ার নানামুখি স্বপ্ন ও সম্ভাবনা দেখাচ্ছে। সেতুকে ঘিরেই এখন ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্পকারখানা গড়ে উঠার স্বপ্ন দেখছেন বরিশাল তথা ওই বিভাগের অন্য পাঁচ জেলার মানুষ। পর্যটন খাত নিয়েও নদী এবং সাগর ঘেরা দক্ষিণ জনপদে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখছেন সাধারণ মানুষ। বহুমুখী কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি হবে।

রাজধানী ঢাকার সঙ্গে বরিশালের ছয় জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটাতে যাচ্ছে উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা পদ্মা সেতু। যার মধ্য দিয়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে দুর্ভোগ কমানোর পাশাপাশি দূরত্ব কমিয়ে আনবে। এক্ষেত্রে পরিবহন ব্যবসায়ও সম্ভাবনা জাগিয়েছে পদ্মা সেতু।

সাকুরা, হানিফ, ঈগল, গ্লোডেন লইন পরিবহণের বরিশাল অফিসের ম্যানেজাররা বলছেন, পদ্মা সেতুর কারণে সময়ের ব্যবধানে বরিশাল থেকে রাজধানীর ঢাকার দূরত্ব কমবে কমপক্ষে চার ঘণ্টা।

বরিশাল থেকে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর দূরত্ব প্রায় ১৮৭ কিলোমিটার। এই সড়ক পাড়ি দিতে এখন সময় লাগে ছয় থেকে আট ঘণ্টা। কোনো কোনো সময় তারও বেশি বেশি সময় ব্যয় হত বরিশাল থেকে ঢাকা পৌঁছাতে। শুধুমাত্র ফেরিতে উঠতে গিয়েই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকতে হয়। ভোগান্তির শেষ নেই। একইভাবে পণ্যবাহী যানবাহনগুলোকেও ফেরিঘাটে বসে থাকত হয় ২-৩ দিন। কিন্তু পদ্মা সেতু নির্মাণ হওয়ার ফলে এই সময় এখন কমে আসবে সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টায়। একই সঙ্গে দীর্ঘকালের দুর্ভোগেরও ইতি ঘটবে।

সময়ের এই দূরত্ব কমে আসার ফলে সেতু চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বরিশাল, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, কুয়াকাটা সড়কসহ ওই অঞ্চলের অন্যান্য সড়কে দূরপাল্লার যানবাহনের সংখ্যা বাড়বে। সড়ক পথে চাপ বাড়বে যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনের। এখন বেশির ভাগ যানবাহন মাওয়া প্রান্তে গিয়ে লঞ্চে যাত্রী পারাপার করে জাজিরা প্রান্ত থেকে আবার তাদের পরিবহন ধারাই যাত্রীকে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়। এটি কাটা সার্ভিস হিসেবে পরিচিত। সেতু চালু হওয়ার পর এই পরিবহনগুলোও ঢাকা থেকে সরাসরি দক্ষিলাঞ্চলের জেলাগুলোতে যাবে। এর পাশাপাশি অনেক পরিবহন ইতিমধ্যে নতুন গাড়ি প্রস্তুত করে রেখেছে। যেগুলো যাত্রা শুরু করবে সেতু চালুর পর পরই।

আট ঘণ্টায় কুয়াকাটা

পদ্মা সেতু বহুমুখী সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু সাগরকন্যা কুয়াকাটায় ঢাকা থেকে যেতে এখন সময় লাগে ১২/১৩ ঘণ্টা। কখনও তারও বেশি। কিন্তু পদ্মা সেতু সেই সময় কমিয়ে আনছে প্রায় আট ঘণ্টা। কোনো রকম বিরতি ছাড়াই রাজধানী থেকে সমুদ্রের তীরে নামা যাবে ক্লান্তিহীন যাত্রার মধ্য দিয়ে।

কুয়াকাটায় এখন নতুন নতুন হোটেল, রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট গড়ে উঠছে। ব্যবসায়ীদের চোখেও নতুন স্বপ্ন। সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান।

সম্ভাবনার সঙ্গী আশঙ্কাও

পদ্মা সেতু নিয়ে বরিশালের মানুষের মধ্যে যেমন উচ্ছাস আছে, তেমনি আশঙ্কাও আছে। সেতু খুলে দেওয়ার পর যানবাহনের চাপ বাড়বে ঢাকা-বরিশাল সড়কে। ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত অংশে সমস্যা তৈরি না হলেও ভাঙ্গা মোড় থেকে বরিশাল এবং বরিশাল হয়ে পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটায় যেতেই ভোগান্তির শিকার হবেন সবচেয়ে বেশি। যানবাহনের চাপে এই সড়কে যানজট লেগে থাকবে নিত্য। গতি কমবে গাড়ির। কারণ এ সড়কের প্রশস্ততা মাত্র ২৪ ফুট।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত ভাঙ্গা মোড় থেকে বরিশাল এবং বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়ক প্রশস্ত করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।

রোড ট্রান্সপোর্ট অর্থরিটি (বিআরটিএ) বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় বরিশালের সড়ক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ওই সভায় বলা হয়েছে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর পরই বরিশালের দিকে যানবাহনের চাপ বাড়বে। কিন্তু বরিশালে বাইপাস কোন সড়ক নেই।

সভায় আরও বলা হয়েছে, পদ্মা সেতু চালু হলে বরিশালে সড়ক দুর্ঘটনাও বাড়ার আশঙ্কা করছেন তারা। তাই বিকল্প চিন্তাভাবনা করতে হবে, যাতে করে এই অঞ্চলের মানুষ পদ্ম সেতু সুফল পান। এ ব্যাপারে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা জরুরি।

বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. আমিন-উল আহসান বলেন, পদ্মা সেতু চালু হলে বরিশালের সড়কে গাড়ি চলাচল বাড়বে। তাই যানবাহনের এই চাপ সামলাতে চার লেন বাস্তবায়নের আগে বরিশাল-ভাঙ্গা মহাসড়কের সোল্ডার (দুই পাশ) ৩ ফুট করে প্রশস্ত করা হচ্ছে। এ ছাড়া মানুষ দ্রুততম সময়ে ঢাকা যাতায়াত করতে পারবে। কর্মসংস্থান বাড়বে এবং দক্ষিণাঞ্চল মানুষের দুর্ভোগ কমবে।

এনএইচবি/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। রবিবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে যেসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, সেগুলোর প্রভাব মোকাবিলা করা কঠিন হবে না।

তিনি জানান, “ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। আমাদের রপ্তানি বাজার বহুমুখী, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছি।”

ঈদের পরবর্তী সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “মানুষ এবার ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করেছে। মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যার প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।”

সালেহউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং যেকোনো বৈশ্বিক চাপে তা টিকে থাকতে সক্ষম হবে।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫