বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ব্রয়লার মুরগির দাম লেখা ২০০ টাকা, বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকায়

মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) সকাল ৯টা। রাজধানীর অভিজাত ক্রেতাদের বাজার হিসেবে পরিচিত হাতিরপুল কাঁচাবাজার গিয়ে দেখা গেল, একাধিক দোকানে মুরগির মূল্যতালিকা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

এর মধ্যে মায়ের দোয়া পোলট্রি হাউসে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা। অথচ স্টিকারে দাম লেখা ২০০ টাকা। চোখের সামনে সেই স্টিকার খুলে ২১০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

এই কাঁচাবাজারের ক্রেতা সাধারণত হাতিরপুল ও এর আশপাশের এলাকায় বাসিন্দারা। তারা নিয়মিত এ বাজার থেকে কেনাকাটা করেন। এ বাজারে মাছ, মাংস, সব ধরনের সবজি, ফলমূলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি পাওয়া যায়।

এলিট শ্রেণির কাঁচাবাজার নগরীর হাতিরপুল প্রধান সড়কের পাশে গড়ে ওঠা এই বাজারকে বলা হয়, কিছু পণ্যের দাম পূর্ব নির্ধারিত হলেও অন্য সব কাঁচাবাজার থেকে হাতিরপুল কাঁচাবাজারে পণ্যের দাম তুলনামূলক কিছুটা বেশি। এই বেশি দাম নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগের শেষ নেই।

হাতিরপুল কাঁচাবাজারের অধিকাংশ ক্রেতা চাকরিজীবী, যারা প্রতিদিন বাজার করেন না। এদের কেউ এক সপ্তাহ, কেউ ১৫ দিন আবার কেউ এক মাসের কাঁচাবাজার একসঙ্গে করে নিয়ে যায়। মধ্যবিত্ত কিংবা নিম্ন মধ্যবিত্ত সাধারণ ক্রেতাদের উপস্থিতি খুবই কম। তবে তাদের মধ্যে যারা হাতিরপুল কাঁচাবাজারে পণ্য ক্রয় করতে আসেন তাদেরকে ক্রয় করার ক্ষেত্রে দরকষাকষি করতে দেখা যায়।

গরুর মাংস কিনতে আসা একজন নারী এনজিও কর্মী ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন. ‘মাংসের দাম পূর্বনির্ধারিত হলেও অন্যান্য কাঁচাবাজার থেকে হাতিরপুল কাঁচাবাজারে যে মাংস পাওয়া যায় সেটা অপেক্ষাকৃত ফ্রেশ মাংস। তাই কিছুটা দাম বেশি। বাজার দূরে হলেও এখান থেকেই মাসিক বাজার করি।’

১১২ নম্বর মাংসের দোকানের মো. বশির ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, অন্যান্য বারের রমজানে যে পরিমাণ মাংস বিক্রি করেছি এবার তার ধারেকাছেও যাওয়া যাবে বলে মনে হচ্ছে না। আজ সকাল ৭টায় দোকান খুলেছি এখন সকাল ১০টা অথচ মাংস (গরু) বিক্রয় করেছি দুই কেজি। মাংসের দাম কিছুটা কমেছে,এখন ৭২০ টাকা প্রতি কেজি।

কাঁঠাল বাগানের বাসিন্দা মন্নাফ মিয়া নামে একজন ক্রেতা ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘আপনি বেশ কয়েকজনকে দাম জিজ্ঞাসা করছেন এবং আমি আপনার গলায় কার্ড ঝুলানো দেখে সবজি কিনতে রিকশা থেকে নেমে এসেছি। কারণ, সাংবাদিকদের সামনে অন্তত কিছু কম দামে সবজি কিনতে পারব।’

মায়ের দোয়া খাসির মাংসের দোকানদার বিল্লাল হোসেন ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, প্রতি কেজি মাংস ১১০০ টাকা, সকাল থেকে এক কেজিও বিক্রি হয়নি। দাম বেশি তাই কাস্টমার কম। কাস্টমারদের অনেকেই দাম জিজ্ঞাসা করে না কিনে চলে যান।

বেলা সাড়ে দশটার দিকে কথা হয় মুরগির (দেশি) দোকানদার আবুল হাসান এর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘৩০ বছর ধরে আমি এখানে মুরগির মাংস বিক্রি করছি। দেশি মুরগির মাংস বিক্রি করছি প্রতি কেজি ৬৬০ টাকা। কয়েক দিন পূর্বে প্রতি কেজি মাংস বিক্রি করেছি ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা পর্যন্ত।’

সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি কোনো দোকানে ২০০ টাকা আবার কোনো দোকানে ২১০ টাকা, লেয়ার মুরগি প্রতি কেজি ৩৪০ টাকা, পাকিস্তানি সোনালী কক প্রতি কেজি ৩৬০ টাকা। দেশি মুরগি কোনো দোকানে প্রতি কেজি ৬৬০ টাকা আবার কোনো দোকানে ৬৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

কাঁচামাল ব্যবসায়ী তারেক মিয়া ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, সকাল হয়েছে তিন ঘণ্টা, তারপরও বিকিকিনি নাই। রোজা শুরু হওয়ার পর থেকে কাস্টমার ছাড়া সকালেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকছি। সব কিছুর দাম বেশি তাই কাস্টমার কম, এটা ধরেই বসে আছি।

তিনি বলেন, ফুলকপি বড় সাইজ ৪০/৫০ টাকা, পাকা টমেটো প্রতি কেজি ৫০ টাকা, চিকন লম্বা বেগুন ৭০ টাকা, কয়েক দিন আগে ১০০/১২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করেছি। কাঁচা মরিচ খুচরা প্রতি কেজি ১০০ টাকা। তবে পাইকারি প্রতি কেজি ৮০ টাকা, সাদা মরিচ প্রতি কেজি ৭০/৮০, লেবু (বড়) এক হালি ৬০ টাকা, ছোট লেবু প্রতি হালি ৫০/৫৫, শসা প্রতি কেজি ৫০ টাকা।

কথা হয় মাছ ব্যবসায়ী রিয়াদ মিয়ার সঙ্গে। তিনি জানান, রোজার মাসে সকালে তুলনামূলক বেচাকেনা কম হয়। দশটার পর থেকে রাত পর্যন্ত বেচাকেনা হচ্ছে। তবে আগের চেয়ে কম। রুই মাছ প্রতি কেজি ৪৫০ টাকা, শিং মাছ ৩২০ টাকা, শোল মাছ প্রতি কেজি ৪০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ ও গরু মাংস কিনতে আসা একটি বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা (অবসর প্রাপ্ত) আবুল কালাম ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, বাসার কাছে বাজার তাই নিয়মিত বাজার এখানেই করি। যদিও অনেকে বলে থাকেন এই বাজারে নাকি দাম বেশি রাখা হয়।

দাম বেশি জেনেও হাতিরপুল কাঁচাবাজারে কেন আসেন এমন প্রশ্নে তিনি কিছুটা বিরক্ত হয়ে বলেন, ‘আরে মিয়া সুস্থ থাকতে কে না চায়, তাই বেশি দাম জেনেও অপেক্ষাকৃত ফ্রেশ পণ্যের সন্ধানে এখানে আসি।

এনএইচবি/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ

ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং চিৎকার করে সাহায্যের জন্য আকুতি জানান। কেউ কেউ চিৎকার করে বলছিলেন, ‘ভাই, পানি দেন, আমাদের বাঁচান।’

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে সাতখামাইর রেলস্টেশন এলাকায় ঢাকা থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জগামী কমিউটার ট্রেনে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় রেলের কর্মী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।

স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ধলা স্টেশন পার হওয়ার পর ট্রেনের ইঞ্জিন থেকে হঠাৎ ধোঁয়া উঠতে শুরু করে। মুহূর্তেই সেই ধোঁয়া আগুনে রূপ নেয়। আগুন দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকলে যাত্রীরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং অনেকে দ্রুত ট্রেন থেকে নামার চেষ্টা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন লাগার পর অনেক যাত্রী জানালা দিয়ে পানি চেয়ে চিৎকার করেন। চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে দমবন্ধ হয়ে পড়েন অনেকেই।

ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল রুটের জয়দেবপুর জংশনের স্টেশন মাস্টার আবুল খায়ের চৌধুরী জানান, ‘জয়দেবপুর জংশনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও আগুন লাগার পর সাতখামাইর এলাকায় সাময়িকভাবে রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।’

শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘ফায়ার ফাইটার বেলাল আহমেদের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আগুন নেভানোর পর বিস্তারিত জানা যাবে।’

ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে এবং হতাহতের তথ্য জানতে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে তদন্ত করা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোড়ক মন্ডপ নামাটারী সীমান্তে বাংলাদেশি ভেবে এক ভারতীয় নাগরিককে গুলি করে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বৃহস্পতিবার ভোরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবকের নাম জাহানুর ইসলাম (২০)। তিনি ভারতের নাগরিক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে নামাটারী সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার ৯২৯-এর কাছ দিয়ে কয়েকজন ভারতীয় চোরাকারবারি বাংলাদেশে মাদকসহ বিভিন্ন মালামাল পাচারের চেষ্টা করছিল। এ সময় বিএসএফ সদস্যরা তাদের বাংলাদেশি সন্দেহ করে গিদালদাহ মরাকুটি ক্যাম্প ও হরদিাস খামারের ধনিটারী বিএসএফ ক্যাম্প থেকে রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে চোরাকারবারিরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান জাহানুর ইসলাম। পরে তার মরদেহ বিএসএফ নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় আরও দুই ভারতীয় নাগরিক, হারুন ও হাসান, গুলিবিদ্ধ হয়ে দৌড়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। বর্তমানে তারা গোড়ক মন্ডপ সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ গোড়ক মন্ডপ ক্যাম্পের বিজিবি কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ব্যস্ত থাকায় পরে কথা বলবেন বলে জানান।

সীমান্তে বিএসএফের এ ধরনের গুলিবর্ষণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Header Ad
Header Ad

গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের

ছবি: সংগৃহীত

টানা ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে সামরিক অভিযান চালানোর পর এবার গাজার দক্ষিণাঞ্চল দখলের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। দু’জনই পৃথক বার্তায় এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় হাঙ্গেরির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক ভিডিওবার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে রাফাহ ও খান ইউনূসের মাঝামাঝি এলাকায় ‘মোরাগ এক্সিস’ নামে একসময় ইহুদি বসতি ছিল, যেখান থেকে পরবর্তীতে ইহুদিদের উচ্ছেদ করা হয়। তিনি জানান, এবার গাজায় সামরিক অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য ওই অঞ্চলকে পুনরায় ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং নিরাপত্তা জোনের অন্তর্ভুক্ত করা।

নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা গাজা উপত্যকাকে ভাগ করছি এবং ধাপে ধাপে হামাসের ওপর চাপ বাড়াচ্ছি, যেন তারা জিম্মিদের আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়।”

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী জানান, তাদের এই পদক্ষেপের ফলে রাফাহ শহর পার্শ্ববর্তী খান ইউনিস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে এবং রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং সম্পূর্ণ ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। মিসর-গাজা সীমান্তে অবস্থিত এই রাফাহ ক্রসিং এতদিন ফিলিস্তিনিদের জন্য ‘লাইফলাইন’ হিসেবে কাজ করত, যার মাধ্যমে খাদ্য, ওষুধ ও ত্রাণসামগ্রী প্রবেশ করত গাজায়। তবে ইসরায়েল বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, ওই পথ দিয়ে হামাস অস্ত্র পাচার করে।

নেতানিয়াহুর ঘোষণার আগে বুধবার সকালে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, “গাজাকে জঙ্গিমুক্ত করা এবং বিশাল এলাকাকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা জোনের অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে বিরতির পর নতুন অভিযান শুরু হয়েছে।”

দীর্ঘ ২ মাসের যুদ্ধবিরতির পর গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৬ দিনে ইসরায়েলের হামলায় এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুধু বুধবারই নিহত হয়েছেন ৬০ জনের বেশি।

ইসরায়েলের সেনাপ্রধান ইয়াল জামির জানিয়েছেন, তাদের অভিযানের লক্ষ্য হামাসের কব্জায় থাকা অবশিষ্ট জিম্মিদের উদ্ধার করা। আইডিএফ ধারণা করছে, হামাসের কাছে এখনো অন্তত ৩০ জন জীবিত জিম্মি রয়েছে।

ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা গিশা’র তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর দখলের ঘোষণা দেওয়া গাজার ওই অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬২ বর্গকিলোমিটার, যা পুরো গাজা উপত্যকার প্রায় ১৭ শতাংশ।

সূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২
বাংলাদেশকে ভেঙে ফেলার আহ্বান ভারতের ত্রিপুরার রাজপরিবার প্রধানের
বিএনপি কখনোই নির্বাচনের পরে সংস্কারের কথা বলেনি: মির্জা ফখরুল
বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় আটক ৫
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ভ্যাল কিলমার আর নেই
ময়মনসিংহে সিনেমা হলে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে দর্শকদের ভাঙচুর
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া