বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

বাংলাদেশের আগ্রাসী বনাম আয়ারল্যান্ডের ‍উপভোগ ক্রিকেট!

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট শুরু হওয়ার আগে বাংলাদেশের আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ। এই আবহাওয়া প্রকৃতির নয়, বাংলাদেশে দলের। যেখানে সম্পূর্ণ মনযোগ টেস্ট ম্যাচকে ঘিরে থাকার কথা, সেখানে টেস্ট শুরুর ২৪ ঘন্টারও কম সময়ের ব্যবধানে বাংলাদেশ দলের আবহাওয়া এ রকম নাতীশিতোষ্ণ হয়ে উঠেছে। শুরুটা তাসকিনের ইনজুরির দিয়ে। সন্ধ্যায় জানা যায় পুত্র সন্তান অসুস্থ থাকাতে তামিম ইকবালেরও খেলা অনিশ্চিত। এই দুই ঘটনার মাঝে আবার ঘটে সাকিবের এবারের আইপিএলে থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘটনা।

আইপিএলে খেলার জন্য যেখানে প্রতি মৌসুম ছাড়পত্র নিয়ে বিসিবির সঙ্গে সাকিবের একটা মনোমালিন্য তৈরি হয়, সেখানে সাকিবের এমন সিদ্ধান্ত ছিল ‘চমক’। এখন তিনি নিজেকে পুরো সময়টা জাতীয় দলের জন্য দিতে পারবেন। তাসকিনের পরিবর্তে রেজাউর রহমান রাজাকে নেয়া হয়েছে। অপরদিকে তামিম ইকবাল শেষ মুহুর্তে না খেললে মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলামের যে কাউকে দেখা যাবে একাদশে। এ রকম মিশ্র অনুভুতি নিয়েই আগামীকাল (৪ এপ্রিল) বাংলাদেশ দল প্রথমবারের মত আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষ একমাত্র টেস্টের সিরিজ খেলতে নামবে। খেলা শুরু হবে সকাল ১০ টায়।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পথচলা যেখানে ২৩ বছরের, সেখানে আয়ারল্যান্ডের মাত্র ৬ বছরের। বাংলাদেশ খেলেছে ১৩৬টি টেস্ট। আয়ারল্যান্ডের সেই সংখ্যা মাত্র ৩টি। সর্বশেষ তারা খেলেছে ২০১৯ সালে। সার্বিক বিবেচনায় সব দিক দিয়ে বাংলাদেশই এগিয়ে। কিন্তু এই এগিয়ে থাকারও মাঝেও আবার ভয় আছে। আর সেই ভয় হলো টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম কোনও প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে নেমে বাংলাদেশ হারের নোনা স্বাদ পেয়েছে। এমন নজির বাংলাদেশ সর্বশেষ স্থাপন করেছিল ২০১৭ সালে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গেই টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়া আফগানিস্তান।

আজ আয়ারল্যান্ড যদি বাংলাদেশ একই স্বাদ দিয়ে দেয়, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না! আবার আয়ারল্যান্ড আজ খেলতে নামবে বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ের সুখ স্মৃতি নিয়ে। টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে এক প্রকার উড়িয়েই দিয়েই ৭ উইকেটে ম্যাচ জিতেছিল আইরিশরা।

এই হারের আগে বাংলাদেশ কিন্তু আইরিশদের বিপক্ষে ছিল অপ্রতিরোধ্য। এক তরফা ম্যাচ খেলে দলগত ও ব্যক্তিগত রেকর্ডের বন্যায় আইরিশদের ভাসিয়ে দিয়েই বাংলাদেশ এক একটি ম্যাচ নিজেদের করে নিয়েছিল। কিন্তু শেষ ম্যাচে হোচট খাওয়াতে শঙ্কার দানাটা একটু বেশি বড় দেখাচ্ছে।

টেস্ট ম্যাচ হওয়াতে বাংলাদেশের শঙ্কাটা আরকেটু বড় হয়ে উঠেছে। কারণ সাদা পোষাকে লাল বলে বাংলাদেশের অবস্থা খুব একটা সুখকর নয়। কখনই ধারাবাহিক হতে পারেনি। ১৬ জয় আসলেও সেখানে ছিল না কোনও ধারাবাহিকতা। ১৩৬ টেস্টে জয় মাত্র ১৬টিতে। শেষ ৯ ম্যাচে নেই কোনও জয়। একটিতে ড্র করতে পেরেছিল। সর্বশেষ জয় এসেছিল গত বছর শুরুতেই নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে। পরের ম্যাচেই আবার নিউ জিল্যান্ডের কাছে আবার হেরেছে ইনিংস ব্যবধানে। হারের পাল্লা পরে ভারী করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের কাছে দুইটি করে এবং শ্রীঙ্কার কাছে একটিতে হেরে। আজ অবশ্য সেখানে দাড়ি টানার ইচ্ছে প্রবল টাইগারদের। সংবাদ সম্মেলনে জেতার কথাই বলেছেন মেহেদি হাসান মিরাজ।

বাংলাদেশের শঙ্কার মাঝে আশাও আছে। সেই আশাতে আছে আবার আত্মবিশ্বাস ভরপুর। সেই আত্নবিশ্বাসের নাম চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর পরই বাংলাদেশ আছে জয়ের ধারায়। হতে পারে তা রঙিণ ক্রিকেটের দুনিয়াতে। কিন্তু জয়তো। জয়ের সংখ্যাও আবার একটি কিংবা দুইটি নয়। ওয়ানডেতে ৩টি, টি-টোয়েন্টিতে ৫টি। প্রতিপক্ষ হিসেবে আয়ারল্যান্ড ছাড়াও ছিল ইংল্যান্ড।

রঙিণ পোষাকে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে বাংলাদেশ আগ্রাসী ক্রিকেটে খেলেছে। সেই আগ্রাসী ক্রিকেট তারা সাদা পোষাকের ক্রিকেটেও ছড়িয়ে দিতে চায়। কোচের দৃষ্টি ভঙ্গি এমনই।

সাদা পোষাকে পরিবর্তন আনতে বাংলাদেশের ভারতে বিপক্ষে খেলা সর্বশেষ টেস্ট একাদশ থেকে আজকের একাদশে তিনটি পরিবর্তন হতেই যাচ্ছে। নুরুর হাসান সোহান ও জাকির হাসান দলেই নেই। ইনজুরিতে পড়ে ছিটকে গেছেন তাসকিনও। সেই সংখ্যা বেড়ে চার হতে পারে যদি তামিম না খেলেন।

বাংলাদেশে খেলা মানেই স্পিন স্বর্গ উইকেট। সর্বশেষ ভারতের বিপক্ষেও বাংলাদেশ তিন স্পিনার সাকবি-মিরাজ-তাইজুলকে নিয়ে খেলতে নেমেছিল। আয়ারল্যোন্ডের বিপক্ষে তিন স্পিনারের পরিবর্তে তিন পেসার দেখা যেতে পারে। কারণ পিচে সবুজের আবরন দেখা গেছে। তিন পেসার খেলালে সৈয়দ খালেদ আহমেদ ও এবাদতের সঙ্গে শরিফুল অথবা রেজাউরের যে কোন একজন খেলতে পারেন। রেজাউর খেললে ১০২তম ক্রিকেটার হিসেবে তার অভিষেক হবে। তখন টস জিতলে বাংলাদেশ বোলিংই বেছে নেবে। সকালে যদি পিচে সবুজের আবরন না থাকে, সে ক্ষেত্রে তিন পেসারের পরিবর্তে তিন স্পিনারকেই দেখা যাবে। টস জিতলে তখন ব্যাটিংই হবে প্রথম পছন্দ।

টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম কোনও দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ খেলতে নেমে হারের স্বাদ পেলেও এখানে আইরিশদের ক্ষেত্রে তার ব্যতীক্রম হতে পার। কারণ তারা সাদা পোষাকে টেস্ট খেলার ছাড়পত্র পাওয়ার পর এখনও সেভাবে টেস্ট খেলার সুযোগ করে উঠতে পারেনি। মাত্র ৩টি টেস্ট খেলেছে যথাক্রমে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।

২০১৯ সালে খেলা সর্বশেষ টেস্ট একাদশের ৭ জনই নেই বর্তমানে দলে। টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা আছে মাত্র ৬ জনের। তাই এই ৬ জন যদি শেষ পর্যন্ত একাদশে খেলেন, তারপরও তাদের একাদেশে ৫ জনের অভিষেক হবে নিশ্চিত। সেই টেস্টের একাদশ থেকে এবার মিরপুর টেস্টের একাদশে ৭টি পরিবর্তন অন্তত নিশ্চিত। কারণ, ৭ জন এবার স্কোয়াডেই নেই। অন্তত ৫ জনের টেস্ট অভিষেকও নিশ্চিত। গোটা স্কোয়াডে টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা আছে যে কেবল ৬ জনের! দেশের হয়ে তিনটি টেস্ট খেলা ক্রিকেটার হলন অ্যান্ডি বালবার্নি, যিনি সাকিবের সঙ্গে নামবেন টস করতে। তাদের কাছে তাই সাদা পোষাকে ম্যাচ খেলতে পারাতেই যেন আনন্দ। দেশের হয়ে সবকটি টেস্ট খেলা অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবার্নি তাই বলেই দিয়েছেন তারা এই টেস্ট উপভোগ করতে চান।

কিন্তু কথার সঙ্গে কাজের মিল নাও থাকতে পারে। কারণ সর্বশেষ যে টেস্ট তারা খেলেছিল লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে, সেখানে তাদের সামনে জয়ের মঞ্চ তৈরি হয়েছিল। ইংল্যান্ডকে মাত্র ‍৮৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে নিজেরা প্রথম ইনিংসে করেছিল ২০৭ রান। পরে ইংল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ৩০৩ রান করলে আইরিশদের সামনে জয়ের টার্গেট দাঁড়ায় ১৮২ রানের। কিন্তু তারা দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫.৪ ওভারে মাত্র ৩৮ রানে অলআউট হয়ে গিয়ে সুযোগ হাতছাড়া করেছিল।

এবার মিরপুরেও এমন কিছু তারা সৃষ্টি করতে পারলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কারণ মনে রাখতে হবে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের অবস্থা নড়বড়ে!

এমপি/এএস

Header Ad
Header Ad

ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেছেন, ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে প্রশাসনের কোনো দ্বিধা নেই। তিনি বলেন, "আমরা নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ, এটি 'জুলাই স্পিরিট'-এর প্রতি আমাদের কমিটমেন্ট।"

২৬ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাবি ভিসি জানান, ডাকসু নির্বাচনের জন্য তিনটি স্বাধীন কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং প্রশাসন তাদের কাজে কোনো হস্তক্ষেপ করছে না। তিনি বলেন, "নির্বাচন কবে হবে, তা নির্ধারণ করবে এসব কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এতে কোনোভাবে নাক গলাচ্ছে না। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের ছাত্রদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সচল রাখতে ডাকসু নির্বাচন প্রয়োজন।"

উপাচার্য জোর দিয়ে বলেন, "আমরা ডাকসু নির্বাচন করব কারণ এটি আমাদের গণঅভ্যুত্থানের মূল স্পিরিটকে সম্মান জানানো। তবে কোনো রাজনৈতিক দলের চাপের কারণে নয়।"

তিনি আরও বলেন, "আমাকে ভয় দেখিয়ে কাজ করানো যাবে না। তবে আমি ভয় পাই।"

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা দীর্ঘ ২৮ বছর পর আয়োজিত হয়েছিল। এরপর থেকে পুনরায় নির্বাচন আয়োজন নিয়ে আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি

নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত

আত্মপ্রকাশ হতে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন ছাত্রসংগঠনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ তুলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনের সামনে বিক্ষোভ করছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা দেখা যায়।

শিক্ষার্থীদের দাবি সাবেক সমন্বয়ক রিফাত রশিদকে কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদ না দেওয়ায় তারা বিক্ষোভ করছেন। এ ছাড়া তাদের দাবি উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিমে কমিটি না দেওয়ায় তারা বিদ্রোহ করেছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই, দিয়েছি তো রক্ত, আরও দিবো রক্ত, জাস্টিস জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস, রিফাত রশিদের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই, ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মঞ্জুরুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এখনও উত্তরার পূর্ব ও পশ্চিমে কমিটি দেয়া হয়নি। তারা এখন নতুন দল ঘোষণা করতে চাচ্ছেন। এটা অবশ্যই বৈষম্য।

বিক্ষোভকারী আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রিফাত রশিদের ভূমিকা আপনারা সবাই জানেন। তাকে বাদ দিয়ে যদি কোন কমিটি হয় তা কখনো আমাদের ম্যান্ডেট নিয়ে হতে পারে না।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

পুতুল নাচ গ্রাম-বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য নাচ। গানের তালে তালে ও বাদ্যযন্ত্রে সুরের মূর্ছনায় পুতুলের নৃত্য হয়। এটি গ্রামীণ জনপদে শিশু-কিশোর ও সর্বস্তরের মানুষের বিনোদনের মাধ্যম এবং পুতুল নাচ শিশুদের কাছে এক অন্যরকম উৎসবের মতো। এই পুতুল নাচ কালের আবর্তে আর আধুনিক সাংস্কৃতির আগ্রাসনে এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। মাঝে মধ্যে পহেলা বৈশাখ আর হাতেগোনা দু-একটি উৎসব ছাড়া পুতুল নাচ প্রদর্শিত হয় না।

সম্প্রতি গত ২৪ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের গোপালপুর সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় শিক্ষা পদক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে ক্ষুদে শিশুরা পুতুলের আদলে অসাধারণ নৃত্য প্রদর্শন করে। এতে পৌর শহরের সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী অংশ নেন। শিশুরা পায়ের আঙুলের সঙ্গে হাতে সুতো বেঁধে, মাথায় ঘুমটা দিয়ে ও গায়ে বাঙালিয়ানা পোশাক পরিধান করে গানের তালে তালে নাচ প্রদর্শন করে।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

এই মনোমুগ্ধকর পুতুলের আদলে নাচ উপস্থিত অতিথি ও অভিভাবকদের মুগ্ধ করে এবং তাদের মন জয় করে এই মানব পুতুল নাচ। সেই নাচের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা দেখে সুধীজনরা প্রশংসা করছেন। অনেকেই বলছেন পুতুলের আদলে শিশুদের এই নাচ নতুন প্রজন্মের সঙ্গে পুতুল নাচের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। নাচের ভিডিওটি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সাবিনা তার ফেসবুকে শেয়ার করেন।

নৃত্য অংশ নেয়া তোহা, সূচী, হাবিবা, মীম, আরাধ্যা ও জীম বলেন- এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য অনেক আগে থেকে প্র্যাক্টিস শুরু করি। আমাদের স্কুলের সাবিনা ম্যাডামের সহযোগিতায় এই পুতুল নাচটি আমরা সুন্দরভাবে পুতুলের আদলে নাচতে পেরেছি। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তুহিন হোসেন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম, রোকনুজ্জামান, সহকারী ইন্সট্রাক্টর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সাবিনা আক্তার কলি বলেন- পুতুল নাচটা আমাদের গ্রাম-বাংলার এক প্রাচীন ঐতিহ্য। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন এই পুতুল নাচ আমাদের বিনোদনের প্রধান মাধ্যম ছিল। আমরা যখন মেলায় যেতাম তখন এই পুতুল নাচ না দেখলে আমাদের মেলা দেখা সার্থক হতো না। এই ঐতিহ্যগুলো এখন আর গ্রাম-বাংলায় নেই। তাই নতুন প্রজন্মের কাছে এই পুতুল নাচ উপস্থাপন করি।

তিনি আরও বলেন- পুতুল নাচটি বাংলার বুকে আবার ফিরিয়ে দিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মফিজুর রহমান জিন্নাহ স্যারের নির্দেশে আমাদের বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পুতুল নাচের উদ্যোগ নেই। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সহযোগিতা করে। এতে আমরা ফিরে পাই আমাদের হারিয়ে যাওয়া সাংস্কৃতি সম্পদকে। আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো যে পিছিয়ে নেই তা এই শিশু শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করে দিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি
নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি
টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক
নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নাম ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’
চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন
৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রি করবেন ট্রাম্প
পরকীয়ার জেরে ভাঙতে যাচ্ছে ৩৭ বছরের সংসার, যা বললেন গোবিন্দ
ছাত্রদের নতুন দল থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক কমিটির জুনায়েদ ও রিফাত
‘শুধু রণাঙ্গণের যোদ্ধারাই হবেন মুক্তিযোদ্ধা, বাকিরা মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’
স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির আয়োজনে আন্তর্জাতিক ছাত্র সম্মেলন
৬ মাসে যেভাবে অর্থনীতি কামব্যাক করেছে সেটা মিরাকল: প্রেস সচিব
নতুন তথ্য উপদেষ্টা হচ্ছেন মাহফুজ আলম
টাঙ্গাইলে শিক্ষা সফরের ৪ বাসে ডাকাতি, বাঁধা দেওয়ায় শিক্ষকসহ দুইজনকে মারধর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তিতে সম্মত ইউক্রেন  
ছোট অপরাধ বাড়লেও কমেছে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ  
নায়িকার মামলায় জাজের আজিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা  
মধুর ক্যান্টিনে বিকেলে যাত্রা শুরু করবে সমন্বয়কদের নতুন ছাত্রসংগঠন