বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

বিসিএলে আলো ছড়ালেন যারা

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাছে বিপিএ্রল যেন আপন সন্তান। আর বাকি সব টুর্নামেন্ট সৎসন্তান। বিপিএল আয়োজন নিয়ে বিসিবির প্রায় সর্বস্তরের কর্তারাই নিজেদের নিয়োজিত রাখেন। রাখা হয় না জাতীয় দলের কোনো খেলা। এমনকি এ সময় জাতীয় দলের কোনো ক্রিকেটারকে অন্য কোনো ফ্রাঞ্চাইজি লিগ খেলার অনাপত্তি পত্রও দেওয়া হয় না।

এই সুযোগ-সুবিধা কিন্তু আবার বিসিএল, এনসিএল এমনকি দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে মজবুত কাঠামো ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) সময় রাখা হয় না। এই সব আসর যখন অনুষ্ঠিত হয়, তখন থাকে জাতীয় দলের খেলা। ফলে পাওয়া যায় না জাতীয় দলের ক্রিকেটারদর।

আবার খেলা না থাকলেও তাদের সবাই শামিল হন না সকল আসরে। বিশেষ করে বিসিএল ও এনসিএলে। আবার ডিপিএল খেলার সময় কোনো কোনো ক্রিকেটারকে ফ্রাঞ্চাইজি লিগ খেলার জন্য ছাড়পত্রও দেওয়া হয়ে থাকে। তারপরও বিসিবির এমন বিমাতা সুলভ আচরণের মাঝেও আসরগুলো বছরের পর বছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন নিয়ে নতুনরা নিজেদের ডানা মেলে তুলে ধরার চেষ্টা করেন। মিলছে নতুন মুখের সন্ধানও।

এই আসরগুলোর একটি বিসিএল এবার অনুষ্ঠিত হয়েছে লম্বা বিরতি দিয়ে। লম্বা বিরতি ছিল বিসিবির আপন সন্তান বিপিএলের জন্য। আবার যখন খেলা মাঠে গড়িয়েছে, তখন চলছিল আর্ন্তজাতিক সিরিজ। প্রথমে ছিল ভারত, পরে ইংল্যাণ্ড। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ এখনো চলমান। এরই মাঝে অবশ্য পর্দা নেমেছে আসরের। কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মধ্যাঞ্চলকে ইনিংস ও ৩৩ রানে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা জিতে নিয়েছে দক্ষিণাঞ্চল।

আর্ন্তজাতিক সিরিজ ও বিপিএলের ডামঢোলে আড়ালে পড়ে যাওয়া বিসিএলে কিন্তু এবার নজর কাড়া নৈপুণ্য দেখিয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাদের মাঝে সবার আগে নাম আসবে রানার্সআপ মধ্যাঞ্চলের উইকেটকিপার জাকরে আলীর। তবে কিপিং গ্লাভস পড়ে নয়, ব্যাট হাতে। চার দলের আসরে লিগ পর্বে খেলা হয় তিনটি। এরপর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দু্‌ই দল খেলে থাকে ফাইনাল। জাকের আলী লিগ পর্বের তিন ম্যাচ খেলে তিনটিতেই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। ফাইনালে সেঞ্চুরি করতে না পারলেও হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। ‍৪ ম্যাচের ৬ ইনিংসে ৩ সেঞ্চুরি আর ১ হাফ সেঞ্চুরিতে ৪৯২ রান করে তিনি সবার ধরা-ছোঁয়ার বাইরে থেকে শীর্ষ রান সংগ্রহকারী। গড় ৯৮.৪০। স্ট্রাইকেরেট ৫৬.১০। তার সেঞ্চুরির ৩টি ইনিংস ছিল অপরাজিত ১৩৮, ১৩৮ ও ১২১। এমন নজর কাড়া নৈপুণ্য দেখিয়ে জাকের আলী জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়তে শুরু করেছেন।

জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া দক্ষিণাঞ্চলের সাদমান ইসলাম এই আসর দিয়ে ফিরে পান নিজেকে। প্রথম দুইটি ম্যাচ তিনি খেলতে পারেননি। ফাইনালসহ শেষ ২ ম্যাচ খেলে তিনি দুইটিতেই তিন অঙ্কের দেখা পান। এর মাঝে একটি নিয়ে যানি ডাবল সেঞ্চুরিতে। ফাইনালে তার ব্যাট থেকে আসে ২৪৬ রানের ইনিংস। ক্যারিয়ারে এটি ছিল তার প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। তার সেঞ্চুরির অপর ইনিংস ছিল ১৩০ রানের। দুইটি সেঞ্চুরিই তিনি করেছিলেন মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে। ২ ম্যাচের ৩ ইনিংস ব্যাট করে ৩৭৬ রান করে জাকের আলীর পরেই অবস্থান করছেন সাদমান। তার গড় ১২৫.৩৩।

৩৩৩ রান করে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া আরেক ক্রিকেটার দক্ষিণাঞ্চলের ফজল মাহমুদ আছেন তিনে। ৪ ম্যােচর ৬ ইনিংসে তার ব্যাট থেকে কোনো সেঞ্চুরি আসেনি। তবে তার থেকে ১ রান করে চারে থাকা পূর্বাঞ্চলের জহুরুল ইসলাম অমি। ৩ ম্যাচের ৫ ইনিংসে তার দুইটি সেঞ্চুরি ইনিংস ছিল ১৪৫ ও ১০৩ রানের। নাঈম ইসলামও দুইটি সেঞ্চুরি করেছেন অপরাজিত ১০৭ ও ১০৭ রানের। ৩ ম্যাচের ৬ ইনিংসে ব্যাট করে উত্তরাঞ্চলের এই ব্যাটসম্যান ৩২৮ রান করে আছেন ষষ্ঠ স্থানে। কোনো সেঞ্চুরি না করেও ৩ ম্যাচের ৬ ইনিংসই ব্যাট করে ২৫২ রান করে নাঈমের দলেরই তানজিদ হাসান ।

ব্যাটসম্যানদের মেতা বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন বোলাররাও। ১৯ উইকেট নিয়ে সবার উপরে দক্ষিণাঞ্চলের বাঁহাতি স্পিনার জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া নাজমুল ইসলাম অপু। তার সেরা বোলিং ছিল ৭৪ রানে ৮ উইকেট। ইনিংসে সেরা ছিল ৮ রানে ৪ উইকেট। ১৭ উইকেট নিয়ে দুইয়ে আছেন মধ্যঞ্চলের পেসার আবু হায়দার রনি। ১২৬ রানে ৯ উইকেট ছিল তার ম্যাচ সেরা। ইনিংসে সেরা ছিল ৫৫ রানে ৫ উইকেট। একই দলের পেসার মুশফিক হাসান ১৬ উইকেট নিয়ে তিনে। ম্যাচে ১০৬ রানে ৬ উইকেট ও ইনিংসে ৫৪ রানে ৫ উইকেট ছিল তার সেরা বোলিং। চারে আছেন দক্ষিণাঞ্চলের পেসার সুমন খান। তার উইকেট সংখ্যা ১৩টি। ১২৫ রানে ৬ উইকেট তার ম্যাচ সেরা। ইনিংসে সেরা বোলিং ছিল ৭৭ রানে ৪ উইকেট।

ফাইনালে প্রথম ইনিংসে একটি ও দ্বিতীয় ইনিংসে ৭৪ রানে পাঁচটি উইকেট নিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের জাতীয় দলের পেসার সৈয়দ খালেদ আহমেদ ১১ উইকেট নিয়ে অবস্থান করছেন পাঁচে। ম্যাচে তার সেরা বোলিং ছিল ১২৩ রানে ৬ উইকেট।

এমপি/এমএমএ/

 

Header Ad
Header Ad

ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেছেন, ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে প্রশাসনের কোনো দ্বিধা নেই। তিনি বলেন, "আমরা নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই। কারণ, এটি 'জুলাই স্পিরিট'-এর প্রতি আমাদের কমিটমেন্ট।"

২৬ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাবি ভিসি জানান, ডাকসু নির্বাচনের জন্য তিনটি স্বাধীন কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং প্রশাসন তাদের কাজে কোনো হস্তক্ষেপ করছে না। তিনি বলেন, "নির্বাচন কবে হবে, তা নির্ধারণ করবে এসব কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এতে কোনোভাবে নাক গলাচ্ছে না। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।"

তিনি আরও বলেন, "আমাদের ছাত্রদের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সচল রাখতে ডাকসু নির্বাচন প্রয়োজন।"

উপাচার্য জোর দিয়ে বলেন, "আমরা ডাকসু নির্বাচন করব কারণ এটি আমাদের গণঅভ্যুত্থানের মূল স্পিরিটকে সম্মান জানানো। তবে কোনো রাজনৈতিক দলের চাপের কারণে নয়।"

তিনি আরও বলেন, "আমাকে ভয় দেখিয়ে কাজ করানো যাবে না। তবে আমি ভয় পাই।"

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ ডাকসু নির্বাচন ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা দীর্ঘ ২৮ বছর পর আয়োজিত হয়েছিল। এরপর থেকে পুনরায় নির্বাচন আয়োজন নিয়ে আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি

নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত

আত্মপ্রকাশ হতে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নতুন ছাত্রসংগঠনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ তুলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনের সামনে বিক্ষোভ করছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা দেখা যায়।

শিক্ষার্থীদের দাবি সাবেক সমন্বয়ক রিফাত রশিদকে কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদ না দেওয়ায় তারা বিক্ষোভ করছেন। এ ছাড়া তাদের দাবি উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিমে কমিটি না দেওয়ায় তারা বিদ্রোহ করেছেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই, দিয়েছি তো রক্ত, আরও দিবো রক্ত, জাস্টিস জাস্টিস, উই ওয়ান্ট জাস্টিস, রিফাত রশিদের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই, ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মঞ্জুরুল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এখনও উত্তরার পূর্ব ও পশ্চিমে কমিটি দেয়া হয়নি। তারা এখন নতুন দল ঘোষণা করতে চাচ্ছেন। এটা অবশ্যই বৈষম্য।

বিক্ষোভকারী আরেক শিক্ষার্থী বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রিফাত রশিদের ভূমিকা আপনারা সবাই জানেন। তাকে বাদ দিয়ে যদি কোন কমিটি হয় তা কখনো আমাদের ম্যান্ডেট নিয়ে হতে পারে না।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

পুতুল নাচ গ্রাম-বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্য নাচ। গানের তালে তালে ও বাদ্যযন্ত্রে সুরের মূর্ছনায় পুতুলের নৃত্য হয়। এটি গ্রামীণ জনপদে শিশু-কিশোর ও সর্বস্তরের মানুষের বিনোদনের মাধ্যম এবং পুতুল নাচ শিশুদের কাছে এক অন্যরকম উৎসবের মতো। এই পুতুল নাচ কালের আবর্তে আর আধুনিক সাংস্কৃতির আগ্রাসনে এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে। মাঝে মধ্যে পহেলা বৈশাখ আর হাতেগোনা দু-একটি উৎসব ছাড়া পুতুল নাচ প্রদর্শিত হয় না।

সম্প্রতি গত ২৪ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের গোপালপুর সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় শিক্ষা পদক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে ক্ষুদে শিশুরা পুতুলের আদলে অসাধারণ নৃত্য প্রদর্শন করে। এতে পৌর শহরের সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী অংশ নেন। শিশুরা পায়ের আঙুলের সঙ্গে হাতে সুতো বেঁধে, মাথায় ঘুমটা দিয়ে ও গায়ে বাঙালিয়ানা পোশাক পরিধান করে গানের তালে তালে নাচ প্রদর্শন করে।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

এই মনোমুগ্ধকর পুতুলের আদলে নাচ উপস্থিত অতিথি ও অভিভাবকদের মুগ্ধ করে এবং তাদের মন জয় করে এই মানব পুতুল নাচ। সেই নাচের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা দেখে সুধীজনরা প্রশংসা করছেন। অনেকেই বলছেন পুতুলের আদলে শিশুদের এই নাচ নতুন প্রজন্মের সঙ্গে পুতুল নাচের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। নাচের ভিডিওটি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সাবিনা তার ফেসবুকে শেয়ার করেন।

নৃত্য অংশ নেয়া তোহা, সূচী, হাবিবা, মীম, আরাধ্যা ও জীম বলেন- এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য অনেক আগে থেকে প্র্যাক্টিস শুরু করি। আমাদের স্কুলের সাবিনা ম্যাডামের সহযোগিতায় এই পুতুল নাচটি আমরা সুন্দরভাবে পুতুলের আদলে নাচতে পেরেছি। এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তুহিন হোসেন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম, রোকনুজ্জামান, সহকারী ইন্সট্রাক্টর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সূতি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সাবিনা আক্তার কলি বলেন- পুতুল নাচটা আমাদের গ্রাম-বাংলার এক প্রাচীন ঐতিহ্য। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন এই পুতুল নাচ আমাদের বিনোদনের প্রধান মাধ্যম ছিল। আমরা যখন মেলায় যেতাম তখন এই পুতুল নাচ না দেখলে আমাদের মেলা দেখা সার্থক হতো না। এই ঐতিহ্যগুলো এখন আর গ্রাম-বাংলায় নেই। তাই নতুন প্রজন্মের কাছে এই পুতুল নাচ উপস্থাপন করি।

তিনি আরও বলেন- পুতুল নাচটি বাংলার বুকে আবার ফিরিয়ে দিতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মফিজুর রহমান জিন্নাহ স্যারের নির্দেশে আমাদের বিদ্যালয়ের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পুতুল নাচের উদ্যোগ নেই। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা সহযোগিতা করে। এতে আমরা ফিরে পাই আমাদের হারিয়ে যাওয়া সাংস্কৃতি সম্পদকে। আমাদের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো যে পিছিয়ে নেই তা এই শিশু শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করে দিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি
নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি
টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক
নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নাম ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’
চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন
৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রি করবেন ট্রাম্প
পরকীয়ার জেরে ভাঙতে যাচ্ছে ৩৭ বছরের সংসার, যা বললেন গোবিন্দ
ছাত্রদের নতুন দল থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক কমিটির জুনায়েদ ও রিফাত
‘শুধু রণাঙ্গণের যোদ্ধারাই হবেন মুক্তিযোদ্ধা, বাকিরা মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’
স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির আয়োজনে আন্তর্জাতিক ছাত্র সম্মেলন
৬ মাসে যেভাবে অর্থনীতি কামব্যাক করেছে সেটা মিরাকল: প্রেস সচিব
নতুন তথ্য উপদেষ্টা হচ্ছেন মাহফুজ আলম
টাঙ্গাইলে শিক্ষা সফরের ৪ বাসে ডাকাতি, বাঁধা দেওয়ায় শিক্ষকসহ দুইজনকে মারধর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তিতে সম্মত ইউক্রেন  
ছোট অপরাধ বাড়লেও কমেছে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ  
নায়িকার মামলায় জাজের আজিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা  
মধুর ক্যান্টিনে বিকেলে যাত্রা শুরু করবে সমন্বয়কদের নতুন ছাত্রসংগঠন