শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

শক্তিপীঠ ট্যুরিজম সার্কিট

বিশ্বজনসংখ্যা রিপোর্ট ২০১৯ অনুযায়ী, পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ৭৭১.৫০ কোটি। এর মধ্যে সনাতন হিন্দু জনসংখ্যা প্রায় ১৩০ কোটি। শক্তিপীঠ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাপবিত্র ঐতিহ্যস্থান। ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় ছড়িয়ে আছে এই ৫১টি শক্তিপীঠ। তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস মতে, এই সকল শক্তিপীঠ দর্শন মহাপূণ্যের কাজ। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে রয়েছে ৬টি শক্তিপীঠ। পর্যটনস্থান হিসেবে এদের গুরুত্ব অপরিসীম, বিধায় এই দেশে সুপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা যায় একটি শক্তিপীঠ ট্যুরিজম সার্কিট। এই সার্কিট একটি বিপুল সংখ্যক মানুষকে ধর্মীয় পর্যটনে আকৃষ্ট করা যেতে পারে। এটি ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো থেকে অর্থনীতি পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে।

পর্যটনে ধর্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যা শেষ পর্যন্ত মানব উন্নয়নে অবদান রাখে। ধর্মীয় আকর্ষণ সাংস্কৃতিক উপাদান এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ধর্মীয় পর্যটন এলাকা তীর্থস্থানের চেয়ে পর্যটনের মৌলিক ও অপরিহার্য উপাদান হিসেবে অধিক বলে বিবেচিত হয়। তীর্থযাত্রার একটি বস্তুগত এবং আধ্যাত্মিক মূল্য রয়েছে, যা ধর্মীয় তাৎপর্যের সঙ্গে জড়িত। ধর্মীয় পর্যটনে পর্যটকদের কেবল একটি নির্দিষ্ট ধর্মে বিশ্বাসকেই নির্দেশ করে না। সংস্কৃতির ধারণাটি ধর্মীয় পর্যটনকে মৌলিক প্রেরণার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচনা করে। ধর্ম, সংস্কৃতির একটি অংশ হিসেবে, সাংস্কৃতিক সংরক্ষণে অবদান রাখতে পারে।

সত্যপুরাণ
সত্য যুগের কোনো এক সময়ে মহাদেবের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য দক্ষ রাজা বৃহস্পতি এক যজ্ঞের আয়োজন করেন। কন্যা সতী দেবী তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যোগী মহাদেবকে বিবাহ করায় দক্ষ ক্ষুব্ধ ছিলেন। দক্ষ মহাদেব ও সতী দেবী ছাড়া প্রায় সকল দেব-দেবীকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন। মহাদেবের অনিচ্ছা সত্ত্বেও সতী দেবী মহাদেবের অনুসারীদের সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন।

কিন্তু সতী দেবী আমন্ত্রিত অতিথি না হওয়ায় তাকে যথাযোগ্য সম্মান দেওয়া হয়নি। অধিকন্তু দক্ষ মহাদেবকে অপমান করেন। সতী দেবী তার স্বামীর প্রতি পিতার এ অপমান সহ্য করতে না পেরে যোগবলে আত্মাহুতি দেন। শোকাহত মহাদেব রাগান্বিত হয়ে দক্ষর যজ্ঞ ভণ্ডুল করেন এবং সতী দেবীর মৃতদেহ কাঁধে নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রলয় নৃত্য শুরু করেন। অন্যান্য দেবতা অনুরোধ করে এই নৃত্য থামাতে। তবে বিষ্ণুদেব তার সুদর্শন চক্র দ্বারা সতী দেবীর মৃতদেহ ৫১ (একান্ন)টি খণ্ডে ছেদন করেন। এতে সতী মাতার দেহখণ্ডসমূহ ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন জায়গায় পড়ে এবং পবিত্র পীঠস্থান বা শক্তিপীঠ হিসেবে পরিচিতি পায়।

ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কায় ছড়িয়ে আছে এই ৫১টি দেহখণ্ড। তন্মধ্যে বাংলাদেশে রয়েছে ৬টি। এরা হলো সুগন্ধা, চন্দ্রনাথ, জয়ন্তীয়া, শ্রীশৈল, ভবানী ও যশোরেশ্বরী শক্তিপীঠ। এই শক্তিপীগুলোর প্রত্যেকটিতে রয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উল্লেখযোগ্য হিন্দু মন্দির।

সুগন্ধা শক্তিপীঠ
বরিশাল জেলা শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে গৌরনদী উপজেলার শিকারপুরে সন্ধ্যা নদীর তীরে অবস্থিত। শ্রী বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র দ্বারা ছেদনের পর দেবী দাক্ষায়ণী সতীর নাসিকা এই স্থানে পতিত হয়। এখানে তিনি পূজিত হন দেবী সুগন্ধা রূপে এবং পাশে পূজিত হয় মহেশ্বর শিবের অবতার রূপ ত্র্যম্বক নামে।

চন্দ্রনাথ শক্তিপীঠ
চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলায় চন্দ্রনাথ পর্বত শিখরে অবস্থিত। শ্রী বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র দ্বারা ছেদনের পর দেবী দাক্ষায়ণী সতীর ডান হাত এই স্থানে পতিত হয়। তিনি এখানে দেবী ভবানী রূপে পূজিত হন এবং পাশে পূজিত হয় মহেশ্বর শিবের অবতার রূপ চন্দ্রশেখর নামে।

জয়ন্তীয়া শক্তিপীঠ
সিলেট জেলার জয়ন্তীয়া উপজেলায় কালাজোড় গ্রামে অবস্থিত। শ্রী বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র দ্বারা ছেদনের পর দেবী দাক্ষায়ণী বাম জঙ্ঘা এই স্থানে পতিত হয়। এখানে তিনি পূজিত হন দেবী জয়ন্তী রূপে এবং পাশে পূজিত হয় মহেশ্বর শিবের অবতার রূপ ক্রমদীশ্বর নামে।

শ্রীশৈল শক্তিপীঠ
সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় শহর থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে জৈনপুর গ্রামে অবস্থিত। শ্রী বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র দ্বারা ছেদনের পর দেবী দাক্ষায়ণী গলা এই স্থানে পতিত হয়। তিনি পূজিত হন দেবী মহালক্ষ্মী রূপে এবং পাশে পূজিত হয় মহেশ্বর শিবের অবতার রূপ সম্বরানন্দ নামে।

ভবানী শক্তিপীঠ
বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলা থেকে ২৮ কিলোমিটার দূরে রতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। শ্রী বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র দ্বারা ছেদনের পর দেবী দাক্ষায়ণী বাম পায়ের নূপুর এই স্থানে পতিত হয়। এখানে তিনি পূজিত হন দেবী অপর্ণা রূপে এবং পাশে পূজিত হয় মহেশ্বর শিবের অবতার রূপ বামন নামে।

যশোরেশ্বরী শক্তিপীঠ
সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুরে অবস্থিত। শ্রী বিষ্ণুর সুদর্শন চক্র দ্বারা ছেদনের পর দেবী দাক্ষায়ণী হাতের তালু ও পায়ের পাতা এই স্থানে পতিত হয়। এখানে তিনি পূজিত হন দেবী যশোরেশ্বরী রূপে এবং পাশে পূজিত হয় মহেশ্বর শিবের অবতার রূপ চণ্ড নামে।

ধর্মীয় পর্যটনের ক্ষেত্রে, একাধিক অনুপ্রেরণা সমানভাবে কাজ করে। ভোক্তা সংস্কৃতির প্রয়োজনীয়তা এবং নতুন অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করার জন্যও এর গুরুত্ব অপরিসীম। সাংস্কৃতিক চাহিদাগুলি বিনোদনের প্রয়োজনের সঙ্গে জড়িত। তাই ধর্মীয় স্থান পরিদর্শন জ্ঞান বৃদ্ধি করে এবং ঐতিহ্য চেতনাকে শাণিত করে। ধর্ম হলো সমাজে শান্তির বড় প্রচারকারী উপাদান। মানুষের মধ্যে ধর্মীয় সহনশীলতা অন্যের বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা জানায়। শক্তিপীঠ ট্যুরিজম সার্কিট সমাজের মানুষের মধ্যে বিশ্বাস স্থাপনের মাধ্যমে শান্তি আনবে যে, ধর্ম তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির ধারক। ধর্মীয় এলাকাকে পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করা একটি চূড়ান্ত পদ্ধতি হতে পারে। ফলে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা হ্রাস পাবে, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করবে এবং কোনো বৈষম্য ছাড়াই সমস্ত বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের লোকেদের ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রসারিত হবে। ধর্ম, একটি বড় মিশ্রণ হিসাবে অর্থনীতি, সামাজিক সম্প্রীতি এবং পর্যটনের মাধ্যমে মানসম্পন্ন বিশ্বের জন্য সর্বজনীনভাবে কাজ করতে পারে। এটি আর্থ-সামাজিক বাস্তুস্থানের শক্তি ঘর হবে, যা শেষ পর্যন্ত ভবিষ্যতের মানবজাতিকে সংরক্ষণ করবে। এই যাত্রা বাংলাদেশ থেকে হলে ক্ষতি কী?

মোখলেছুর রহমান: রেক্টর, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্যুরিজম স্টাডিজ, ঢাকা

এসএন

 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী