শুক্রবার, ৭ মার্চ ২০২৫ | ২২ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

বিশ্বব্যাপী ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেম হুমকির মুখে

ম্যানগ্রোভ বন হলো আশ্চর্যজনক ইকোসিস্টেম (বাস্তুতন্ত্র) যা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় উপকূলে বেড়ে ওঠে, যেখানে ম্যানগ্রোভগুলো লবণাক্ত জল এবং জোয়ারের পরিস্থিতিতে উন্নতি লাভ করে। ম্যানগ্রোভ বাস্তুতন্ত্র হল গ্রহের সবচেয়ে উৎপাদনশীল এবং জৈবিকভাবে বৈচিত্র্যময় বাস্তুতন্ত্র: তারা মাছ, হাঙ্গর, মানাটিস, কাঁকড়া এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল হিসেবে কাজ করে; সারা বিশ্বের সম্প্রদায়ের জন্য খাদ্য, চাকুরি এবং অন্যান্য সংস্থান প্রদান; এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিধ্বংসী প্রভাব থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কিছু উপকূলীয় সম্প্রদায়কে রক্ষা করা। যদিও ম্যানগ্রোভ বনগুলো আমাদের গ্রহের ভূমি পৃষ্ঠের মাত্র ০.১ শতাংশ জুড়ে। ম্যানগ্রোভ বন অন্য যেকোনো ধরনের বনের চেয়ে বেশি কার্বন সঞ্চয় করে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সমাধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ম্যানগ্রোভ বনগুলো সাধারণত সুন্দরী, গেঁওয়া, কেওড়া, গরান ও গুল্ম উদ্ভিদ দিয়ে গঠিত যা উচ্চ লবণাক্ততা, উষ্ণ বায়ু এবং জলের তাপমাত্রা, চরম জোয়ার, কর্দমাক্ত, পলি-ভরা জল এবং অক্সিজেন শূন্য মাটির কঠোর অবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে টিকে থাকে। পৃথিবীর ১০০টির বেশি দেশে ম্যানগ্রোভ বনের অস্তিত্ব থাকলেও বিশ্বের ম্যানগ্রোভ বনের প্রায় ৭৫ শতাংশ মাত্র ১৫টি দেশে পাওয়া যায়। এর মধ্যে এশিয়ায় ৪২ শতাংশ, আফ্রিকায় ২১ শতাংশ, উত্তর-মধ্য-আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ১৫ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়া ও ওশেনিয়ায় ১২ শতাংশ ও দক্ষিণ আমেরিকায় ১০ শতাংশ রয়েছে। পৃথিবীর সমগ্র ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের ৪৩ শতাংশ ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া এবং নাইজারে অবস্থিত। ইন্দোনেশিয়া, ১৭০০০ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দ্বীপের একটি দেশ, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনের আচ্ছাদন রয়েছে এই ইন্দোনেশিয়া। তারপরে ব্রাজিল, মালয়েশিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি এবং অস্ট্রেলিয়া। ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম। বাংলাদেশে অবস্থিত ম্যানগ্রোভ বন (সুন্দরবন) পৃথিবীর একক বৃহত্তর ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত। ম্যানগ্রোভ বন বিস্তৃত সুবিধা এবং গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও, ম্যানগ্রোভগুলো উদ্বেগজনক হারে ধ্বংস ও অবনমিত হচ্ছে। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের চারপাশে, ম্যানগ্রোভ বনগুলোকে জলজ পালন: মাছ ও চিংড়ি পুকুর এবং অন্যান্য কৃষির পাশাপাশি উপকূলীয় নগর উন্নয়নের জন্য সাফ করা হচ্ছে। জলজ চাষ, কৃষি, শিল্প ও উপকূল নগর উন্নয়ন বৃদ্ধির সঙ্গে বিশ্বব্যাপী ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেম হুমকির মুখে।

বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার আয়তন জুড়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। এ বনের শতকরা ৬২ ভাগই বাংলাদেশে সীমান্তে। সুন্দরবন বিশ্বের অন্যান্য ম্যানগ্রোভ বনের থেকে বেশি বৈচিত্র্যপূর্ণ। জীববৈচিত্র্যের প্রাচুর্যতায় ভরা সুন্দরবন। এ বনে পৃথিবী বিখ্যাত ডোরাকাটা দাগ বিশিষ্ট রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, বানর, লোনাপানির কুমির, ভোদর, কাঁকড়া, চিংড়ি, অসংখ্য পাখিসহ কয়েকশত প্রজাতের মাছ ও অসংখ্য স্তন্যপায়ী, সরীসৃপ এবং উভচর প্রাণীর আবাসস্থল। এ ছাড়াও ৩৫ প্রজাতি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদসহ ৩০০’রও বেশি প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে সুন্দরবনে। বাংলাদেশের মোট বনাঞ্চলের ৪০ শতাংশই সুন্দরবনে রয়েছে। ম্যানগ্রোভ (সুন্দরবন) বায়ুমন্ডল থেকে প্রচুর পরিমান কার্বন-ডাই-অক্সাইড টেনে নেয় এবং এ কার্বন ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের শরীরে জমিয়ে রাখে। জমিয়ে রাখা কার্বনকে 'ব্লু কার্বন' বলা হয়। উপকূল বনাঞ্চলের এই কার্বন গ্রহণের মাধ্যম প্রাকৃতিক উপায় আমাদের বায়ুমন্ডল থেকে দীর্ঘমেয়াদে কার্বন-ডাই-অক্সাইড সরিয়ে ফেলে বায়ুমন্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাব হ্রাস করে। এক হেক্টর কেওড়া বন বছরে ১৭০ টান পর্যন্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড আটকে রাখতে সক্ষম।

নাসার স্যাটেলাইট ডাটার তথ্যমতে, ম্যানগ্রোভ বনকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কার্বন পরিশোধক। সুন্দরবনকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা হয়। সুন্দরবন বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের এক উল্লেখযোগ্য দিক হলো অনেক প্রজাতি-ই ম্যানগ্রোভ বনকে তাদের জীবনচক্রের কোন না কোন সময় ব্যবহার করে থাকে। সুন্দরবন হতে অতিরিক্ত কাঠ, মাছ আহরণের ও সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহ সাইক্লোনের তান্ডবে এ বনাঞ্চল হুমকির সম্মুখীন। ২০০৭ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় সিডরে সুন্দরবনের প্রায় ৪০ শতাংশ ক্ষতি সাধিত হয়। এছাড়াও, বাংলাদেশ উপকূলীয় অঞ্চলের ম্যানগ্রোভ বন ভূমিক্ষয় ও ভাঙনের কারণে প্রতি বছর বনের আয়তন ৬ কি.মি হারাচ্ছে। এ ভাঙনের ফলে মানুষসহ উপকূলের বিভিন্ন প্রাণীও অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রতি বছর বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। বঙ্গোপসাগর থেকে উপকূলের দিকে ধেঁয়ে আসা ঘূর্ণিঝড়ের সামনে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় এই সুন্দরবন। ম্যানগ্রোভ বন এ সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগের গতিবেগ কমিয়ে মানুষের জীবন, মালামালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করে থাকে। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলের প্রতিরক্ষার দেয়াল সুন্দরবন।

আপনি এই বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারেন। এর অনেক উপায় আছে। আপনার এলাকায় স্থানীয় সংরক্ষণ এবং সরকারি সংস্থাগুলো অনুসন্ধান করুন, যারা ম্যানগ্রোভ বন সংরক্ষণের জন্য কাজ করছে এবং তাদের সমর্থন করুন। ম্যানগ্রোভ বন উপকূলীয় সম্প্রদায়ের জন্য অপরিহার্য। ম্যানগ্রোভ বন ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষার বাস্তবতা বুঝে, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও আসন্ন পরিবেশ বিপর্যয় থেকে নিজেদের রক্ষায় সচল রাখতে ম্যানগ্রোভ বনায়নের বিকল্প নেই। প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এবং দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে ম্যানগ্রোভ বনের রক্ষণাবেক্ষণ করা আমাদের সকলেই দায়িত্ব। মনে রাখতে হবে, ম্যানগ্রোভ বস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ শুধু নতুন গাছ লাগানোর চেয়ে বেশি কিছু নয়।

লেখক: অ্যাম্বাসেডর, ইয়ুথলিড, ইউএসএইড ও প্রতিষ্ঠাতা, আর্থকেয়ার ফাউন্ডেশন

Header Ad
Header Ad

সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের রাষ্ট্রপতি পদকে ভূষিত হলেন সেনাপ্রধান

পদক গ্রহণ করছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনালের ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের প্রেসিডেন্ট পদে ভূষিত করা হয়েছে। সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের জনগণের সার্বিক উন্নয়নে, বিশেষ করে চিকিৎসা খাতে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকৃতি প্রদান করেই তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায় আইএসপিআর।

আইএসপিআর জানায়, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফর শেষে আজ বৃহস্পতিবার দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান। সফরকালে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত বাংলাদেশি কন্টিনজেন্টসমূহ ও বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সেনাবাহিনী প্রধানকে অবহিত করা হয়। এ সময় তিনি তাঁর মূল্যবান দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। সেনাবাহিনী প্রধান স্পেশাল রিপ্রেজেনটেটিভ অব দ্য সেক্রেটারি জেনারেল ভ্যালেন্টাইন রুগাবিজা এবং ফোর্স কমান্ডার লে. জেনারেল হামফ্রে নায়নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।

ছবি: সংগৃহীত

সেনাবাহিনী প্রধান সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক্যান ফোর্স (এফএসিএ) এর প্রধান জেনারেল মামাদু জেফিরিনের সাথে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে সেনাবাহিনী প্রধান দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন। পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট, সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এবং সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক শান্তিরক্ষী মিশনের অধীনে বেসামরিক লোকদের সহায়তার অংশ হিসেবে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক এ নির্মিত তোয়াদেরা কমিউনিটি ক্লিনিকের উদ্বোধন করেন। এছাড়া সেনাবাহিনী প্রধান সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের প্রেসিডেন্ট ফসটিন আরচেঞ্জ তৌদেরার সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের জনগণের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিশেষ করে চিকিৎসা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ প্রেসিডেন্ট সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সেনাবাহিনী প্রধানকে সম্মানসূচক রাষ্ট্রপতি পদকে ভূষিত করেন।

এছাড়া সেনাবাহিনী প্রধান সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের বাংগি এলাকায় নিয়োজিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কন্টিনজেন্টসমূহ পরিদর্শন করেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের এ সফর সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ও বাংলাদেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি সেখানে অবস্থিত বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের মনোবল বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে বলে আশা করা যায়।

উল্লেখ্য, সেনাবাহিনী প্রধান গত ৩ মার্চ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক সফরে যান।

Header Ad
Header Ad

তৃতীয় বিয়ে করলেন অভিনেতা মিলন, পাত্রী কে?

অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলন ও তার স্ত্রী শিপা। ছবি: সংগৃহীত

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন ছোট ও বড়পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলন। প্রায় এক মাস আগেই ভালোবাসার মাস ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে সারেন এ অভিনেতা।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। মিলন ও তার স্ত্রীকে দেখতে অভিনেতার বাড়ি থেকে ৫টি ছবি পোস্ট করেন তিনি।

পোস্ট করা ছবির ক্যাপশনে বিবাহিত জীবনের জন্য শুভকামনাও জানান চয়নিকা। শুধু যে চয়নিকা নব দম্পতিকে দেখতে গিয়েছিলেন এমন নয়। ছোট পর্দার অনেক অভিনয়শিল্পীই আজ মিলনের বাড়ি হাজির হন নতুন বউ দেখতে।

জানা যায়, মিলনের স্ত্রীর নাম শিপা। গত ৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগামে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য, অভিনেতার প্রথম স্ত্রীর নাম ছিল লুসি গোমেজ। ১৯৯৯ সালে তাদের বিয়ে হয়। ২০১৩ সালে তাদের দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের সমাপ্তি ঘটে। এরপর দ্বিতীয় স্ত্রী পলির সঙ্গে মিলনের বিয়ে ও চার বছরের সংসার জীবনের গুঞ্জন শোনা গেলেও তা অস্বীকার করে আসছিলেন অভিনেতা।

তবে ২০১৩ সালের অক্টোবরে শ্রীলঙ্কায় স্ত্রী-পুত্র সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছবি প্রকাশ করেন আনিসুর রহমান মিলন। সেই ছবি থেকে জানা যায়, তার স্ত্রীর নাম পলি আহমেদ এবং সন্তানের নাম মিহ্রান।

এরপর তিনি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী পলি আহমেদকে বিয়ে করেন। যিনি ২০২২ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

Header Ad
Header Ad

ইউপি চেয়ারম্যানের অ্যাকাউন্টে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা লেনদেন, দুদকের মামলা

ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লাক মিয়া। ছবি: সংগৃহীত

সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন ও প্রায় ৫৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লাক মিয়া ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে দুদক কার্যালয়ে সংস্থাটির মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে এদিন দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক সোহানুর রহমান বাদি হয়ে লাক মিয়ার নামে মামলা করেন।

মামলার এজহারে বলা হয়, লাক মিয়া চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নিজ ক্ষমতার অপব্যবহারপূর্বক ঘুস ও দুর্নীতির মাধ্যমে তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৫৫ কোটি ২৩ লক্ষ ৫২ হাজার ৯৫১ টাকা মূল্যের সম্পত্তির মালিকানা অর্জনপূর্বক দখলে রাখে।

তার নামে ৪৯টি ব্যাংক হিসাবে ১৪ হাজার ৩৭৬ কোটি ১৮ লক্ষ ৫২ হাজার ৫০১ টাকা অস্বাভাবিক লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করে। যার কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪ (২) ও ৪(৩) ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

এদিকে একই অভিযোগে লাক মিয়ার স্ত্রী মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধেও মামলা করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আশিকুর রহমান।

মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধে করা মামলার এজহারে বলা হয়, স্বামীর সহায়তায় জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৪ কোটি ৫০ লক্ষ ২৩ হাজার ১৯৭ টাকা মূল্যের সম্পদের মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জনপূর্বক দখলে রেখে এবং ১৪টি ব্যাংক হিসাবে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ৪৬১ কোটি ১৬ লক্ষ ৮৬ হাজার ১৪৬ টাকা অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ জ্ঞাতসারে হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রুপান্তর করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দন্ডবিধির ১০৯ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের রাষ্ট্রপতি পদকে ভূষিত হলেন সেনাপ্রধান
তৃতীয় বিয়ে করলেন অভিনেতা মিলন, পাত্রী কে?
ইউপি চেয়ারম্যানের অ্যাকাউন্টে সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা লেনদেন, দুদকের মামলা
লাইফ সাপোর্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিক
যশোর সীমান্ত থেকে ৫ কোটি ১২ লাখ টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ
অনেক কো-আর্টিস্ট, ডিরেক্টর তখন আমার সঙ্গে কাজ করতে চাইতেন না: প্রভা
ভয়াবহ দাবানলের কবলে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া, ২০ স্থানে ছড়িয়েছে আগুন (ভিডিও)
নাগরিক পার্টি ছাড়লেন আবু হানিফ, ফিরে গেলেন গণ অধিকার পরিষদে
প্রথম দ্বিপাক্ষিক সফরে চীন যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা
রোজায় বেড়েছে আনারসের চাহিদা, দ্রুত পাকাতে রাসায়নিক ব্যবহারে স্বাস্থ্যঝুঁকি
সন্তানের জন্য ‘ডন থ্রি’ সিনেমা থেকে সরে দাঁড়ালেন কিয়ারা
অস্থিরতার কারণে এ বছর নির্বাচন কঠিন হবে: রয়টার্সকে নাহিদ ইসলাম
চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরলেন মির্জা ফখরুল
বিয়ে বাড়িতে প্রবেশের আগমুহূর্তে বরের মৃত্যু
মুশফিক অযু ছাড়া ব্যাট-বল স্পর্শ করতেন না: মুশফিকের স্ত্রী
বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে ভারত, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের চেয়েও ভালো উন্নতি বাংলাদেশের
ছাত্র-জনতা কোথাও অভিযান চালাতে পারে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
ফ্রান্সে মুসলিম খেলোয়াড়দের রোজায় নিষেধাজ্ঞা
স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন আবরার ফাহাদসহ ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি
রাবিতে সভাপতি নিয়োগ নিয়ে দুই পক্ষের ধস্তাধস্তি