শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বিশ্বব্যাপী ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেম হুমকির মুখে

ম্যানগ্রোভ বন হলো আশ্চর্যজনক ইকোসিস্টেম (বাস্তুতন্ত্র) যা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় উপকূলে বেড়ে ওঠে, যেখানে ম্যানগ্রোভগুলো লবণাক্ত জল এবং জোয়ারের পরিস্থিতিতে উন্নতি লাভ করে। ম্যানগ্রোভ বাস্তুতন্ত্র হল গ্রহের সবচেয়ে উৎপাদনশীল এবং জৈবিকভাবে বৈচিত্র্যময় বাস্তুতন্ত্র: তারা মাছ, হাঙ্গর, মানাটিস, কাঁকড়া এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল হিসেবে কাজ করে; সারা বিশ্বের সম্প্রদায়ের জন্য খাদ্য, চাকুরি এবং অন্যান্য সংস্থান প্রদান; এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিধ্বংসী প্রভাব থেকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কিছু উপকূলীয় সম্প্রদায়কে রক্ষা করা। যদিও ম্যানগ্রোভ বনগুলো আমাদের গ্রহের ভূমি পৃষ্ঠের মাত্র ০.১ শতাংশ জুড়ে। ম্যানগ্রোভ বন অন্য যেকোনো ধরনের বনের চেয়ে বেশি কার্বন সঞ্চয় করে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সমাধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

ম্যানগ্রোভ বনগুলো সাধারণত সুন্দরী, গেঁওয়া, কেওড়া, গরান ও গুল্ম উদ্ভিদ দিয়ে গঠিত যা উচ্চ লবণাক্ততা, উষ্ণ বায়ু এবং জলের তাপমাত্রা, চরম জোয়ার, কর্দমাক্ত, পলি-ভরা জল এবং অক্সিজেন শূন্য মাটির কঠোর অবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে টিকে থাকে। পৃথিবীর ১০০টির বেশি দেশে ম্যানগ্রোভ বনের অস্তিত্ব থাকলেও বিশ্বের ম্যানগ্রোভ বনের প্রায় ৭৫ শতাংশ মাত্র ১৫টি দেশে পাওয়া যায়। এর মধ্যে এশিয়ায় ৪২ শতাংশ, আফ্রিকায় ২১ শতাংশ, উত্তর-মধ্য-আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে ১৫ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়া ও ওশেনিয়ায় ১২ শতাংশ ও দক্ষিণ আমেরিকায় ১০ শতাংশ রয়েছে। পৃথিবীর সমগ্র ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের ৪৩ শতাংশ ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া এবং নাইজারে অবস্থিত। ইন্দোনেশিয়া, ১৭০০০ গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দ্বীপের একটি দেশ, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনের আচ্ছাদন রয়েছে এই ইন্দোনেশিয়া। তারপরে ব্রাজিল, মালয়েশিয়া, পাপুয়া নিউ গিনি এবং অস্ট্রেলিয়া। ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম। বাংলাদেশে অবস্থিত ম্যানগ্রোভ বন (সুন্দরবন) পৃথিবীর একক বৃহত্তর ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত। ম্যানগ্রোভ বন বিস্তৃত সুবিধা এবং গুরুত্ব থাকা সত্ত্বেও, ম্যানগ্রোভগুলো উদ্বেগজনক হারে ধ্বংস ও অবনমিত হচ্ছে। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের চারপাশে, ম্যানগ্রোভ বনগুলোকে জলজ পালন: মাছ ও চিংড়ি পুকুর এবং অন্যান্য কৃষির পাশাপাশি উপকূলীয় নগর উন্নয়নের জন্য সাফ করা হচ্ছে। জলজ চাষ, কৃষি, শিল্প ও উপকূল নগর উন্নয়ন বৃদ্ধির সঙ্গে বিশ্বব্যাপী ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেম হুমকির মুখে।

বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার আয়তন জুড়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন। এ বনের শতকরা ৬২ ভাগই বাংলাদেশে সীমান্তে। সুন্দরবন বিশ্বের অন্যান্য ম্যানগ্রোভ বনের থেকে বেশি বৈচিত্র্যপূর্ণ। জীববৈচিত্র্যের প্রাচুর্যতায় ভরা সুন্দরবন। এ বনে পৃথিবী বিখ্যাত ডোরাকাটা দাগ বিশিষ্ট রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, বানর, লোনাপানির কুমির, ভোদর, কাঁকড়া, চিংড়ি, অসংখ্য পাখিসহ কয়েকশত প্রজাতের মাছ ও অসংখ্য স্তন্যপায়ী, সরীসৃপ এবং উভচর প্রাণীর আবাসস্থল। এ ছাড়াও ৩৫ প্রজাতি ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদসহ ৩০০’রও বেশি প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে সুন্দরবনে। বাংলাদেশের মোট বনাঞ্চলের ৪০ শতাংশই সুন্দরবনে রয়েছে। ম্যানগ্রোভ (সুন্দরবন) বায়ুমন্ডল থেকে প্রচুর পরিমান কার্বন-ডাই-অক্সাইড টেনে নেয় এবং এ কার্বন ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের শরীরে জমিয়ে রাখে। জমিয়ে রাখা কার্বনকে 'ব্লু কার্বন' বলা হয়। উপকূল বনাঞ্চলের এই কার্বন গ্রহণের মাধ্যম প্রাকৃতিক উপায় আমাদের বায়ুমন্ডল থেকে দীর্ঘমেয়াদে কার্বন-ডাই-অক্সাইড সরিয়ে ফেলে বায়ুমন্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের প্রভাব হ্রাস করে। এক হেক্টর কেওড়া বন বছরে ১৭০ টান পর্যন্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড আটকে রাখতে সক্ষম।

নাসার স্যাটেলাইট ডাটার তথ্যমতে, ম্যানগ্রোভ বনকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কার্বন পরিশোধক। সুন্দরবনকে বাংলাদেশের ফুসফুস বলা হয়। সুন্দরবন বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের এক উল্লেখযোগ্য দিক হলো অনেক প্রজাতি-ই ম্যানগ্রোভ বনকে তাদের জীবনচক্রের কোন না কোন সময় ব্যবহার করে থাকে। সুন্দরবন হতে অতিরিক্ত কাঠ, মাছ আহরণের ও সাম্প্রতিক সময়ের ভয়াবহ সাইক্লোনের তান্ডবে এ বনাঞ্চল হুমকির সম্মুখীন। ২০০৭ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় সিডরে সুন্দরবনের প্রায় ৪০ শতাংশ ক্ষতি সাধিত হয়। এছাড়াও, বাংলাদেশ উপকূলীয় অঞ্চলের ম্যানগ্রোভ বন ভূমিক্ষয় ও ভাঙনের কারণে প্রতি বছর বনের আয়তন ৬ কি.মি হারাচ্ছে। এ ভাঙনের ফলে মানুষসহ উপকূলের বিভিন্ন প্রাণীও অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রতি বছর বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। বঙ্গোপসাগর থেকে উপকূলের দিকে ধেঁয়ে আসা ঘূর্ণিঝড়ের সামনে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় এই সুন্দরবন। ম্যানগ্রোভ বন এ সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগের গতিবেগ কমিয়ে মানুষের জীবন, মালামালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করে থাকে। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চলের প্রতিরক্ষার দেয়াল সুন্দরবন।

আপনি এই বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারেন। এর অনেক উপায় আছে। আপনার এলাকায় স্থানীয় সংরক্ষণ এবং সরকারি সংস্থাগুলো অনুসন্ধান করুন, যারা ম্যানগ্রোভ বন সংরক্ষণের জন্য কাজ করছে এবং তাদের সমর্থন করুন। ম্যানগ্রোভ বন উপকূলীয় সম্প্রদায়ের জন্য অপরিহার্য। ম্যানগ্রোভ বন ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষার বাস্তবতা বুঝে, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও আসন্ন পরিবেশ বিপর্যয় থেকে নিজেদের রক্ষায় সচল রাখতে ম্যানগ্রোভ বনায়নের বিকল্প নেই। প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এবং দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখতে ম্যানগ্রোভ বনের রক্ষণাবেক্ষণ করা আমাদের সকলেই দায়িত্ব। মনে রাখতে হবে, ম্যানগ্রোভ বস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ শুধু নতুন গাছ লাগানোর চেয়ে বেশি কিছু নয়।

লেখক: অ্যাম্বাসেডর, ইয়ুথলিড, ইউএসএইড ও প্রতিষ্ঠাতা, আর্থকেয়ার ফাউন্ডেশন

Header Ad
Header Ad

প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে যাচ্ছে মিয়ানমার। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মিয়ানমারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উ থান শিউ বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি জানান, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া নিবন্ধিত ৮ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ১ লাখ ৮০ হাজার জনকে ফেরত নেবে মিয়ানমার।

ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ছয় দফায় রোহিঙ্গাদের মূল তালিকা মিয়ানমারকে সরবরাহ করেছিল। এখনো ৭০ হাজার রোহিঙ্গার চূড়ান্ত যাচাইকরণ বাকি রয়েছে। মূল তালিকায় থাকা বাকি সাড়ে ৫ লাখ রোহিঙ্গার যাচাই দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলেও জানিয়েছে মিয়ানমার।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান মিয়ানমারের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আরও মানবিক সহায়তা পাঠাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ

বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ। ছবি: সংগৃহীত

আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে আঞ্চলিক সংযোগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং উন্নয়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গঠিত এই জোট বর্তমানে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বৃহত্তর সংহতকরণের চেষ্টা করছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চলমান ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের শেষ ভাগে সভাপতিত্ব হস্তান্তর করা হয়। সাত সদস্যের আঞ্চলিক ব্লক—বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ডের নেতারা ‘সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক এবং উন্মুক্ত বিমসটেক’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন। আয়োজক দেশ থাইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশ নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে।

বিমসটেক সনদ অনুসারে, চেয়ারম্যানের পদ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বর্ণানুক্রমিকভাবে আবর্তিত হয়। শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয় অংশগ্রহণকারী নেতাদের প্রতীকী গ্রুপ ছবি তোলার মাধ্যমে। এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী, বিদায়ী বিমসটেক সভাপতি স্বাগত ভাষণ দেন। মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্যান্য বিমসটেক নেতারা আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। এছাড়া, সকালে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস থাই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের প্রাতঃরাশ বৈঠকে যোগ দেন, যেখানে বিমসটেক কাঠামোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্ব জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ