শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ফেসবুকে ইংরেজি শেখানোর ধুম, আসলে কতটা কার্যকরী?

ইংরেজি আমরা সব সময় রহিম, করিম দিয়ে বাক্য শুরু করি, শিক্ষার্থীদের শেখাই। কিন্তু একটি বাক্যের বড় একটি অংশ, একটি ফেইজ, একটি ধারণা বাক্যের অংশ হয় এবং এ ধরনের ইংরেজিই বেশি। শিক্ষার্থীরা কিন্তু তাদের শিখে যাওয়া গ্রামার ট্রান্সফার করতে পারছে না। তারা ওই ধরনের বাক্য পড়ে বুঝতে পারছে না এবং নিজেরা লিখতে পারছে না। ইংরেজি পত্রিকার কোনো সংবাদ, কিংবা কোনো আর্টিকেল কিংবা বিদেশি বইয়ের কোনো গল্প পড়ে দেখলে এর সত্যতা পাওয়া যায়। মূল ইংরেজি কিন্তু সেগুলোই। আমাদের বারটি টেন্স আর ভয়েস, ন্যারেশন, সিম্পল, কমপ্লেক্স আর কম্পাউন্ড বাক্য পড়িয়েই আমরা ধরে নেই ইংরেজি যথার্থভাবে পড়ানো হয়েছে এবং হচ্ছে।

অনেক শিক্ষক বলে থাকেন যে, প্রতিদিন দশ বিশটা শব্দ মুখস্থ করতে হবে। এভাবে শিক্ষার্থীদের পুরো ডিকশনারি মুখস্থ করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এটিও বিজ্ঞানসম্মত নয়। কারণ ভোকাব্যুলারি বাড়াতে হবে ভাষা ব্যবহার করার জন্য। তারও কিছু গ্রামার আছে, নিয়ম-কানুন আছে, শুধু শব্দ মুখস্থ করে বসে থাকলে হবে না। কোন শব্দ কোথায় বসাতে হবে এটিই হচ্ছে প্রধান কাজ। শব্দ বাক্যে বসাতে না পারলে সেই ভোকাব্যুলারি ইনঅ্যাকটিভ। ভোকাব্যুলারি শিখতে হয় কনটেক্সট থেকে, বাক্যের অর্থ মুখস্থ করে নয়। সেটি একটি দুর্বল পদ্ধতি। মাইমিং, অ্যাক্টিং, ব্যাখ্যা, সিনোনিম, অ্যান্টোনিম, রিয়ালিয়া (বাস্তব জিনিস প্রদর্শন), ইনফারেন্স ইত্যাদি মাধ্যমে ভোকাব্যুলারি শিখতে হয়, শেখাতে হয়। সরাসরি ট্রান্সলেশন বা ইংরেজি থেকে বাংলা ব্যবহার করে ভোকাব্যুলারি শেখা বা শেখানো সর্বশেষ পদ্ধতি। ফেসবুকে দেখছি শিক্ষক নিজেই সব শব্দের অর্থ বাংলায় বলে দিচ্ছেন, শিক্ষার্থীদের দ্বারা বলাচ্ছেন না, তাদের বলতে সময়ও দিচ্ছেন না। এটি ভোকাব্যুলারি শেখানোর সঠিক পদ্ধতি নয়। ভোকাব্যুলারি গ্রামারের চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কারণ গ্রামার জেনে একটি বাক্য তৈরি করা, ভাষা ব্যবহার করা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। কিন্তু প্রয়োজন মেটানোর জন্য শব্দ জানা থাকলে প্রয়োজন অনেকটাই মেটানো যায়। যেমন আপনার যদি পানির পিপাসা পায় এবং পানির ইংরেজি যে, ওয়াটার এটি জানা থাকলে আপনি হাত ইশারা করে বলতে পারেন , ওয়াটার’। পুরো বাক্য আই অ্যাম থার্স্টি, আই নিড টু ড্রিংক ওয়াটার না বললেও বিদেশে গিয়ে আপনি এটি ব্যবহার করতে পারেন।

ভাষা শেখার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের পারসোনাল এনগেজড হতে হয় অর্থাৎ নিজেদেরকেই বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে হয় অথচ ফেসবুকে যেসব শিক্ষক ইংরেজি স্পোকেন শেখাচ্ছেন— দেখলাম অবিরাম তারাই কথা বলে যাচ্ছেন, কথা বলতে বলতে ঘাম ঝরাচ্ছেন। টিচার টকিং টাইম বা টিটিটি এবং স্টুডেন্ট টকিং টাইম সম্পর্কে শিক্ষকদের ধারণা থাকতে হয়। স্টুডেন্ট টকিং টাইম হতে হবে সত্তর কিংবা আশি শতাংশ, বাকিটা হবে টিচার টকিং টাইম। অর্থাৎ টিচারদের কথা কম বলতে হবে, শিক্ষার্থীরা কথা বলবে যদি তারা ভাষা শিখতে চায়। এই নিয়ম অনুসরণ করার ধারেকাছেও নেই ফেসবুকে যারা এ জাতীয় ভিডিও আপলোড করছেন প্রতিদিন।

ইংরেজি আমরা কেন শিখব? আমাদের শিক্ষার্থীরা আসলে বাস্তবে জানে না তারা ইংরেজি কেন পড়ছে? তারা জানে যে, ইংরেজিতে পাস করতে হবে, এক শ্রেণি থেকে পরবর্তী শ্রেণিতে উঠতে হবে, এটিই তাদের কাছে জানা, তাদের লক্ষ্য। বাস্তব জীবনে যে ইংরেজি তাদের বিভিন্ন জায়গায় কাজে লাগবে, ভাল ইংরেজি শিখলে সেটি যে সারা জীবন তার এক বিরাট সম্পদ হয়ে থাকবে সেটি কিন্তু তারা ছাত্রজীবনে বুঝতে পারে না, বুঝার কথাও নয়। শিক্ষকদের দায়িত্ব হচ্ছে বিষয়টি তাদের ধরিয়ে দেওয়া ও উৎসাহিত করা। আমরা যারা ছাত্রজীবন পার করে এসেছি এবং বাস্তব জীবনের পদে পদে ইংরেজি ব্যবহার করতে হচ্ছে কিন্তু ব্যবহার করতে পারছি না। কারণ ছাত্রজীবনে সেভাবে আমাদের ইংরেজি শেখা হয়নি। আমরা গ্রামারের কিছু নিয়ম তাও বাংলায় শুনেছি ক্লাসে।

আমরা একটি বিষয় লক্ষ্য করেছি যে, বর্তমানযুগে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা ইচ্ছায় হোক অনিচ্ছায় হোক, পছন্দ করে হোক, না করে হোক ভারতীয় হিন্দি ছবি, নাটক, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি প্রতিনিয়ত টিভির পর্দায় দেখছে আর কানে শুনছে। এই শুনে শুনে এবং দেখে দেখে তারা হিন্দি বলা শিখে ফেলেছে অর্থাৎ তারা ভাষার দুটো গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা ‘শোনা ও বলা’ অর্জন করে ফেলেছে। তারা ভারতে যায়নি, স্কুলে যায়নি, হোমওয়ার্ক করেনি, কোনো কোচিং সেন্টারে যায়নি, কোনো প্রাইভেট টিচারের কাছে যায়নি হিন্দি শিখতে। জীবনে কোনো পরীক্ষা দেয়নি, পাবলিক পরীক্ষা দেয়নি। কিন্তু হিন্দি বলতে পারে, হিন্দি শুনে বুঝতে পারে অর্থাৎ তারা দুটো গুরুত্বপূর্ণ স্কিল অর্জন করে ফেলেছে। অথচ ইংরেজি আমরা ক্লাসে পড়ি, বাসায় পড়ি ও পড়াচ্ছি, কোচিংএ পড়াচ্ছি, প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়ছি, ক্লাসে পরীক্ষা দিচ্ছি, প্রাইভেট টিউটরের কাছে পরীক্ষা দিচ্ছি, কোচিং এ পরীক্ষা দিচ্ছি, প্রাইভেট টিউটরের কাছে পরীক্ষা দিচ্ছি, পাবলিক পরীক্ষা দিচ্ছি সার্টিফিকেট অর্জন করছি কিন্তু হিন্দির মতো ইংরেজি বুঝি না, বলতে পারি না। কারণগুলো কি কি হতে পারে?

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলছি— কারণগুলো তোমরা নিজেরাই বের করে দেখ। তোমরা কি চাও না হিন্দিতে যেভাবে কথা বলতে পার, হিন্দি শুনে যেভাবে বুঝতে পার ইংরেজিতেও তোমারা সেভাবেই পারবে? শিক্ষক এবং অভিভাবক হিসেবে আমরা যদি ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের সামনে রঙিন ছবি ও আকর্ষণীয় অ্যাক্টিভিটি করাতে পারি তাহলে তারা তাদের অজান্তেই ইংরেজি ভাষা শেখা শুরু করবে যেমনটি তারা হিন্দি সিনেমা দেখে হিন্দি শিখে ফেলেছে।

ভাষা শেখাতে হবে ভাষা দিয়ে, গ্রামারের নিয়ম মুখস্থ করিয়ে নয়। দু-চার-দশ কিংবা ডজন খানেক বা ডজন দুয়েক গ্রামারের নিয়ম হয়ত মুখস্থ করানো যায়, তা দিয়ে কি একটি ভাষা ব্যবহার করানো বা শেখানো যায়? ভাষা তো সাগর। আমরা প্রতিদিন কত শত কিংবা কত হাজার বাক্য বাংলায় ব্যবহার করি, তার কোনো হিসেব আছে? এটি হচ্ছে স্বাভাবিক নিয়মে শেখা বা শেখানো বা ব্যবহার করা। এখানে যদি কাঠের সাঁকো পাড়ানোর মতো হিসেব করে করে, সাবধানে পা ফেলি অর্থাৎ বাক্যে প্রথম কর্তা বসালাম, তারপর ক্রিয়া বসালাম, তারপর কর্ম বসালাম তাহলে কি আমরা এত সহজে বাংলা কথা বলতে পারতাম প্রতিদিন? স্বত:স্ফূর্তভাবে ভাষা ব্যবহার করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যেভাবে ব্যবহার করি, ইংরেজিও সেভাবে ব্যবহার করতে হবে। সেটি যতক্ষণ করা না যাবে ততক্ষণ বুঝতে হবে বিষয়গুলো সঠিকভাবে শেখা হয়নি, শেখানো হয়নি।

শিক্ষার্থীরা ভাষা ব্যবহার করবে, ব্যবহার করে করে যখন ভাষাটি নিজেদের আয়ত্বে চলে আসবে, তখন আলোচনা করা যেতে পারে যে, বাক্যগুলো বিশ্লেষণ করলে আমরা কী পাই অর্থাৎ কীভাবে বাক্যটি তৈরি হলো। শিক্ষার্থীরা বিভিন্নভাবে বলবে অর্থাৎ মুখস্থ করে নয়, তারা দেখে , লজিক বের করবে কীভাবে বাক্যটি তৈরি হলো। তারা যেভাবেই বলুক দেখতে হবে তারা সঠিক বলছে কিনা অর্থাৎ বাক্যের প্রথমে সাবজেক্ট তারপর ভার্ব বসেছে ইত্যাদি। গ্রামার তারা আবিষ্কার করবে, তারা ব্যাখ্যা করবে, শিক্ষক নয়। শিক্ষক সবার শেষে একটি ফিনিশিং দিতে পারেন যে, তোমরা বাক্যগুলোর গঠনপ্রণালী যেভাবে বলেছ ঠিক আছে। শিক্ষক আগে স্ট্রাকচার শিখিয়ে সেই অনুযায়ী বাক্য গঠন করার প্রক্রিয়া শেখানো সেকেলে প্রক্রিয়া এবংতাতে শিক্ষার্থীদের বিশেষ করে যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয় তাদের পক্ষে ভাষা শেখার ও ব্যবহার করার প্রক্রিয়া অত্যন্ত সীমিত করে দেওয়া হয়।

লেখক: প্রেসিডেন্ট, ইংলিশ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইট্যাব)

আগের পর্বটি পড়ুন>>>

প্রথম পর্ব/ফেসবুকে ইংরেজি শেখানোর ধুম, আসলে কতটা কার্যকরী?

আরএ/

Header Ad
Header Ad

প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার

ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে যাচ্ছে মিয়ানমার। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মিয়ানমারের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী উ থান শিউ বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার উচ্চ প্রতিনিধি ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে তিনি জানান, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া নিবন্ধিত ৮ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ১ লাখ ৮০ হাজার জনকে ফেরত নেবে মিয়ানমার।

ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ছয় দফায় রোহিঙ্গাদের মূল তালিকা মিয়ানমারকে সরবরাহ করেছিল। এখনো ৭০ হাজার রোহিঙ্গার চূড়ান্ত যাচাইকরণ বাকি রয়েছে। মূল তালিকায় থাকা বাকি সাড়ে ৫ লাখ রোহিঙ্গার যাচাই দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলেও জানিয়েছে মিয়ানমার।

বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান মিয়ানমারের সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য আরও মানবিক সহায়তা পাঠাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ।

Header Ad
Header Ad

বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ

বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ। ছবি: সংগৃহীত

আগামী দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াজুড়ে আঞ্চলিক সংযোগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং উন্নয়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গঠিত এই জোট বর্তমানে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বৃহত্তর সংহতকরণের চেষ্টা করছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চলমান ষষ্ঠ বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের শেষ ভাগে সভাপতিত্ব হস্তান্তর করা হয়। সাত সদস্যের আঞ্চলিক ব্লক—বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ডের নেতারা ‘সমৃদ্ধ, স্থিতিস্থাপক এবং উন্মুক্ত বিমসটেক’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন। আয়োজক দেশ থাইল্যান্ড থেকে বাংলাদেশ নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে।

বিমসটেক সনদ অনুসারে, চেয়ারম্যানের পদ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বর্ণানুক্রমিকভাবে আবর্তিত হয়। শীর্ষ সম্মেলন শুরু হয় অংশগ্রহণকারী নেতাদের প্রতীকী গ্রুপ ছবি তোলার মাধ্যমে। এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী, বিদায়ী বিমসটেক সভাপতি স্বাগত ভাষণ দেন। মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এ সময় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও অন্যান্য বিমসটেক নেতারা আঞ্চলিক সহযোগিতা বিষয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। এছাড়া, সকালে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস থাই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের প্রাতঃরাশ বৈঠকে যোগ দেন, যেখানে বিমসটেক কাঠামোর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক অংশীদারিত্ব জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ