শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

হেমনগর জমিদারবাড়ি 

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া 

টাঙ্গাইল জেলাতে যতগুলি সুদৃশ্য জমিদারবাড়ি আমি দেখেছি, আর কোনো জেলায় এতগুলি আছে বলে আমার জানা নেই। এই সবগুলির মধ্যে অত্যন্ত মনোরম একটি হলো হেমনগর জমিদারবাড়ি। টাঙ্গাইল জেলার গোপাল্পুর উপজেলায় এটি অবস্থিত। সাম্প্রতিককালে নির্মিত ২০১ গম্বুজ মসজিদের কারণে উপজেলাটি আলোচনায় এসেছে। তবে এই উপজেলার ঐতিহ্য বেশ পুরনো। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে হেমনগর গ্রামে জমিদার হেমচন্দ্র চৌধুরী ১৮৮০ সালে প্রায় ৩০ একর জায়গার উপর এই দ্বিতল প্রাসাদটি নির্মান করেছিলেন। 

বাড়ির সামনে রয়েছে বিরাট মাঠ। মাঠ পেরুবার আগেই চোখে পড়বে প্রাসাদের সম্মুখ দেয়ালের বিশেষত্ব। কাছে গেলে বিস্মিত হতে হবে দেয়ালের নিখুঁত কারুকাজ দেখে। বাড়ির পুরো সামনের অংশটি চিনি-টিকরিতে মোড়া। বালি ও চুনের প্লাস্টারের উপর নানা রঙের সিরামিক্সের তৈজসপত্র, নানা রঙের কাঁচ এবং আয়নার একেবারে ছোট ভাঙ্গা টুকরো গেঁথে নিখুঁত ডিজাইনে দেয়াল বা পিলারের উপর করা কাজগুলিই হলো চিনি-টিকরি। এগুলি দিয়ে তৈরি করা হতো জ্যামিতিক ডিজাইন বা নানা ধরনের নানা আকারের লতাপাতা ও ফুলের ডিজাইন। দেয়ালের এতটা জায়গা জুড়ে এতো নিখুঁত চিনি-টিকরি করা ডিজাইন খুব কম জমিদারবাড়ীতে দেখেছি। কেউ কেউ বলেন চীন থেকে কারিগর এনে এই চিনি-টিকরির কাজ করানো হয়েছিল। এই তথ্যটি সত্য নয়, কারণ এই কারিগর আসলে আনা হয়েছিল দিল্লী ও কোলকাতা থেকে।

বাড়িটিতে প্রবেশের মুখে ছাদের দিকে তাকালে চোখে পড়বে মাঝখানে একটি ভাষ্কর্য। খুব লক্ষ্য করলে দেখা যাবে তার দুই পাশে দুটি পরি শোভা পাচ্ছে। একারনেই স্থানীয়রা এর নাম দিয়েছে পরির দালান।

প্রবেশ করলেই পড়বে দুই সারির বারান্দা, এরপর দরবার হল। এরপর দু পাশে সারি সারি ঘর নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল ১০০টি কক্ষের এই চতুর্ভূজাকার প্রাসাদ। সামনের অংশ দোতলা, পেছনে একতলা। ভেতরে রয়েছে উঠান। তিন ফুট চওড়া দেয়ালে ঘেরা জমিদার বাড়ীর মাঠের সামনে এবং বাড়ীর পেছনে রয়েছে বেশ বড় বড় দু’টি পুকুর।

প্রাসাদের সামনে ছিল বাগান, পাশে ছিল চিড়িয়াখানা, হাতীশাল এবং জলসা ঘর। সুদূর কোলকাতা থেকে প্রখ্যাত শিল্পীরা এখানে আসতেন সঙ্গীত বা নৃত্য পরিবেশন করার জন্য। জনশ্রুতি আছে, একবার কোলকাতা থেকে আনা এক বাইজীকে হেমচন্দ্রের খুব ভালো লেগে যায়। তাকে আটকে রেখেছিলেন এই প্রাসাদে। বাইজীর পরিবার কোলকাতা আদালতে এই নিয়ে মামলা করলে হেমচন্দ্রের লোকজন মিথ্যে সাক্ষী দিয়েছিল, যে বাইজীকে জগন্নাথগঞ্জ স্টেশন থেকে কোলকাতাগামী ট্রেনে উঠতে দেখেছে একজন, অন্যজন দেখেছে তাকে শিয়ালদহ স্টেশনে ট্রেন থেকে নামার সময়।

এই প্রাসাদটি হেমচন্দ্রের একমাত্র প্রাসাদ ছিল না। প্রথমত তিনি ময়মনসিংহের মধুপুরে তাঁর বাড়ী গড়ে তুলেন। কিন্তু অল্পদিনের মধ্যে বুঝে গেলেন এত দূর থেকে তাঁর জমিদারী পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই গোপালপুরের সুবর্নখালী গ্রামে যমুনা নদীর পাড়ে গড়েন এক সুরম্য প্রাসাদ। এই সুবর্নখালী ছিল যমুনার পাড়ে প্রসিদ্ধ নদী বন্দর। এখান থেকে কোলকাতাগামি স্টীমার ধরা যেতো। তবে তাঁর প্রাসাদসহ পুরো গ্রামটি নদী গ্রাস করে ফেললে নদীর থেকে বেশ কিছু দূরে ১৮৮০ সালে এই প্রাসাদটি নির্মান করেন, এবং গ্রামটির নাম দেন হেমনগর। বাড়িটি এতো মজবুত করে নির্মান করা হয়েছিল যে ১৮৯৭ সালের ভুমিকম্পে তার খুব বেশী ক্ষতি হয়নি।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় এই প্রাসাদোপম বাড়িটি মুক্তিযোদ্ধাদের একটি স্থায়ী ঘাঁটি এবং আশ্রয়স্থল হিসেবে বড় ভুমিকা রেখেছিল।

কে ছিলেন হেমচন্দ্র চৌধুরী?

হেমচন্দ্র ছিলেন তাঁর পরিবারে তৃতীয় প্রজন্মের জমিদার। এই জমিদারি তাঁর পরিবারে কিভাবে এলো, সেটির প্রেক্ষাপট কিছুটা না বললেই নয়। 

মোঘল সাম্রাজ্যের সময় যে জমিদারি প্রথা ছিল, তাতে জমির মালিক থাকতো সরকার, সাধারণ মানুষ সেটি ভোগ করতে পারতো। জমিতে বাড়িঘর তুলে থাকা, চাষ করে ফসল ভোগ করা, ব্যবসা বানিজ্য করা ইত্যাদির মুক্ত অধিকার ছিল সাধারণ মানুষের। বছর শেষে খাজনা দিতে হতো। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসলের ক্ষতি হলে খাজনা কম দিলেও সমস্যা ছিল না। অনেক সময় জমিদার তা মওকুফও করে দিতেন। জমিদার থাকতেন মূলত তাঁর বিশাল কর্তৃত্বের এলাকার ট্যাক্স বা খাজনা সংগ্রহ করে সরকারকে পৌঁছে দেয়ার জন্য। সাধারণ মানুষ যা খাজনা জমিদারদের দিতেন বাৎসরিক ভিত্তিতে, এখান থেকে একটি নির্ধারিত অংশ দিতে হতো সরকারের কাছে, বাকীটা জমিদার ভোগ করতে পারতেন। এতে সরকার যেমন খুশি ছিল, জমিদারও খুশি, মানুষও খুশি ছিল।

ব্রিটিশ আমলে এসে রাজস্ব বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ১৭৯৩ সালে নতুন একটি আইন করা হয়, যার মাধ্যমে চিরস্থায়ীভাবে জমির মালিক বানিয়ে দেয়া হলো জমিদারদের, জনসাধারণ হয়ে গেল জমিদারের প্রজা। সংক্ষেপে এটিই ছিল “চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত” প্রথা। এই আইনে খাজনা দিতে হলো মাসিক ভিত্তিতে। ঝড়, বন্যা, খরা যাই হোক না কেন, সমান কিস্তিতেই খাজনা দিতে হতো। জমিদার সরকারের কাছে মাসের নির্ধারিত তারিখে সুর্যাস্তের আগে খাজনা দিতে না পারলে জমি নিলামে উঠে যেত। অন্য জমিদাররা সেটি কিনে নিতে পারতেন। এটিই লোকমুখে নাম হয়ে গেল “সুর্যাস্ত আইন”।

জমি হারানোর ভয়ে আরম্ভ হলো জোর করে প্রজাদের কাছ থেকে জমিদারদের খাজনা আদায়, তাতে অত্যাচার অবিচার বাড়তে লাগলো। জমিদাররা লাঠিয়াল বাহিনী পাঠিয়ে জোর জবরদস্তি করতেন প্রজাদের উপর। তবে সবাই তো আর অত্যাচারী জমিদার ছিলেন না। কিন্তু খাজনা আদায় হতো না বলে বহু জমিদারের এলাকার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশ নিলামের মাধ্যমে চলে গেল অন্য জমিদারদের হাতে।

এই সময়ে আবার কিছু সুবিধাভোগি জমি ব্যবসায়ী দাঁড়িয়ে গেল। সুর্যাস্ত আইনে নিলামে তোলা জমি কিনে আবার বেশি দামে সেই জমিদারদের কাছেই বিক্রি করতে লাগলো কিছু লোক। কেউ কেউ এভাবে নতুন জমিদারও বনে গেল।

ঠিক এইভাবেই এক নতুন জমিদারের আবির্ভাব হলো, যার নাম ছিল পদ্মলোচন রায়। তিনি ১৮৪৮ সালে পুথুরিয়া (মধুপুর) পরগনার জমিদার ভৈরবচন্দ্রের জমিদারির দুই আনা (আট ভাগের এক ভাগ) জমি কিনে নিয়ে হয়ে গেলেন জমিদার। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র কালীচন্দ্র রায় ১৮৫৫ সালে ঐ একই জমিদারের আরও এক চতুর্থাংশ জমি কিনে নেন। এই অংশটি ছিল আজকের গোপাল্পুর এলাকায়। কালী চন্দ্রের ছিল দুই স্ত্রী হরগঙ্গা দেবী ও শশীদেবী। হরগঙ্গা দেবীর ঘরেই ১৮৩৩ সালে মধুপুরে জন্ম হয়েছিল হেমচন্দ্র রায়ের।

কোলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে আইনে পড়ালেখা করা হেমচন্দ্র তাঁর বাবার মৃত্যুর পর জমিদারির দায়িত্ব পেলেন। আইনজীবি হওয়ায় সুবিধাও ছিল। সুযোগ পেলেই জমি কেনার চল চলতেই থাকে। একবার মুক্তাগাছার জমিদার সুর্যকান্ত রায়কে টেক্কা দিয়ে এক নিলামেই কিনে নিয়েছিলেন ৮৫,০০০ একর জমি। এভাবে টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ মিলিয়ে তাঁর জমিদারীর এলাকা ৪ লক্ষ একরে পরিণত হয়েছিল। তখন হেমচন্দ্র রায় থেকে নাম পরিবর্তন করে তিনি হয়ে গেলেন হেমচন্দ্র চৌধুরী।

শেষ বয়সে তাঁর করা একটি মামলার কারণে হেমচন্দ্রের নাম ব্রিটিশ পার্লামেন্টেও আলোচিত হয়েছিল। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা বাতিল হবার পরও সেই অত্যাচারী নিয়মগুলি বহাল রাখার জন্য কোলকাতা আদালতের প্রথম রিয়্যাল এস্টেট মামলা করেছিলেন হেমচন্দ্র। অত্যাচারী জমিদাররা এতে খুশী হলেও দুই বাংলার সাধারণ প্রজারা ক্ষিপ্ত হয়। তাঁর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয় বিভিন্ন জেলায়। হেমনগর প্রাসাদের সামনে এক রাতে একটি গরু জবাই করে তার রক্তাক্ত দেহ রেখে যাওয়া হয় প্রাসাদের সিঁড়িতে। প্রাসাদ রক্ষীরাও এতে জড়িত সন্দেহ করে সেদিনই প্রাণভয়ে তিনি পালিয়ে যান কোলকাতায়। হেমনগরে আর কখনই ফেরেননি। ১৯১৫ সালে ভারতের ব্যানারসে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

হেমচন্দ্র চৌধুরীর অবদান

খাজনা আদায়ে একজন রুক্ষ এবং অত্যাচারী জমিদার হলেও শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যসেবা, বা যোগাযোগব্যবস্থা সম্প্রসারণে হেমচন্দ্র চৌধুরীর অবদানের ফিরিস্তি যথেষ্ট দীর্ঘ।

১৯০০ সালে তাঁর সৎ মাতার নামে ২০ একর জমির উপর হেমনগর শশীমুখী উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয় স্থাপন করেন হেমচন্দ্র। এছাড়াও গোপালপুরের সুতী ভিএম পাইলট হাই স্কুল ও পিংনা হাই স্কুল প্রতিষ্ঠায় জমি ও অর্থ দান করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিকেল স্কুল (বর্তমানে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ), ময়মনসিংহ ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল, পিংনা দাতব্য চিকিৎসালয়, গোপালপুর বালিকা বিদ্যালয় এবং সুদূর বরিশালে একটি মুক ও বধির বিদ্যালয় স্থাপনে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ দান করেছিলেন। ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজ প্রতিষ্ঠার শিলা লিপিতে যে দশজন দাতার নাম রয়েছে, তার মধ্যে চতুর্থ স্থানে রয়েছে তাঁর নাম। 

১৯০৫ সালে ময়মনসিংহ থেকে জগন্নাথগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত রেলওয়ে লাইন সম্প্রসারণে তাঁর ছিল বিশাল ভুমিকা। এর ফলে ঢাকার সাথে কোলকাতার রেল ও স্টীমার যোগাযোগ সহজ হয়ে যায়। সুবর্নখালী থেকে জগন্নাথগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার সড়কে হেরিংবন্ড করে টমটম বা পালকিতে যাতায়াতের ব্যবস্থাও করেন হেমচন্দ্র। এটিই ছিল গোপালপুর উপজেলার প্রথম পাঁকা সড়ক। 

প্রজাদের পানীয় জলের সুবিধার্থে রাস্তার মোড়ে মোড়ে কুয়া ও বহুসংখ্যক পুকুর খনন করেন। চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ মন্দির ও চন্দ্রনাথ পাহাড়ে তীর্থযাত্রীদের জন্য লোহার সেতু নির্মাণে এবং টাঙ্গাইল ফৌজদারী উকিলবার প্রতিষ্ঠায় সার্বিক সহায়তা করেন হেমচন্দ্র। ম্যালেরিয়ার স্বর্গরাজ্য বলে কথিত হেমনগরে তিনি মায়ের নামে স্থাপন করেছিলেন হরদুর্গা দাতব্য চিকিৎসালয় এবং ডাকঘর মারফত প্রতি মাসে আনা ১৫ পাউন্ড কুইনিন ঔষধ বিতরণ করতেন। ছেলে ফুটবল খেলতো বলে বহু জেলায় স্পোর্টস ক্লাব প্রতিষ্ঠাতেও বিপুল পরিমাণ অর্থ দিয়েছিলেন হেমচন্দ্র চৌধুরী। সারা বছর তাঁর মুসলমান প্রজাদের বিরুদ্ধে একটু বেশী কঠোর অবস্থানে থাকলেও রমজান মাস জুড়ে প্রতিদিন ইফতারের ব্যবস্থা করা হতো। এজন্য একটি ডাকবাংলো নির্মান করে দিয়েছিলেন তিনি।

জমিদারীতে পরবর্তী প্রজন্ম

হেমচন্দ্র চৌধুরীর মৃত্যুর পর জমিদারীর দায়িত্ব আসে তাঁর পরের প্রজন্মগুলির কাছে। তাঁর ছিল চার ছেলে ও চার মেয়ে। ১৯৪৭ এর দেশ বিভাগের পর দাঙ্গার ভয়ে প্রায় সবাই চলে যায় ভারতের বিভিন্ন শহরে। থেকে যায় শুধু তাঁর দুই ভাইপো। ১৯৫০ সালে জমিদার প্রথা বাতিল হয়ে গেলে জমিদার বাড়ী এবং আশপাশের কিছু জমি পরিবার ধরে রাখতে সক্ষম হয়। ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় তাঁরাও চলে যান ভারতে। ৭১এর পর তাঁর একজন বংশধর ফিরে আসেন। কথিত আছে, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে খান সাহেব নামে পরিচিত ছিলেন। একে একে জমি বিক্রী করে কিছুদিন চলেছেন, এক সময় তিনিও হারিয়ে গেছেন।

রাজবাড়িটির বর্তমান অবস্থা

 আমার দেখা এরকম পরিত্যক্ত যত জমিদার বড়ি আছে, আমি বলতেই পারি সব চাইতে ভালো অবস্থায় পাওয়াগুলির একটি হলো হেমনগর জমিদার বাড়ি। বাড়িটিতে ১৯৭৯ সালে একটি ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। এখনও কাগজে কলমে কলেজের অধীনে থাকলেও বহু বছর ব্যবহৃত হচ্ছে না। তবে বাড়ীটি বেদখল হয়ে যায়নি। দরজা জানালার কাঠ খুলে নিয়ে যাওয়া হলেও দেয়াল ভেঙ্গে ইট খুলে নেয়া হয়নি।

বাড়িটির সামনের অংশের চিনিটিকরির কাজ প্রায় অক্ষত অবস্থাতেই আছে। অল্প কিছু জায়গা হয়তো মানুষ খুঁটিয়ে নষ্ট করেছে। তবে যেটুকু আছে, ধুলার আস্তরণের মাঝেও দেখে বিমোহিত হতেই হবে। শুধু সামনেই নয়, ভেতরেও দেয়ালগুলির প্লাস্টারেও যে কারুকাজ অবশিষ্ট রয়েছে, সেগুলিও দেখার মত। করিন্থিয়ান স্টাইলে বানানো পিলারের চুড়াগুলিতে কারুকাজ এখনও প্রায় অক্ষত অবস্থাতেই আছে। অধিকাংশ ঘরের মেঝে এখনও প্রায় অক্ষত অবস্থায় আছে। একটি ঘরে দাবা, পাশা বা ১৬গুটি খেলার ব্যবস্থা যে ছিল, তার নমুনা ঘরের মেঝেতে এখনও বিদ্যমান।

কাঠামোগত দিক থেকে ভবনটিকে দেখে এখনও বেশ মজবুত বলেই মনে হয়। ভবনটির উপর কিছু গাছ গজিয়ে গেছে। এগুলি ছোট থাকা অবস্থাতেই উপড়িয়ে ফেলতে পারলে বড় কোনো ক্ষতি থেকে সহজেই ভবনটিকে রক্ষা করা সম্ভব।

আমার দৃঢ় বিশ্বাস, অল্প খরচেই এই অনন্য প্রাসাদটিকে তার আগের জৌলুসে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। কিন্তু কাজটি কে করবে, সেটিই প্রশ্ন!

 কীভাবে যাবেন?

 টাঙ্গাইল থেকে সিএনজি অটোরিক্সায় যাওয়া যায়। ভাড়া নিবে অন্তত ২০০ টাকা। মহাখালী থেকে গোপালপুর বাসে যাওয়া যায়। গোপালপুর থেকে অটোরিক্সা পবেন। জমিদার বাড়ীর জিপিএস অবস্থান হল (২৪°৩৩’৫৬.৪১”উ, ৮৯°৫১’১২.৫০”পু)।

 বি. দ্র.

ঐতিহ্য, স্থাপত্য বা পুরাতত্ব – এগুলি কখনই আমার পাঠ্যবিষয় ছিল না। ইতিহাস শেষ পড়েছি আজ থেকে ৪৫ বছর আগে। আমার পেশার সাথেও এগুলির সম্পর্ক নেই। আমার শখ হলো ঘোরা এবং ছবি তোলা, বিশেষ শখ হলো হেরিটেজ সাইটগুলি দেখা, অর্থাৎ যে স্থাপনাগুলির বয়স অন্তত ১০০ বছর। স্থাপনাটি পছন্দ হলে নেট থেকে একটু জানা। বিভিন্ন সুত্র খুঁজে তথ্যটুকু ক্রসচেক করে যথাসম্ভব ত্রুটিমুক্ত রাখতে চেষ্টা করি। সাইটগুলিতে আসতে যেতে মানুষের সাথে কথা বলি, অনেক মজার গল্প শোনা যায়। সেগুলিও টুকে রাখি। এই তথ্য, গল্প ও ছবি নিয়ে নিছক আনন্দের জন্যেই এই সিরিজ। এটিকে গবেষনা ভাববার, বা রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করার সুযোগ নেই।

১৯০০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের ভুখন্ডে যত দ্বিতল বা ত্রিতল ভবন ছিল, তার প্রায় সবই ছিল কোনো না কোনো রাজা, নওয়াব, জমিদার, বা বড় ব্যবসায়ীর প্রাসাদ, বা তাঁদের গড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অথবা ধর্মীয় উপাসনালয়। পশ্চিমের দেশগুলিতে ততদিনে গৃহনির্মানে আধুনিক সিমেন্ট ব্যবহার হলেও, এই অঞ্চলে তা আসেনি। ভবনগুলি নির্মান হয়েছিল পোড়া মাটির ইট এবং চুন-সুড়কির গাঁথুনিতে।

১৮৯৭ সালে আসামে একটি বড় ভুমিকম্প হয়, যা বাংলাদেশব্যাপী তীব্রভাবে অনুভূত হয়। এর প্রভাবে আমাদের ভুখন্ডের প্রায় সকল অঞ্চলের ভবনগুলি কিছু না কিছু ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যে ভবনগুলি সেবার হয়তো উৎরে গেছে, মাঝারী আকারেরও আরেকটি ভুমিকম্পে এগুলি টিকবে, এ কথা বলা কষ্টকর। আর এর সাথে তো রয়েছেই দীর্ঘদিনের অবহেলা এবং অযত্ন। চলুন না, আমাদের দেশের বিভিন্নস্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রত্নের মত এই হেরিটেজ সাইটগুলি সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যাবার আগেই দেখে আসি!

ভ্রমণ যখন বা যেখানেই করি না কেন, পরিবেশের পরিচ্ছন্নতার দিকে লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। সবাই যে করে, তা নয়। এই স্থাপনাগুলি দেখলে তা আরও বেশী চোখে পড়ে। আপনার পরবর্তি প্রজন্মের ভ্রমণ পীপাসুদের জন্য হলেও আপনার ব্যবহৃত জিনিষ নির্ধারিত জায়গায় ফেলুন, বা সাথে করে নিয়ে আসুন।

আমার এই সিরিজের আরেকটি উদ্দেশ্য আছে। আমাদের প্রজন্মের বহু মানুষ জীবনের প্রয়োজনে পাড়ি জমিয়েছে নানা দেশে। ওই দেশগুলিতে জন্ম নেয়া এবং বেড়ে ওঠা পরের প্রজন্মগুলি এই দেশ, এর কৃষ্টি-সভ্যতা বা সোনালী অতীত জানবার সুযোগ পায়নি। গর্ব করবে কী নিয়ে? তারাও জানুক, আমরা কেন গাই...আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি!

 

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দৃঢ় আশা প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর একটি ইতিবাচক সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "আমরা বিষয়টি পর্যালোচনা করছি। যেহেতু এটি আলোচনাযোগ্য, তাই আমরা আলোচনা করব এবং আমি নিশ্চিত যে আমরা সর্বোত্তম সমাধানে পৌঁছাতে পারব।"

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম অধ্যাপক ইউনূসের বরাত দিয়ে বাসসকে এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্য আমদানির ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘এখনো পুরো বিষয়টি আলোচনা শুরুর পর্যায়ে রয়েছে। আমরা এটা পর্যালোচনা করছি এবং আমরা যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করছি, তাতে আশাবাদী সামনের দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আমরা এমন একটা সমাধানের দিকে যেতে পারব, যাতে উভয় পক্ষের জন্য উইন উইন সিচুয়েশন হয়।’

প্রেস সচিব দূঢ় আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, আমরা এমন কিছু করবো যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ উভয়ের স্বার্থ সংরক্ষণ হয়। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখছে বলে জানান তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকালে শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, "বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক পর্যালোচনা করছে। শুল্ক আরও যুক্তিসংগত করার উপায় খুঁজে বের করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করছে। যাতে শুল্কবিষয়ক জটিলতা নিরসন হয়।"

প্রেস সচিব আরও জানান, "যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আমাদের বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমরা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করে আসছি।"

তিনি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের চলমান কার্যক্রম শুল্ক সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।"

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা