বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

স্বাধীনতাবিরোধীদের হুংকার ও সমাবেশের সহোদর

তানজিব রহমান

‘স্বাধীনতা-হীনতায় কে বাঁচিতে চায়? দাসত্ব-শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায়?’ কবি রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়’র এ পঙতিটি স্বাধীনতাকামী মানুষের কাছে স্বাধীনতা সঙ্গীত বা মুক্তির গান বলা চলে। কবির দুটি চরণ থেকেই আমরা স্বাধীনতার গুরুত্ব সম্পর্কে বুঝতে পারি। পৃথিবীর কোন জাতি পরাধীন থাকতে চায় না।

স্বাধীনতা মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি। স্বাধীনতা এবং মুক্তির আকাঙ্খা যুগে যুগে মানুষের মনে ছিল। স্বাধীনতার স্বপ্ন ও মুক্তির চেতনা তাদের মনকে আন্দোলিত করেছিল যুগ, যুগান্তর। কখনো ফরাসি বিপ্লব, কখনো রেঁনেসা, কখনো আবার শিল্পবিপ্লব হয়ে তা আমাদের সামনে উঠে এসেছে। তবে এগুলোর সব কিছুর মূলেই কিন্তু স্বাধীনতা ও মুক্তির সংগ্রামের ইতিহাস পরিণতি ও পরিসমাপ্তি আছে।

পৃথিবীর অনেক জাতি আছে যাদের স্বাধীনতার ইতিহাস আমাদের মতো এতোটা গৌরব দীপ্ত নয়। তারা একই সাথে স্বাধীনতা ও মুক্তির জন্য ঝাপিয়ে পড়েনি আমাদের মুক্তির ইতিহাসটা পলাশী থেকে ধানমন্ডি ৩২ পর্যন্ত বিস্তৃত যা এখনও আমরা করে যাচ্ছি। আমাদের স্বাধীনতার একজন মহানায়ক আছেন-যার তর্জনীর ইশারায়, বজ্রকন্ঠের ডাকে সমগ্র বাঙালি জাতি সেদিন জেগে উঠেছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষণা করেছিলেন-‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। আর তাতেই সাড়ে সাত কোটি বাঙালির স্বাধীনতার মুখবন্ধ রচিত হয়ে গেল।

মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা পেয়ে গেলাম একটা স্বাধীন ভূ-খন্ড সার্বভৌম দেশ। আমাদের মুক্তির সংগ্রাম এখনো চলছে। স্বাধীনতাবিরোধীদের উত্তরাধিকার ও রাজাকার দোসরদের বিরুদ্ধে এ সংগ্রাম নিরন্তর করে যেতেই হবে। তবে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি কিন্তু তখন থেকে এখনও তাদের দোসরদের কাঁধে ভর করে রাজনৈতিক শক্তিতে আবির্ভূত হচ্ছে।

সম্প্রতি চট্টগ্রামে বিএনপির জনসভায় স্বাধীনতাবিরোধী বিতর্কিত নেতা সা.কা. চৌধুরীর ছেলে হুম্মাম কাদের চৌধুরী সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘এই আওয়ামী লীগ সরকারকে বলে দিতে চাই, ক্ষমতা ছাড়ার পর একা বাড়িতে যেতে পারবেন না। প্রত্যেকটা শহীদের বাড়িতে গিয়ে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করব।’

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে হুম্মাম বলেন, ‘যাওয়ার আগে বাবার স্লোগান আপনাদের বলে যেতে চাই। নারায়ে তকবির, নারায়ে তকবির, নারায়ে তকবির। আমরা যখন আবার এই ময়দানে আসব, সরকার গঠন করে আসব।’

একজন যুদ্ধাপরাধী রাজাকার পুত্রের এমন হুংকার, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত অবমাননা, একটা রাজনৈতিক দলের ব্যানারে! কী প্রমাণ করে? স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরের অর্জনকে তারা শুধু বৃদ্ধাঙ্গুলিই দেখাননি, বরং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ক্ষমতায় এলে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির লোকদেরকে একা ঘরে না ফেরার হুমকি দিচ্ছেন প্রকাশ্যে।

বাস্তবে কী হবে তা আমরা তো তাদের পেট্রোল বোমা ও আগুন সন্ত্রাসী দিনগুলোর সময় দেখেছি।এই কালকেউটেদের ফনা বাংলাদেশকে আরো গুরুত্বের সাথে আমলে নেয়ার সময় এসেছে। এদের ফুঁস করে উঠতে দেয়া যাবে কি-না তা বাংলাদেশের জনগণ সিদ্ধান্ত নিবে যেমনটা নিয়েছিল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রশ্নে।

অসাম্প্রদায়িক, শান্তি ও সৌহার্দ্যের বাংলাদেশ, মিলে-মিশে বাংলাদেশ, সবার জন্য বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশের জন্য এরা অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অতীতেও তার দাদা ছিলেন ফজলুল কাদের চৌধুরী। তিনি বঙ্গবন্ধুর ছয়দফার বিরোধী ছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরোধী ছিলেন, ১৯৭১ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রায় দেড় মণ সোনা নিয়ে নৌ-যানে করে দেশ থেকে পালানোর সময় আনোয়ারা উপজেলার গহীরা উপকূলে মুক্তিযুদ্ধাদের হাতে ধরা পরেন।

এসব অপশক্তির মূল কত গভীরে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। তাদের মূল উৎপাটনে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। রাজাকার সাকা পুত্রের বক্তব্যে কপালে ভাঁজ ফেলার মতো আরো একটি বিষয় হলো-তিনি দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে অবমাননা করে ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসির সাজা হওয়া সব আসামীদেরকে ‘শহীদ’ বলে জনসম্মুখে বক্তব্য প্রদান করেছেন। তা দেশের সর্বোচ্চ আদালত অবমাননার শামিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩’র ক্ষমতা বলে অপরাধীদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত যেখানে তাদের মৃত্যুদন্ড বহাল রাখেন, সেখানে অপরাধীদেরকে জনসম্মুখে শহীদ বলে আখ্যায়িত করে সর্বোচ্চ আদালত অবমাননা এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত। রাষ্ট্রদ্রোহীতার শামিল।

অথচ হুম্মাম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, হুম্মামের এই বক্তব্যকে আমীর খসরু মাহমুদ বিএনপি’র নয়, হুম্মামের ব্যক্তিগত বলে উল্লেখ করেছেন। শাক দিয়ে মাছ ঢাকা ছাড়া আর কিছু নয়। ২০১৫ সালে যুদ্ধাপরাধে জড়িত সাকা চৌধুরীর রায় কার্যকর হলে বিএনপি তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেনি বরং ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত দলের কংগ্রেসে সাকা চৌধুরীর নামে শোক প্রস্তাব করা হয়। মুক্তিযুদ্ধকে তারা এভাবে লালন করেন!

যুদ্ধাপরাধীদের ব্যাপারে বিএনপির দৃষ্টিভঙ্গিতে আমরা কম, বেশী বিচলিত। ২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর চাঁপাইনবাবগঞ্জে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় দলনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, কাদের মোল্লা, কামারুজ্জামান, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, মতিউর রহমান নিজামী এবং আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ যুদ্ধাপরাধী নয়, রাজবন্দী। আর আওয়ামী লীগ স্বাধীনতাবিরোধী। দলের চেয়ারপারসনের এ বক্তব্য আজ ও আগামী দিনের বাংলাদেশ কিভাবে নিবে? সবকিছুকে রাজনীতি আর ক্ষমতার মোড়কে ভাঁজ করে রাখলে দেশটাকে এগিয়ে নেবে কে? শুধু ভোটের রাজনীতির জন্য মাতৃতুল্য স্বদেশ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের মর্যাদা বিকিয়ে দিয়ে; জনগণের কাছে দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে না পারলে জনগণের কাছে কী প্রত্যাশা করা যায়?

ইউক্রেন ও রাশিয়া যুদ্ধের ফলে চলমান বিশ্বসংকট থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে দেশকে আগামীর জন্য স্থিতিশীল রাখা এবং উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ভিশনারি নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। একইভাবে আমাদের ভুলে গেলেও চলবে না লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীন দেশে স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতকদের উত্তরসূরীরা এখনো প্রতিশোধের উন্মত্ততায় মরণ কামড় দিতে সুযোগ খুঁজছে। করছে রাষ্ট্রবিরোধী নানা ষড়যন্ত্র। তাদের হাত থেকে দেশকে ও দেশের স্বাধীনতার মর্যাদাকে বাঁচাতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ কিংবা গণ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবেই। তার কোনো বিকল্প নাই।

মেইল : tanzib1971@gmail.com.

লেখক-গবেষক।

ছবি : পাহাড়পুর মহাবিহার।

ওএফএস।

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী