বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সেতুবন্ধন উন্নয়নের মালা

আবু নাছের ভূঁইয়া
নদীমাতৃক বাংলাদেশ কথার সহজ অর্থ হচ্ছে, নদী আমাদের জীবনব্যবস্থার মা। নদ-নদীর পলি হতেই প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ ব-দ্বীপটির গড়ে উঠা বা জন্ম। দেশকে বাঁচিয়ে রাখতে তাদের কোনো বিকল্প নেই। পদ্মা-মেঘনা-যমুনা যেমন আমাদের অস্তিত্ব তেমনি এই অঞ্চলগুলোকে আলাদাভাবে সমৃদ্ধ করেছে।
নদ-নদীর সমৃদ্ধি যেমন আমাদের কৃষি অর্থনীতিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে আবার তাদের বিশালতা আমাদের একটি অঞ্চল থেকে আরেকটির সড়ক ও নৌ-যোগাযোগের দূরত্ব তৈরি করছে। ফলে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও লেনদেন উন্নয়নের যুগে ব্যহত করছে। এই তথ্য-প্রযুক্তির যুগে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম করিডোর হলো যোগাযোগ বা কানেক্টিভিটি। পদ্মা সেতু যেমন পুরো দক্ষিণাঞ্চলকে রাজধানী ঢাকা এবং এক অর্থে পুরো দেশের সাথে যুক্ত করেছে, তেমনি বৃদ্ধি পেয়েছে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য।
একসময়ের স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন দক্ষিণাঞ্চলের জনগণকে তাদের লালিত স্বপ্ন বা মিথ বাস্তবে ছুঁয়ে দেখার অনুভুতি দিয়েছে। এখন আঞ্চলিক সেতুগুলো অর্থ-বাণিজ্যের সংযোগ হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলকে এক সুতোয় যুক্ত করছে। আওয়ামী লীগ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন অগ্রযাত্রার নতুন মাইলফলক হয়েছে।
আমাদের এই পদ্মা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের সক্ষমতা ও সম্ভাবনারও উজ্জ্বল স্বাক্ষর বহন করে যাবে। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির লাইফ লাইন হয়েছে। অবারিত সম্ভাবনার এ সেতু উদ্বোধনের পর একের পর এক নতুন কানেক্টিভিটি ডানা মেলতে শুরু করেছে।
গোপালগঞ্জ-নড়াইলে ‘মধুমতি সেতু’ এবং নারায়ণগঞ্জ বন্দর-জেলা সদরে নির্মিত ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান সেতু (তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু)’ আলোচনায় বলছি। এই বছরের ১০ অক্টোবর সেতু দুটি উদ্বোধন দেশের অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করছে নিঃসন্দেহে। আঞ্চলিক যোগাযোগ স্থাপনেও।
পদ্মা সেতু হয়ে দেশের বৃহত্তম বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সাথে ও বেনাপোল স্থলবন্দরকে সংযুক্তি আমাদের অর্থনীতিতে নতুন ইতিহাসটি রচনা করেছে।
বাংলাদেশের প্রথম ছয় লেনের দৃষ্টিনন্দন মধুমতি সেতু নড়াইল ও গোপালগঞ্জের সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। মধুমতি পাড়ের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। স্পষ্টভাবে বোঝা গিয়েছে, নড়াইলবাসীর চোখে, মুখে আবেগ উচ্ছ্বাস এবং আনন্দ দেখে।
বিখ্যাত ‘নদীর নাম মধুমতি’ চলচ্চিত্রে অনেকেই আমরা দেখেছি বা পড়েছিও- সবুজ প্রকৃতির কোল ঘেঁষে বয়ে চলা কোমল ও মিষ্টি মধুমতি নদীর নামটিই সেতু তৈরির সময় নাম দিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। নামকরণ স্বার্থক হয়েছে। মধুমতি সেতু আমাদের জীবনের আরেকটি রূপ। তার সরকারের ‘রূপকল্প ২০৪১’ বাস্তবায়ন ও বাংলাদেশকে আধুনিক, সমৃদ্ধ, উন্নত দেশে পরিণত করতে বহুকালের যে স্বপ্নযাত্রা তারা গ্রহণ করেছেন, অর্থনৈতিক কানেক্টেভিটিগুলো উদ্যোগটিতে অনন্য ভূমিকা পালন করে যাবে।
মধুমতি সেতু এশিয়ান হাইওয়েতে যুক্ত হওয়ার ফলে অর্থেনৈতিক গুরুত্ব বেড়ে যাবে। তাই সেতুদ্বয় ছয় লেনের সেতুতে রূপদান করা হয় বাংলাদেশে একমাত্র হিসেবে। আর মধুমতি সেতু চালু হওয়ায় ঢাকা থেকে নড়াইলের দূরত্ব হলো মাত্র ১শ ১৩ কিলোমিটার। সেতুটি চালু হওয়ায় আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ঢাকা, চট্টগ্রামসহ অন্যান্য জেলা থেকে বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল ও সাতক্ষীরার ভোমরা সরাসরি সংযুক্ত হলো। কালনা নদীর ওপর মধুমতি সেতু দেশের বণিজ্যিক কার্যক্রমে অত্যন্ত গতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বড় ভূমিকা রেখে যাবে। দেশী-তো বটেই বিদেশী বিনিয়োগ আসবে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) এখানে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। জেলা শহরের অদূরেই হতে যাচ্ছে আরেকটি বিসিক শিল্পনগরী। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের হাতছানি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১০টি জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্নও পূরণ হবে। সেতুর পূর্ব পাড়ে গোপালগঞ্জ কাশিয়ানী ও পশ্চিম পাড়ে নড়াইল লোহাগড়া উপজেলা। নান্দনিক নির্মাণশৈলী ও অনন্য স্থাপত্য কৌশলটি সেতুকে আকর্ষণীয় করেছে। মাঝখানে বসানো ভিয়েতনামে তৈরি বিশ্বের সর্ববৃহৎ ১শ ৫০ মিটার দীর্ঘ নেলসন লস আর্চ টাইপের (ধনুকের মতো বাঁকা) স্টিলের স্প্যান পর্যটন আকর্ষণ সবসময় বাড়িয়ে যাবে। জাপানের বিখ্যাত নিপ্পন কোম্পানির স্প্যানটি সেতুকে স্থায়ীত্ব দিয়েছে।
৬শ ৯০ মিটার দীর্ঘ ২৭.১ মিটার চওড়া সেতুটিতে চারটি উচ্চগতির লেন, দুটি সার্ভিস লেনে সমৃদ্ধ। আছে ৪.৩০ কিলোমিটার অ্যাপ্রোচ রোডও। ফলে যোগাযোগ নিরাপদ হলো। সহজ হলো।
একই সময়ে উদ্ধোধন হওয়া নারায়ণগঞ্জ বন্দর-জেলা সদরে বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান সেতুটিও খুলে দেওয়ার পর দেশের তিনটি জাতীয় মহাসড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-মাওয়া-খুলনা একে-অপরের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হলো।
বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান সেতুটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে পদ্মা সেতুর দূরত্ব কমাবে অন্তত ৯ কিলোমিটার। দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও সিলেটের দূরত্ব অন্তত ২০ কিলোমিটার কমবে। এখন থেকে ওই দুই পথের যাত্রীদের ঢাকা হয়ে আর কোনাদিন চলাচল করতে হবে না। সে কারণে অন্তত দুই ঘণ্টা সময় সাশ্রয় হবে যাত্রী এবং পণ্য পরিবহনে। দক্ষিণের যাত্রীরা পদ্মা সেতু দিয়ে মুন্সীগঞ্জ হয়ে শীতলক্ষ্যা সেতু দিয়ে মদনপুর হয়ে চট্টগ্রাম এবং সিলেট যেতে পারবেন। এই সেতু চালুর মধ্য দিয়ে পদ্মা সেতুর সাথে সংযোগ হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জের। যারা খুলনা, যশোর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়ার মানুষ, তারা পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা শহরে প্রবেশ না করেই সরাসরি চট্টগ্রাম যেতে পারবেন। সেক্ষেত্রে বড় দূরত্ব কমে যাবে। তৈরি হলো অর্থনৈতিক অপার সম্ভাবনা। বৃদ্ধি পেল অর্থ ও বাণিজ্য গুরুত্ব।
১.২ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ২২. ১৫ মিটার প্রশস্ত মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান সেতু। বহু শতাব্দী আগে থেকে রাজধানী ঢাকা এবং ঢাকার পাশের বিখ্যাত বন্দরনগরী ও অন্যতম বাণিজ্যকেন্দ্র নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে অন্য জেলাগুলোর বাণিজ্যিক সংযোগ ঘটালো সেতু পথে। সেতুটিতে ধীরগতির গাড়ি (রিকশা-সাইকেল) চলাচলের জন্যও আলাদা দুটি লেন রাখা হয়েছে। আছে পায়ে হেঁটে পারাপারের জন্য ফুটপাত। ফলে স্থানীয় জনগণের যোগাযোগ আরো সহজ হলো।
বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান সেতু নারায়ণগঞ্জবাসীর নিত্য যোগাযোগ সহজ করলো। ঢাকা শহরের যানজট নিরসনেও ভূমিকা রাখতে শুরু করলো। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সেতুটি লক্ষাধিক মানুষ নৌকা ও ট্রলারে খেয়া পারাপারের ভোগান্তির অবসান ঘটালো। সেতুর সঙ্গে নতুন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠলো। ফলে আরো কাজ করলে মুন্সীগঞ্জসহ আশেপাশের মানুষ পদ্মা সেতু থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা লাভ করবেন। শেখ হাসিনা সরকারের দূরদর্শীতার অনন্য প্রমাণ বাংলাদেশের এই রূপান্তরগুলো। তার নেতৃত্বের স্বারক সেতুবন্ধন। আগামী প্রজন্মের উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন প্রাণসঞ্চার।
লেখক : শিক্ষক ও গবেষক।

ছবি : বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসিম ওসমান সেতু, মধুমতি ও পদ্মা সেতু।

ওএফএস।

 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী