বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সহমর্মিতা, সুস্থ পরিবেশ প্রয়োজন

‘শোনা গেল লাশ কাটা ঘরে/নিয়ে গেছে তারে;/ কাল রাতে –ফাল্গুনের রাতের আঁধারে/যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ/মরিবার হল তার সাধ’। (জীববানন্দ দাশ)
আমরা এমন ঘুম চাইনি পারমিতা । তোমার জন্য নয় পৃথিবীর আর কোন মানুষের জন্যও নয়। কোনোদিন না জাগার বেদনা নিয়ে অবিরাম ভার নিয়ে কোন স্বপ্নের অপমৃত্যু আর চাই না । এক সময় এই সমাজ ছিল ‘আমরা’ কেন্দ্রিক ধারণায় লব্ধ। যা কিছু সবটাই আমাদের, কর্মফল ও দ্বায়িত্ব। যাবতীয় কাজ ব্যক্তিবিশেষ, নয় ব্যক্তি নির্বিশেষ। পরবর্তীতে আমরা ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে উঠলাম। ব্যক্তি মানুষের নানা অর্ন্তমুখী চিন্তা তথা-অস্তিত্ববাদ ক্রমশ আমাদের মধ্যে প্রোথিত হতে লাগল আর পরস্পরের কাছ থেকে খুব সূক্ষ্মভাবে বিছিন্ন হতে থাকলাম। নানামুখী সংকটের শুরু তখন। অবসাদ, নৈরাশ্যবাদ যেন আরো এক বিপন্ন বিস্ময় হয়ে আমাদের অন্তর্গত রক্তের মধ্যে খেলা করে তাই বুঝি পারমিতারা সমাজের সাথে যুঝে উঠবার রসদ জোগাতে পারেনা। পারমিতা আমাদের কাছে প্রতিটি জীবন একটি অস্তিত্বের একান্ত গভীর অনুভুতি , বেদনা ও বিচ্ছিন্নতার ক্লান্তিকর ক্ষত, সম্ভাবনার অপমৃত্যু, দিনশেষে কাঁটাতারের প্রজাপতি।
জাঁ পল সার্ত্রের নসিয়া উপন্যাস ব্যক্তি জীবনের নিঃসংঙ্গতাবোধের এক অসাধারণ উপস্থাপন। চিত্রিত হয়েছে অ্যান্টোআইন রোকেন্টিন নামের এক ব্যক্তি কিভাবে জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে তার পরিবেশ, প্রিয়জন এমনকি সবচেয়ে কাছের মানুষ প্রেমিকা অ্যাানির কাছে থেকে ক্রমে বিছিন্ন হয়েছেন। এই যে আমরা ক্রমশ একলা হচ্ছি, কারণ কি? আমাদের অবসাদ, ক্লান্তি, যন্ত্রণাকে ঠেলে কেন বেঁচে থাকার তাগিদগুলো অনুভব করছি না? কেন জীবন বার, বার পরাজিত যাচ্ছে মৃত্যুর কাছে? জীবনের প্রতি এত বিতৃষ্ণা কেন জন্মাচ্ছে?
ঝাঁ চকচকে সুগন্ধে মোড়া, ফাঁপা অন্ত:সারশুন্য যে নাগরিক জীবন বেছে নিয়েছি আমরা, সেখানে কোন আরাম নেই, শান্তি নেই, বিশ্রাম নেই শুধু আছে অবিরাম ছুটে চলা। আমরা একে অপরের থেকে ক্রম দূরবর্তী হচ্ছি। মহানগরের তপ্ত দুপুরের গিজ, গিজ করা মানুষদের মধ্যে যোজন, যোজন ব্যবধান । নাট্যকার লুইজি ব্রায়ান্টের ‌‘দ্য গেম’-এ একটি তরুণী আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন। খেলা শুরু করে জীবন–মৃত্যু নামে দুটি চরিত্র। জীবন–মৃত্যুর ঘূর্নায়মানতার নিরন্তন দ্বন্দ্বে জীবনই জয়ী হয় সেখানেও। ফলে যাই ঘটুক, যত আঘাত, দুঃখের তীব্রতা, আসুক হতাশা–জীবন অপার সম্ভাবনাময়। তাই আত্মহত্যা নয়। এমন বার্তাই বহন করেন লুইজি ব্রায়ান্ট। তার নাটকটিতেও জীবনের অপার সম্ভাবনাকে ভালোবাসার আশায় আবার নতুন করে বেঁচে থাকার প্রেরণায় জেগে উঠতে দেখা যায় সবাইকে। বাস্তবে এই স্বপ্ন বা আশা ব্যর্থ হওয়ার কারণ? কেন আত্মহত্যার মতো কাজে মানুষের জীবনবোধ ও বেচেঁ থাকার তীব্র ইচ্ছার পরাজয় ঘটছে?
মানুষ কোন চিরন্তন ধারনায় বদ্ধ নির্দিষ্ট সীমায় বাঁধা নয় । তার অবস্থান, পরিবেশ ও পরিস্থিতি বিবেচনা করে, কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে ব্যক্তির মূল্যবোধ, ইচ্ছা,আগ্রহ ও অনুভূতি। মানুষকে প্রতিনিয়ত সময়ের সাথে যুঝে মানুষ হয়ে উঠতে হয়। তাহলে কী পরিস্থিতি ও পরিবেশের মধ্যে আমরা আছি যেখানে পারমিতারা মানুষ হয়ে ওঠার লড়াইটি লড়তে চায় না। মনোবিজ্ঞানীর ভাষায়- মানুষ হতাশ হলে ঠুনকো কারণেও আবেগ ধরে রাখতে পারে না। তখন নিজেকে একা মনে করে। আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় ধীরে, ধীরে খারাপ পরিণতিতে। আপাতদৃষ্টিতে, অন্যদের কাছে মৃত্যু মনে হলেও সেটি জীবনের পরাজয়। ওই মুহূর্তে সেই ব্যক্তির জন্য অনেক বড় কারণ হয়ে সামনে এসেছিল মরণ।
অনেকটা সেই বালকরা আর ব্যাঙদের গল্পের মতো। পুকুরের ঢিল ছোঁড়া তাদের কাছে নিছক আনন্দের কিন্তু ফল হলো অত্যন্ত মারাত্মক। তাদের আনন্দ অন্যের মৃত্যুর কারণ হয়েছে । তাই যে বিষয়টি আপনার আমার জন্য অত্যন্ত তুচ্ছ আপনি বা আমি কোন কারণই খুঁজে পাই না জীবনকে শেষ করে দেওয়ার জন্য সেখানে যিনি আহত, রক্তাক্ত- তার কাছে সেটিই অনেক বড় কারণ । মানুষ কিন্তু কারণের জন্যই আত্মহত্যা করে তা কিন্তু নয় বরং যখন অপমানিত বোধ করে; যখন সে কোনো ব্যক্তি, কারো আচরণ, কোনো পরিবেশ, পরিস্থিতির মাধ্যমে বারংবার সহিংসতার শিকার হয়, সহানুভুতির বদলে যখন একাকী, নি:সঙ্গতায় হতাশার অন্ধকারে জীবনের সুন্দর অর্থ তার কাছে অধরা হয়ে যায় ফলাফল হয় জীবননাশ। জীবনের ইতি ঘটানো ব্যক্তিটির কাছে একটা সমাধান হয়। যাবতীয় যন্ত্রণা ও ব্যর্থতা থেকে মুক্তির উপায় হিসেবে পথটিকে বিবেচনা করেন । মনোবিজ্ঞানীরা বলেন টানেল ভিশন। চিন্তার শূন্যতা । যুক্তি দিয়ে চিন্তা করার ও সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা লোপ পায় তখন ।
মানুষের চিন্তা ,অবসাদ বিষন্নতা ও ক্ষয়ে যাওয়া, সহ্য, শক্তি, মানিয়ে নেওয়ার অক্ষমতা একদিনে হয় না। সমস্যাটি একদিনের নয়। পারমিতাও হয়ত বিষন্ন ছিল, আহত ছিল, ভীত ছিল ভিতরে, ভিতরে ক্ষয়ে গিয়েছিল। নির্মমতা হলো আমরা কেউ বুঝতে পারলাম না। অনেক ক্ষেত্রে ধার্তব্যের মধ্যেই ধরলাম না। প্লেটো ‘ক্রাইসিস অব ফ্রেন্ডশিপ’তে প্রশ্ন করেছিলেন-মানুষ আত্মহত্যা করে কেন ? উত্তর ছিল সহায়হীন হলে। সহায়ক তবে কে? প্লেটোর উত্তর-বন্ধু, তারাই স্বজন। তিনি বইতে বিশদ আলোচনা করেছেন তার উপযোগিতা ও আনন্দ তত্ত্বের ভিত্তিতে। তবে গুরুত্বপূর্ণ হলো কাছের মানুষের সাহচর্য। কাছের মানুষদের ভুমিকা ও দায়িত্ব আজও সবচেয়ে বেশি। খুব সাধারণ বোধেই মানুষ বিপন্ন হলে তার কাছের মানুষের সান্নিধ্য সবার আগে খোঁজেন। তাই শোনার প্রবণতা রোধ করে সব দুর্ঘটনা। সহমর্মিতা ও মন খুলে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়ে উঠে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমাধান। প্রিয় জীবন সুন্দর করতে প্রেম, আশা, বিশ্বাস, সহানুভুতি ও মানবিকতার প্রয়োজন। প্রিয়জন ছাড়া সম্ভব? হু’র মতে, মানসিক সুস্থতা হলো, কোনো ব্যক্তি যখন নিজের স্বক্ষমতা বুঝতে পারেন, তখন জীবনের স্বাভাবিক চাপগুলো তিনি মানিয়ে নিতে পারেন, উৎপাদনশীলতায় কাজ করে যেতে পারেন। নিজ অবদান রাখতে পারেন এই যোগ্যতাগুলো অর্জন করতে সহমর্মিতা, সুস্থ পরিবেশ প্রয়োজন। র্নিমাণ করার দ্বায়িত্ব কাদের? শৈশব, কৈশোর হবে আনন্দময়। তারুণ্য সাহসী, উদ্যামী। কেন নিরাশার অন্ধকার গহব্বরে হারিয়ে যাবেন? সুন্দর সুনিশ্চিত ভবিষৎ নির্মাণের স্বপ্ন আমরা সবাই দেখি। সেখানে পৌঁছাতে আমাদের পারমিতাদের মৃত্যু নিয়ে ফল্প্রসূ চিন্তা করার সময় থাকতে হবে। আমরা আত্মহত্যা দিবস পালন করব, আলোচনা করব, সেমিনার করব কিন্তু দিন শেষে বেড়াব, ভালো থাকব, কাজ করব। আর সম্ভাবনাময় জীবনগুলোর মহীরুহ হয়ে উঠতে না পারায় নিজেদের প্রশ্ন করা ছাড়া আর কী কোনো উপায় আছে আমাদের কারো?
(পারমিতা নামটি রূপকার্থে ব্যবহার করা হয়েছে এই বিশেষ রচনায়)

নবনীতা চক্রবর্তী, প্রভাষক, নর্দান ইউনির্ভাসিটি, বাংলাদেশ।

ওএফএস।

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী