বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

আমাদের জীবনে নদী

এস. এম. আল ফাহাদ

নদী মানেই সভ্যতা, নদী মানেই সংযোগ। নদীই এদেশের সংস্কৃতি বিনির্মাণ করেছে, জনপদ তৈরি করেছে ও খাদ্য যুগিয়েছে। নদীর সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের সম্পর্ক অতি নিবিড়। এ নদীগুলোই হারিয়ে যেতে বসেছে। আমাদের নিভু, নিভু এই প্রাণগুলো নিয়ে কোনোরকমে বেঁচে থাকা চলছে। নদীগুলোকে নিয়ে পরিবেশবাদী, সাধারণ মানুষের যত উদ্বেগ। নদী রক্ষার তৎপরতা সারা পৃথিবী জুড়েই দৃশ্যমান। নদী সম্পর্কে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে ও ভাবনা তৈরি করতে প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের চতুর্থ রবিবার পালন করা হয় ‘বিশ্ব নদী দিবস’।

এবারের নদী দিবসের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো -"আমাদের জনজীবনে নৌপথ।"

২৫ সেপ্টেম্বর (রবিবার) পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে, ইসাবেলা ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের সহযোগিতায় শীতলক্ষ্যা, ব্রহ্মপুত্র ও কালীগঙ্গার মোহনায় ধাঁধারচরে (মাঝের চর) বিশ্ব নদী দিবস-২০২২ পালিত হয়েছে।

প্রধান অতিথি হিসেবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের উদ্যোগে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী খালেদ মাহমুদ চৌধুরী, এমপি।

বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব এম. মোস্তফা কামাল জাতিসংঘের রেসিডেন্ট  প্রতিনিধি  মিজ গোয়েন লুইস।

অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে মুখ্য আলোচক ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস প্রফেসর ও প্রখ্যাত নদী বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত।

আলোচক ছিলেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. আনসারুল করিম ও জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সদস্য মালিক  ফিদা আব্দুল্লাহ খান।

সভাপতি ছিলেন ড. মনজুর আহমেদ চৌধুরী, চেয়ারম্যান-জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন ।

আমাদের নদীগুলোর সঙ্গে বাঙালির সারা জীবনের সম্পর্ক। গ্রামের পাশে বহমান স্রোতস্বিনী নদী, চলমান নৌকা, জেলেদের কর্মব্যস্ততা, পাড়ে শিশুদের দুরন্তপনা-বাংলার চিরায়ত রূপ। এসব নয়নাভিরাম দৃশ্যই শুধু নয়, নদী ও গ্রামকেন্দ্রিক জীববৈচিত্র্য আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশকে সমৃদ্ধ করেছে। শিরা, উপশিরার মত ছড়িয়ে, ছিটিয়ে থাকা নদীগুলোর কারণে বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত।

সারা বছর কম-বেশি জলপ্রবাহ থাকায় নদীগুলো হয়ে ওঠেছে লক্ষ প্রাণের এক, একটি গতিময় অভয়ারণ্য।

এই আধারগুলো মিঠাপানির। অসংখ্য ক্ষুদ্র অমেরুদন্ডী প্রাণী, আমাদের বেঁচে থাকার খাবার ও জীবিকা মাছ, উভচর প্রাণী, সরীসৃপ, পাখি ও স্তন্যপায়ী; কত, শত প্রাণের আবাসস্থল।

আমাদের মিঠাপানির মৎস্যসম্পদের প্রধান উৎস নদীগুলো। ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ২শ ৬০টি  প্রজাতির দেশী মাছ পাওয়া যায় বাংলাদেশের নদীগুলোতে। খাদ্যের সন্ধানে তীর ও জেগে ওঠা চরে এসে ভীড় করে বক, পানকৌড়িসহ নানা জাতের পাখি।

দেখা যায় তার বুকে স্তন্যপায়ী শুশুক, ভোঁদড়। নদীতে শামুক, ঝিনুক মেলে।

মাছ হিসেবে খাদ্য কাকঁড়া, চিংড়ির অমেরুদন্ডী প্রাণী। আরও কত যে আছে। এসব প্রাণীর উপর নির্ভরশীল হয়ে বাঁচে পাখিসহ অন্যান্য প্রাণীরা।

নদী ভরাট ও দূষণে মাছসহ অন্যান্য জীবের স্বাভাবিক জীবনপ্রবাহ মরে যাচ্ছে। নদীতে চর পড়ে যাওয়ায় মাছের উৎপাদন কমছে। ইতোমধ্যেই নদীগুলো হতে অনেক মাছ বিলুপ্ত হয়েছে, অনেক মাছ বিলুপ্তির প্রহর গুনছে। সাথে, সাথে নির্ভরশীল অন্যান্য প্রাণীকুল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। প্রভাব পড়ছে সমগ্র প্রতিবেশে, বাস্তুসংস্থানের ওপর। ফলে আমাদের নদীগুলো সংরক্ষণে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

সবার আগে নদী ভরাট করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অবৈধ বালু উত্তোলন, নিষিদ্ধ কারেন্ট ও চায়না-দুয়ারি জাল ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। নদীর গতিপথ ও নাব্যতা ঠিক রাখতে হবে। নদীর সাথে বিল, খাল, জলাধারের সংযোগ স্থাপন করে মাছের স্বাভাবিক বিচরণ নিশ্চিত করতে হবে।

আশার কথা, সম্প্রতি হাই কোর্ট নদীকে জীবন্ত সত্তা রায় দিয়েছেন। ফলে নদী আর ময়লা ফেলার ভাগাড় নয়। পানির অপর নাম জীবন আর নদী এই জীবনের গতিময় ধারা। নদীর বাঁচা, মরার ওপর বাংলাদেশের অস্তিত্ব নির্ভর করে। সুস্থ প্রকৃতির জন্যই নদী সংরক্ষণ করতে হবে। ‘বাঁচলে নদী বাঁচবে দেশ, বাঁচবে প্রিয় বাংলাদেশ।’

লেখক: প্রেসিডেন্ট, রিভার ডিফেন্ডার্স ক্লাব। শিক্ষার্থী, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

ওএফএস।

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী