বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

নানা সমস্যায় জর্জর ‘বশেমুরবিপ্রবি’

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই টিএসসি। আরো কত নেই! গল্প বলছেন ও ছবি তুলেছেন অন্যতম সাংবাদিক এবং ছাত্র সফিকুল আহসান ইমন

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা হবে বিশ্বমানের। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে ছাত্র-ছাত্রীরা ক্ষমতা অর্জন করবেন আন্তর্জাতিক মানের সাথে তাল মেলানো। শিখবেন নৈতিকতা, মহানুভবতা, মননশীলতাও। পূর্ণ পরিসরে নিয়মানুযায়ী হবার কথা থাকলেও সেই সুযোগগুলো লাভ করতে পারেন না বাংলাদেশের অন্যতম বিশ্ববিদ্যালয় ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে পিতৃভূমি গোপালগঞ্জে তার মেয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গড়া ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি)’ ছাত্র, ছাত্রী, ‍অধ্যাপক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও গবেষকরা।

তারা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় একজন ছাত্র এবং ছাত্রীকে শুদ্ধ মানুষ হিসাবে গড়ে তোলার সবচেয়ে বড় জায়গা। বিশ্বমানের পড়ালেখা হয় সেখানে। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লাভ করেন বৈশ্বিক জ্ঞান। মেধা এবং মননশীলতায়ও একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ে ওঠেন বিশ্বমানের। দেশের গন্ডি পেরিয়ে বিশ্বকে দেখতে পান তার আগেই পারিপার্শ্বে। উচ্চশিক্ষিত শিক্ষক-শিক্ষিকা, ন্যায়-নীতিবান প্রশাসক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিভিন্ন অঞ্চলগুলোর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকেও বিবিধ জ্ঞান লাভ করেন।

তবে এইসব সুবিধায় ভাটা পড়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি)-এ। এখনো নেই টিএসসি বা ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র। এ বড় আশ্চর্য। তারা জানেনও না টিএসসির কাজ কী? ফলে জানালেন, যেখানে অবাধ চলাচলের মাধ্যমে শিক্ষকদের কাছ থেকে জ্ঞান আহরণের সুযোগ থাকবে ছাত্র-ছাত্রীদের।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো হলেই সব হলের নিয়মে নেই পূর্ণ ও যথাযথ ব্যবস্থা। অত্যন্ত দুঃখের, নেই উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ, নেই পত্রিকা পাঠের রূম, নেই ইনডোর খেলার রূম, বিনোদনের জন্যও নেই কোনো আলাদা টিভি রূমের ব্যবস্থা। এই ব্যাথা আর কোথাও নেই।

হলগুলোতে ডাইনিংয়ের ব্যবস্থা নেই বলে যেখানে খেতে যান ছাত্র, ছাত্রীরা; শিক্ষার্থীদের সেখানেই দাঁড়িয়ে পত্রিকা পড়তে হয়। আবার সেখানেই উচ্চশব্দে চলে টেলিভিশন। ফলে বড় গন্ডগোল হয় মেধা বিকাশে। টেলিভিশনের উচ্চ শব্দের সাথে আছে খেলায় চার, ছয়ের আনন্দে চিৎকার ও হাততালি। কেউ আবার এক কর্ণারে ক্যারাম খেলছেন আর সাফল্যে চিৎকার করছেন। এসব নিয়েই হাসি, আনন্দে পড়তে হয় পত্রিকা। ওদিকে ভাতের থালা হাতে নিয়ে জায়গার অভাবে দাঁড়িয়ে খান সবাই। এই হলো বশেমুরবিপ্রবি'র হলগুলোর নিত্যদিনের চিত্র। সেখানেই তাদের বসার সিট আছে।

হলের অসুবিধার কথা উল্লেখ করে শেখ রাসেল হলের আবাসিক ছাত্র শামসুর রাহমান পাভেল বলেছেন, ‘আমাদের হলগুলোর পরিবেশ মানানসই হলেও সুযোগ-সুবিধা কম সমসাময়িক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর চেয়ে। শুধু হল সুবিধায় নয়, অবকাঠামোগত সুবিধায়ও আমরা পিছিয়ে অনেক ক্যাম্পাসের তুলনায়। যেহেতু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি সেহেতু অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সুযোগ-সুবিধা পাবো এইটুকু দাবী প্রশাসনের কাছে করতেই পারি আমরা।’

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সাদিয়া জাহান বলেছেন, `আমাদের হলের অবস্থা তো এই সম্প্রতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। কিছুদিন আগেও আমরা অনেকে একটি বেড শেয়ার করে থাকতাম। হলে বড় রিডিং রূম দরকার। যাতে বেশি শিক্ষার্থীর পড়া যায়। সে সঙ্গে টিভিরুম আর পত্রিকা রুম দুটো অবশ্যই আলাদা হাওয়া জরুরী।'

এ বিষয়ে অভিমত জানতে চাইলে শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক এমদাদ হোসেন বলেছেন, "অবশ্যই শিক্ষার্থীরা এই সুবিধাগুলোর দাবীদার। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, ক্যাম্পাসের জায়গার পরিমাণ কম আবার হলগুলোর নির্মাণগত দিক থেকেও অনেক কমতি আছে। তাই সুবিধাগুলো থেকে বর্তমানের শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত। তবে তারা অবশ্যই পাবে। অতি শীঘ্রই হাওয়া জরুরী। আমিও প্রশাসনকে জানাব।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার ছেলেদের শেখ রসেল হলে এসব সুবিধা খুব শীঘ্রই আসছে। আমাদের ক্যাম্পাসে কনস্ট্রাকশনের কাজ শেষ হচ্ছে দ্রুত। সেই হলে আমরা একটি গেষ্ট রুম, আলাদা বড় ইনডোর গেমস রুম এবং আলাদা টিভি রূমের ব্যবস্থা করতে পারব। বড় একটি রিডিং রুম, বর্তমানের থেকে বড় নামাজ কক্ষের ব্যবস্থা করব।’

শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনের তুলনায় নগন্য সুবিধা দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শরাফত আলী বলেছেন, "নিয়মানুসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসাবে আবাসিক হলে হলের সকল সুবিধা পাওয়া প্রতিটি ছাত্র, ছাত্রীর অধিকার। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় নতুন, পরিসর কম, অবকাঠামো কম, তাই কিছু সুবিধা থেকে আমাদের শিক্ষার্থীরাও বঞ্চিত। প্রশাসনের প্রচেষ্টা সব সময় থাকে। আশা করি, যথাশীঘ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সুবিধা আমাদের শিক্ষার্থীরা ভোগ করতে পারবে।’

যেখানে প্রয়োজনীয় হলের সুবিধাই পান না বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা, সেখানে বিশ্বমানের জ্ঞান আহরণ করা দায়। ক্যাম্পাসে নেই যথোপযুক্ত অবকাঠামোগত ব্যবস্থা, নেই প্রশাসনের সঠিক পরিচালনা পদ্ধতি।

ওএফএস।

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী