বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধূমপানমুক্ত একটি স্বপ্নজগৎ-শাবিপ্রবি

বাংলাদেশের প্রথম মাদক ও ধূমপানমুক্ত ক্যাম্পাস শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বিবিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)। তবে সেখানেও উৎসবে, খেয়ালে ও আনন্দে ছাত্র, ছাত্রী এমনকি কোনো কোনো অধ্যাপক ধূমপান করেন। আরো লিখেছেন প্রতিনিধি নূরুল ইসলাম রুদ্র

প্রধান ফটকেই লেখাটি আছে। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইনে ২০১৫ সালে প্রনীত বিধিমালা অনুসারে ২০১৮ সালের ৪ জানুয়ারি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে ধূমপান মুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া, ক্যান্টিন, টং দোকান, ফুডকোর্টসহ অন্যান্য জায়গায় তামাকজাতীয় দ্র্যব্যাদি বিক্রয় নিষিদ্ধ করেছেন তারা।

সে আইন ও বিধিমালা লংঘন করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সাস্ট ক্যাম্পাসের টং দোকান ও আবাসিক হলগুলোতে বিক্রয় হচ্ছে তামাক জাতীয় দ্রব্যাদি। সহজলভ্যের কারণে অনেকে শিক্ষার্থী মাদকের দিকেও ঝুঁকছেন। একপর্যায়ে অন্যান্য নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের দিকেও তাদের ঝুঁকে পড়ার শঙ্কা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মূলত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নজরদারির অভাব ও শাস্তির বিধান কার্যকর না হওয়ায় ধূমপায়ীরা দিন, দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছেন বলে মনে করছেন অধূমপায়ীরাও।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদক নিয়ন্ত্রণ বিধিমালায় বলা হয়েছে, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোথাও তামাকজাতীয় দ্রব্যাদি বিক্রয় পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও দোকানদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কিন্তু সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন টং দোকান, ফুডকোর্ট ও আবাসিক হলগুলোতে প্রকাশ্যে সিগারেট বিক্রয় করছেন দোকানিরা। এসব চায়ের দোকানে ছাত্রদের পাশাপাশি বহিরাগতরাও আসছেন। তারাও ধূমপান করছেন। সিগারেটের ধোঁয়ার কারণে দোকানগুলোতে অধূমপায়ীদের বসা মুশকিল হয়ে পড়ছে। এমনকি অ্যাকাডেমিক ভবনগুলোতে শিক্ষকরাও ধূমপান করছেন। সবুজে ঘেরা ক্যাম্পাস, মুক্তমঞ্চের পেছন দিক ও গোল চত্বরের বায়ু প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন উপলক্ষ্যকেও কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে নিয়মিত মাদকের আসর বসাচ্ছে মাদকসেবীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীরা প্রকাশ্যে ধূমপান করছেন।

মূলত অনুষ্ঠান চলাকালীন সময়ে অডিটোরিয়ামের ভেতরে বৈদ্যুতিক লাইট বন্ধ থাকার সুযোগে ‘অন্ধাকার’কে কাজে লাগিয়ে মাদকটি সেবন করছেন তারা।

এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ফেইসবুক গ্রুপেও সমালোচনার ঝড় বইছে।

গ্রুপটিতে শান্ত দাস নামের এক শিক্ষার্থী লিখেছেন, ‘অডিটোরিয়ামের দ্বিতীয় তলায় বসে প্রোগ্রাম দেখছিলাম। কিন্তু অতিরিক্ত ধোঁয়ার মধ্যে পড়ে অনেকেই মারাত্মক সাফকেটিং ফিল করায় বাধ্য হয়ে বের হয়ে আসতে হন।’

রেহনুমা মূর্ছনা নামের আরেকজন লিখেছেন, ‘টংয়ের মধ্যে বসে এরা ধূমপান করে। তাদের কারণে অ-ধূমপায়ীরা বসে খেতেও পারে না।’

আব্দুল বাছিত লিখেছেন, ‘হলের টিভি রুমে খেলা চলাকালীন সময়ে ছাত্র নেতাদের অনেকে প্রকাশ্যে ধূমপান করে।’

২০১৩ সালে বাংলাদেশ সরকারের ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন (সংশোধনী) অনুযায়ী, জনসমাগমস্থলে ধূমপানের শাস্তিতে অর্থদন্ড ৩ শত টাকা করা হয়েছে। কিন্তু আইনটি না মেনে ছাত্র ও শিক্ষকদের অনেকে প্রকাশ্যে ধূমপান করছেন এমন মন্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সিনিয়র অধ্যাপক বলেছেন, ‘আমাদের সাস্টে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে ভর্তি করানো হয়। ফলে প্রায় পুরোপুরি ধূমপান ও মাদকমুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছে। তবে কেউ, কেউ শুরুতে সিগারেট বা মাদকের প্রতি আসক্তি না থাকলেও পরবর্তীতে সিগারেটাসক্তদের সঙ্গে মিশে মাদকটির প্রতি ঝুঁকছে। ছাত্রদেরকে ফিরিয়ে আনতে বিভাগীয় ছাত্র উপদেষ্টাকে আরো অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। মাদকবিরোধী কার্যক্রমসহ নানামুখী উদ্যোগও নিতে হবে।’

ধূমপান করেন না, বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন কয়েকজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী জানান, ‘মাদকাসক্ত শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই ধূমপান দিয়ে পরে নেশায় জড়িয়ে পড়েছে। একজন ধূমপায়ীর সাধারণত একাধিক ধূমপায়ী বন্ধু থাকে। এভাবেই তার প্রভাবে অন্য বন্ধুরা নিয়মানুসারে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। একবার যখন কেউ কোনো মাদক গ্রহণ করে, তখন সে একটিতে অন্য কোনো মাদকও নানা কারণে গ্রহণ করে।’

ধূমপানের ‘ভাবসাব’ থাকে বলে জানিয়েছেন ধূমপায়ীরা।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক আবু হেনা পহিল এই ছাত্র প্রতিবেদককে বলেছেন, ‘কাউকে প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেখলে সেক্ষেত্রে চুপ না থেকে তার প্রতিবাদ জানানো বা প্রক্টরিয়াল বডিকে জানাতে হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’

কোনো দোকানদার সিগারেট বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, যেকোনো ধরণের মাদকের বিরুদ্ধে সাস্ট কর্তৃপক্ষ জিরো টলারেন্সে রয়েছেন। কারো বিরুদ্ধে কোনো ধরণের প্রমাণ মিললেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ওএফএস।

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী