বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটির বুননে বঙ্গবন্ধু

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষে তার অবদানের প্রতি কীভাবে বিশেষ উপায়ে শ্রদ্ধা জানানো যায়? একজন লোকশিল্প গবেষক হিসেবে ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করার বিষয়ে ভাবতে থাকি। ভাবনার এক পর্যায়ে সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটির বুননে বঙ্গবন্ধুর মুখাবয়বের প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলার চিন্তা মাথায় কাজ করতে থাকে।

আমরা সবাই বঙ্গবন্ধুর স্বদেশি ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পপ্রীতির কথা জানি। তিনি নিজের দেশের ঐতিহ্যবাহী কুটির-শিল্পকে অত্যন্ত উঁচুমানের শিল্প বলে গণ্য করতেন। তার সুদীর্ঘ সংগ্রামী জীবনে একটি বিষয় গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন, বাঙালি জাতিকে বিশ্বের বুকে টিকে থাকতে হলে লোক-সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে হবে। সেজন্য ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পীদের শিল্পকর্ম নির্মাণ ও বাজারজাতকরণে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার ব্যবস্থা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। ১৯৫৭ সালে তৎকালীন যুক্তফ্রন্ট সরকারের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী থাকাকালে গণপরিষদে বিল উত্থাপন করে ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। তার এ সুদূরপ্রসারী দূরদৃষ্টির ফলেই আমাদের বেশকিছু লোকশিল্প আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। এদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প ইউনেস্কোর 'অধরা বিশ্ব ঐতিহ্য' (Intangible Cultural Heritage of the World) হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

২০১৭ সালে বৃহত্তর সিলেটের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটিকে এ স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো। সে সময় আমি বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে কর্মরত। এ উপলক্ষে আয়োজিত শীতলপাটির প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী পাটিকর অজিত কুমার দাশের বুনন-কৌশল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছিলাম। বংশ পরম্পরার এ শিল্প মাধ্যমের ইতিহাস, বুনন-কৌশল প্রভৃতি খুঁটিনাটি দিক নিয়ে তার সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। প্রদর্শনীর ক্যাটালগে একটা আর্টিকেলও লিখেছি। আমার মনে হলো, শীতলপাটির শিল্পী অজিত কুমার দাশই একমাত্র পাটিশিল্পী, যিনি তার শিল্পীমন, অনন্য বুনন দক্ষতা ও গভীর ধৈর্য্য দিয়ে বঙ্গবন্ধুর হাসিমাখা মুখ মসৃণ বেতের বুননে শীতলপাটিতে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন।

আমার বিশ্বাস বৃথা হতে দেননি অনন্য-সাধারণ গুণী পাটিশিল্পী। আমি তাকে উদ্বুদ্ধ করি এ বলে যে, বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীন রাষ্ট্রের মহান স্থপতি, নকশাকার। সদ্য স্বাধীন, শিশু রাষ্ট্রকে নির্মাণ করতে গিয়ে নিজের বুকের তাজা রক্তে এ মাটি ভিজিয়ে শহীদ হয়েছেন!

আমাদের লোকশিল্প, বিশেষ করে শীতলপাটির প্রতি তার বিশেষ টান ছিল। তার জহুরির চোখ, তিনি শিল্পী রশিদ চৌধুরীকে গণভবনে তার দপ্তর ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পের উপাদান দিয়ে সাজিয়ে দিতে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। বঙ্গভবনে তার বিশ্রামকক্ষের বিছানায় অতি সাধারণ নকশার একটা শীতল পাটিতে শুয়ে ক্ষণিকের জন্য বিশ্রাম নিতেন। তার বিছানার শিথানের দিকের কাঠও শীতলপাটিতে মুড়িয়ে দিতে বলেছিলেন বলে শোনা যায়। জাতীয় জাদুঘরের মুক্তিযুদ্ধের ৪০ নম্বর গ্যালারিতে বঙ্গবন্ধুর শরীরের স্পর্শমাখা সেই সাধারণ অথচ অনন্য শীতলপাটির বিছানা দর্শকদের জন্য প্রদর্শন করা হচ্ছে।

আমি শিল্পী অজিত কুমার দাশকে বঙ্গবন্ধুর শীতলপাটি প্রীতির এ ইতিহাস শোনাই। তারপর বলি, পারবেন না বাংলার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এ মহান বাঙালি, আমাদের জাতির জনকের হাসিমুখটা শীতলপাটির বুননে ফুটিয়ে তুলতে!? দৃপ্ত কণ্ঠে জানালেন— তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

আমার কাছে জানতে চাইলেন বঙ্গবন্ধুর কোন ছবি অনুসরণ করবেন। আমি বললাম, যেটা তার ভালো লাগে। তিনি বেছে নিলেন বঙ্গবন্ধুর হাসিমাখা মুখ দিয়ে তৈরি “মুজিব শত বর্ষ” লোগো।

এভাবেই বৃহত্তর সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার, রাজনগর উপজেলার ধূলিজুরা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটির পাটিকর অজিত কুমার দাশ বঙ্গবন্ধুর প্রতি অসীম ভালোবাসার নিদর্শন স্বরূপ বুনন করেন বঙ্গবন্ধুর উজ্জ্বল হাসিমাখা মুখ। বাইশ দিনের অক্লান্ত পরিশ্রমে বেতের নিজস্ব রঙের সঙ্গে লাল-খয়েরি রঙ মিশিয়ে এটি বোনা হয়েছে।

এভাবেই বিশ্ব ঐতিহ্য শীতলপাটির লোকশিল্পী অজিত কুমারের কারু-বুননে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী হাসিমাখা মুখটি বিশ্ব সংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠল!

বঙ্গবন্ধুকে এ অনন্য উপায়ে শততম জন্মবার্ষিকীর শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারার পুরো গৌরব অজিত কুমারের। আমি শুধু তার সৃজনশীলতাকে উসকে দিয়েছি মাত্র। সর্বপ্রথম শীতলপাটির বুননে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি সৃজন করে পাটিশিল্পের ইতিহাসে তিনিই প্রথম প্রতিকৃতি তৈরির পথিকৃৎ হয়ে থাকবেন।

বাংলার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ মানুষের হৃদয়ে অক্ষয় হয়ে আছেন— থাকবেন চিরকাল!

লেখক: লোকশিল্প গবেষক, লেখক, প্রাক্তন পরিচালক, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।

এসএন

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী