বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

তৃণমূলের অংশগ্রহণ দেখে উজ্জীবিত কেন্দ্র

আন্দোলনে কৌশল পরিবর্তন ভাবনায় বিএনপি

বিএনপির সমাবেশ

খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সমাবেশ কর্মসূচিতে তৃণমূল-পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের অংশগ্রহণ দেখে উজ্জীবিত বিএনপি নেতারা। কোনো কোনো সমাবেশের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা যেভাবে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছে তাতে দলের নেতারা আন্দোলন-সংগ্রামের কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন। বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এ ধারণা পাওয়া গেছে।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে সারাদেশের বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ২২ ডিসেম্বর থেকে ৩২টি স্থানে সমাবেশ করার কর্মসূচি শুরু হয়। কিন্তু ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ৩০টি স্থানে কর্মসূচি পালন করে দলটি। স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় নওগাঁ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সমাবেশ স্থগিত রাখা হয়েছে। ২০টি জেলায় কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। সিরাজগঞ্জ, হবিগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, ফেনী, ঝিনাইদহ, পটুয়াখালী ক্ষমতাসীন দল ও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও শেষ পর্যন্ত সমাবেশ করেছে নেতা-কর্মীরা। হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারির কারণে সমাবেশ হতে পারেনি। যশোর, ফেনী, কক্সবাজারে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে সমাবেশ করা হয়েছে। এর বাইরে গাজীপুর, সিলেট ও টাঙ্গাইলে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এসব সমাবেশে কেন্দ্রীয় নেতারা যোগ দেন। বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। বিপুল এই অংশগ্রহণ বিগত কয়েক বছরে দেখা যায়নি। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি আর এ রকম কর্মসূচি করতে পারেনি।

২ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে দাবি আদায়ের যে প্রক্রিয়া আমরা শুরু করেছি এতে ভীত হয়ে আওয়ামী লীগ এবং এই অনির্বাচিত সরকার গণতান্ত্রিক শক্তির উপরে আক্রমণের পর আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে, হামলা করছে, গুলিবর্ষণ করছে, গায়েবি মামলা দিচ্ছে।’

তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ ও লড়াকু মনোভাব দেখে উজ্জীবিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, ‘নির্যাতন নিপীড়নের মুখে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের দলীয় কর্মসূচিতে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। উপস্থিতি প্রমাণ করে যে, তারা এই সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তারা খালেদা জিয়ার বিদেশে সুচিকিৎসা ও সরকার পতনে জোরালো আন্দোলনে যেতে চায়।’

যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, ‘হামলা-মামলা, গুম, খুন, গ্রেপ্তার নির্যাতন উপেক্ষা করে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা সমাবেশে যোগ দিয়ে আবারও প্রমাণ করেছে তারা দল, দলের নেতৃত্ব ও দলীয় কর্মসূচির প্রতি কতটা কমিটেড। ক্ষমতাসীন সরকার ও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী সমাবেশকে কেন্দ্র করে মনপুরা থেকে ভোলাকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। কিন্তু নেতা-কর্মীরা এতটাই উজ্জীবিত ছিল যে, তারা থাকা-খাওয়ার অনিশ্চিয়তা ভুলে গিয়ে সমাবেশে যোগ দিতে এক-দুই দিন পূর্বেই ভোলায় চলে আসেন।’

তিনি বলেন, ‘তৃণমূল নেতা-কর্মীরা সব সময় অগ্রগামী। চাওয়া পাওয়ার ঊর্ধ্বে তাদের রাজনীতি। তাদের ত্যাগের কোনো কিছুর বিনিময় হবে না। বরং তারা নিজ ঘরে নিজ দেশে পরাধীনতায় বাঁচতে চায় না। চায় সরকার পতনে এক দফা আন্দোলন। তারা বিশ্বাস করে শেখ হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত খালেদা জিয়ার মুক্তি আসবে না, গণতন্ত্র ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে না।’

বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (রাজশাহী বিভাগ) ওবায়দুর রহমান চন্দন ঢাকাপ্রকাশকে জানান, ‘প্রয়োজনে জীবন বাজি রেখে দলীয় কর্মসূচিতে জয়পুরহাটে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ত্যাগ স্বীকার করার মানসিকতায় অভিভূত। সরকারের দমন-পীড়ন তারপরও তৃণমূল নেতা-কর্মীরা যে এত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াবে তা কিছুটা অপ্রত্যাশিত ছিল।’

এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা যারা তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত তারা সবাই চাই ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন। সেই লক্ষ্যে আন্দোলন কখন কোন দিকে যায় সেটা সময় বলে দিবে।’

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, ‘শত বাধা অতিক্রম করে নরসিংদীতে সমাবেশ সফল করেছি। শুধু তৃণমূল নয় দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ। সরকার পতন ও খালেদা জিয়ার বিদেশে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে আন্দোলনের বিকল্প কোনো ভাবনা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের নেই। তাদের চোখে মুখে সরকারবিরোধী প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। যেকোনো মূল্যে সরকারের পতন ত্বরান্বিত করতে ঐক্যবদ্ধ। শুধু তাই নয় তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামী দিনে যে কোনো দিক নির্দেশনা পালনে জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।’

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ বাহাউদ্দিন বাহার ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, ‘ক্ষমতাসীন সরকারের আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর (পুলিশ) নির্যাতন সহ্য করে তৃণমূল কোনো রকমে বেঁচে আছে। আগে একটু ভীত থাকত, কর্মসূচিতে খুব একটা বের হতো না। তবে এখন সেই ভয় নেই। তারা এখন বাঁচার মতো বাঁচতে চায়, দেশের জনপ্রিয় নেত্রী খালেদা জিয়ার কারামুক্তি, বিদেশে পাঠিয়ে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে অনির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে সরকার পতনের আন্দোলন চায়।’

তৃণমূলের সমাবেশের সাফল্য দেখে দলের নেতাদের আন্দোলনের ক্ষেত্রে এত দিনের ‘ধীরে চলা নীতি’ থেকে বেরিয়ে আসার চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছে। প্রাথমিকভাবে চলমান সমাবেশ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি সাংগঠনিক পুনর্গঠনের দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য দলের পুনর্গঠন কাজের দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছে বিশেষ বার্তা পাঠানো হচ্ছে। পুনর্গঠন কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে। নেতাদের লক্ষ্য, চলমান আন্দোলনকে সরকার পতনের একদফা আন্দোলনের দিকে নিয়ে যাওয়া।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, ‘সরকারের প্রতি চাপ সৃষ্টি করে কর্মসূচিতে আমরা জনমত আদায়ে চেষ্টা করছি। অনেক ক্ষেত্রে সফল হচ্ছি। ফলে এখন শুধু বিএনপি নয় দেশের অর্ধেকের বেশি জনগণ চায় খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হোক। আমরা দাবি আদায়ে আন্দোলনে আছি এবং দাবি আদায়ে রাজপথই ফয়সালা করবে আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি ও ধরণ।’

পরবর্তী আন্দোলন-কৌশল কী হতে পারে, এ প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, ‘আমরা জেলাগুলোতে সমাবেশ করছি। ইতিমধ্যে প্রায় অর্ধেক জেলায় সমাবেশ শেষ হয়েছে। আরও অর্ধেক জেলায় সমাবেশের পরিকল্পনা কর্মসূচি রয়েছে। জেলা পর্যায়ের সমাবেশ শেষ হলে দলের স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরবর্তী কর্মসূচি ও আন্দোলনের ধরণ কৌশল চূড়ান্ত করা হবে।’

এপি/টিটি

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী