শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ডলার সংকট: ইনভয়েসিং-ওভারভয়েসিংয়ের বিরুদ্ধে অর্থনীতিবিদরা

অস্থির ডলারের বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করতে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা বলছেন দেশের অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা। একইসঙ্গে তারা বলছেন, ইনভয়েসিং ও ওভারভয়েসিং বন্ধ করতে হবে। তাহলে বর্তমান পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় রাজস্ববোর্ডকে আরও কঠোর মনিটরিং করতে হবে। এই সংকট ও দুঃসময়ে কঠোর মনিটরিংয়ের কোনো বিকল্প নেই। কোনো প্রকারের শৈথিল্য দেখানো যাবে না।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে রিজার্ভ থেকে ডলারও বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন থেকে ৪০ বিলিয়নের নিচে নেমে গেছে। টাকার মান কমিয়েও স্থিতিশীলতার কোনো কুলকিনারা হচ্ছে না। বছরের ব্যবধানে টাকার মান কমেছে ১০ শতাংশের উপরে। গত বছরের ৮৫ টাকার নিচের ডলার প্রায় ৯৪ টাকায় পৌঁছে গেছে। খোলা বাজারে সেটি ১০০ টাকায় পৌঁছে গেছে। ডলারের লাগামহীন অস্থিরতায় দেশের আমদানিকারক থেকে শুরু করে ভোক্তারাও শঙ্কিত, ভীত। কারণ ভোক্তাকে একই পণ্য বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। আর আমদানিকারকরা বেশি ব্যয় করলেও আমদানি করতে পারছেন কম পণ্য।

অর্থনীতিবিদ ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিআরআইর নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর ঢাকাপ্রকাশ’কে বলেন, ‘বৈশ্বিক অবস্থার প্রেক্ষিতে দেশেও ডলারের ব্যাপারে একটা সংকট চলছে। এ অবস্থা থেকে যেভাবে হোক সরকারকে বের হতে হবে। বেশি করে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। তাহলে দেশে ডলার আসবে। আমদানি ব্যয় খুবই টাইট করতে হবে। মুদ্রানীতিতে তা মানতে হবে। ব্যাংকের ইন্টারেস্ট রেট (সুদ হার) বাড়িয়ে দিতে হবে। আমানত ও ঋণের ক্ষেত্রে ৬-৯ শতাংশ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আগে থেকে প্রস্তাব করে লাভ নেই। কারণ গ্যাস, তেল ও সারের দাম বেড়ে গেছে। তাই বাস্তবতা মানতে হবে। এটা করব না, ওটা করব না। এভাবে সময় পার করে লাভ হবে না। বাস্তবতা না মানলে সরকার দায়ী হবে।

ব্রিটেনে মূল্যস্ফীতি বেড়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘বাস্তবতা মেনে ব্রিটিশ সরকার কিছু করলে আমাদের সমস্যা কোথায়। তাদের মূল্যস্ফীতি অনেক বেড়েছে। দুই দিনেই সম্ভব যদি সরকার বাস্তবতা মেনে কিছু করে। তবে এ কাজে কিছু কষ্ট স্বীকার করতে হবে সরকারকে, সঙ্গে জনগণকেও। কারণ গ্যাস ও তেলের আমদানি কমিয়ে বিদ্যুতের ব্যবহার কমাতে হবে। এসির ব্যবহার কমাতে হবে। বর্তমানে যেহেতু সময় ভালো যাচ্ছে না। বিশ্ব বাজারে ওই সব জিনিসের দাম কমলে তখন ভিন্নভাবে ভাবতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদেরও পরামর্শ হচ্ছে যেভাবে হোক আমদানি কমাতে হবে। ঢাকাপ্রকাশ’কে তিনি বলেন, ‘আমদানি ব্যয় মেটাতে ডলারের চাহিদা বেড়েই যাচ্ছে। এতে দামও বেড়ে যাচ্ছে। টাকার মান বারবার অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে। এটা চিস্তার বিষয়। তবে যেভাবে হোক অপ্রয়োজনীয় আমদানি কমাতে হবে।

ওভার ভয়েসিং ও ইনভয়েসিং বন্ধ করতে হবে। জাতীয় রাজস্ব রোর্ড ও বাংলাদেশ ব্যাংককে এক সঙ্গে এসব দেখতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংককে মনিটরিং বাড়াতে হবে। সরকারকে পণ্যের বহুমুখীকরণে আরও নজর দিয়ে রফতানি বাড়াতে হবে। যাতে বেশি করে ডলার আসে। একই সঙ্গে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহও বাড়াতে হবে। এভাবে সরকার কঠোর হলে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে।’

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির সম্মানীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানও বলছেন, আগে থেকে ধীরে ধীরে টাকার অবমূল্যায়ন করা হলে ডলারের বাজারে এতো সংকট হতো না। ঢাকাপ্রকাশ’কে তিনি বলেন, ‘সরকার আমদানি ব্যয় কমাতে ১০০ শতাংশ ঋণ মার্জিনসহ কিছু ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নিয়েছে। আরও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে হবে। নিত্যপণ্য ছাড়া যাতে কোনোক্রমেই বিলাসী পণ্য আমদানি না হয়। তা স্থগিত রাখতে হবে। সরকারকে আরও দেখতে হবে রফতানি ও রেমিট্যান্স যাতে বাড়ে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট অব ব্যালান্স সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ‘সরকার ব্যয় মেটাতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রাখে। তেল, গ্যাস ও সার সরকারিভাবে আমদানি করতে হয়। তাই এসব পণ্য আমদানি করতে রিজার্ভ কমলেও সেটা নেতিবাচকভাবে দেখার বিষয় না। আবার আমাদের ঋণ পরিশোধও বেশি করে করতে হয় না। তবে যেভাবে হোক ইনভয়েসিং ওভারভয়েসিং বন্ধ করতে হবে এনবিআর ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে। এ ক্ষেত্রে কোনো প্রকারের শৈথিল্য দেখানো যাবে না। একই সঙ্গে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স আরও বাড়াতে হবে। সরকারকে সেদিকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত আমদানি ব্যয় হয়েছে ৫৩ হাজার ৩৭ মিলিয়ন (৫ হাজার ৩০৩ কোটি) ডলার। যা বিদায়ী অর্থবছরে ব্যয় হয়েছে ৭৬ হাজার ৬৫১ মিলিয়ন (৭ হাজার ৬৬৫ কোটি) ডলার। বছরের ব্যবধানে ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৪৫ শতাংশ।

অপরদিকে, গত ২০২০-২১ অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত রফতানি আয় হয়েছে ৪৩ হাজার ৩৪৪ মিলিয়ন ডলার। যা বিদায়ী অর্থবছরে আয় হয়েছে ৩২ হাজার ৭২ মিলিয়ন ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৫ শতাংশ। এভাবে প্রতি মাসে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে বাণিজ্য। এর ফলে আমদানি ব্যয় মেটাতে ডলারের চাহিদা বাড়ছে।

সদ্য বিদায়ী গভর্নর ফজলে কবিরও বলেছেন, ২০২১-২২ অর্থবছরে রফতানি আয় ও আমদানি ব্যয় উভয়ই বেশি। তবে রফতানি আয় ও রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি কম হওয়ায় চলতি হিসাবের ঘাটতি বৃদ্ধি পেয়েছে। ১০ মাসে চলতি হিসাবের ঘাটতির পরিমান ১৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। যেখানে আগের বছরের একই সময়ে ছিল মাত্র এক দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার। এই ঘাটতির কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বছরের ব্যবধানে ৪৬ দশমিক ৪ বিলিয়ন থেকে কমে ৪১ দশমিক ৮ বিলিয়নে নেমে গেছে। টাকার বিনিময় হারের উপরও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ২০২১ সালের জুনে টাকা-ডলারের বিনিময় হার ছিল ৮৪ দশমিক ৮১ টাকা। ২০২২ সালের জুনে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২ দশমিক ৯৫ টাকা। তাই চলতি অর্থবছরে মুদ্রানীতির মূল চ্যালেঞ্জ হবে টাকার মানকে স্থিতিশীল রাখা। এ জন্য সর্তকতামূলক মুদ্রানীতি ভঙ্গি অনুসরণ করা হয়েছে। যা কিছুটা সংকোচনমুখী।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে গত বুধবার(১৩ জুলাই) প্রতি ডলার বিক্রি করেছে ৯৩ টাকা ৬২ পয়সা দরে। গত এক বছরের ব্যবধানে ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ১০ দশমিক ৮০ শতাংশ। সব মিলিয়ে ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ২০২২-২৩ অর্থবছরের ১৩ দিনে (১ থেকে ১৩ জুলাই) ৫৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার বিক্রি করা হয়েছে। তার উপর আমদানি ব্যয় মেটাতে হচ্ছে। ফলে দুই বছর পর গত বুধবার (১৩ জুলাই) দিন শেষে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৯ দশমিক ৭০ বিলিয়ন ডলার।

জেডএ/এনএইচবি/আরএ/

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার