শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

কোরবানির পশুর হাটকে ঘিরে সক্রিয় জাল টাকার চক্র

ঈদুল আজহার পশুর হাটকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠছে জাল টাকা চক্রের সদস্যরা। অফলাইন-অনলাইন দুইভাবেই এই চক্র সক্রিয় রয়েছে। তাদের টার্গট হচ্ছে পশু ব্যবসায়ী এবং পশুর হাটবাজার। ইতোমধ্যে জাল টাকা চক্রের অপরাধী যারা বিভিন্ন সময়ে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে বন্দি ছিল তারা জামিনে বের হয়ে আবারও একই কাজে লিপ্ত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, জাল চক্র যাতে কোরবানির পশুর হাটে কোনোভাবে সক্রিয় না হতে পারে সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিশেষ করে গোয়েন্দা সতর্ক রয়েছেন।

তারা আরও জানায়, রোজার ঈদের আগে জাল টাকা তৈরি ও বিক্রির একাধিক চক্রের সদস্যদের ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে ওই সময় বেশ কিছু চক্র ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। তারা বলছেন, ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকা চক্রের সদস্যরা কোরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারেন।

পুলিশের একাধিক সূত্র বলছে, জাল টাকার সঙ্গে যুক্ত চক্রের বেশ কিছু সদস্য কারাগার থেকে বের হয়ে আবারো একই কাজে সক্রিয় হচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে তারা পশুর হাটে জাল টাকা ছড়িয়ে মানুষকে সর্বশান্ত করতে পারেন। তবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ পুলিশের বেশ কয়েকটি ইউনিট এবং গোয়েন্দারা এই চক্রকে নজরদারিতে রেখেছেন।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, জাল টাকা চক্রের সদস্যদের ধরতে অতিরিক্ত গোয়েন্দা নজরদারি ও সোর্স বৃদ্ধি করা হয়েছে। এসব অপরাধীরা যাতে পশুর হাটে জাল টাকা ছড়াতে না পারে সে জন্য কোরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি এ চক্রের সদস্যরা আগের থেকে আরও বেশি বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা জাল টাকা বিক্রি করার জন্য সামাজিক প্ল্যাটফর্ম থেকে শুরু করে বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে। গোয়েন্দারা বলছেন, টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে সবাই সচেতন না হলে এ চক্রের দ্বারা সাধারণ মানুষ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

ডিবি সূত্র জানায়, ঈদকে সামনে রেখে জাল টাকা মার্কেটে ছড়িয়ে দেওয়ার টার্গেট করে ৫ থেকে ৬ মাস আগে বাসা ভাড়া নিয়ে কাজ করে জাল মুদ্রার কারবারি চক্র। তাদের উদ্দেশ্য বিপুল পরিমাণে জাল টাকা তৈরি করে সারাদেশে পশুর হাটে ছড়িয়ে দেওয়া। সম্প্রতি এরকম একটি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

ডিবি বলছে, গ্রেপ্তারকৃত প্রতারণা ও জাল টাকার তৈরি ও ব্যবসার অভিযোগে কয়েকবার কারাগারে গেছেন তারা। কারাগার থেকে বের হয়ে তারা আবারও একই কাজে লিপ্ত হন।

এসব বিষয়ে জানতে চাইলে গোয়েন্দা কর্মকর্তা গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মশিউর রহমান ঢাকাপ্রকাশ’কে বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে জাল টাকা চক্রের সদস্যরা। তবে এসব চক্রের সদস্যরা আমাদের নজরদারিতে রয়েছে। তারপরও জেল থেকে বের হয়ে এরা ঘাপটি মেরে বসে থাকে। প্রতিবার ঈদের সময় বিশেষ করে কোরবানির ঈদে পশুর হাটকে টার্গেট করে তারা বেপরোয়া হয়ে উঠে। ঈদকে সামনে রেখে জালনোট কারবারিরা বাজারে জাল নোট ছড়িয়ে দেয় বা দিচ্ছে এমন গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর আমরা এসব চক্রের মূলহোতাদের নজরে রেখেছি।

তিনি আরও বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গরুর হাটে আমাদের বিশেষ টিম কাজ করছে। সাধারণ মানুষ যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেই বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা সর্তক রয়েছি।

অনলাইনেও জাল টাকা চক্রের সদস্যরা সক্রিয় রয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, আমরা অনলাইনে কয়েকটি পেজকে শনাক্ত করেছি। অপরাধীরা ফেসবুক পেজ এবং হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর বিদেশে বসে চালান এজন্য আপাতত তাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।

এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, সাইবার টিম এগুলো মনিটরিং করছে।

জানতে চাইলে ডিবি পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি-মিডিয়া) ফারুক হোসেন বলেন, জাল টাকা চক্রকে নজরদারিতে রেখেছি। এদের ধরতে পুলিশি তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে। জাল টাকা চক্র খুবই কৌশলি। আমরাও নানা কৌশলে চেষ্টা করছি তাদের ধরার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিশেষজ্ঞ তৌহিদুল হক বলেন, জাল টাকা চক্রের সদস্যরা বিশেষ করে পশুর হাটকে টার্গেট করে কাজ করে থাকেন। এরা কোরেবানির ঈদে এসব টাকা দিয়ে বিভিন্ন লেনদেন করে গরিব মানুষকে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এরা একটি সংঘবদ্ধচক্র। এরা জাল নোট বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে অর্থনৈতিক খাত ধ্বংস হচ্ছে।

তিনি বলেন, এদের ধরতে বিশেষ করে পশুর হাটে অতিরিক্ত গোয়েন্দা নজরদারি রাখলেই এ চক্রের হাত থেকে সাধারণ মানুষ কিছটা হলেও রক্ষা পেতে পারে। তাছাড়া পশুর হাটে বা বিভিন্ন কেনাকাটায় লেনদেন করার সময় সবাইকে সচেতন হতে হবে, তাহলেই অর্থনৈতিকভাবে এসব ক্ষয়ক্ষতি থেকে মানুষ অনেকটা নিরাপদ থাকবে।

এনএইচবি/আরএ/

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার