শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

শিক্ষার্থীদের অবক্ষয়, কে দায়ী!

ছবি: সংগৃহীত

সাভারে শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে পিটিয়ে হত্যা করেছে তারই ছাত্র জিতু। নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অধ্যাপক স্বপন কুমার বিশ্বাসকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সামনে গলায় জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্ছিত ও অপদস্ত করেছে শিক্ষার্থীরা। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের আরও অনেক জায়গায় মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকরা লাঞ্ছনা ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।

চলমান এসব ঘটনা শিক্ষক সমাজের জন্য বড় ধরনের হুমকি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। তারা মনে করেন, কোনো একটি ঘটনার পর একজন বা দুইজন শিক্ষার্থীকে শাস্তি দিলেই এর সমাধান হবে না। খুঁজে বের করতে হবে শিক্ষার্থীরা মানুষ হতে এসে কেনো অমানুষ হচ্ছে?

এরজন্য শুধু শিক্ষার্থীদের দায়ী করতে চান না শিক্ষকরা। তারা মনে করেন এর পেছনে অনেকগুলো অনুসঙ্গ কাজ করে। শিক্ষার পরিবেশ, ক্ষমতার প্রভাব, খেলাধুলার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকা। তাছাড়া তথ্য প্রযুক্তি আমাদের জন্য আর্শিবাদ হলেও পশ্চিমা সংস্কৃতি দেখে তরুণ শিক্ষার্থীরা অকেটাই বিপথে চলে যাচ্ছেন বলে মনে করেন দেশের বরণ্যে শিক্ষকরা।

এই অবস্থা থেকে এখনই তরুণ সমাজকে ফেরাতে না পারলে আমাদের জাতি মেধাশূন্য জাতিতে পরিণত হবে এমন আশঙ্কা শিক্ষকদের। তারা বলছেন, আগামীতে যারা দেশের নেতৃত্ব দেবেন বিভিন্ন জায়গায়, তারাই যদি নৈতিক অবক্ষয়ে তলিয়ে যান তাহলে তো দেশের সার্বিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটবে।

একটি দেশের মেধাবী তরুণ সমাজই সেই দেশের স্তম্ভ ধরা হয়। সেই স্তম্ভ যদি ভেঙে পড়ে তাহলে সাধারণ মানুষের অবস্থা কোথায় দাঁড়াবে। গত দুই বছরে করোনার কারণে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ব্যাহত হওয়ার প্রভাবও শিক্ষার্থীদের নৈতিকতার পতন ঘটিয়েছে বলে মনে করেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা।

গত কয়েক দিনের ঘটনা সারাদেশের শিক্ষক সমাজ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নাড়া দিয়েছে। এর প্রভাবে শিক্ষাঙ্গনে একধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। অতি সম্প্রতি কয়েকটি ঘটনা বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে শিক্ষার্থীদের হাতে লাঞ্ছিত শিক্ষকরা সামাজিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

গত ২৫ জুন দুপুরে আশুলিয়ার হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে স্কুলমাঠে ক্রিকেট খেলার স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে আহত করে ওই প্রতিষ্ঠানেরই শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম জিতু। দুদিন পর সেই শিক্ষক মারা যান।

তার আগে নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী দ্বারা লাঞ্ছিত হন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যাপক স্বপন কুমার বিশ্বাস।

সম্প্রতি ফেসবুকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নূপুর শর্মার সমর্থনে মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের এক শিক্ষার্থীর পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে গত ১৮ জুন বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এরপর গুজব ছড়িয়ে পড়ে পোস্ট দেওয়া ওই শিক্ষার্থীর পক্ষ নিয়েছেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাস। এ ঘটনার পর পুলিশ পাহারায় তাকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় তাকে দাঁড় করিয়ে পুলিশের সামনেই গলায় জুতার মালা পরিয়ে হেনস্তা করা হয়। পরে তাকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আইন বিভাগের ক্লাস চলাকালীন শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠে একই বিভাগের মাস্টার্সের আসিক উল্লাহ নামের এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিক্ষক ড. বেগম আসমা সিদ্দিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক।

গত শুক্রবার (১জুলাই) রাজধানীর উত্তরায় নিজের বাসার গেটে অপদস্থ করা হয় অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকীকে।

শুধু এ কয়েকটি নয়, আরও অনেক ঘটনা ঘটছে যেগুলো হয়ত মান সম্মানের ভয়ে গণমাধ্যমে সেভাবে তুলে ধরছেন না শিক্ষকরা। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।

শিক্ষকদের লাঞ্ছনা ও শিক্ষার্থীদের নৈতিক অবক্ষয় নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ঢাকাপ্রকাশ’কে বলেন, একটা ঘটনা আর একটা ঘটনার জন্ম দেয় সেটা যেমন ঠিক। পাশাপাশি শিক্ষকদের সামাজিক অবস্থান খুব দুর্বল। তাছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্য। অনেক প্রতিষ্ঠানের সভাপতির আত্মীয়রা যখন ওই প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রী হিসেবে থাকে তখন তাদের মধ্যে একটা ‘পাওয়ার’ চর্চার প্রবণতা দেখা যায়।

তিনি বলেন, আমাদের ছাত্র-ছাত্রীরা হাতে পায়ে চোখে হয়ত মানুষের আকার ধারণ করেছে কিন্তু অন্তরে তারা মানুষের আকার নিতে পারেনি। এরজন্য শিক্ষার্থীদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। সমাজের বিভিন্ন স্তরে মানুষরূপী অমানুষের দেখা পাওয়া যায়। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য মানবাত্মার উৎকর্ষের উপর গুরুত্বারোপ প্রয়োজন।

এরজন্য কি শুধু ছাত্র-ছাত্রী দায়ী এমন প্রশ্নের জবাবে আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, না, শিক্ষক-অভিভাবকরাও দায়ী। আমরা অভিবাবকরা চাই ছেলে-মেয়ে যেন জিপিএ-৫ পায়। আর শিক্ষকরাও চান তার প্রতিষ্ঠানে বেশি সংখ্যক জিপিএ-৫ আসুক। এই প্রতিযোগিতায় নেমে মানবিক গুণসম্পন্ন শিক্ষার্থী হারিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনে যারা আছেন তারাও জিপিএ-৫ শিক্ষার্থী খোঁজেন। এখানে শুধু শিক্ষার্থীদের শাস্তি দিলেই সমাধান হবে না। এর পেছনের কারণগুলো খুঁজে বের করে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। মানবাত্মার বিকাশ ঘটাতে হবে।

চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ইউনির্ভাসিটির উপাচার্য ও সমাজ বিজ্ঞানি ড.অনুপম সেন ঢাকাপ্রকাশ’কে বলেন, করোনার কারণে দুই বছর শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে যে একটা সম্পর্ক সেটাকে নষ্ট করেছে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা ঘরবন্দি থেকে মানসিক ভাবে যন্ত্রণায় ভুগছে। আর শহরগুলোতে খেলাধুলার মাঠ কমে যাওয়াও বড় কারণ। শিক্ষার্থীরা ক্লাসের পর দিনের বড় একটা সময় মোবাইল ফোনে ডুবে থাকে, এতে নৈতিক শিক্ষা থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছে। তাছাড়া দেশে সাংস্কৃতিক চর্চা কমে যাচ্ছে। এই অবস্থাগুলোর যত অবক্ষয় হবে ততই শিক্ষিত সমাজ বিপথে যাবে।

এনএইচবি/আরএ/

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার