শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বিএনপির কাঁধে সওয়ার হতে চায় জামায়াত

বিএনপির দীর্ঘ দিনের পরীক্ষিত রাজনৈতিক মিত্র বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী নির্বাচনেও সওয়ার হতে চায় বিএনপির কাঁধেই। চার দলীয় জোটের শরিক হিসেবে দলটি এখনও বিএনপির সঙ্গে ওতোপ্রতোভাবে জড়িয়ে আছে। তাদের এ মাখামাখি সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানান গুঞ্জন থাকলেও জামায়াত নেতারা স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিএনপির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আগের মতোই আছে। কেউ কেউ এ সম্পর্কে ফাটল ধরাতে চাইলেও কোনো লাভ হবে না। নির্বাচন কমিশনে দলটির নিবন্ধন না থাকায় আগামী নির্বাচনে তারা সরাসরি অংশ নিতে পারবে না। তাই বিএনপিই হচ্ছে তাদের একমাত্র ভরসা।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর থেকে চারদলীয় জোটের (পরে ২০ দলীয় জোট) অন্যতম প্রধান শরিক জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক দূরত্ব বেড়েছে বিএনপির। কিন্তু জামায়াত এই দূরত্বের কথা বরাবরই অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য হচ্ছে বিএনপির সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক কোনো দূরত্ব নেই। কৌশলগত কারণে বিএনপি ও জামায়াত উভয় দলই নিজেদের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে।

জামায়াতের দাবি, জোট ও রাজনৈতিক বিষয়ে এখনো তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক বিদ্যমান। যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এ সম্পর্ক অটুট থাকবে। অনেকেই বিএনপি-জামায়াতের সম্পর্কের মধ্যে চিড় ধরাতে চেষ্টা করছে। কিন্তু তাতে কোনো লাভ নেই। জামায়াতে ইসলামীর বেশকয়েকজন নেতার সঙ্গে আলাপ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট নেতারা বলছেন, রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রকাশ্য তেমন কোনো তৎপরতা নেই। তবে ভোটের রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী ফ্যাক্টর। সংগঠনটির সাংগঠনিক শক্তি যেমন আছে তেমনি আর্থিকভাবেও সংগঠনের অবস্থান জোরালো। মাঠ পর্যায়েও দলের সাংগঠনিক অবস্থান বেশ শক্ত এবং জনসমর্থনও আছে বলে দাবি জামায়াত নেতাদের। তবে তারা বলছেন, রাজনৈতিক মহলের সমালোচনা এবং দেশের বাইরের বিভিন্ন মহলের চাপ রয়েছে জামায়াতের উপর। যাতে বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কটা না থাকে। তারপরও তারা বলছেন, বিএনপি-জামায়াত কেউ কাউকে ছাড়বে না, ছাড়ার কথাও ভাবে না।

এদিকে নির্দলীয় সরকারের দাবিতে গত ২৪ মে থেকে সমমনা ছোটবড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে বিএনপি। সেই সংলাপে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকটি দলের সঙ্গে সংলাপ করলেও জামায়াতের বিষয়ে বিএনপি নিরব রয়েছে।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে, জামায়াতের সঙ্গে সংলাপ করছেন কি না? জবাবে তিনি বলেছিলেন, কেন নয়? বৃহত্তর ঐক্য গড়তে সরকারবিরোধী সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। ধারাবাহিকতায় আমরা জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গেও আলোচনা করব, দেশের সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে।

জামায়াতও চায় একটা সুযোগ। কারণ নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দলের রাজনৈতিক মোড় ঘোরানোর একটা সুযোগ হিসেবে দেখছেন দলটির নেতারা। সেজন্য তারা বার বার বলছে, বিএনপির সঙ্গে তাদের সখ্যতা আগের মতোই আছে।

এদিকে বর্তমানে জামায়াতের কার্যক্রম চলছে গোপনে ও প্রকাশ্য দুইভাবেই। এতে করে জামায়াত আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

যদিও ঢাকায় দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও মহানগর কার্যালয় দুটিই গত এক দশক ধরে বন্ধ রয়েছে। ২০১১ সালের পর থেকে দলের কোনো নেতা অফিসমুখী হননি। তবে রাজধানীতে দলীয় পোস্টার লাগানো ছাড়াও দলটির অধিকাংশ সাংগঠনিক কার্যক্রম চলছে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও অনলাইনে।

জামায়াতে ইসলামী সূত্রে জানা গেছে, দলটির পক্ষ থেকে একটি বিশেষ সেল গঠন করা হয়েছে। এ বিশেষ সেল তিন ধরনের কাজ করবে- প্রথমত, আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী দলের নেতা-কর্মী ও তাদের পরিবারের খোঁজ খবর রাখা, দ্বিতীয়ত, নেতা-কর্মীদের মধ্যে যারা কারাগারে রয়েছে তাদের জামিনসহ সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং তৃতীয়টি, আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে সরকারের রোষানলে পড়ে পালিয়ে বেড়ানো দলের নেতা-কর্মীদের পরিবারকে যাতে কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয় সেই বিষয়ে খোঁজখবর রাখা।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। মিটিং, মিছিল, সমাবেশ করা প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু বর্তমান সরকার প্রতিহিংসায় জামায়াতের সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন আদায়ে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে আন্দোলন করতে হবে। তিনি বলেন, সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চলমান সংলাপে জামায়াত ইস্যুতে বিএনপিকে নতুন করে অস্বস্তিতে থাকার কোনো কারণ নেই। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। কাউকে না কাউকে তো কিছু ছাড় দিতেই হবে। কারণ আজকে যারা আওয়ামী লীগ সরকারে বিরুদ্ধে ঐক্যে পৌঁছাতে যাচ্ছেন তাদের অনেকের জীবনের বেশি সময় কেটেছে আওয়ামী লীগের পক্ষে কথা বলে। তারাই যখন জামায়াত নিয়ে কথা বলে তখন বিষয়টা ভুতের মুখে রাম নাম ছাড়া অন্য কিছু নয়।

তিনি আরও বলেন, এর মধ্যে রাজনীতিতে নানামুখী অস্থিরতা সৃষ্টির আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সেটা আংশিক সত্য হলেও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বিবেচনায় রেখে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে শরিক হওয়ার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা দরকার।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, রাজপথ এখন অনেকটাই ঠান্ডা। বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে বড় ধরনের কোনো কর্মসূচি নেই। ইস্যুভিত্তিক বেশকিছু কর্মসূচি বিএনপির পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হলেও জোটগতভাবে কবে শেষ কর্মসূচি পালন করেছে সেটি মনে করা কঠিন। জামায়াতে ইসলামী অতীতে এদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ছিল, এখনো আছে ও ভবিষ্যতেও থাকবে।

তিনি বলেন, স্বাভাবিক দৃষ্টিতে ভাবলে মনে হবে- বর্তমান সরকারকে মেনে নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট। কিন্তু বাস্তবে কি তাই? সেক্ষেত্রে যদি সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া না হয়, তাহলে রাজনীতিতে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপিসহ সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের নির্দলীয় সরকারের দাবিতে শেষ পর্যন্ত অনড় থাকবে বলেও আমি মনে করি।

অবশ্য নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর একজন দায়িত্বশীল নেতা ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, দল গোছাতে বিএনপি দীর্ঘ সময় নিলেও জামায়াতে ইসলামী খুব একটা সময় নিচ্ছে না। দলটির অধিকাংশ সাংগঠনিক কার্যক্রম গোছানো। রাজনৈতিক প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে যেসব সাংগঠনিক শাখা কমিটি করতে পারেনি সেগুলোর কমিটি দ্রুতই গঠনের কাজ শেষ হবে।

এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির নেতারা জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন। তাদের ভাষ্য, জামায়াত কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন নয়। আইনি জটিলতায় তাদের নিবন্ধন আটকে আছে। বিএনপির এক নেতা বলেন, ক্ষমতাসীনরা যদি এতো কিছু করতে পারে তাহলে জামায়াত কে নিষিদ্ধ করছে না কেন?

এনএইচবি/এসএন

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার