শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

হঠাৎ ডাকাতি বেড়েছে সারাদেশে

প্রতীকী ছবি

সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় হঠাৎ বেড়ে গেছে ডাকাতির ঘটনা। বিশেষ করে বন্যাকবলিত সিলেট ও সুনামগঞ্জে ডাকাতির ঘটনা বেড়েছে। একই সঙ্গে রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের রাস্তায় এবং বাসাবাড়িতে ঘটছে এসব ডাকাতির ঘটনা। এজন্য সবাইকে সর্তক থাকতে বলছে পুলিশ।

সাম্প্রতিক সময়ে বেড়ে যাওয়া চুরি-ডাকাতি রোধে মাঠ পর্যায়ে পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকাসহ সারাদেশে বাড়ানো হয়েছে টহল-তল্লাশি। পুলিশ সদর দপ্তর ও মেট্রোপলিটন পুলিশের একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, বন্যাকবলিত সিলেট ও সুনামগঞ্জের মানুষেরা রয়েছে চরম দুর্ভোগে। এই দুই জেলার বিভিন্ন এলাকা এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় নৌকায় করে ডাকাতরা হানা দিচ্ছে- এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছে। এসএমএস-এর মাধ্যমেও এমন খবর জানিয়েছেন ওই এলাকার একাধিক মানুষ। এসব এলাকার বাসিন্দারা বলেছেন, দুই-একটি স্থানে চুরি ও ডাকাতির ঘটনা ঘটলেও এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে ছোট খাটো ডাকাতির ঘটনা বেড়েছে।

এদিকে সিলেটের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ না থাকায় ও নিরাপত্তার অনেকটা ঘাটতি থাকার কারণে এসব ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

তারা বলছেন, সিলেট শহরের বাগবাড়ি, বর্ণমালা পয়েন্ট, আখালিয়া, কানিশাইল, শামীমাবাদসহ বিভিন্ন এলাকায় ডাকাত দলের সদস্যরা হানা দেয়। এ ছাড়া সুনামগঞ্জ শহরের বাঁধনপাড়া, মরাটিলা, ময়নার পয়েন্ট, নতুনপাড়া, হাজিপাড়া ও হাসননগরের বিভিন্ন বাসায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

রাজধানী ও আশপাশের এলাকায়ও বেড়েছে ডাকাতির ঘটনা। সম্প্রতি ডেমরা এলাকায় পুলিশের এক এসআই ও কন্সটেবলের পরিবারকে বাসায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণালঙ্কার, টাকা-পয়সা নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনা পুলিশ প্রশাসনকে ভাবিয়ে তুলেছে। গেল কয়েক মাসে ঢাকাসহ সারাদেশে বেশ কিছু ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুই-একটি গণমাধ্যমে এসেছে । বাকি সব ঢাকা পড়েছে। এসব ডাকাতের কবলে পড়ে গুরুতর আহত হওয়ার পাশপাশি ঘটছে প্রাণহানিও। গত ফেব্রুয়ারি মাসেও রাজাধানীতে প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন। তাছাড়া ডাকাতের কবলে পড়ে গত ২ মাসে আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। তারা সবাই ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজের পুলিশ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

অভিনব কায়দায় ডাকাতির ঘটনাও ঘটছে। এ নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ নাগরিকদের সতর্ক করে বলছে, চলন্ত অবস্থায় কেউ ঢিল ছুড়ে চলার পথে আপনার গাড়ির কাচ ভেঙে দিলে বা অন্য কোনো ক্ষতি করলে আপনি স্বাভাবিকভাবেই থেমে এ অন্যায়ের প্রতিকার করতে চাইবেন। কিন্তু প্রতিকারের সময়, আপনি বরং বিপদেই পড়ে যাবেন। ঢিল ছোড়া পার্টি অস্ত্র দেখিয়ে আপনার সর্বস্ব লুটে নিয়ে চলে যাবে। আপনি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে মার খাবেন, এমনকি ছুরিকাঘাতও হতে পারেন, হাত-পা বেঁধে আপনাকে মহাসড়কের পাশে ফেলে রেখে ডাকাতরা ডাকাতি করতে পারে। তাই এসব বিষয়ে অধিক সর্তক থাকতে পরামর্শ দিচ্ছেন গোয়েন্দারা। প্রয়োজনে পুলিশকে তথ্য জানাতেও বলছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি প্রধান) এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, বন্যাকবলিত এলাকায় যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে, সেজন্য সর্তক রয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, মঙ্গলবার ডাকাত চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সেসব নিয়ে আমরা কাজ করছি। তিনি বলেন, ঢাকাসহ সারাদেশে ডাকাত চক্রের সদস্যদের ধরতে গোয়েন্দা পুলিশ তৎপর রয়েছে এবং এসব অপরাধ দমনে অভিযানও চলছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধন ও বন্যাকবলিত এলাকায় পানিতে আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধার ও তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে। তারপরও ডাকাতি-চুরি-ছিনতাই ঠেকাতে পুলিশকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেন, সম্প্রতি আমরা কয়েকটি ডাকাত চক্রকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছি। তারা মূলত অটোরিকশা, ভ্যান, ট্যাক্সি, বাসাবাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে ডাকাতি করত। দীর্ঘদিন তারা ডাকাতি করত। এ চক্রের বেশ কয়েকজন সদস্যকে আমরা আইনের আওতায় এনেছি।

র‍্যাবের লিগ্যাল আ্যন্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, র‍্যাব প্রায় দিন বিভিন্ন জেলা ও শহর থেকে অসংখ্য ডাকাত চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করছে। ভিকটিমদের অভিযোগের ভিত্তিতে ডাকাত-চুরি ছিনতাইসহ এ ধরনের অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব চেষ্টা করছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিশেষজ্ঞ তৌহিদুল হক বলেন, রাজধানীসহ বন্যাকবলিত এলাকায় ডাকাতি বেড়ে গেছে। এর কারণে মানুষ অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। এসব ডাকাতির ঘটনায় প্রাণহানিও ঘটছে এবং মানুষ নিঃস্ব হচ্ছে। এজন্য সাধারণ মানুষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অতিরিক্ত সর্তক থাকতে হবে। তাহলেই এসব অপরাধ কমে আসবে।

কেএম/এনএইচবি/এসজি/

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার