রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

৫ বছরেও মিলেনি স্থলবন্দর ভূমি অধিগ্রহণের টাকা

প্রায় ৫ বছর আগে ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হলেও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের গ্যাঁড়াকলে আটকে আছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে নির্মাণাধীন বাল্লা স্থলবন্দরের জন্য অধিগ্রহণকৃত ভূমি মালিকদের টাকা। কবে টাকা পাবে কিংবা আদৌ পাবে কিনা- তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন ভুমির মালিকরা। ভূমি হারিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন যাপন করছে তারা। স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি- জেলা প্রশাসনকে সবকিছু বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে, জেলা প্রশাসন বলছে আইনী জটিলতা মানে একাধিক মামলা থাকার কারণে সবাইকে টাকা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেদারাকোট নামক স্থানে নির্মিত হচ্ছে ‘বাল্লা স্থলবন্দর’। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড়মুড়া এলাকার সাথে এ স্থলবন্দর দিয়ে সংযোগ স্থাপিত হবে। এই স্থলবন্দরের নির্মাণ কাজ প্রায় ৬০ ভাগ শেষ। অথচ এখনও সেখানকার অধিকৃত ভূমির মালিকদের জমির মূল্য দেয়া হয়নি। যে কারণে তাদেরকে এখন নির্মাণাধীন স্থলবন্দরের ভেতরে খুব কষ্টে বসবাস করতে হচ্ছে। তাদের ভবিষ্যতে কি আছে, এনিয়ে শংকা রয়েছে সেখানকার মানুষের মধ্যে। ভূমি মালিকরা তাদের অভিযোগ ও শংকার কথা জানান।

আমি খুব কষ্ট করে দিনমজুরী করে এ জায়গা ক্রয় করেছি। এখন সরকার যেহেতু জায়গা নিয়ে গেছে, আমরা সরকারের বাধ্য হয়ে জমি দিয়েছি। এখন যে পর্যায়ে আছি, থাকার কোন পরিবেশ নেই। ২-৩০০ লোক এখানে কাজ করে। আমরা এখন অসহায় অবস্থায় আছি। রাতে এত মানুষের ভীড়ে কোন নিরাপত্তা নেই। সরকারও কোন টাকা দিচ্ছে না। বলেন মরম আলী।

তিনি আরও বলেন, এখন কোথায় গিয়ে বাসস্থান করব প্রশ্ন করে বলেন, আমরা অসহায় মানুষ। কোথাও গেলে কোন গুরুত্ব পাই না। জেলা প্রশাসকের অফিসে গেলেও আমাদের কোন গুরুত্ব দেয় না। বলে আমাদের ভেজালের কারবার। আমি দিনমজুর মানুষ। একটা ঘর বানানোর তওফিকও নাই। সেখানের আরেকজন নারী বলেন, বলা হয়েছিল গাছের টাকা আলাদা দেবে। বাঁশের টাকা আলাদা দেবে। আমরা একটা টাকাও পাইনি। আমাদের মত অসহায় আর জগতে নাই। আমি চারটা বাচ্চা নিয়ে অসহায় অবস্থায় পড়ছি। বলার মত না।

কেদারাকোট এলাকার খুর্শেদ আলীর ছেলে আবুল কালাম বলেন দীর্ঘদিন যাবত বন্দরের কাজ চলতাছে। বন্দরের ভেতরে আমাদের বাড়িঘর পড়ছে। আমাদের টাকা-পয়সা দিতেছে না। কেন যে দিচ্ছে না তারাই জানে। একটার পর একটা তারিখ দেয়। আমরা গেলে এই তারিখে না সামনের তারিখে আইসেন। এভাবে আমাদের ঘুরাচ্ছে। ডিসি অফিসে গিয়ে ঘুরছি। কিন্তু কবে যে আমাদের টাকা দেবে তা নির্দিষ্ট তারিখ দিচ্ছে না। আমাদের কাগজপত্র সম্পূর্ণ ঠিক আছে। বাড়িঘরও বন্দরের ভেতরে রয়েছে। কাগজ যার জায়গা তার, এভাবে আমাদের টাকা দিয়ে দিলেই হয়।

সরেজমিনে ঘুরে ও স্থলবন্দরের দায়িত্বে থাকা লোকজনে সাথে কথা বলে জানা যায়, স্থলবন্দরের চারদিকে দেয়াল ওঠে গেছে। দেয়ালের মধ্যে কিছু ফাঁকা জায়গা দিয়ে অধিগ্রহণকৃত ভূমির লোকজন যাতায়াত করেন। আর স্থলবন্দরের কাজ পুরোদমে চলছে। প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে দাবি করেছেন স্থলবন্দরের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলী।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল খায়ের জানান, বাল্লা স্থলবন্দরের জমি অধিগ্রহণের কাজ ২০১৭ সাল থেকে শুরু করে। বিভিন্ন জটিলতা শেষে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারির দিকে অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়। অধিগ্রহণের পুরো টাকা হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও অর্ধিকৃত ভূমি মালিকদের সহায়তার জন্য স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, প্রজেক্ট ডিরেক্টর, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে নিয়মিত যোগাযোগ করেছেন।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল খায়ের বলেন, প্রজেক্ট ডিরেক্টর মহোদয় বলেছেন আপনারা টাকা পেয়ে আস্তে-ধীরে যান। এখনই যেতে হবে না। যে জায়গায় কাজ হচ্ছে, সেখানকার বসতিগুলো অনেকে স্বেচ্ছায় চলে গেছেন। তারা খুশি মনে চলে গেছেন। যারা কিছু অংশ পেয়েছেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও প্রজেক্ট ডিরেক্টর মহোদয় তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হতে বলেছেন।

জেলা প্রশাসনের বিশ্বস্ত একটি সূত্র জানায়, প্রায় অর্ধশতাধিক ভূমি মালিকদের মধে ২/৩ জন টাকা পেয়েছেন। কয়েকদিনের মধ্যে আরো কয়েকজন পাবেন। বাকীগুলো মামলা-মোকদ্দমার জন্য পিছিয়ে জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান বলেন, আমরা দেয়ার চেষ্টা করছি। টাকা মজুদ আছে। আইনী জটিলতা মানে একাধিক মামলা থাকার কারণে সবাইকে টাকা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। যারা মামলা নিষ্পত্তি করে কাগজপত্র নিয়ে আসবেন, তাদেরকে টাকা বুঝিয়ে দেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের ত্রিপুরায় সীমান্ত সম্মেলনে একটি পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত-বাংলাদেশ সরকার। চুনারুঘাটের কেদারাকোট এলাকায় ১৩ একর জমির ওপর ৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাল্লা স্থলবন্দর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ সরকার। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের প্রতিনিধিরা সরেজমিন পরিদর্শন করে নির্মাণকাজ শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। প্রাথমিকভাবে স্থলবন্দর নির্মাণের জন্য ৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতায় দীর্ঘদিন আটকে থাকে। ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর বন্দর নির্মাণকাজ শুরু হয়।
এএজেড

Header Ad
Header Ad

এসএসএফের সাবেক ডিজি ও তার স্ত্রীর ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল মজিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী তাসরিন মুজিবের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে আদালত ৩৪টি ব্যাংক হিসাব জব্দ করার আদেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, স্ত্রীর নামে থাকা ঢাকার দুটি ফ্ল্যাট এবং ৬৯.৭৯ শতক জমি জব্দ করারও নির্দেশনা দিয়েছেন।

রবিবার (৬ এপ্রিল) ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন। দুদকের পক্ষ থেকে এই সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আবেদন করা হয়েছিল।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানান, মজিবুর রহমানের নামে ২৪টি এবং তার স্ত্রী তাসরিন মুজিবের নামে ১০টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে, যা জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়াও, মুজিবুর রহমানের নিজ নামে মিরপুরের মাটিকাটায় ৪ হাজার ৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি প্লট, মিরপুর, সাভার এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের বিভিন্ন জায়গায় জমি রয়েছে। স্ত্রীর নামে রয়েছে ক্যান্টনমেন্টের সাহারা এবং বাউনিয়া এলাকায় দুটি ফ্ল্যাট ও জমি।

দুদকের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, মজিবুর রহমান সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি একাধিক ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন ও মানিলন্ডারিংয়ের সাথে জড়িত, যা সরকারি ও রাষ্ট্রীয় ক্ষতি করার লক্ষ্যে হয়েছে।

এছাড়াও, মজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা অবৈধভাবে অর্জিত এসব সম্পত্তি বিক্রয় বা স্থানান্তর করার চেষ্টা করছেন। এর ফলে, রাষ্ট্রের ক্ষতি হতে পারে, তাই তাদের সম্পদ জব্দ করা এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ রাখা প্রয়োজন বলে আদালতকে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে দুদকের উপপরিচালক সিরাজুল হক শুনানি করেন এবং বিচারক মীর আহমেদ আলী সালাম এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত শুনানির জন্য আদেশ দেন।

Header Ad
Header Ad

৯৩ আইনজীবীর আত্মসমর্পণ

আওয়ামীপন্থি ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ, ৯ জনের জামিন

ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় হামলা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর কোতোয়ালি থানার মামলায় আওয়ামীপন্থি ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় ৯ জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। জামিন পাওয়া ৯ জনের মধ্যে ৮ জন মহিলা আইনজীবী।

এর আগে সকালে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন ৯৩ আইনজীবী। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাদের জামিন শুনানি শুরু হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে বিকেল ৫টার পর আদালত আদেশ দেন।

ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি খোরশেদ মিয়া আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আসামিপক্ষে জামিন চাওয়া হয়। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত সন্তুষ্ট হয়ে ৯ জনের জামিন মঞ্জুর করেছেন। বাকিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ৪ আগস্ট আদালত প্রাঙ্গণে আইনজীবীদের ওপর হামলা, চেম্বার ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় আওয়ামীপন্থি ১৪৪ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ আলী বাবু। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে অভিযোগটি কোতোয়ালি থানায় এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার আদেশ দেন।

মামলা দায়েরের পর হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের আগাম জামিন নেন ১১৫ জন আইনজীবী। আগামীকাল ৭ এপ্রিল (সোমবার) তাদের জামিনের মেয়াদ শেষ হবে।

এ মামলার অন্যতম আসামিরা হলেন- আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, ঢাকা মহানগর আদালতের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আব্দুল্লাহ আবু, আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান বাদল, মো. সাইদুর রহমান মানিক, মো. মিজানুর রহমান মামুন, আব্দুর রহমান হাওলাদার, গাজী মো. শাহ আলম, আব্দুল বাতেন, মাহবুবুর রহমান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার গোলাম কিবরিয়া জুবায়ের, মোহাম্মদ আনোয়ার শাহাদাৎ শাওন, মো. ফিরোজুর রহমান মন্টু, মো. আসাদুজ্জামান খান রচি ও সাবেক সংসদ সদস্য সানজিদা খানম।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ৪ আগস্ট দুপুরে আসামিরা ঢাকা আইনজীবী সমিতির সম্মুখ থেকে বেআইনি জনতাবদ্ধে আবদ্ধ হয়ে অস্ত্র, লাঠিসোঁটা নিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করেন। তারা বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ বলে স্লোগান দেন।

এ সময় ভুক্তভোগী আইনজীবী একটি মামলার শুনানি শেষে করে ঢাকা আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে আসেন। তখন আসামি আনোয়ার শাহাদাৎ শাওন হেলমেট পরে হত্যার উদ্দেশ্যে তার দিকে গুলি তাক করেন।

Header Ad
Header Ad

গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে সোমবার দেশবাসীকে রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। ছবি: সংগৃহীত

গাজায় চলমান গণহত্যার বিরুদ্ধে দল-মত নির্বিশেষে সারাদেশে একযোগে রাজপথে নামার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, এই আন্দোলন কোনো রাজনৈতিক ব্যানারের নয়, এটি ‘বাংলাদেশ’ নামক ব্যানারে মানবতার পক্ষ থেকে গাজার নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কর্মসূচি।

রোববার (৬ এপ্রিল) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি জনতাকে রাজপথে নামার আহ্বান জানান।

ফেসবুকে তিনি লেখেন, আগামীকাল বিশ্বব্যাপী হরতাল পালনের আহবান জানিয়েছে আমাদের মজলুম গাজাবাসী ভাইবোনেরা। গণহত্যা বন্ধ করার দাবিতে বিশ্বের সব দেশে একযোগে স্কুল, কলেজ, ভার্সিটি, অফিস, আদালত সব বন্ধ রাখার আহবান জানিয়েছে তারা। কিন্তু মানুষ কিংবা মুসলিম হিসেবে এসব বন্ধ রাখাতেই আমাদের দায়িত্ব সীমাবদ্ধ হওয়া উচিত নয় বরং দল-মত নির্বিশেষে সারাদেশের ছাত্রজনতা একসাথে রাজপথে নেমে ইসরায়েলি খুনিদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো উচিত।

তিনি আরও লেখেন, আমরা হয়তো এই মুহূর্তে আমাদের গাজার ভাইদের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করতে পারব না। কিন্তু তাদের লড়াইয়ের সাথে একত্বতা ঘোষণা করতে নিজ ভূমির রাজপথে অন্তত নামতে পারবে। এনসিপি, বিএনপি-জামায়াত; কিংবা অন্য কোনো দলের ব্যানারে নয় বরং দল-মত নির্বিশেষে "বাংলাদেশ" ব্যানারে আগামীকাল আমরা রাজপথে নেমে গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারি। খুনি, রক্তপিপাসু নেতানিয়াহুর বিপক্ষে স্লোগান দিতে পারি।

‘প্রত্যেক জেলায় ছাত্রজনতার প্রতিনিধি হিসেবে কয়েকজন মিলে দায়িত্ব নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এই কর্মসূচি পালিত হোক। ৭ এপ্রিল কোনো দল, মত, পক্ষের হয়ে নয় বরং বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গাজার মজলুম মানুষের পক্ষে হোক।’

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এসএসএফের সাবেক ডিজি ও তার স্ত্রীর ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
আওয়ামীপন্থি ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ, ৯ জনের জামিন
গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে সোমবার দেশবাসীকে রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
ইতিহাস সৃষ্টি করে মার্চে এলো ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
দুদকের সাবেক অ্যাম্বাসেডর থেকে আসামি হতে যাচ্ছেন সাকিব!
গাজায় ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে মরদেহ উড়ছে আকাশে! (ভিডিও)
মা হারালেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ
‘দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দিতে পারেননি বলেই টিউলিপ পদত্যাগ করেছেন’
মানিকগঞ্জে কার্টনবন্দি নারীর মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে
বিসিএসের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবিতে পিএসসির সামনে চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
নারী বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরু বুধবার, কঠিন পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ
কাল হোয়াইট হাউজে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
এরদোগানের দলে যোগ দিয়ে তুরস্কের রাজনীতিতে ওজিল
টাঙ্গাইলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত
বাংলাদেশসহ ১৩ দেশের নাগরিকদের জন্য সৌদি আরবের ভিসা নিষেধাজ্ঞা
ভারতের বিতর্কিত ওয়াকফ বিল নিয়ে মুসলমানদের আপত্তির মূল কারণ কী (ভিডিও)
আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন আওয়ামীপন্থি ৯৩ আইনজীবী
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মুকরেমা রেজা আর নেই
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার ৩ বছরের কারাদণ্ড
স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল