শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

দুর্নীতি রোধে শক্ত অবস্থান জরুরি

সম্প্রতি ডিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প বাস্তবায়ন অথবা প্রকল্প তদারকির দায়িত্ব ডিসিদের দিয়েছেন। পরিকল্পনামন্ত্রীও বলেছেন, আপনারা সুপারভাইজ করেন এবং আপনাদের জানিয়েই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। তবে মেকানিজম যা আছে, তাতে কোথাও কোনো ত্রুটি হলে অথবা দুর্নীতি হলে ডিসিরা রিপোর্ট করতে পারেন। মন্ত্রণালয় তখন সেভাবেই অ্যাকশনে যায়। প্রকল্প পরিচালনা অথবা কমিটিতে ডিসিদের রাখা না রাখা সরাসরি সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যাপার।

তবে আমার মনে হয়, যে মেকানিজম আছে, এটি ঠিকই আছে। প্রকল্পগুলো ডিসিদের আয়ত্বেই থাকে। কোথাও গণ্ডগোল হলে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আইনগতভাবে সে ক্ষমতা তাদের দেওয়াই আছে।
জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করে প্রকল্পগুলি নেয়া হয়। তবে জনপ্রতিনিধিরা কিন্তু সরাসরি প্রকল্পগুলো চালনা করে না। ডেভেলপমেন্ট প্রসেসটা কিন্তু স্থানীয় সরকারে যারা আছে, ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট, রোডস এন্ড হাইওয়েস, এলজিইডি–তারাই করে। জনপ্রতিনিধিদের এভাবে সরাসরি ইনভলব হওয়া ঠিক না।

বরং ব্যুরোক্রেসির মাধমেই সব দেশে কাজ করা হয়। এ ক্ষেত্রে বড় প্রকল্প হলে সেটি সরাসরি সরকার পরিচালনা করে। ছোট প্রকল্পের ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে ডিসিদের হাতে ক্ষমতা থাকে। তবে যেটির অভাব মনে হয়, সেটি হলো–সুপারভাইজ ঠিকমতো হয় না। যারা সুপারভাইজ করবে তারাই আবার প্রকল্প অনুমোদন দেয় এবং তারাই আবার পেমেন্ট করে। অথচ সুপারভিশন করা এবং পেমেন্ট করা এগুলো আলাদা করা উচিত। যেমন–ইঞ্জিনিয়ার সাহেব সুপারভিশনও করছে, আবার পে অর্ডারও লিখছে, এটি তো ঠিক হচ্ছে না। এজন্য কাজ শেষ হওয়ার আগেই পে করে দেয় অনেকে।

দুর্নীতিবাজ কারা, এটি ডিসিদেরও জানার কথা। কে সৎ অফিসার আর কে দুর্নীতিবাজ অফিসার সবাই সবটা জানে। প্রকল্প নেয়ার সময় এগুলি দেখে নেয়া উচিত। স্থানীয় সরকারের অধীনে প্রকল্পগুলোর টাকা-পয়সা নয়-ছয় হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সঠিকভাবে কাজ হচ্ছে না কিন্তু ঠিকই বিল নিচ্ছে। এখানে রাজনৈতিক একটা প্রভাবও জড়িত থাকে আমি দেখি। যারা দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, তারা রাজনৈতিক নেতাদের খুশি করে। পলিটিক্যালি একটা শেল্টার নেয়। আমার মনে হয় সৎ ও পরিশ্রমী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া উচিত। জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে কি না হচ্ছে? হরিলুট হচ্ছে। যারা এগুলোতে এপ্রোভাল দেন তারাও নিশ্চয় জানেন। এগুলো কিভাবে এপ্রোভাল দেওয়া হয়!

দুর্নীতি রোধে শক্ত একটি অবস্থানের ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। একটা বালিশের দাম কিভাবে পাঁচ হাজার টাকা হয়? এই যে একটা লুটতরাজের উৎসব শুরু হয়েছে, সেদিকে নজর দেওয়া উচিত। ডিসিদের ক্ষমতা নেই, সেটি আমি বলছি না, ডিসিদের পাওয়ার আছে। তবে একসময় যেটি ছিল, সেটি হয়তো নেই। এরপরও সার্বিক তত্ত্বাবধান ডিসিরাই করে। পরিকল্পনামন্ত্রী নিজেও বললেন, আপনারা রিপোর্ট করেন এবং আপনাদের কনসাল্ট করেই প্রকল্পগুলো নেওয়া হয় এবং এটিও বাধ্যতামূলক।

লেখক: অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এসএ/

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত