শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সাধারণতন্ত্র দিবস ও নেতাজির ট্যাবলো বিতর্ক

২৬ জানুয়ারি ভারতের সাধারণতন্ত্র দিবসের ৭২ বছর পূর্ণ হলো। ১৯৪৯ সালের নভেম্বর মাসে ভারতে সংবিধান রচনার কাজ শেষ হয়। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু সংবিধানে স্বাক্ষর করার পর ঘোষণা করেছিলেন, পরের বছর, অর্থাৎ ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের সংবিধান কার্যকর হবে। তিনি সেদিন সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, সুভাষচন্দ্র বসু ১৯৩৬ সালে কংগ্রেস অধিবেশনে বলেছিলেন, ২৬ জানুয়ারি ভারত স্বাধীন হবে। সেদিনই হবে স্বাধীনতা দিবস। তবে মহাত্মা গান্ধীর ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশ সরকার বুঝতে পেরেছিল, আর বেশিদিন এ দেশে রাজত্ব করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট তারা ভারতকে ভাগ করে এদেশ থেকে চলে গেল।

যা-ইহোক এরপর থেকে নেতাজির ইচ্ছে অনুযায়ী, ২৬ জানুয়ারিতে ভারতের সাধারণতন্ত্র দিবস পালিত হয়। ১৯৫০ সাল থেকে শুরু করে প্রতি বছর এই দিনটিতে একজন করে বিদেশি রাষ্ট্রনেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এই রীতি বরাবরই চলে আসছে। গত বছর করোনা আবহের মধ্যেও এই রীতি লঙ্ঘিত হয়নি। যথারীতি ২৬ জানুয়ারির অনুষ্ঠানে আনা হয়েছিল এক বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানকে। কয়েকমাস আগে ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে কথা হয়েছিল, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর উপলক্ষে সে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে এবারের সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে। তবে সাউথ ব্লকের সরকারি ব্যাখ্যা হলো–করোনা অমিক্রন আবহে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে না।

প্রায় ৩ সপ্তাহ আগে উত্তরাখণ্ডের রাজধানী হরিদ্বারে গেরুয়াধারী তথাকথিত সাধু-সন্তরা একের পর এক প্রকাশ্য জনসভায় বক্তৃতা দিয়ে গিয়ে বলেন, ভারতের মুসলমানদের গুলি করে মারা হবে। মারা হবে শিখদেরও। সাধুদের এই সভায় সাম্প্রদায়িক উক্তি নিয়ে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীসহ সব বিরোধী দল ওই সাধুদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। কিন্তু রহস্যজনকভাবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ বিষয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি। যেহেতু তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। তাই সংবাদমাধ্যম ও বিরোধী দলের চাপে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি একটি সুয়োমোটো মামলা গ্রহণ করে বিজেপি শাসিত উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী এবং ডিজিপিকে নির্দেশ দেন সাধুদের গ্রেফতার করার।

ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, তাদের এমন সব ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাতে তারা জামিনে মুক্ত হতে পারেন। তবে সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি হাতে নেওয়ার ফলে মোদি সরকার বেশ বিব্রত হয়ে পড়েছে। পাছে এই বিষয়টি নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠে, প্রসঙ্গটি এড়াতে কেন্দ্রীয় সরকার এবার সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানায়নি বলেই কূটনৈতিক মহলের ধারণা। সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপনের ইতিহাসে এই প্রথমমবার এমন ঘটনা ঘটল।

নেতাজির ইচ্ছানুযায়ী ২৬ জানুয়ারি দেশের সাধারণতন্ত্র দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথা অনুযায়ী, প্রতি বছরেই দিল্লিতে সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে প্রতিটি রাজ্যের ট্যাবলো প্রদর্শন করা হয়। যেহেতু এ বছরই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী, আর ঘটনাচক্রে দিনটি ২৬ জানুয়ারির মাত্র ৩ দিন আগেই, তাই পশ্চিমবঙ্গ সরকার নেতাজির কর্মকাণ্ড নিয়ে এক ট্যাবলো প্রদর্শন করতে চেয়েছিল এবারের সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই ইচ্ছা কেন্দ্র মানেনি। তারা সরাসরি বাতিল করে দিয়েছে নেতাজিকে নিয়ে ট্যাবলো।

এখানেই শেষ নয়, নেতাজির কন্যা অনিতা বসু পাফ বর্তমানে কলকাতায় ছুটি কাটাচ্ছেন। তিনি মোদি সরকারকে কটাক্ষ করেছেন। বলেছেন, ‘আমার বাবার ১২৫ বছর পূর্ণ হবে এ বছরের ২৩ জানুয়ারি। আর এখন মোদি সরকার বাবাকে নিয়ে রাজনীতি করছে।’

অনিতা আরও বলেছেন, ‘আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি, বাবার মতো একজন দেশনায়ককে বিজেপি এবং আরএসএস যেভাবে উপেক্ষা করছে, তা কল্পনার অতীত। আমি জানি না এর পেছনে কি কারণ রয়েছে এবং বাবাকে নিয়ে ট্যাবলো কেন প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হলো না। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক।’

অন্যদিকে, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে কংগ্রেস, সিপিএমও। কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভায় বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা তো জানি, দিল্লির সরকারের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তলে তলে বোঝাপড়া রয়েছে। দাদার সঙ্গে দিদির তো রীতিমতো সখ্য আছে। আমাদের হারাতে দিদি এখন তো গোয়া, মেঘালয়, মনিপুর করে বেড়াচ্ছেন। তাহলে এখন নেতাজি ট্যাবলোর ব্যাপারে কেন্দ্রেকে রাজি করাতে পারছেন না কেন? এদিকে রাজ্য বিজেপির অভ্যন্তরেও ট্যাবলো বিতর্ক চলছে।

রীতিমতো মতান্তর শুরু হয়েছে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দীলিপ ঘোষ কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে রাজ্যকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন। বলেছেন, বেশ করেছে। ঠিক করেছে। দিল্লির লোককে বাংলায় ঢুকতে দেবে না। দিলীপ ঘোষের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের সাবেক রাজ্য সভাপতি, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের সাবেক রাজ্যপাল তথাগত রায় মনে করেন, ২৬ জানুয়ারির কুচকাওয়াজে নেতাজি ট্যাবলো অবশ্যই থাকা উচিত। এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধও করেছেন, যাতে নেতাজি তথা বাংলার অন্য স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অবদান মানুষের চোখের সামনে আসে।

যা-ই হোক, কেন্দ্র সরকার শেষপর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নেতাজি ট্যাবলোকে কুচকাওয়াজের অন্তঃর্ভুক্ত করা হবে না। আর এ নিয়ে জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নেতাজির মতো একজন সর্বজনপ্রিয় ও সর্বজনগ্রাহ্য দেশনেতাকে নিয়ে বিজেপি যে রাজনীতি করল, তাতে তাদের আখেরে ক্ষতিই হলো। যা আগামীদিনে আরও স্পষ্ট হবে।

লেখক: ভারতের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক

এসএ/

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত