শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

নাসিকে উত্তাপ, গডফাদার এবং সুষ্ঠু নির্বাচন প্রসঙ্গ

ছোটবেলায় বড়দের মুখে শোনা একটি গল্প দিয়ে লেখাটা শুরু করছি। গ্রামের এক মাতব্বর গোছের লোক তার প্রতিবেশীদের ডেকে বললেন, ও মিয়া, তোমরা আমার কাছে এটা চাও, সেটা চাও। আমার কি রাজার গোলা আছে? আমি কোত্থেকে দেব? আমাকে মেম্বার বানাও। তাহলে আমি তোমাদের জন্য অনেক কিছু করতে পারি!

গ্রামের লোকরা দেখল, মাতব্বরের কথা ঠিক। তারা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিলেন, মাতব্বরকে মেম্বার বানাতে হবে। গ্রামের লোকজন বলল, ঠিক আছে। আমরা ভোট দেব। আপনি ভোটে দাঁড়ান।

মাতব্বর ভোটে দাঁড়াল। লোকজন ভোট দিয়ে তাকে মেম্বার বানাল। তারপর মাতব্বরের কাছে লোকজন গিয়ে বলল, মাতব্বর সাব, মেম্বার তো বানাইলাম। এবার আামাদের জন্য কিছু করেন।

নয়া মেম্বার বললেন, মেম্বার বানাইছ ঠিক আছে; কিন্তু মেম্বারের কোনো ক্ষমতা আছে? সব ক্ষমতা চেয়ারম্যানের। আমারে চেয়ারম্যান বানাও। তারপর তোমাদের জন্য যা যা করা দরকার, তা করব।

জনগণ কী আর করবে! পরের বার মাতব্বরকে চেয়ারম্যান বানাল। তারপর আবার মাতব্বরের কাছে লোকজন গিয়ে বলল, এবার তো আপনার অনেক ক্ষমতা। এবার আমাদের জন্য কিছু করেন।

নয়া চেয়ারম্যান বললেন, কি যে বলো তোমরা! চেয়ারম্যানের কোনো ক্ষমতা আছে? সব ক্ষমতা উপজেলা চেয়ারম্যানের। আমারে উপজেলা চেয়ারম্যান বানাও। তারপর যদি কিছু করতে পারি!

বোকা জনগণ পরের বার ভোট দিয়ে মাতব্বরকে উপজেলা চেয়ারম্যান বানাল। তারপর তার কাছে গিয়ে বলল, মাতব্বর সাব, এবার তো আপনার বেশুমার ক্ষমতা। এবার আমাদের জন্য কিছু করেন!

নয়া উপজেলা চেয়ারম্যান বললেন, আর বইলো না! আগে শুনছিলাম সব ক্ষমতা নাকি উপজেলা চেয়ারম্যানের; কিন্তু চেয়ারম্যান হওয়ার পর দেখি, এরা হলো ঠুটো জগন্নাথ! ঠুটো জগন্নাথ বোঝ তো! নাম আছে কাম নাই! সব কাজ এমপি সাব করে। আমি হলাম ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা। এমপি সাবের পেছনে পেছনে ডুগডুগি বাজাই। এবার বুঝছ তো!

জনগণ বলল, তাইলে এখন কি করা? আমরা তো আশায় আশায় কত বছর পার করলাম! কখনোই কিছু পাইলাম না।

মাতব্বর সাব মাথা চুলকাতে চুলকাতে বললেন, দেখ যদি আগামী নির্বাচনে এমপি বানাতে পার; তাহলে হয়তো তোমাদের জন্য কিছু করতে পারি।

জনগণ আর কী করবে? তারা অসহায়! ভোট এলে তাদের কদর বাড়ে। বাকি সময় কেউ তাদের খোঁজ রাখে না। সবাই কেবল আশা দিয়ে রাখে। আশায় আশায় তাদের দিন কাটে। তবু তারা আশা হারায় না। তারা এবার মাতব্বরকে ভোট দিয়ে এমপি বানাল। ভোটে জিতে মাতব্বর এলাকাছাড়া হলেন। জনগণ তার টিকিটিও ছুঁতে পারল না!

এই হলো বর্তমান জমানার ভোটের চিত্র। জনগণ কেবল ভোট দেওয়ার মালিক আর ক্ষমতার মালিক এমপি সাব!

গত কিছুদিন ধরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা চলবে। নির্বাচনী প্রচার বেশ জমে উঠেছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভী এবং ‘স্বতন্ত্র’ প্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জের অলিগলি চষে বেড়াচ্ছেন। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তারা। গণতন্ত্রে এ এক অপার সৌন্দর্য।
প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ। নির্বাচন এলেই সেই কথা নেতাদের মনে পড়ে। ভোটের জন্য ভোটারের কাছে ছুটতে হয় তাদের। কাউকে চাচা, কাউকে মামা, কাউকে ভাই, কাউকে খালাম্মা আবার কাউকে বোন বলে সম্মোধন করেন। ভোট ভিক্ষা চান। কেউ বলেন, আইভী আপা যেখানে ভোট দেব সেখানে। আবার কেউ বলেন, তৈমূর ভাই যেখানে ভোট দেব সেখানে। মাঠে অন্য প্রার্থীরাও আছেন; কিন্তু তাদের নিয়ে কেউ কোনো কথা বলছেন না। সবার দৃষ্টি আইভী-তৈমূরের দিকে।

নির্বাচনে নেমে তৈমূর খন্দকার বিএনপির দলীয় পদ হারিয়েছেন। তা নিয়ে তার কোনো ক্ষোভ বা দুঃখ নেই। অনেকেই বলছেন, এটা লোকদেখানো বহিষ্কার। কাগজে-কলমে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেও বিএনপির সমর্থন তার উপরই থাকবে। তা ছাড়া বিএনপির ভোটারও তাকেই ভোট দেবে। বিএনপির ভোটাররা নিশ্চয়ই আইভীকে ভোট দেবে না। আবার আওয়ামী লীগের সব ভোট আইভীর বাক্সে পড়বে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। কারণ সেখানকার এমপি শামীম ওসমান এবং তার অনুসারীরা আইভীর পক্ষে নেই। কোনো নির্বাচনী প্রচারেও তাদের দেখা যাচ্ছে না। শামীম ওসমান কার পক্ষে থাকবেন, তা নিয়ে যখন আলোচনা সমালোচনা তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়ে আইভী বোমা ফাটালেন। তিনি বললেন, তৈমূর খন্দকার গদফাদার শামীম ওসমানের প্রার্থী।

সঙ্গত কারণেই শামীম ওসমান তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠলেন। পারিবারিকভাবেই আইভীর সঙ্গে শামীম ওসমানের বৈরি সম্পর্ক। সেই বৈরিতার নেতিবাচক প্রভাব ভোটের মাঠে পড়ে থাকে। আগেও পড়েছে, এবার পড়ছে। এবার প্রকাশ্যে শামীম ওসমানের রুদ্রমূর্তি কেউ দেখতে পায়নি। তিনি সংবাদ সম্মেলন করে নৌকার পক্ষে থাকার অঙ্গীকার করেছেন; কিন্তু তার কথায় বিশ্বাস নেই আইভীর। তিনি মনে করেন, শামীম ওসমান এবং তার অনুসারীরা আইভীর বিপক্ষে কাজ করছেন এবং শেষপর্যন্ত এটা অব্যাহত রাখবেন। এতে হয়তো তৈমূর খন্দকার লাভবান হবেন। তিনি নিজেও মনে করেন, বিএনপি এবং সমমনা ভোটাররা কখনোই আইভীর পক্ষে যাবেন না। তারা তাকে ভোট দেবেন।

আমরা দেখছি, যতই দিন যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জের ভোটের মাঠে ততই উত্তাপ ছড়াচ্ছে। কথার উত্তাপই শুধু নয়, মিছিল মিটিংয়ের উত্তাপও ছড়াচ্ছে নগরীর আনাচে কানাচে। এই উত্তাপ যেন সংঘাত সংঘর্ষের পর্যায়ে না যায় প্রার্থীদের সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশনকেও সতর্ক থাকতে হবে।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের এটাই শেষ নির্বাচন। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আছে। নানাভাবে সমালোচনার মুখে পড়েছে নির্বাচন কমিশন। চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে পারেনি বর্তমান ইসি। শেষবারের নির্বাচন যদি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে না পারে তাহলে তাদের বিদায়টাও বিষাদের হবে। নিশ্চয় তারা বিষাদময় বিদায় টেনে আনবেন না। আমরা একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখার জন্য অধীর আগ্রহ অপেক্ষা করছি।

লেখক: প্রধান সম্পাদক, ঢাকাপ্রকাশ ও সাহিত্যিক

এসএ/

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত