শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বড় বাজেটের সুফল কার ঘরে ?

বাজেট হলো সাংবিধানিক ভাষায় রাষ্ট্রের বার্ষিক আর্থিক বিবরণী। এর একটা অর্থনৈতিক দিক এবং একটা দর্শনমূলক দিক থাকে। বাজেটের আয়তন প্রকাশিত হয় টাকার অংকে। টাকা দেবে কারা আর বরাদ্দ কোথায় পাবে, কারা পাবে তা দ্বারা বুঝা যায় যারা ক্ষমতায় থেকে বাজেট প্রণয়ন করছেন তারা কোন রাজনৈতিক দর্শন দ্বারা পরিচালিত হচ্ছেন। প্রতি বছরই বাজেট বড় হচ্ছে। এই বড় হওয়া অর্থনীতির বড় হওয়াকেই নির্দেশ করে। অর্থনীতিকে বড় করার পিছনে ভুমিকা যাদের তাদের ভাগে বাজেটে কি থাকবে বা কতটুকু থাকবে তা নির্ধারিত হয় রাজনৈতিক চিন্তা দ্বারা।

২০২২- ২৩ অর্থ বছরের জন্য ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। রাজস্ব ব্যয় ৪ লাখ ৩১ হাজার ৯৯৮ কোটি টাকা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেটে। ব্যয়ের হিসাব তো দেখা গেল কিন্তু আয় আসবে কোথা থেকে? বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এনবিআর যে কর আদায় করবে তার পরিমাণ ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। এনবিআর বহির্ভূত কর থেকে আয় হবে ১৮ হাজার কোটি টাকা এবং করব্যতিত প্রাপ্তি ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে আয় ব্যয়ের ঘাটতি দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। এই ঘাটতি মেটানো হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে, সহজ ভাষায় যাকে বলা হয় ঋণ করে আর অনুদান নিয়ে। ঋণ ও সুদ পরিশোধে বাজেটে বরাদ্দ ৮০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা। ঋণ করে কে আর ঘি খায় কে সেই প্রশ্ন তো করা যেতেই পারে।

ঘাটতির মধ্যে অনুদানসহ বৈদেশিক উৎস থেকে আসবে ৯৮ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা; আর অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আসবে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা, এর মধ্যে আবার ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। জিডিপির আকার ধরা হয়েছে ৪৪ লাখ ৪৯ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা।

স্বাধীনতার পর ৫১ তম বাজেট এটা। প্রতিবছরই বাজেট বড় হচ্ছে। ১৯৭২ সালের প্রথম বাজেটের তুলনায় ৮৬০ গুণ বড় এই বাজেট।

মহা আড়ম্বরের বৃহৎ বাজেটের বোঝা জনগণের উপর চাপিয়ে সরকার কৃতিত্ব নিতে চাইছে। বাস্তবে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার এই বাজেট আয়তনে বড় কিন্তু তাতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য আর কৃষির জন্য আনুপাতিক হারে বরাদ্দ বাড়েনি। যেমন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষাখাতে টাকার অংকে মোট বরাদ্দ বেড়েছে। এই দুই মন্ত্রণালয়ের জন্য নতুন অর্থ বছরে মোট ৮১ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকাবরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা চলতি বছরের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ৭১ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা। ফলে শিক্ষায় গত বাজেটের ১১ দশমিক ৯ শতাংশ ছিল এবার তা ১২ দশমিক ০১ শতাংশ হয়েছে। করোনায় বিপর্যস্ত শিক্ষা খাত ও শিক্ষার্থীদের জন্য বাজেটে কোন নির্দেশনা নেই। যে বিপুল শিক্ষার্থী ঝরে পড়েছে তাদেরকে শিক্ষার মূল ধারায় ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ কি? বিভিন্ন রিপোর্ট বলছে ১৫ শতাংশ শিক্ষার্থী আর কখনোই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফিরতে পারবে না তাদের মত শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দরজা কি চিরদিনের জন্য বন্ধ থাকবে?
এমনি অবস্থা স্বাস্থ্যখাতেও। দুর্বল ও দুর্নীতিগ্রস্থ স্বাস্থ্যখাত গুরুত্ব পায়নি। স্বাস্থ্যে বরাদ্দ এত আলোচনা সমালোচনার পরও ৫ দশমিক ৪ শতাংশের বেশি হয়নি, স্বাস্থ্য গবেষণায় মাত্র ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। করোনাকালে দেশকে টিকিয়ে রাখার স্বীকৃতি দিলেও বাজেট বরাদ্দে কৃষিও গুরুত্ব পায়নি। ২০১২–১৩ সালে কৃষিতে ১০ শতাংশ বরাদ্দ ছিল ১০ বছর পর তা ৬ দশমিক ৪ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে কোন নতুন নির্দেশন নেই। সাধারণ মানুষের কর যোগ্য আয় সীমা বাড়েনি বরং বৃহৎ পুঁজিপতিদের করপোরেট ট্যাক্স আড়াই শতাংশ কমেছে। এসি রেস্তোরাঁর ভ্যাট ৫ শতাংশ কমিয়ে এসি, নন এসি রেস্তোরাঁর ট্যাক্স সমান করা হয়েছে। সাধারণত দরিদ্র নিম্নবিত্ত মানুষেরাই নন এসি রেস্টুরেন্টে খেয়ে থাকেন।

সবচেয়ে বড় কথা এই বাজেটে টাকা পাচারকে স্বীকার করে নিয়ে তাঁকে আইনি বৈধতা দেয়া হয়েছে। কেউ ৭ শতাংশ ট্যাক্স দিয়ে পাচার করা টাকা ফেরত আনতে পারবে, বিদেশে অবস্থিত অস্থাবর সম্পত্তি দেশে না আনলে ১০ শতাংশ আর স্থাবর সম্পত্তি দেশে না আনলে ১৫ শতাংশ কর দিলে যদি বৈধতা পায় তাহলে টাকা পাচার তো কমবেই না বরং উৎসাহিত হবে।

কথায় কথায় সংবিধানের দোহাই দেয়ার পরও সংবিধানের সাথে চূড়ান্ত অসঙ্গতিপূর্ণভাবে কালো টাকা সাদা করা চলছেই। এবারেও ঢালাওভাবে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ অব্যাহত রাখা হয়েছে। ২৫ শতাংশ কর এবং করের উপর ৫ শতাংশ জরিমানা দিয়ে অর্থাৎ ২৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কর দিয়ে কালো টাকা সাদা করা যাবে। জমি ও ফ্লাট কিনে এলাকা ভেদে ও আয়তন ভেদে কর দিয়ে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে এবারের বাজেটেও যা কোনভাবেই যুক্তিসংগত নয়।

 

লেখক: সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত