শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ইসি গঠন হোক সংবিধানের আলোকে

একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনের লক্ষ্যে সকল রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। গত সোমবার (২০ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে প্রথম বৈঠক করেন জাতীয় পার্টির সঙ্গে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে বসেন।

সংলাপ শেষ হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য, শক্তিশালী ও কার্যকর নির্বাচন কমিশন গঠনের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। জাতীয় পার্টির নেতারা বলেছেন, নির্বাচন কমিশন গঠনে সংবিধানের আলোকে আইন প্রণয়নের জন্য তারা রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, সময়ের স্বল্পতার কারণে আইন প্রণয়ন করা সম্ভব না হলে রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে আইনটি বলবৎ হতে পারে। তবে জাপা নেতারা বিকল্প প্রস্তাবও দিয়েছেন। তারা বলেছেন, আইন প্রণয়ন করা সম্ভব না হলে সার্চ কমিটি গঠন করা যেতে পারে।

জাপার প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন, জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কো-চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, কো-চেয়ারম্যান সালমা ইসলাম এমপি, সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনে তাদের প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। সার্চ কমিটি গঠনের লক্ষে জাতীয় পার্টি পাঁচজনের নাম প্রস্তাব করেন।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২-এ শেষ হবে। ইসি গঠনের বিষয়ে সংবিধানে আইন প্রণয়নের কথা বলা হলেও তা ৫০ বছরেও করা হয়নি। এর আগে ২০১২ ও ২০১৭ সালে সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠন করেন রাষ্ট্রপতি। এবারও সার্চ কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলগুলো চাইলে রাষ্ট্রপতি নির্বাহী ক্ষমতাবলে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। সবই নির্ভর করছে সরকার এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছার ওপর। অবশ্য সংলাপ শুরুর পরও দেখছি, কিছু রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচন বিশ্লেষকদের কেউ কেউ হতাশা ব্যক্ত করে বলেছেন, এই সংলাপ তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয়।

প্রথম দিনের আলোচনার পর নির্বাচন বিশ্লেষকদের কেউ কেউ বলেছেন, এটা লোক-দেখানো সংলাপ। এসব করে কোনো কিছুই হবে না। বিএনপির সিনিয়র নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন সোমবার বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় নির্বাচন প্রসঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকার যতদিন আছে, কোনো নির্বাচন কমিশন এ দেশে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারবে না। সার্চ কমিটি গঠনের নামে আলোচনা তামাশা ও নাটক। একই অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও উপস্থিত ছিলেন। তিনিও সংলাপের বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন, ইসি গঠন নিয়ে রাষ্ট্্রপতির সংলাপ এক ধরনের তামাশা।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আরো আটটি দলের সঙ্গে সংলাপ করবেন। ইতিমধ্যেই তাদেরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ), ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) তরীকত ফেডারেশন, খেলাফত মজলিশ ও ওয়ার্কার্স পার্টি। সংলাপে অংশ নেওয়ার জন্য বিএনপি নেতাদেরকেও নিশ্চয়ই ডাকা হবে। এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেছেন, তারা এখনো রাষ্ট্রপতির চিঠি পাননি। চিঠি পাওয়ার পর তারা স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বসবেন। সংলাপে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে দলের স্থায়ী কমিটি।

আমরা মনে করি, রাষ্ট্রপতির সংলাপে বিএনপি নেতাদের অংশ নেওয়া উচিত। তারা সংলাপে অংশ নিয়ে তাদের প্রস্তাব পেশ করতে পারেন। তারা রাষ্ট্রপতিকে বলতে পারেন, নিরপেক্ষ ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন প্রণয়ন করুন। বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা আইন প্রণয়নের দাবি করলে রাষ্ট্রপতি নিশ্চয়ই তা বিবেচনা করবেন। সংবিধানে যেহেতু আইন প্রণয়নের কথা বলা আছে; সেহেতু সব রাজনৈতিক দল এ বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দিতে পারে। জাতীয় পার্টিও এ বিষয়টির ওপরই বেশি গুরুত্ব দিয়েছে।

আমরা রাষ্ট্রপতির উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। ইসি গঠনে আইন প্রণয়ন করতে হলেও রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের মতামতের প্রয়োজন রয়েছে। রাষ্ট্রপতি নিজের ক্ষমতাবলে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন। তিনি আলোচনা না করে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নিলেও প্রশ্ন উঠতে পারে। সেজন্যই রাষ্ট্রপতির এই সংলাপ তাৎপর্যপূর্ণ। বিএনপি কিংবা বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো রাষ্ট্রপতির উদ্যোগকে একটি সুযোগ হিসেবে নিতে পারে। রাষ্ট্রপতি নিশ্চয়ই রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাবের আলোকে সিদ্ধান্ত নেবেন এবং বেশির ভাগের মতামতকে গুরুত্ব দেবেন। এটাই সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। রাষ্ট্রপতি এককভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েও নির্বাচন কমিশন গঠন করতে পারতেন। এটা তাঁর এখতিয়ারের মধ্যেই পড়ে। তারপরও তিনি যেহেত সংলাপে ডেকেছেন সেহেতু তার আহ্বানের প্রতি সবার সম্মান দেখানো উচিত।

আমরা একটি নিরপেক্ষ ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন দেখতে চাই। আগামী নির্বাচনে যাতে সব রাজনৈতিক দল অংশ নিতে পারে সেটা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রপতিকেই উদ্যোগ নিতে হবে। তিনি দেশের অভিভাবক। সবপক্ষের মতামতের ভিত্তিতে তিনি নিশ্চয়ই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করতে সক্ষম হবেন বলে আমরা আশা করি। আমরা বিশ্বাস করি, রাষ্ট্রপতির প্রতি সব রাজনৈতিক দলের যে আস্থা রয়েছে; তার প্রতিফলন ইসি গঠন প্রক্রিয়ায় পরিলক্ষিত হবে।

 

লেখক: প্রধান সম্পাদক, ঢাকাপ্রকাশ ও সাহিত্যিক।

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত