শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বুদ্ধিজীবীদের কতটুকু স্মরণ করতে পারি, তা নিয়ে সংশয় আছে

আমি বিস্মিত হই যে, শুধু ১৪ ডিসেম্বর শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়। ইতিহাস বলছে, অপারেশন সার্চ লাইটের শুরু থেকেই, অর্থাৎ ২৫ মার্চ ১৯৭১ রাত থেকেই বুদ্ধিজীবী নিধন শুরু হয়। সে রাতেই আমরা হারিয়েছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক কৃতি শিক্ষক এবং পণ্ডিত মানুষকে। ড. জি সি দেব, ড. জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, ড. মনিরুজ্জামানসহ আরও অনেককেই হারিয়েছি। মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়জুড়ে বুদ্ধিজীবীদের তুলে নেওয়া হয়েছে, নির্যাতন করা হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে। সেটি সারাদেশেই হয়েছে।
১২ ডিসেম্বরে আলবদর, রাজাকার বাহিনী কর্তৃক দেশের বুদ্ধিজিবীদের হত্যা করতে তালিকা তৈরি করা হয়। সেই তালিকা অনুযায়ী, তারা ঢাকাসহ দেশের সব জায়গা থেকে বুদ্ধিজীবীদের তুলে নিয়ে হত্যা করেছে। কারণ, তারা বুঝতে পেরেছিল তাদের সময় শেষ হয়ে এসেছে। শেষ মুহূর্তের আঘাত হিসেবে আমরা বুদ্ধিজীবীদের হারালাম।

১৪ ডিসেম্বরে আমার ব্যক্তিগত স্মৃতি হচ্ছে, তখন আমি মোহসিন হলের সহকারী শিক্ষক। ঘুম থেকে উঠে দেখি–আমাদের বাসায় পানি নেই। বুঝলাম, পানির কল ছাড়ার মানুষটি আসতে পারেনি সান্ধ্য আইন বলবৎ থাকার কারণে। মোহসিন হলের পেছনের পশ্চিম কোনায় যে পানির ঘরটি আছে, আমি সেখানে গেলাম। গিয়ে দেখি মেশিনের কোনো শব্দ নেই। আমি অযান্ত্রিক মানুষ, মেশিন কীভাবে চালাতে হয় জানি না। আমার পর এলেন আমাদের একজন আবাসিক শিক্ষক জহুরুল হক। তিনি ছিলেন দর্শনের শিক্ষক। সবশেষে এলেন আমার প্রিয় শিক্ষক শহিদ গিয়াস উদ্দীন আহমেদ। পরনে ঘুমের পোশাক। তিনজন মিলে আলোচনা করে স্যারকে বুদ্ধি দিলাম। বললাম, স্যার হ্যান্ডেলটা অফের দিকে আছে, সেটা অনের দিকে দিলে কেমন হয়। স্যার সেটা অনের দিকে দিলেন এবং একটা শো শো শব্দ শুনতে পেলাম। একসময় দেখলাম পানি আসতে শুরু করেছে।

বেশ হৃষ্টচিত্তে বেড়িয়ে যাব, সেই মুহূর্তে ছোট্ট দরজার কাছে এসে দাঁড়াল আলবদর–ছাইরঙ্গের পোশাক, মুখে রুমাল বাধা। গিয়াস স্যারের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘আর ইউ মিস্টার গিয়াস?’ গিয়াস স্যার উত্তর দিলেন, ‘ইয়েস দ্যাটস মি।’ পরক্ষণেই গিয়াস স্যারের বুকে বন্দুক তাক করে উর্দুতে বলল, ‘হামারে সাথ আইয়ে।’ বাঙালি উর্দুতে উচ্চারণ করলে যে বিকৃত শোনা যায়, সেটি সেদিন শুনেছিলাম। যা-ই হোক, গত্যন্তর না দেখে গিয়াস স্যার আলবদরের অনুগামী হলেন। শেষ কথাটি আমার সঙ্গে হলো। বললেন, ‘আনোয়ার, চলি, দোয়া করো।’ আমরা হতভম্ব দুজনেই। স্যারকে নিয়ে গেল।

বাইরে বেড়িয়ে দেখি সামনে দাঁড়িয়ে আছে মোহসিন হলের অবাঙ্গালি দারোয়ান রহিম। তার কাঁধে একটি গামছা ছিল। সেটি দিয়ে স্যারের চোখ বেঁধে নিয়ে গেল। এটাই শেষ দেখা স্যারের সঙ্গে।
তাঁর মরদেহ [ঘুমের পোশাক পরা] শনাক্ত করতে পেরেছিলাম এবং সেটি দাফন করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গিয়াস স্যার হত্যা মামলার সাক্ষী ছিলাম আমি। সাক্ষ্য দিয়েছি দুদিন। আমার কাছে দুঃখ লাগে এজন্য যে, যারা শহিদ শিক্ষক অন্তত যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক তাদের অনেকের সাথে ঘনিস্টতা ছিল। আমি স্নেহভাজন ছিলাম। তাদের লালিত সপ্ন সম্পর্কে আমার জানা ছিল। তারা যে বাংলাদেশ চেয়েছিলেন, সেই বাংলাদেশ তো আজকের বাংলাদেশ নয়।

আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ার কথা মুক্তচিন্তার পীঠস্থান। এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক স্বাধীনতাবিরোধী, রাজাকার, জামাতপন্থী শিক্ষক আছে। সেটি বড় দুঃখ লাগে। আমি বিশ্বাস করি, বুদ্ধিজীবীদের যে স্বপ্ন ছিল, তা ধারণ করেই বঙ্গবন্ধু ৭২-এর সংবিধান করেছিলেন। সেই সংবিধান আজ ক্ষত-বিক্ষত দলিল। বিকৃত হয়ে গেছে চেতনার দিক থেকে এবং কাঠামোর দিক থেকে।

আরেকটি দুঃখের কথা বলি–আমরা স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে আজও শহিদ বুদ্ধিজীবীদের একটি তালিকা তৈরি করতে পারিনি। এটি আমাদের সামগ্রিক ব্যর্থতা–বিশেষ করে সরকারের ব্যর্থতা।
বর্তমান সরকার ১৩ বছরেরও বেশি ক্ষমতায়। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কি কাজ করেছে, আমি বুঝি না। তাদের তো দায়িত্ব ছিল শহিদ বুদ্ধিজীবীদের এই তালিকা আমাদের হাতে দেওয়ার। অন্তত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পরিমাণ অনুষ্ঠান বা চর্চা হওয়ার কথা ছিল, সেটিও আমি দেখছি না। এটা আমার কাছে এক বিপন্ন বিস্ময়।

আমরা বিভিন্ন সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছি, ১৯৭১ সালে সারা বাংলাদেশে এক হাজার ১১১জন বুদ্ধিজীবী শহিদ হয়েছেন। এই বুদ্ধিজীবীদের আমরা কতটুকু স্মরণ করতে পারি, তা নিয়ে আমার সংশয় আছে। বাঙালি দান গ্রহণ করতে পারে দু’হাত ভরে। বাঙালি জ্বলে উঠতে পারে। তবে দানকে অর্জন করে কখনোই স্ফিত হতে পারে না। তার বড় প্রমাণ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি আমাদের উপেক্ষা, উন্নাসিকতা। শেষে সে কথায় ফিরে যাই, যা দিয়ে শুরু করেছিলাম। আমরা অনেকটাই এগিয়েছি; কিন্তু যেতে হবে বহুদূর।

লেখক: শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট

শ্রুতিলিখন: শেহনাজ পূর্ণা

এসএ/

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী