রবিবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৫ | ২৭ পৌষ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

‘একটা লক্ষ্য নিয়ে জীবন বাজি রেখে দেশে ফিরেছিলাম’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমার বাবা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আমার পরিবারের সদস্যদের হত্যার পর এমন একটি অবস্থার মধ্যে আমি জীবনকে বাজি রেখে বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম, একটা লক্ষ্য নিয়ে।

বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকালে ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স-২০২১ এবং আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স-২০২১ এর গ্রাজুয়েশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

তিনি বলেন, যে জাতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে অস্ত্র তুলে নিয়ে যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করেছে, সেই জাতি অন্ধকারে পরে থাকবে কোনো উন্নতি হবে না, তাদের জীবন ধরণ উন্নতি হবে না, এটা তো হতে পারে না। আমাদের ফিরিয়ে আনতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। গড়ে তুলতে হবে বাংলাদেশকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে এবং সেই লক্ষ্য নিয়ে ফিরে এসেছিলাম।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মৃতি কাতর হয়ে ছোট ভাই শেখ রাসেল সম্পর্কে বলেন, রাসেলের একটা আকাঙ্ক্ষা ছিল সে বড় হয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দেবে। কিন্তু তার সে আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি। ঘাতকের বুলেট তাকে কেড়ে নেয়। আমরা স্বাধীন জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে একটি রাষ্ট্র জাতির পিতা উপহার দেন। যেটা ছিল একটা প্রদেশ, সেই প্রদেশটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রে তিনি উন্নীত করেছিলেন এবং আমাদেরকে একটা জাতি হিসেবে মর্যাদা দিয়েছিলেন। বিশ্ব জাতি রাষ্ট্র বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া প্রথম প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

তিনি বলেন, তিনি (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) যুদ্ধবিধস্ত রাষ্ট্র গড়ে তোলার যাত্রা শুরু করেন ১৯৭২ সালের বন্দি দশা থেকে মুক্তি পেয়ে যখন তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে গড়ে তোলার সাথে সাথে তিনি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উপযোগী এবং প্রয়োজনীয় সশস্ত্র বাহিনীও গড়ে তোলেন। তিনি চেয়েছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশে আমাদের বাঙালিদের জন্য একটি শক্তিশালী পেশাদার সশসস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলবেন। ১৯৭২ সালে কুমিল্লা সেনানিবাসে বাংলাদেশ মিলিটানি সেনাবাহিনীর অস্থায়ী একাডেমি গড়ে তোলেন। চট্টগ্রামের জায়গাটাও তিনি নির্দিষ্ট করেন এবং দেখে রাখেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা সব সময় গণ মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের কথাই চিন্তা করতেন, বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষ যারা দরিদ্র, যারা ক্ষুধার্থ, যাদের কোনো মাথা গোঁজার ঠাই ছিল না, যারা রোগে চিকিৎসা পেতো না, যারা শিক্ষা পেতো না, সেই মানুষগুলো ভাগ্য পরিবর্তন কথা তিনি চিন্তা করেছেন। শুধু বাংলাদেশের না তিনি সমগ্র বিশ্বের দরিদ্র নিপিড়িত মানুষের কথাও তিনি সব সময় আন্তর্জাতিক যে কোনো জায়গায় বলেছেন এবং তিনি তা বিশ্বাস করতেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সকলের সাথে বন্ধুত্ব কারো সাথে বৈরিতা নয় এই পররাষ্ট্র নীতিতে জাতির পিতা বিশ্বাস করতেন। আমরা বিজয় অর্জন করেছিলাম। বিজয়ী জাতি হিসেবে বিশ্বে একটা মর্যাদা পেয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে ১৯৭১ এর পরাজিত শক্তি এদেশীয় দোসররা আমাদের গৌরবময় স্বাধীনতাকে ম্লান করে দেয়। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দেয়। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ স্বাধীনতার আদর্শ চেতনা সেটা ভুলণ্ঠিত হয়। মাত্র সাড়ে ৩ বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে আর্থ সামাজিক পথ উন্নয়নে এগিয়ে নিয়ে গিয়ে জাতির পিতা সে সময় প্রবৃদ্ধি ৯ ভাগের উপরে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছিল দূরবার গতিতে কিন্তু সেটা স্তব্ধ হয়ে যায়। এরপর ২১ বছর বার বার সামরিক বাহিনীতে ক্যু হয়, প্রায় ১৯ বার ক্যু হয়েছে। কত সামরিক অফিসার, জোয়ান, সৈনিক সাধারণ মানুষকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। অনেক পরিবার এখনো তাদের আপনজনের সন্ধান পায়নি। এমনই একটা অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে ২১ টা বছর কেটেছে। ২১ বছর পর ৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট যখন এদেশে হত্যাকাণ্ড ঘটে আমার ছোট বোন আর আমি আমরা তখন জার্মানিতে ছিলাম। বিদেশে ছিলাম এজন্য বেঁচে গিয়েছিলাম। এরপর যারা ক্ষমতা দখল করেছিল আমাদের দেশে আসতে দেয়নি। রিফিউজি হিসেবে বিদেশে থাকতে হয়েছে। এমনকি নিজেদের নামটা পরিচয় দিতে পারিনি, কারণ যারা আশ্রয় দিয়েছিল এটা তাদেরই ইচ্ছে ছিল। ১৯৮১ সালে যখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আমার অবর্তমানে আমাকে সভাপতি করে আমিও দেশে ফিরে আসার জন্য অস্থির ছিলাম। এক রকম জোর করেই অনেক বাধা অতিক্রম করে আমি ঝর ঝাঞ্জা মাথায় নিয়ে দেশে ফিরে আসি। এমন একটা সময় ফিরে আসি যেখানে আমার বা মা ভাই ছোট্টা শিশু রাসেল তাকে পর্যন্ত হত্যা করেছে তারাই তখন ক্ষমতায়, তার কারণ তাদের ইনডেমনিটি দেওয়া হয়েছিল বিচার করা হবে না বলে। সেটাই আইন করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধী যারা গণহত্যা করেছিল, তারাই ছিল ক্ষমতায়। আর খুনিরা বিভিন্ন দূতাবাসে তখন আমাদের রাষ্ট্রদূত অথবা প্রতিনিধি। এমন একটি অবস্থার মধ্যে আমি জীবনকে বাঁজি রেখে বাংলাদেশে ফিরে এসেছিলাম একটা লক্ষ্য নিয়ে, যে স্বাধীনতার জন্য আমার বাবা তার সারাটা জীবন ত্যাগ স্বীকার করেছেন, বছরের পর বছর জেল খেটেছেন, আমরা ভোই বোনেরা বাবার স্নেহ থেকে বঞ্চিত হয়েছি, আমার মা পাশে থেকেছেন প্রেরণা দিয়েছেন, শক্তি সাহস জুগিয়েছেন। এমনকি রাজনীতির ক্ষেত্রে তার পদচারণা ছিল নিরবে। যে জাতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে অস্ত্র তুলে নিয়ে যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করেছে, সেই জাতি অন্ধকারে পরে থাকবে কোনো উন্নতি হবে না তাদের জীবন ধরণ উন্নতি হবে না এটা তো হতে পারে না। আমাদের ফিরে আনতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। গড়ে তুলতে হবে বাংলাদেশকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে এবং সেই লক্ষ্য নিয়ে ফিরে এসেছিলাম।

দেশ গড়ার লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যার কারণে সমগ্র বাংলাদেশ আমি ঘুরে বেড়াই। কোথায় কি অবস্থায় মানুষ বসবাস করছে। আমার একটা লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে গড়ে তুলব ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র মুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। আর সেই আদর্শ নিয়েই কাজ শুরু করি। সেই সাথে আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার যে প্রতিষ্ঠান যেখানে বার বার আঘাত এসেছে, ক্যু হয়েছে সেখানে এটাকে শৃঙ্খলা ফিরে আনা এবং উন্নত করা। একটা স্বাধীন দেশ হিসেবে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী বিশ্ব সভায় মর্যাদা নিয়ে চলবে সেই আকাঙ্খা নিয়েই রাষ্ট্র পরিচালনা শুরু করি। আমরা সন্ত্রাসবাদ এবং সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। আমাদের লক্ষ্য দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে যেন আমাদের সেনাবাহিনী চলতে পারে সেভাবেই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করি। দেশের সার্বভৌম্ব রক্ষার পাশাপাশি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা যে কোনো ক্রান্তিলগ্নে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগে সদাপ্রস্তুত থাকে।

Header Ad
Header Ad

মহিলা কলেজের স্ক্রিনে ভেসে উঠল ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে’

মহিলা কলেজের স্ক্রিনে ভেসে উঠল ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে’। ছবি: সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর আদর্শ সরকারি মহিলা ডিগ্রি কলেজের ডিজিটাল স্ক্রিনে ভেসে উঠল ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। শনিবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় কলেজের ডিজিটাল স্ক্রিনে এটি ভেসে উঠলে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।


স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যায় জীবননগর সরকারি মহিলা ডিগ্রি কলেজের ডিজিটাল স্ক্রিনে ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লেখা ভেসে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রেজাউল ইসলাম জানান, মাগরিবের নামাজের আগে হঠাৎ স্ক্রিনে লেখাটি ভেসে উঠলে স্থানীয়রা মোবাইল জানায়। পরে বিষয়টি আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানাই। খবর পেয়ে পুলিশ স্ক্রিনের সার্ভারটি বন্ধ করে দেন।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মামুন হোসেন বিশ্বাস বলেন, ঘটনাটি শুনে কলেজে যাই। সেখানে গিয়ে স্ক্রিনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তবে বিষয়টা তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Header Ad
Header Ad

আমরা কাউকে ছাড়ব না: সারজিস

সারজিস আলম। ছবি: সংগৃহীত

হাসিনা ১৬ বছরে হাজার হাজার পরিবারকে উৎখাত করেছে। সে এক দিনে খুনি হাসিনা হয়নি। যাকে টার্গেট করেছে তাকেই মেরেছে সে। আগামীতে কাউকে এমন হতে দেব কি না, তা আমাদের ওপর নির্ভর করবে।

কেউ যদি ভুল পথে হাঁটে তাদেরও পরিণতি একই হবে। আমরা কাউকে ছাড়ব না, তাই বুক টান করে প্রতিবাদ করতে হবে। শনিবার (১১ জানুয়ারি) ময়মনসিংহ নগরের টাউন হলের তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন তিনি।

জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, বছরের পর বছর ধরে খুনি হাসিনার মাধ্যমে নানাভাবে অত্যাচারিত হয়েছে এ দেশের মানুষ। তার ক্ষমতার পিপাসার কাছে জিম্মি ছিল মানুষ, গোপালগঞ্জের কাছেও জিম্মি হয়ে পড়েছিল এ দেশের মানুষ। তাই প্রত্যেকটি মানুষ জীবনের মায়া ত্যাগ করে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। হাসিনা খুনির দোসররা মাদরাসার ছাত্রকে দেখলে টার্গেট করে গুলি করত।

তাই ছাত্ররা পাঞ্জাবি-পাজামা না পরে টি-শার্ট গায়ে দিয়ে আন্দোলন অব্যাহত রাখে। শুধু মাদরাসা নয়, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও এমন হয়েছে। যারা হাসিনার দোসরদের ভয়ে আন্দোলনে যেতে পারেনি তারা তাদের স্ত্রী-সন্তান এবং স্বজনদের আন্দোলনে যেতে সহযোগিতা করেছে।’

তিনি আরো বলেন, আজকে চাঁদাবাজি হচ্ছে, সিন্ডিকেট হচ্ছে, কারা করছে তাদের কথা কেন বলতে পারছি না। প্রতিটি বাজারে চাঁদাবাজি জন্য পণ্যের দাম বাড়ছে। এতে সরকারকে দোষারোপ করে কোনো লাভ নেই।

সারজিস বলেন, ‘১৫ বছর চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ ছিল মানুষ, এখনো চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সিন্ডিকেট চলছে। কিন্তু কেউ তাদের নাম নিচ্ছে না। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল নিজেদের সুবিধা নিয়ে ব্যস্ত, কেউ দেশের চিন্তা করছে না।’

আস-সিরাজ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক মুফতি মুহিববুল্লাহর সভাপতিত্বে এ ছাড়া বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য লুৎফর রহমান, জাতীয় নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা আশরাফ মাহাদী, ড. আতিক মুজাহিদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া প্রমুখ। এরপর শহীদ ১৫ জন পরিবারের সদস্যদের মাঝে অনুদানের অর্থ বিতরণ করেন অতিথিরা। পরে জাগরণী সংগীত অনুষ্ঠিত হয়।

Header Ad
Header Ad

ভ্যাট বাড়ায় কত টাকা বাড়ছে সিগারেটের দাম

ছবিঃ সংগৃহীত

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাঝপথে এসে শতাধিক পণ্য ও সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক বাড়িয়েছে সরকার। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে তামাকজাত পণ্য সিগারেটও।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এরপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট বিভাগ এ–সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে।

জারিকৃত নির্দেশনায় সিগারেটের মূল্যস্তর ভেদে স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহার এবং মূসক ও সম্পূরক শুল্ক আদায় করতে বলা হয়েছে। মূলত চলতি অর্থ বছরের শেষ ৬ মাসে রাজস্ব আদায় বাড়াতে ভ্যাট বসানোর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরিত ওই অধ্যাদেশে সিগারেটের চারটি স্তরে দাম ও শুল্ক উভয়ই বাড়ানো হয়েছে।

নিম্নস্তরে ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০ টাকা করা হয়েছে। এতে প্রযোজ্য সম্পূরক শুল্ক ৬০ শতাংশ থেকে ৬৭ শতাংশ করা হয়েছে।

এছাড়া মধ্যমস্তরে ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৬৭ শতাংশ করা হয়েছে। উচ্চস্তরে ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

অতি উচ্চস্তরের সিগারেটের দাম ১৬০ টাকা থেকে ১৮৫ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৬৫ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬৭ শতাংশ।

প্রসঙ্গত, লাইম স্টোন ও ডলোমাইটে ১০ শতাংশ হারে সম্পূরক শুল্ক বসানো হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

মহিলা কলেজের স্ক্রিনে ভেসে উঠল ‘ছাত্রলীগ আবার ভয়ংকর রূপে ফিরবে’
আমরা কাউকে ছাড়ব না: সারজিস
ভ্যাট বাড়ায় কত টাকা বাড়ছে সিগারেটের দাম
৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে কবরস্থান থেকে তরুণকে উদ্ধার
আবার ভারত থেকে ২৭ হাজার টন চাল আমদানি  
যারা রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসবে তারা যেন পুরুষ হয়: আমির হামজা
সংখ্যালঘুদের ওপর বেশিরভাগ হামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য-প্রণোদিত: পুলিশ প্রতিবেদন  
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং করতে পারবেন না সাকিব
হাসিনার পতনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নেই: জানালেন মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা  
বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের কোনো বিরোধ নেই: নায়েবে আমির
পরিবহনের লাইসেন্স দেবে সেনাবাহিনী: পরিবহন উপদেষ্টা  
হাসিনার আমলে ‘কাঁটা তারে লাশ ঝুলত, এখন পতাকা বৈঠক হয়’
উত্তেজনার মধ্যেই বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বাঙ্কার নির্মাণ  
দিনাজপুরের বিরামপুরে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা
টাঙ্গাইলে জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানে আহতদের সাথে মতবিনিময় সভা 
মাহফিলে যোগ দিতে সিলেটে মিজানুর রহমান আজহারি
২০০ আসন পেলেও বিএনপি একা সরকার গঠন করবে না: আমীর খসরু  
ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমন্ত্রণ পেলেন তারেক রহমান
বাংলাদেশীদের লক্ষ্য করে সীমান্তে গুলি ছুড়েছে বিএসএফ
বসুন্ধরার মালিককে নিজ হাতে কেক খাইয়ে তোপের মুখে শফিক রেহমান