রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪ | ৯ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

'শেষ নিঃশ্বাস অবধি শিখতে ও শেখাতে চাই'

আমার শিক্ষকতার শুরু মাত্র ১২ বছর বয়সে। তখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ি, সালটা ২০০১! আমার প্রথম ছাত্র তখন দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। এখনো মনে আছে প্রথম মাসের বেতন ছিল ৩০ টাকা। ওই সময় ৪০ টাকায় এক কেজি গরুর মাংস পাওয়া যেত। প্রথম মাসের বেতন পেয়ে আমি এতোটাই খুশি ছিলাম তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবনা। ইনকামের প্রথম টাকা দিয়ে আমি কি করেছিলাম মনে নেই, খুব সম্ভবত মাকে দিয়েছিলাম।

সবচেয়ে মজার ব্যাপার ঘটে গেলো ক্লাস নাইনের শুরুতে। আমার দুই ফুফু একসাথে গণিতে ফেল করে বসলো এসএসসি পরীক্ষায়। যদিও তারা ভালো স্টুডেন্ট ছিলো কিন্তু সেই প্রথমবার এসএসসি গণিত পরীক্ষায় অংক বই এর বাইরে থেকে আসা শুরু করে। ২০০৩ সালে যশোর বোর্ডে পাশের হার ছিলো ৩২ শতাংশ, যার ৯০ শতাংশই ফেল ছিলো গনিতে।

স্কুল জীবনে গণিত ছিল আমার ধ্যান জ্ঞান। গণিত অলিম্পিয়াড, জাফর ইকবাল স্যার ও কায়কোবাদ স্যারের নিউরনে অনুরণন ছিলো আমার নিত্য সাথী। এই গণিতপ্রীতি জন্মেছিলো আমার গণিতের গুরু জালালুদ্দিন চাচা/স্যারের জন্যে। যাইহোক, আমার দুই ফুফু এলাকার সম্ভ্রান্ত ঘরের মেয়ে, তাই তাদের এই ফেল করার কথা বাইরে ফাঁস হয়ে যাবে বলে পড়ানোর দায়িত্ব পড়লো আমার কাঁধে! আমি ক্লাস নাইনের ছাত্র, কিন্তু পড়াতে হবে এসএসসি ফেল করা দুই ফুফুকে। কি গুরু দায়িত্ব! আলহামদুলিল্লাহ, তারা পরের বছর খুব ভালো ফলাফল করে পাস করলো।

আমার এই ৩৩ বছরের জীবনে প্রায় ২১ বছর শিক্ষকতা করছি। যতটা না শিখেয়েছি, তার চেয়ে অনেক বেশি শিখেছি। বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র হয়েই থাকতে চেয়েছি। এই সময়ে আমি প্রাইমারি স্কুল, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সব স্তরে পড়ানোর সুযোগ পেয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ!

এর বাইরেও বিগত ১২ বছর SAT, GRE, IELTS, TOEFL, OET এ ৪৭ টা দেশের প্রায় ৫০ হাজার এর বেশি শিক্ষার্থীদের পড়িয়েছি, যাদের সবাই উচ্চশিক্ষা প্রত্যাশী। ইচ্ছে আছে অন্তত ১০ কোটি মানুষকে সেবা দেয়ার। সৌভাগ্য হয়েছে ডাক্তার, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিসিএস ক্যাডার, ব্যাংকার, উকিল, রাজনীতিবীদ ইত্যাদি সকল পেশার মানুষকে ছাত্র হিসেবে পাবার।

গত ২১ বছরে প্রায় ২ লাখ ছাত্র-ছাত্রী পড়ানোর মহান সুযোগ পেয়েছি যাদের অনেকেই আজ দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। তারপরেও সবচেয়ে ভালো লাগে যখন আমার ছাত্র নিজে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হয়। যাইহোক, জীবনের শেষ নিঃশ্বাস অবধি আমি শিখে যেতে চাই, আর যা শিখেছি জীবন, বই কিংবা প্রকৃতি থেকে তা সবার সাথে শেয়ার করতে চাই। আমার এই পথ চলাতেই আনন্দ।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যেতে স্বল্প খরচে জিআরই বা আইইএলটিএস সম্পন্ন করার এক সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান লা স্কলারস। শিক্ষক হিসেবে ঢাকাপ্রকাশ-এর কাছে নিজের অনুভূতি তুলে ধরেছেন লা স্কলারস এর কর্ণধার খন্দকার আকরাম স্টালিন।

খন্দকার আকরাম স্টালিন বর্তমানে মালয়েশিয়ার এশিয়ান ইন্সটিটিউট অব মেডিসিন সাইন্স অ্যান্ড টেকনলজি বিশ্ববিদ্যালয়ে (এআইএমএসটি) গবেষক হিসেবে কর্মরত আছেন। এর বাইরেও তিনি প্রায় ১৮ বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা করছেন ও উচ্চশিক্ষা নিয়ে কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত ৩৫ টি দেশের ২০ হাজারের বেশি উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীকে সরাসরি জিআরই, আইইএলটিএস, স্টেটমেন্ট অব পারপাস, ইউনিভার্সিটি এপ্লিকেশন প্রসেসে সহযোগিতা করেছেন।

তিনি নটরডেম কলেজের একজন সাবেক শিক্ষার্থী। ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ থেকে স্নাতক এবং মালয়েশিয়ার এআইএমএসটি থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।

স্টালিনের স্বপ্ন, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের পদচারনায় মুখরিত হয়ে উঠবে দুনিয়ার সব বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ।

উচ্চশিক্ষা প্রসারের পাশাপশি তিনি প্রায় ১৩ বছর ধরে পথশিশু, এতিম বাচ্চা, মাদ্রাসা, বেদে পল্লীর বাচ্চাদের নিয়ে কাজ করছেন।

/এএস

Header Ad

দায়িত্ব নিলেন নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: সংগৃহীত

সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। এর মাধ্যমে তিনি সদ্য বিদায়ী সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

রবিবার (২৩ জুন) আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আগামী তিন বছরের জন্য তিনি সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন।

নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামানের শ্বশুর মুস্তাফিজুর রহমানও একসময় সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৯৭-২০০০ মেয়াদে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মুস্তাফিজুর রহমান।

শেরপুরের সন্তান ওয়াকার-উজ-জামান ১৯৮৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরে কমিশন পান। দীর্ঘ ৩৯ বছরের সামরিক জীবনে তিনি একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন, একটি পদাতিক ব্রিগেড এবং পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্কুল অব ইনফ্যান্ট্রি অ্যান্ড ট্যাকটিকস এবং সেনা সদর দপ্তরে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

চলতি বছরের শুরুতে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের (পিএসও) দায়িত্ব থেকে চিফ অফ জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) করা হয় ওয়াকার-উজ-জামানকে। তার আগে ২০২০ সালের নভেম্বরে মেজর জেনারেল থেকে পদোন্নতি পেয়ে লেফটেন্যান্ট জেনারেল হন। তখনই তাকে সেনা সদর দপ্তরের সামরিক সচিবের দায়িত্ব থেকে পিএসও করা হয়।

ওয়াকার-উজ-জামান সেনা সদর দপ্তরের সামরিক সচিবের দায়িত্ব পান ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে। তার আগে তিনি নবম পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারও ছিলেন এক সময়। অ্যাঙ্গোলা ও লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘ শান্তি মিশনে সিনিয়র অপারেশন অফিসার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এই সেনা কর্মকর্তা।

সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন পাওয়া ওয়াকার-উজ-জামান মিরপুরের ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ এবং যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ থেকে গ্র্যাজুয়েশন করেন। পরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অব ডিফেন্স স্টাডিজ এবং যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ থেকে মাস্টার্স অব আর্টস ইন ডিফেন্স স্টাডিজ ডিগ্রি পান।

২০০৯ সালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক থাকাকালে বিডিআর বিদ্রোহ দমনে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়। ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে টানা তিন বছর বিজয় দিবস প্যারেডের প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করে তিনি ‘সেনাগৌরব পদক’ পান। এছাড়া সেনাবাহিনীতে কৃতিত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য পান ‘অসামান্য সেবা পদক’। ওয়াকার-উজ-জামান এবং তার স্ত্রী বেগম সারাহনাজ কমলিকা দুই মেয়ের বাবা-মা।

১৪ জেলায় নতুন এসপি নিয়োগ

ছবি: সংগৃহীত

১৪ জেলার পুলিশ সুপারকে (এসপি) বদলি করা হয়েছে। রবিবার (২৩ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাদের বদলি করা হয়।

জেলাগুলো হলো- রংপুর, কুষ্টিয়া, সিলেট, কুমিল্লা, পটুয়াখালী, বরগুনা, বগুড়া, ফেনী, পাবনা, টাঙ্গাইল, নীলফামারী, যশোর, মাদারীপুর ও সুনামগঞ্জ।

বদলি কর্মকর্তাদের মধ্যে- ডিএমপির ডিসি মোহাম্মদ শাহজাহানকে রংপুরের পুলিশ সুপার (এসপি), ডিএমপির ডিসি মুহাম্মদ আলমগীর হোসেনকে কুষ্টিয়া, কুমিল্লার এসপি আব্দুল মান্নানকে সিলেটে, সিলেটের এসপি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ডিএমপির ডিসি, পটুয়াখালীর এসপি মো. সাইদুল ইসলামকে কুমিল্লা, বরগুনার এসপি মো. আবদুস ছালামকে পটুয়াখালী, বরগুনার পুলিশ সুপার মো. আবদুস ছালামকে পটুয়াখালী, পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. রাফিউল আলমকে বরগুনা, ফেনীর এসপি জাকির হাসানকে বগুড়ায় পদায়ন করা হয়েছে।

এছাড়া ডিএমপির ডিবির ডিসি মো. আ. আহাদকে পাবনা, নীলফামারীর এসপি মো. গোলাম সবুরকে টাঙ্গাইল, পিবিআইয়ের এসপি মো. মোকবুল হোসেনকে নীলফামারী, মাদারীপুরের এসপি মাসুদ আলমকে যশোর, এসবির পুলিশ সুপার মো. শফিউর রহমানকে মাদারীপুর, পুলিশ সদরদপ্তরের এম এন মোর্শেদকে সুনামগঞ্জের এসপি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সময় নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকে হাজির হননি বেনজীর

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

অতিরিক্ত ১৭ দিন সময় দেওয়া হলেও দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) হাজির হননি পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে দ্বিতীয়বারের মতো রবিবার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে ডাকা হয়েছিল।

আজ বেলা ১২ টায়ও তিনি সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে যাননি। দুদকের তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হওয়ার ব্যাপারে তার অনুরোধে তাকে অতিরিক্ত ১৭ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল।

দুদক সূত্র জানায়, বেনজীর আহমেদের অনুরোধে তাকে অতিরিক্ত ১৫ দিন সময় দিয়েছিল দুদক। আজ তার দুদকে হাজির হওয়ার কথা থাকলেও তিনি হাজির হননি।

গত ২৮ মে বেনজীর ও তার স্ত্রী-সন্তানদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ পাঠানো হয়। সেই নোটিশে বেনজীরকে ৬ জুন এবং তার স্ত্রী ও সন্তানদের ৯ জুন দুদকে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ৫ জুন রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে বেনজীরের পক্ষে তার আইনজীবী আরও ১৫ দিনের সময় চান। দুদকের উপপরিচালক বরাবর সময় চেয়ে আবেদনটি করা হয়। এরপর নতুন তারিখ দেওয়া হয়। পরে দুদক সচিব ব‌লেন, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের বিষয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দুদক তলব করলেও শুনানিতে অনুপস্থিত থাকায় ২৩ জুন নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে দুদক।

গত ২৩ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলন করে দুদকের সচিব খোরশেদা ইয়াসমীন জানান, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন নিয়ে গত ৩১ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরবর্তী সময়ে আরও কিছু গণমাধ্যমে তার (বেনজীর) বিষয়ে একই অভিযোগ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এসব প্রতিবেদনে উঠে আসা অভিযোগগুলোর বিষয়ে দুদক আইন অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু করে।

‘বেনজীরের ঘরে আলাদীনের চেরাগ’ শিরোনামে ওই প্রতিবেদন তার অর্থ-সম্পদের বিবরণ তুলে ধরা হয়। বেনজীরের বিপুল সম্পদের মধ্যে রয়েছে গোপালগঞ্জের সাহাপুর ইউনিয়নে সাভানা ইকো রিসোর্ট নামের এক অভিজাত ও দৃষ্টিনন্দন পর্যটনকেন্দ্র। এ ছাড়াও তার স্ত্রী ও দুই মেয়ের নামে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ছয়টি কোম্পানির খোঁজ পাওয়া গেছে। পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগের পরিমাণ ৫০০ কোটি টাকারও বেশি।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, ঢাকার অভিজাত এলাকাগুলোতে বেনজীর আহমেদের দামি ফ্ল্যাট, বাড়ি আর ঢাকার কাছের এলাকায় বিঘার পর বিঘা জমি রয়েছে। দুই মেয়ের নামে বেস্ট হোল্ডিংস ও পাঁচতারকা হোটেল লা মেরিডিয়ানে রয়েছে দুই লাখ শেয়ার। এ ছাড়া পূর্বাচলে রয়েছে ৪০ কাঠার সুবিশাল জায়গাজুড়ে ডুপ্লেক্স বাড়ি, যার আনুমানিক মূল্য কমপক্ষে ৪৫ কোটি টাকা। একই এলাকায় আছে ২২ কোটি টাকা মূল্যের আরও ১০ বিঘা জমি। ৩৪ বছর সাত মাসের দীর্ঘ চাকরিজীবনে বেনজীর আহমেদ বেতন-ভাতা বাবদ মোট আয় এক কোটি ৮৪ লাখ ৮৯ হাজার ২০০ টাকার মতো হওয়ার কথা বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সর্বশেষ সংবাদ

দায়িত্ব নিলেন নতুন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান
১৪ জেলায় নতুন এসপি নিয়োগ
সময় নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুদকে হাজির হননি বেনজীর
আইনের ভিত্তিতে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি নেই: আইনমন্ত্রী
রক্তাক্ত ফিলিস্তিনিকে জিপের সামনে বেঁধে নিয়ে গেল ইসরায়েলি বাহিনী
বর্ণচোরা বিএনপি আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা: ওবায়দুল কাদের
৩টা জিতেছি, ৩টা হেরেছি, খুব একটা খারাপ নয়: সাকিব
ছাগলকাণ্ডে এনবিআর কর্মকর্তা মতিউরকে ওএসডি করা হয়েছে
একাদশে ভর্তিতে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ আজ
আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ, ২০ নারী-পুরুষ আটক
সিভিল এভিয়েশনের গলার কাঁটা হোটেল শেরাটন, বিমান চলাচলে ঝুঁকি!
রোনালদোর রেকর্ডের রাতে তুরস্ককে উড়িয়ে দিয়ে নকআউটে পর্তুগাল
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল আফগানিস্তান
আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা
গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত আরও শতাধিক
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক
ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী আজ
কেটে ফেলা হলো গোপালগঞ্জের সেই কথা বলা আলোচিত গাছ
ইরানে জনপ্রিয় গায়কের মৃত্যুদণ্ড বাতিল