শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব ২৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান

জিনি নানি, জ্যাকের নানির বোন, তিনিও মারা গেছেন। রবিবারের কনসার্টে তাদের গান শুনতে আসতেন তিনি। অনেকদিন তিনি একটা খামার বাড়িতে বসবাস করে গেছেন তার তিনজন যুদ্ধ-বিধবা মেয়েকে নিয়ে। সব সময় তার স্বামীর কথা বলতেন। অনেকদিন আগেই তার স্বামী মারা যান। যোসেফ মামার কথা মনে আছে–তিনিই শুধু মহুন উপভাষায় কথা বলতেন। তার সুদর্শন গোলাপী মুখের ওপরে সাদা চুল। অননুকরণীয় আভিজাত্যের একটা ভাব ছড়িয়ে থাকত তার চেহারায়। এমনকি খাবার টেবিলেও উচু কিনারাঅলা কালো টুপি পরতেন তিনি। সত্যিকারের একজন কিষাণ পুরুষ।

তবু তিনি মাঝে মাঝে খাবার টেবিলে নিজেকে একটুখানি ঋজু করে তুলতেন বেখাপ্পা একটা শব্দ ছেড়ে দেওয়ার জন্য। তার জন্য তার স্ত্রীর বকুনির সামনে অতি মার্জিত কোনো অজুহাত খুঁজতেন। নানির প্রতিবেশিরা, রাজমিস্ত্রির পরিবারের লোকেরা, তারাও মারা গেছে। প্রথমে বৃদ্ধা মহিলা, তারপরে তার বড় বোন। দীর্ঘদেহী আলেক্সান্দ্রা এবং তার কান লম্বা বাজিকর ভাইও আর নেই। সে আলকাজার সিনেমা হলে ম্যাটিনি শোতে গান গাইত। তারা সবাই এমনকি তাদের পরিবারের ছোট মেয়েটাও নেই। জ্যাকের ভাই হেনরির তার সঙ্গে প্রেম ছিল, একেবারে আপাদমস্তক ডুবে যাওয়া প্রেম।

কেউ তাদের কথা বলে না; তার মা, তার মামা, কেউই আর বিদেহী আত্মীয় স্বজনদের কথা বলে না। যে বাবার খোঁজ খবর বের করার চেষ্টা করছে জ্যাক সে বাবা সম্পর্কেও না, অন্যদের সম্পর্কেও না। তাদের এখন অভাব নেই। তবু তাদের চাল-চলন গরীবের মতোই। গরীবের মতো জীবন যাপন করতে তারা অভ্যস্ত হয়ে গেছে। জীবনটা সন্দেহবাদী দৃষ্টিতে দেখতেই তারা অভ্যস্ত। জীবনের প্রতি তাদের ভালোবাসা পশুদের ক্ষেত্রে যেমন ঠিক তেমনটাই।

তবে অভিজ্ঞতা থেকে তাদের জানা হয়েছে, জীবন ব্যতিক্রমহীনভাবেই কোনো রকম ইঙ্গিত না দিয়ে বিপর্যয় বয়ে আনবে। আর জ্যাকের সঙ্গে এই দুজন যেভাবে নিজেদের মধ্যে গুটিয়ে আছে, তাদের স্মৃতি যেন শূন্যের কোঠায়। অতীতের সবকিছু যেন ঝাঁপসা হয়ে গেছে তাদের মন থেকে। এটাই তাদের জীবন। এখন তারা মৃত্যুর খুব কাছাকাছি। তাদের কাছে বর্তমানটা চিরকাল এরকমই। তাদের কাছ থেকে জানার সুযোগ নেই তার বাবা কে ছিলেন। জ্যাকের সমানে তাদের উপস্থিতির কারণে জ্যাকের মনের ভেতর একটা ঝরনার পুনরুন্মোচন ঘটছে, তার দারিদ্রক্লিষ্ট আনন্দময় ছেলেবেলায় ফিরে যেতে পারছে সে। তবু সে নিশ্চিত নয়, তার নিজের ভেতর থেকে বের হয়ে আসা স্মৃতির বলিষ্ঠ প্রবাহ এখন যেমন মনে হচ্ছে তার বালকবেলার বাস্তবতা সত্যিই সেরকম ছিল কি না।

তার সন্দেহ হয়। তারপরও অনেকখানি নিশ্চিত হতে পারে সে, অবশিষ্ট দুতিনটা প্রিয় চিত্র তাকে স্মৃতিতে জেগে ওঠা ঘটনাগুলোর সঙ্গে তার সম্পর্ক স্থাপন করছে, সেগুলোর সঙ্গে তাকে একাকার করে দিচ্ছে। এত বছর ধরে এরকম অস্তিত্বে ফিরে আসার কত চেষ্টা করেছে সে। কিন্তু পারেনি। সামনের ছবিগুলো মুছে গেছে। পরিবারের সঙ্গে এত বছর যে সত্তায় সে বড় হয়েছে সেরকম বেনামী এক সত্তায় সংকুচিত হয়ে থেকেছে মাত্র। তাতেই অবশ্য সে স্বতন্ত্র হতে পেরেছে।

গরমের সময়ের সন্ধ্যার ছবিটার কথা বলা যেতে পারে–রাতের খাবারের পরে পরিবারের সবাই চেয়ার নিয়ে বাড়ির সামনের ফুটপাতে গিয়ে বসত। ধূলি-ধূসরিত ডুমুর গাছ থেকে নেমে আসা বাতাসে থাকত ধূলির মিশেল। তাদের সামনে দিয়ে পাড়ার লোকেরা যাওয়া আসা করত। জ্যাক নিজের চেয়ার থেকে পেছনের দিকে কাত হয়ে মায়ের হালকা কাঁধের ওপরে মাথা রেখে ডুমুর গাছের ডালের ফাঁক দিয়ে গ্রীষ্মের আকাশের তারাদের দিকে তাকিয়ে থাকত। কিংবা বড়দিনের রাতের আরেকটা ছবির কথা বলা যায়–আর্নেস্ট ছাড়া পরিবারের অন্যরা মধ্যরাতে একবার মার্গারিটে খালার বাড়ি থেকে ফেরার সময় তাদের বাড়ির পাশের রেস্তোরাঁর সামনে একটা লোককে শুয়ে থাকতে দেখেছিল।

আরেকটা লোক তাকে ঘিরে নাচানাচি করছিল। দুজনই মদ পানে মত্ত। আরও একটু পান করতে চেয়েছিল। কিন্তু মালিক লোকটা তাদেরকে চলে যেতে বললে তারা মালিকের সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পেটে লাথি মারে। মালিক তাদেরকে লক্ষ করে গুলি ছোড়ে। গুলিটা লোকটার কপালের ডান পাশে বিদ্ধ হয়। তখন ওই লোকটাই শুয়েছিল ফুটপাতের ওপর। মদ আর মারামারিতে মাতাল হয়ে সঙ্গী লোকটা তখন নাচানাচিতে মত্ত। রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে গেলে সেখানে যারা ছিল পুলিশ আসার আগেই তারা দ্রুত সরে পরে। সেদিন পাড়ার ওই নির্জন কোণে তারা সবাই একে অন্যের গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে ছিল। সঙ্গের দুজন মহিলা দুজন বালককে তাদের শরীরের সঙ্গে জাপটে ধরেছিলেন।

কিছুক্ষণ আগের বৃষ্টির ফলে ভেজা রাস্তায় চলমান গাড়ির আলো পড়ে চক চক করছিল। গাড়িঘোড়ার দীর্ঘ ভেজা রাস্তা, মাঝে মধ্যে পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছিল উজ্জ্বল আলোয় আলোকিত ট্রলিগাড়িগুলো, ভেতরে উৎফুল্ল ভ্রমণকারীর দল। ওখানকার দৃশ্যের সঙ্গে তারা সংশ্রবহীন, যেন অন্য গ্রহের বাসিন্দা তারা। জ্যাকের ভয়ার্ত হৃদয়ে ওই ঘটনা স্থায়ী একটা ছবির ছাপ তৈরি করে। অন্য ঘটনাবলী মুছে গেলেও স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি ওই ঘটনাটি। নিষ্পাপ এবং উৎসুক বালক জ্যাকের সারাদিনের রাজত্ব ছিল পাড়ার রাস্তা এবং আশপাশের এলাকা।

তবে দিনের শেষে রাতের বেলা রহস্যজনক এবং বিশৃঙ্খল হয়ে পড়ত। তখন রাস্তায় নেমে আসত কিছু কিছু ছায়াশরীর, কিংবা কখনও কখনও নাম-পরিচয়হীন একটি কোনো ছায়াশরীর, সঙ্গে হালকা পদশব্দ এবং অস্পষ্ট কণ্ঠস্বর। তারপর সবই পাশের একটা ফার্মেসির গোলাকার রক্তের মতো লাল আলোয় যেন সিক্ত হতো। বালক জ্যাকের হৃদয় আতঙ্কে ভরে উঠলে সে ছুটে আসত তার নিজের জায়গায়, হতভাগ্য বাড়িটাতে।

চলবে...

এসএ/

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২০

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১১

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১০

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৯

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৮

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৭

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৬

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৫

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৪

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ৩

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ২

দ্য ফার্স্ট ম্যান: পর্ব ১

Header Ad
Header Ad

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা। ছবি: সংগৃহীত

গাইবান্ধায় অপারেশন ডেভিল হান্ট অভিযানে আওয়ামী লীগ নেতা খান মো. সাঈদ হোসেন জসিম (৪০) ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মোস্তাক আহম্মেদ রঞ্জু (৪৮)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাত ৯টার দিকে পৌর শহরের পুরাতন বাজার এলাকার একোয়াস্টেট পাড়ার রঞ্জুর বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) শাখার সদস্যরা।

খান মো. সাঈদ হোসেন জসিম গাইবান্ধা পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি'র সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি পেশায় ঠিকাদার। তার বাড়ি গাইবান্ধা পৌর শহরের নতুন বাজার মহুরি পাড়ায় (বিহারি পট্টি)।

অপরদিকে, মোস্তাক আহম্মেদ রঞ্জু জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য। তিনি পৌর শহরের পুরাতন বাজার এলাকার একোয়াস্টেট পাড়ার বাসিন্দা। ২০২০ সালে গাইবান্ধা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া তিনি গাইবান্ধা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি'র পরিচালকও ছিলেন।

গ্রেপ্তারি বিষয়ে গাইবান্ধা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা মোস্তাক আহম্মেদ রঞ্জুর বাড়িতে অভিযান চালান। সেখানে অবস্থান করা খান মো. সাঈদ হোসেন জসিমকেও আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর এবং আগুন লাগানোর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর ইসলাম তালুকদার বলেন, তাদের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা জেলা বিএনপি কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দুপুরের আগে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

এদিকে, গ্রেপ্তারের পর সাঈদ হোসেন জসিম তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট করেন, যেখানে তিনি দাবি করেন, ‘রাজনৈতিক মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার হলাম। সবার দোয়া চাই।’

Header Ad
Header Ad

সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা

বিমসটেক সম্মেলনে বক্তব্যকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন যত দ্রুত সম্ভব আয়োজন করাই বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, ‘আমি আমাদের জনগণকে আশ্বস্ত করেছি- এবার আমাদের দায়িত্ব সম্পন্ন হলে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যকর হলে, আমরা একটি মুক্ত, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করবো।’

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলনে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের সংবিধানগত অধিকার নিশ্চিত করতে, বিশেষ করে নারী, জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অধিকার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের জনগণ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে ভয়াবহ গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন। তারা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সঙ্গত ও স্বাধীন সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, গত ১৫ বছরে আমাদের জনগণ, বিশেষ করে তরুণ সমাজ, ক্রমাগত তাদের অধিকার হারিয়েছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অবক্ষয় ঘটেছে এবং নাগরিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন হয়েছে। এ দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে জনগণের বিপুল প্রতিরোধ গড়ে ওঠে এবং প্রায় দুই হাজার নিরপরাধ মানুষ, যার মধ্যে ১১৮ জন শিশু, এই আন্দোলনে জীবন উৎসর্গ করেন। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ আবার নতুনভাবে জন্ম নেয়।

ড. ইউনূস জানান, সংস্কার পরিকল্পনার অন্যতম মূল ভিত্তি। অন্তর্বর্তী সরকার এরই মধ্যে বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনী ব্যবস্থা, সরকারি প্রশাসন, পুলিশ, দুর্নীতি দমন সংস্থা এবং সংবিধান সংস্কারের জন্য ছয়টি কমিশন গঠন করেছে, যা জনসাধারণের মালিকানা, জবাবদিহি ও কল্যাণ নিশ্চিত করবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার দুর্নীতিবাজ ও স্বৈরাচারী শাসন থেকে বিদ্রোহের নেতৃত্বদানকারী এবং দেশকে মুক্তকারী ছাত্রনেতারা আমাকে আমাদের ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। আমি জনগণের স্বার্থে দায়িত্ব নিতে রাজি হয়েছি।

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে পেরে আনন্দিত জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিমসটেক অঞ্চলের আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে এটিই আমার প্রথম সরাসরি আলাপচারিতা। ১৯৯৭ সালে থাইল্যান্ডে শুরু হওয়ার পর থেকে বিমসটেক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য থাইল্যান্ড সরকারের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। আমাদের আগমনের পর থেকে আমাকে এবং আমার প্রতিনিধিদলকে যে উষ্ণ অভ্যর্থনা এবং আতিথেয়তা প্রদান করা হয়েছে তার জন্য আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই। বিমসটেক সচিবালয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য মহাসচিব, রাষ্ট্রদূত ইন্দ্র মণি পান্ডের প্রতিও আমার কৃতজ্ঞতা।

Header Ad
Header Ad

নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু

বক্তব্য রাখছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, যে উদ্দেশ্য শহীদরা রক্ত দিয়েছে, সেই গণতন্ত্র একটি নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। কাজেই ভোটের অধিকারের প্রতিষ্ঠার যে দাবি, যেটি আমি মনে করি যৌক্তিক সময়েই এই সরকার প্রদক্ষেপ নিবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে দেশের জনগণ ভোট প্রয়োগ করবে এটিই আমাদের সকলের প্রত্যাশা।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, এই সরকার ছাত্র জনতার আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, কাজেই এই সরকার ব্যর্থ হলে শহীদের রক্ত বৃথা যাবে।

বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে ‘বিন্দুবাসিনী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ’ উপলক্ষে আয়োজিত মিট দ্যা প্রেস এ তিনি এসব কথা বলেন।

টুকু বলেন, নির্বাচনের দাবি কিন্ত বাংলাদেশের আপামোড় জন সাধারণের। মানুষ ১৪, ১৮ এবং ২৪ সালে ভোট দিতে পারেনি। প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ নতুন ভোটার হওয়ার সত্বেও তাদের নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি। কাজেই সেই ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন এ দেশের মানুষ ও জনগণ করেছে।

বিএনপির এই নেতা এক প্রশ্নে জবাবে আরও বলেন, যারা ফ্যাসিবাদ তারা এই দেশ থেকে পালিয়ে বিভিন্নভাবে পাশ্ববর্তী দেশে থেকে এই দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য বিভিন্ন রকম উষ্কানীমূলক বক্তব্য দিচ্ছে। সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে যেভাবে আন্দোলন সংগ্রাম করেছে, সেভাবে এদের ষড়যন্ত্র আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দিবো।

এ সময় জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি আলী ইমাম তপন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের