বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ১৯ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

অগ্নিঝরা একাত্তরের দিনগুলি

১৯৭১ সাল। মাসটা ছিল মার্চ। তখন অষ্টম শ্রেনীর ছাত্র। সারা দেশে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যে কোন সময় যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে। মানুষের মনে আতংক । পাকিস্তান সৈন্য এনে মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। কাজ কর্ম থেকে মানুষ বিরত থেকে নিরাপত্তার জন্য বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছে।

কি যেন এক জরুরী কাজে আমি সেদিন গিয়েছিলাম আলমডাঙ্গাতে। কাজ হয়নি। ষ্টেশনে ফিরে আসি। ষ্টেশন ফাঁকা। কি যেন এক আতংক বিরাজ করছে। দোকান পাট সব ব্ন্ধ। ট্রেন এসে থামলো আলমডাঙ্গা ষ্টেশনে। বেলা ১১/১২ টার সময়। তারিখটা ছিল সম্ভবত ৮ই মার্চ। ট্রেন যখন চুয়াডাঙ্গা ষ্টেশনে এসে থামে তখন মানুষের মধ্যে ছুটাছুটি করার যেন প্রতিযোগিতা বেড়ে যায়। কি ব্যাপার জিজ্ঞাসা করতেই একজন বলে বাঁচতে যদি চাও পালাও। বড় বাজারে পাকিস্তানের সৈন্য এসে গেছে। যাকে পাচ্ছে তাকে গুলি করছে।

মনটা খারাপ হয়ে যায়। কি করে বাড়ি যাবো। অন্য দশ জনের মত আমিও ছুটতে থাকি। ছুটে ছুটে ক্লান্ত হয়ে যায়। এ গলি ও গলি দিয়ে হাটতে হাটতে এক সময় বাড়িতে পৌছে যায়। বাড়ির সকলে আমার জন্য পথ চেয়ে আছে। সৈন্য আসেনি। দেশে আগুন ধরেছে । ব্ঙ্গবন্ধুুর ভাষণ প্রচারিত হচ্ছে। মানুষ রেডিও ঘিরে ভাষণ শুনছে। -----------আর যদি একটা গুলি চলে আমার মানুষকে হ্ত্যা করা হয়। "

ভাষণ শেষ হতেই সবাই যেন ঘাম মুছতে থাকে। তাহলে দেশে কিছু একটা হচ্ছে। পাকিস্তানের নির্যাতন ও শোষণের হাত থেকে এবার বাঙালিরা মুক্তি পাবে। ২৩ বছরের আন্দোলন ও লড়াইয়ের ফসল এবার অর্জিত হবে। ঘরে ঘরে বীর বাঙালিরা জেগেছে। তখন আমি লেখালেখি না করলেও মনের আবেগে একটি গণমুখী ছড়া লিখেছিলাম "বাঙালিরা জাগলো এবার
শকুনেরা বুঝবে,
দিশেহারা হয়ে ওরা
পালাবার পথ খুঁজবে। "

এরপর যা হবার তা তো হল। নির্বিচারে ও বিনা উস্কাানিতে পাকিস্তানের জঙ্গী বাহিনীরা ২৭মার্চ কালো রাতে রাজার বাগ ঘুমন্ত পুলিশের উপর গুলিবর্ষণ করে। বহু পুলিশ সেদিন শহিদ ও আহত হয়। বাঙালিরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিল তারা আর চুপ থাকতে পারে না। তারা মুক্তিযোদ্ধায় নাম লেখায় এবং প্রশিক্ষণের জন্য ভারতে আশ্রয় নেয়।
তৎকালীন চুয়াডাঙ্গা মহকুমার আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২রা এপ্রিল চুয়াডাঙ্গাকে বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করা হয়। মতিবাবুর পরিত্যাক্ত ভবনে সচিবালয় গঠন করা হয়। সচিবালয়ের যাবতীয় কার্যাদী পরিচালনার জন্য দক্ষিন পশ্চিম রনাঙ্গনের মনোগ্রামযুক্ত সিল প্রয়োজন হলে বাবু এন এন সাহা প্রনয়ন করেন। পরবর্তীতে সামান্য পরি- বর্তন করে বাবু এন এন সাহা রা্ষ্ট্রীয় মনোগ্রামও প্রনয়ন করেন। যা আজও রাষ্ট্রীয় কার্য্যে ব্যবহৃত হচ্ছে।

৩ রা এপ্রিল দুপুরে পাকিস্তানি বিমান চুয়াডা্ঙ্গার উপর অবিরাম বোমা বর্ষণ করে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিসেনারা অস্ত্র ধরে। শুরু হয় যুদ্ধ । সাধারণ মানুষ প্রানের ভয়ে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় অর্জিত হয়। যুদ্ধের এ সময়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ শহীদ হয়, আহত হয় এবং মা বোনেরা সম্ভ্রমহানি হয়।

শুধু কি তাই ঘর বাড়ি অফিস আদালত দোকান পাট সব আগুন দিয়ে জালিয়ে ধবংস করে পাক বাহিনীরা । ঐ সময় ভারতে অবস্থান কালে আমরা অমানষিক কষ্টের মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত করি। তবু দেশের প্রতি ভালবাসা তিল মাত্র কম ছিল না। মা চরম অসুখে পরে। অপর দিকে বাবা দেশে ফেরার জন্য ব্যস্ত হয়ে পরে। অবশেষে দেশে ফিরে আসি। এসে যা দেখলাম তা বিভৎস দৃশ্য। মা বাবা কাঁন্নায় ভেঙে পরে। বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল লুঠ করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। কিছুই পাইনি। যারা দেখেছে তারা দুঃখ প্রকাশ করেছে। একাত্তরের সেই দুর্বিসহ দিনগুলো আজও ভুলিনি। প্রতিটি মুহুর্ত্ত কুরে কুরে খায় আমাদের বিদগ্ধ হৃদয়টাকে। দুঃখটাকে বুঝাবার কোন হৃদয়বান ব্যক্তিকে পাইনি।
স্বাধীনতা কিংবা বিজয় দিবস
যখনই দেশে আসে,
সেদিনের সেই যন্ত্রণাটা
চোখের পাতায় ভাসে।

সেই থেকে আজও দুখটাকে বহন করে বেড়াচ্ছি। বুকের ভেতরে আজও ভয়াবহ ভাবে রক্ত ক্ষরণ হচ্ছে। মা
বাবা কেহ আজ বেঁচে নেই। না ফেরার দেশে চলে গেছে। সেখান থেকে হয়তো বাবা মা আশির্বাদ করছে। সমস্ত দুঃখ কষ্টকে ভুলে আসুন সবাই কন্ঠ মিলায়-
আসুন সবাই এদেশটাকে
আমরা গড়ে তুলি,
হিংসা বিদ্বেষ হানাহানি
সব কিছু আজ ভুলি।

 

ডিএসএস/ 

Header Ad
Header Ad

সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯

ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় মদপানের ফলে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আরও ৯ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দুই যুবকের মৃত্যু হয়। এর আগে, ঈদের সন্ধ্যায় তারা মদপান করেন এবং রাতের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন আশাশুনি উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের জাফর আলী খাঁর ছেলে জাকির হোসেন টিটু (৪০) ও সোহরাব গাজীর ছেলে নাজমুল গাজী (২৬)।

এ ঘটনায় অসুস্থদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণ তেতুলিয়া গ্রামের সাইদ সরদারের ছেলে ফারুক হোসেন, মোকামখালী গ্রামের কুদ্দুস সরদারের ছেলে ইমরান, মিত্র তেতুলিয়ার মর্জিনা খাতুনের ছেলে ইকবাল, কামরুলের ছেলে লিফটন, আজিবার সরদারের ছেলে রবিউল, শহীদ গাজীর ছেলে তুহিন, আনিসের ছেলে নাজমুলসহ আরও কয়েকজন।

গুরুতর অসুস্থদের মধ্যে ফারুক হোসেনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ইমরানকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঈদের দিন সন্ধ্যায় আশাশুনির তেতুলিয়া শ্মশানঘাট মাঠে বসে জাকির হোসেন টিটু, নাজমুল গাজীসহ মোট ১১ জন একসঙ্গে মদপান করেন। মদপানের পর তারা বাড়ি ফিরে যান এবং ঘুমিয়ে পড়েন।

এরপর রাত ১২টার দিকে একে একে সবাই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাকির হোসেন টিটু ও নাজমুল গাজী মারা যান। বাকি ৯ জনের চিকিৎসা চলছে।

আশাশুনি থানার ডিউটি অফিসার এসআই ফিরোজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যু অন্য কোনো কারণে হয়েছে কিনা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

নিহতদের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Header Ad
Header Ad

ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরান, চীন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একাধিক ব্যক্তি ও সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ইরানের অস্ত্র সংগ্রহ নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়।

এই পদক্ষেপকে ইরানের ওপর আরও চাপ সৃষ্টির একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে রাজি না হলে দেশটির ওপর বোমা হামলা চালানো বা নতুন শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ও বিচার বিভাগ যৌথভাবে জানিয়েছে, ইরানের ড্রোন কর্মসূচির অন্যতম প্রধান নির্মাতার জন্য মানববিহীন এয়ার ভেহিকল (ইউএভি)–এর উপকরণ সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত ছয়টি সংস্থা ও দুই ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, "ইরান তাদের ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়াসহ তাদের প্রক্সিদের সরবরাহ করছে। রুশ বাহিনী এগুলো ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে, যা বেসামরিক নাগরিক, মার্কিন বাহিনী ও মিত্রদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা ইরানের সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স এবং তাদের ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রচলিত অস্ত্রের বিস্তার ব্যাহত করতে কাজ চালিয়ে যাব।"

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে একটি ইরান-ভিত্তিক সংস্থা, দুইজন ইরানি নাগরিক, একটি চীন-ভিত্তিক সংস্থা এবং চারটি সংযুক্ত আরব আমিরাত-ভিত্তিক সংস্থা।

এ বিষয়ে জাতিসংঘে ইরানের মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

Header Ad
Header Ad

বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগের দোসররা বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার চালিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, "পরাজিত শক্তি নিউইয়র্ক টাইমসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে রিপোর্ট করিয়েছে। ফ্যাসিবাদের দোসররা হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। তারা এই অবৈধ টাকা ব্যবহার করে বাংলাদেশকে কলঙ্কিত করতে চায়।"

বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

রিজভী আহমেদ অভিযোগ করেন, "শেখ হাসিনা জঙ্গি দমনের নামে একটি নাটক সাজিয়ে বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করেছেন। এটি মূলত ক্ষমতায় টিকে থাকার একটি রাজনৈতিক কৌশল ছিল। এমনকি একজন সাবেক আইজিপির বইয়েও এটি উঠে এসেছে।"

তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশে উগ্রবাদের কোনো উত্থান ঘটেনি। বরং বর্তমানে দেশে ফ্যাসিবাদের কোনো ছোবল নেই, মানুষ নির্বিঘ্নে ধর্মপালন করতে পারছে, কথা বলতে পারছে। এবার মানুষ নির্ভয়ে ঈদ উদযাপন করেছে, যা অতীতে সম্ভব হয়নি।"

আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, "আওয়ামী লীগ বসে নেই, তারা কালো টাকা ব্যবহার করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। তারা অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। বিদেশে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের নেতারাই দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।"

তিনি আরও বলেন, "শেখ হাসিনার নির্দেশে মুগ্ধ ফাইয়াজদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু এ নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই। প্রশাসনের চারপাশে আওয়ামী লীগের দোসররা বসে আছে, যার ফলে দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন ভূলুণ্ঠিত হয়েছে।"

রিজভী আহমেদ দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার করে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, "নির্বাচনী সরকারই হচ্ছে বৈধ সরকার। নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি সাধারণ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হবে।"

তিনি নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দ্রুত নির্বাচনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২
বাংলাদেশকে ভেঙে ফেলার আহ্বান ভারতের ত্রিপুরার রাজপরিবার প্রধানের
বিএনপি কখনোই নির্বাচনের পরে সংস্কারের কথা বলেনি: মির্জা ফখরুল
বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় আটক ৫
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ভ্যাল কিলমার আর নেই
ময়মনসিংহে সিনেমা হলে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে দর্শকদের ভাঙচুর
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে এক ইমামের ১৭০ স্বজনের মৃত্যু
ঈদের আনন্দে যমুনার দুর্গম চরে গ্রাম-বাংলার ঘুড়ি উৎসব, আনন্দে মেতে উঠে বিনোদনপ্রেমীরা!
ইমামকে ঘোড়ার গাড়িতে রাজকীয় বিদায়, দেওয়া হলো ৯ লাখ টাকার সংবর্ধনা
লন্ডনে একসঙ্গে দেখা গেলো সাবেক চার আওয়ামী মন্ত্রীকে
ঢাকায় ফিরছে ঈদযাত্রীরা, অনেকে ছুটছেন শহরের বাইরে
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আবারও সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭
বিটিভিতে আজ প্রচারিত হবে ঈদের বিশেষ ‘ইত্যাদি’
ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকা, নেই যানজটের চিরচেনা দৃশ্য
মাদারীপুরে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ২