বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

হেমু গ্রামের হত্যাযজ্ঞ

পাখি ডাকা ছায়া ঢাকা, সবুজের মায়া আঁকা; ছোট এক গ্রাম। গ্রামের নাম হেমু। হেমু গ্রামের লোকজনের পেশা ছিল কৃষি। গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি পালন করে কোনো রকম তারা জীবনযাপন করতো। গ্রামে পড়াশোনা জানা মানুষ একজনও ছিল না। তবু জীবন তাদের থেমে থাকেনি। জীবন জীবনের গতিতে চলতো।

হেমু গ্রামের পাশ দিয়ে কুলুকুলু রবে বইতো ছোট একটি নদী। নদীর নাম খরিস। খরিস নদীর উপর ছিল পাকা একটি সেতু। সেতুর নাম খরিস সেতু। এই খরিস সেতু দিয়ে পাকিস্তানি মিলিটারীরা জলপাই রঙের ট্রাকে চড়ে সব সময় যাওয়া-আসা করতো। তারা বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে ইচ্ছেমতো আক্রমণ চালাতো, লুটপাট করতো।

জৈন্তাপুরে মিলিটারীরা ক্যাম্প বসালো। ক্যাম্প থেকে তারা যখন তখন জীপ কিংবা ট্রাকে চড়ে সশস্ত্র মহড়া দিতো। খরিস সেতু পার হয়ে অজপাড়া গাঁ পর্যন্ত তারা চলে যেতো। গিয়ে এলাকার লোকজনকে ডর-ভয় দেখাতো। কারও বিরুদ্ধে সামান্যতম অভিযোগ পেলে ক্ষমা করতো না। পাখির মতো গুলি করে মেরে ফেলতো। কখনও আবার অভিযোগও লাগতো না। ইচ্ছে হলো ব্যস, গুলি করে দিতো। এভাবে নির্বিচারে চলতো পাকিস্তানি মিলিটারীদের অন্যায় হত্যাযজ্ঞ।

একদিন বিকেল বেলা। হাটবার ছিল সেদিন। হেমু গ্রামের কেরামত আলী আখ বিক্রি করছিলেন জৈন্তাপুর বাজারে। মধ্য বয়স্ক মানুষ কেরামত আলী। অন্যান্য দিনের চেয়ে তিনি সেদিন অনেক আখ বিক্রি করলেন। পকেটে জমা হলো তার চকচকে কাঁচা পয়সা। বেশি পরিমাণ আখ বিক্রি করতে পারায় কেরামত আলীর মনে আনন্দ বিরাজ করছিল। আনন্দে হঠাৎ তার কণ্ঠ থেকে বেরিয়ে এলো ‘জয় বাংলা’ ধ্বনি।
তার পাশ দিয়েই যাচ্ছিল একটি মিলিটারী জিপ। কেরামত আলী তা খেয়াল করলেন না। আচমকা ‘জয় বাংলা’ ধ্বনি শোনার পর পাকিস্তানি মিলিটারীদের শরীরে যেন কেউ আগুন লাগিয়ে দিলো। জীপ থামিয়ে বন্দুক তাক করে ছুটে এলো দুজন মিলিটারী। এসেই আর কোনো কথা নেই। কেরামত আলীসহ আরও চার-পাঁচজনকে গুলি করে মাটিতে ফেলে দিলো। গুলি খেয়ে রক্ত ভেজা মানুষগুলো গলা কাটা মুরগির মতো ছটফট করতে করতেই মারা গেলেন। চিরদিনের মতো নিথর হয়ে গেল মানুষগুলো। সেই খবর ছড়িয়ে পড়লো সারা বাজারে। লোকজন দোকান পাট বন্ধ করে যে যার মতো পালিয়ে গেল।

সেই ঘটনার পর জৈন্তাপুর অঞ্চলে নেমে এলো কেমন যেন শোকের ছায়া। সব জায়গায় লক্ষ্য করা গেল কেমন যেন থমথমে ভাব। লোকজন কেমন ভয়ে ভয়ে থাকতো। কেউ কারও সাথে তেমন কথা বলতো না। নিতান্ত দরকার না হলে মানুষ খুব একটা বাজার-হাটেও যেতো না। চাপা কণ্ঠে ফিসফিস করে কেউ কেউ বলতো সারা দেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। খুব শীঘ্রই বাংলাদেশ স্বাধীন হবে। সোনার বাংলা শত্রু মুক্ত হবে।” এভাবেই যাচ্ছিল দিন।
তারপর হঠাৎ একদিন এলো ভয়াল সেই রাত। রাতের খাবার খেয়ে হেমু গ্রামের লোকজন ঘুমিয়ে পড়েছিল। ঘন অন্ধকার রাত। ঝোপঝাড়ে অবিরাম ঝিঁঝিঁ পোকা ডাকছে। ঝিঁঝিঁ পোকার সাথে পাল্লা দিয়ে ঝাঁক ঝাঁক জোনাক পোকা জ্বলছে আর নিভছে।
এমনি সময়ে রাতের নিস্তব্ধতা ভেদ করে শো-শো আওয়াজ তুলে কোথা থেকে যেন উড়ে এলো তিন তিনটি জঙ্গি বিমান। বিমানগুলো যে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর তা পরে জানা গেল। বিমানগুলো উড়ে এসে জৈন্তাপুরের আকাশে ঘুরে ঘুরে কয়েকবার চক্কর খেলো। তারপর আচমকা শুরু করলো বোমা বর্ষণ। সব কয়টি বোমাই এসে পড়লো হেমু গ্রামের ওপর। আকস্মিক বোম্বিংয়ের কারণে অনেক লোক ঘুমন্ত অবস্থাতেই মারা গেল। বোম্বিংয়ের শব্দে হেমু গ্রামের লোকদের কারও কারও ঘুম ভেঙ্গে গেল। ঘুম থেকে জেগে গ্রামের লোকজন যেন বোবা হয়ে গেল। তারা দেখে কী, তাদের প্রিয় গ্রামখানি দাউদাউ করে জ্বলছে। আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। যেসব স্থানে বোমা পড়েছিল, সেই সব জায়গায় এক একটা পুকুর তৈরি হয়ে গেল।
জীবিত মানুষ প্রাণ ভয়ে দিকবিদিক ছুটতে লাগলো। সেই রাতে হেমু গ্রামের অনেক নিরীহ মানুষ মারা গেল। হারিছ আলী, ছাড়া মিয়া, আয়েশা বেগম, আব্দুল্লাহ, নাছিমা বেগম, ইছাক আলী ও আলেকজান বিবিসহ কয়েক শত নিরীহ মানুষ বোমার আঘাতে শহীদ হলেন।
সেই রাতে কেউ কেউ কোনো রকম জান নিয়ে পালিয়ে বাঁচলো। অনেকের মতো লেংগুই মিয়া এবং তার বউও পালাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বাঁচতে পারেননি। লেংগুই মিয়ার বউয়ের কোলে ছিল ছোট একটি শিশু। দিকদিশা হারিয়ে বউকে নিয়ে হুড়মুড় করে পালাতে গিয়ে ঘটলো বিরাট এক অঘটন। নদীর ধারে এসে লেংগুই মিয়ার বউ হঠাৎ হাউমাউ করে কেঁদে উঠলেন। ‘আমার ময়না পাখি’ ‘আমার ময়না পাখি’ বলে বউটি আহাজারি শুরু করে দিলো।
লেংগুই মিয়া দেখলেন বউয়ের কোলে তাদের শিশু বা”চাটা নেই। নেই কেন? ভাবতে লাগলেন তিনি।
পরে বউটি নিজ থেকেই বললো, “আমার সব্বনাশ অইয়া গেছে গো। সব্বনাশ অইয়া গেছে। তাড়াহুড়া কইরা আইতে গিয়া ভুল কইরা আমি আমার ময়না পাখি রে ঘরো থুইয়া আইয়্যা পড়ছি। ময়না পাখির বদলে আমি তার বালিশটা লইয়্যা আইয়্যা পড়ছি। এহন আমার কী অইবো গো। কী নিয়া আমি বাঁচুম গো।” বলে বউটি গলা ফাটিয়ে রীতিমতো মরাকান্না শুরু করে দিলো।

বউয়ের কান্না শুনে লেংগুই মিয়া বললেন, “কান্দিছ না বউ। তুই এই হানো ব। আমি যাইয়াম আর আইয়াম। আমি ময়না পাখি রে ঠিক লইয়্যা আইয়াম। তুই কুনো চিন্তা করিছ না।”
বলে লেংগুই মিয়া হেমু গ্রামের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়লেন। এক দৌড়ে তিনি চলে এলেন হেমু গ্রামে। এসে দেখলেন, তার ছনের ঘরখানি দাউদাউ করে জ্বলছে। ঘরের ভেতর শোনা যাচ্ছে ছোট্ট শিশুর কান্না। লেংগুই মিয়া চিনতে পারলেন সেই কণ্ঠ। তারপর এক লাফে গিয়ে তিনি ঘরের ভেতর প্রবেশ করলেন। ততক্ষণে শিশুটির কান্না থেমে গেছে। লেংগুই মিয়া ঘরের ভেতর ঢুকতেই হঠাৎ ঘরের চালটি তার উপর খসে পড়লো। কিছুতেই তিনি আর ঘর থেকে বেরোতে পারলেন না।
সকাল বেলা লোকজন এসে লেংগুই মিয়ার ঘরের খালি জায়গাটাতে আবিষ্কার করলো ছাইয়ের উঁচু স্তূপ। ছাইয়ের ভেতর জড়াজড়ি অবস্থায় পাওয়া গেল আধ পোড়া দুটো মানব কংকাল। একটি ছোট্ট শিশুর। আর অন্যটি একজন বয়স্ক মানুষের।

 

গবেষণা কর্মকর্তা
ট্রাস্টিবোর্ড অফিস, লিডিং ইউনিভার্সিটি
রাগীবনগর, দক্ষিণ সুরমা, সিলেট-৩১১২

 

ডিএসএস/ 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী