বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

চাঁপাই নবাবগঞ্জে ঐতিহ্যের সন্ধানে

গিয়াস উদ্দিন ইওয়াজ শাহ বঙ্গকে দিল্লির শাসন থেকে মুক্ত করে স্বাধীন অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেন এবং রাজধানী গৌড় থেকে স্বাধীন বঙ্গের পরিচালনা আরম্ভ হয়। তিনি বঙ্গ জুড়ে অসংখ্য মসজিদ নির্মাণ করেন এবং জুম্মার খুৎবায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত করান। তারই সময়ে এই অঞ্চলে ইসলামি শিক্ষার প্রচলন করা হয়।

১২২৭ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গের পাশাপাশি বিহার দখল করার যুদ্ধে তৃতীয় সুলতানি শাসক ইলতুতমিশের বাহিনীর হাতে গিয়াস উদ্দিনের মৃত্যু ঘটলে বঙ্গের শাসন আবার দিল্লির অধীনে চলে যায়।

১২৮১ সালে বঙ্গের প্রশাসক নাসিরুদ্দিন বোঘরা খান আবার দিল্লির শাসন থেকে বঙ্গের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ১৩৪২ সালে পার্শ্ববর্তী সাতগাঁও এর প্রশাসক শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ গৌড়ের প্রশাসককে পরাজিত করে একটি বৃহত্তর এলাকাকে দিল্লির শাসন থেকে স্বাধীন করেন। তাকেই বলা হয় বঙ্গের সুলতানি আমলের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বঙ্গের রাজধানী গৌড় থেকে সরিয়ে পন্ডুয়াতে নিয়ে যান। প্রায় এক শতাব্দী পর বঙ্গের শাসক সুলতান মাহমুদ শাহ রাজধানীকে আবার গৌড়ে ফিরিয়ে আনেন। ১৫৬৫ সাল পর্যন্ত সুলতানি আমল শেষ হয়ে গেলেও মোঘল আমলের গোড়ার দিক পর্যন্ত গৌড় বঙ্গের রাজধানী ছিল।

১৫২৬ সালে মির্জা জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বা সম্রাট বাবরের মাধ্যমে আরম্ভ হয় মোঘল সাম্রাজ্য। এই সময়েই বঙ্গ আবার দিল্লির অন্তর্গত হয়ে পড়ে। দ্বিতীয় মোঘল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৫ সালে (আনুমানিক) গৌড়ে এলে কারুকাজসমৃদ্ধ অসংখ্য মসজিদ দেখে আপ্লুত হন এবং গৌড়কে জান্নাতাবাদ নামে আখ্যায়িত করেন।

সম্রাট হুমায়ুন শের শাহ সুরীর কাছে পরাজিত হলে দিল্লির শাসন প্রায় ২৫ বছরের জন্য থাকে সুরী বংশের হাতে। এই সময়কালে কোনো এক বছর গৌড়জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ভয়ংকর প্লেগ। অসংখ্য নগরবাসী মৃত্যুবরণ করে, বাকি প্রায় সবাই পালিয়ে অন্যত্র সরে যায়। একই সঙ্গে কয়েকটি বড় বড় ভূমিকম্পের ফলে পদ্মা নদীর গতিপথেও কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। ১৫৫৫ সালে হুমায়ুন মোঘল সাম্রাজ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করলেও গৌড় তার কৌশলগত এবং ভৌগলিক গুরুত্ব হারাতে থাকে। অবশেষে ১৫৬৫ সালে গৌড় থেকে চিরকালের জন্যই বঙ্গের রাজধানী সরিয়ে ফেলা হয়। ধীরে ধীরে একটি পরিত্যক্ত নগরীতে পরিণত হয় এককালের সমৃদ্ধ ও জনবহুল নগরী গৌড়।

যতগুলো সুদৃশ্য মসজিদ দেখে সম্রাট হুমায়ুন গৌড়কে জান্নাতাবাদ নাম দিয়েছিলেন, তার মধ্যে নিশ্চয়ই আগের শতকে নির্মিত মসজিদগুলোর পাশাপাশি ১৩শ শতাব্দীতে গিয়াস উদ্দিন ইওয়াজ শাহ-এর নির্মিত মসজিদগুলোও ছিল। তবে গত কয়েক শতকে নানা ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আর কালের পরিক্রমায় আজ সেগুলো প্রায় সবই হারিয়ে গেছে। সুলতানি আমলের ১৫শ শতাব্দীতে নির্মিত কিছু মসজিদ এবং মোঘল আমলে ১৭শ শতাব্দীর কিছু স্থাপনা প্রাচীন গৌড়ের নিদর্শন হিসেবে বাংলাদেশ সীমানায় এখনো দেখা যায়। বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ থেকে সংস্কার করার কারণে এগুলো টিকে আছে। এমনই কয়েকটি স্থাপনা দেখার উদ্দেশ্যে আমরা গিয়েছিলাম প্রাচীন গৌড় নগরী, বা আজকের চাঁপাই নবাবগঞ্জ বেড়াতে।

ছোট সোনা মসজিদ
আমাদের ট্রিপের প্রথম স্থাপনা ছিল ছোট সোনা মসজিদ। চাঁপাই নবাবগঞ্জ শহর পার হয়ে বাংলাদেশ-ভারত সীমানা পোস্টের দিকে এগিয়ে গেলে সীমানা থেকে ৩ কিলোমিটার আগে মহাসড়কের ডানে পড়বে এই মসজিদ কমপ্লেক্স। সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ’র শাসন আমলে ১৪৯৩-১৫১৯ সালের মধ্যে গৌড়ে প্রায় একই নকশায় দুটি মসজিদ গড়া হয়েছিল। বড়টি এখন ভারতের সীমানায় আর ছোটটি বাংলাদেশে। দুটি মসজিদেরই ছাদের গম্বুজগুলো স্বর্ণ দিয়ে মোড়া ছিল বলেই এগুলো সোনা মসজিদ নামে পরিচিত। আজ আর সেই স্বর্ণ নেই, তবে নামগুলো রয়েই গেছে।

ইট ও পাথরে নির্মিত আয়তক্ষেত্রাকার মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ৮২ ফুট এবং পুব-পশ্চিমে প্রায় ৫২ ফুট। মূল কাঠামো পাথরে নির্মিত। এর উপরে ইটের স্তর। তার উপর আবার গ্র্যানাইট পাথরের স্তর। যে কারণে দেয়ালগুলো প্রায় ৬ ফুট প্রশস্ত। মসজিদের চার কোণে আরও মজবুত করার জন্য রয়েছে চওড়া অষ্টভূজাকার পিলার। ভেতরে দুই সারিতে চারটি করে মোট আটটি পাথরের পিলার। এগুলোর উপরেই খিলানের উপর নির্মাণ করা হয়েছে ছাদ। ভেতরে উত্তর পশ্চিম অংশে রয়েছে দ্বিতল রাজকীয় গ্যালারি, যার জন্য বাইরে থেকে প্রবেশের জন্য আছে ভিন্ন প্রবেশ পথ ও সিঁড়ি। সুলতানি আমলে নির্মিত বড় মসজিদ্গুলোর এটি ছিল এটি বিশেষত্ব। ওয়াক্তের নামাজের সময় ছাড়া অন্য কোনো সময়ে কেউ এলে তার নামাজ পড়ার জন্য পুরো মসজিদ না খুলে কেবল এই অংশ খুলে দেওয়া হতো। আর জুম্মার নামাজের সময় এই অংশটি নারীদের নামাজের জন্য নির্ধারিত থাকত।

ছাদে রয়েছে ৩ সারিতে মোট ১৫টি গম্বুজ। এর মধ্যে উত্তর ও দক্ষিণে ৬টি করে ১২টি হলো অর্ধবৃত্তাকার, আর মাঝের তিনটি চৌচালা। পুরো মসজিদের দেয়াল পাথরে মোড়া, এর মাঝে মাঝে রয়েছে খোদাই করা নকশা। কোথাও বা দেয়ালে ব্যবহৃত পাথর খোদাই করে করা হয়েছে নকশা, কোথাও বা বড় পাথরের নকশা করা স্ল্যাব দেয়ালে সেঁটে দেওয়া হয়েছে। দূর থেকে একেকটি স্ল্যাবে করা নকশাগুলো একইরকম মনে হলেও কাছে এলে তাদের ভিন্নতাগুলো স্পষ্টতই দেখা যায়।

নাফিসুর রহমান: ডিজঅ্যাবিলিটি অ্যান্ড ডেভেলপ কনসালটেন্ট।

এসএন

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী