শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

নববর্ষের নতুন সুর্য সময়ের নতুন বাতিঘর

নতুন বছর শুরু হলো। আমার কাছে একটি দিন মানে একটি মাত্র উৎসব নয়। এই দিনটিকে কেন্দ্র করে উচ্চারিত হয়েছে বহুমাত্রিক অর্থ। জীবনের গভীর অর্থ খোঁজার যে মৌল দর্শন একটি জাতির চিন্তা-চেতনায় বিরাজ করে সেই অর্থের সবটুকু ধারণ করে থাকে বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ নববর্ষ দিন।

বছরের প্রথম দিনে আমার আশা বাঙালি জাতীয়তাবাদের মৌল অনুপ্রেরণায়, অসাম্প্রদায়িক বাঙালির আকর আধার মনুষ্যত্ব বিকাশের শুভশক্তিও আত্মপরিচয় বৃদ্ধির মূলক্ষেত্র এবং বিশ্বজোড়া মেলবন্ধনে মানবিকতার মৌলিক শর্ত।

নব জাগরণের ঘণ্টা ধ্বনি বাজায় এই উৎসব। মানুষ জড়ো হয় আপন নিয়মে। শহরের ইট-কাঠ থেকে গ্রামের মেঠোপথ পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্য অর্থে বলা যায়, এই উৎসব এখন এর সবটুকু শহরের প্রতিটি মানুষের প্রাণের স্পন্দন। নন্দিত হয় পুরো দেশ।

মনীষী অন্নদাশঙ্কর রায় তার ‘সংস্কৃতির বিবর্তন’ গ্রন্থের ভূমিকায় লিখেছেন, “আমরা ক্রমশ হৃদয়ঙ্গম করছি যে দেশকে স্বাধীন করাই যথেষ্ট নয়। দেশের মানুষকে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে, সৃষ্টি করতে, নির্মাণ করতে শেখাতে হবে। পশ্চিমের সঙ্গে, আধুনিকের সঙ্গে পা মিলিয়ে নিতে হবে। পশ্চাতের সঙ্গে, ঐতিহ্যের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষা করতে হবে। জনগণের সঙ্গে সংস্কৃতির সঙ্গে যোগসূত্র অবিচ্ছিন্ন রাখতে হবে। সার্থক সংস্কৃতির এই তিনটি ডাইমেনশন।’

নববর্ষে তিনটি মাত্রাকে বাঙালির মর্মমূলে প্রবেশ করিয়ে দিয়েছে। বাঙালি বুঝতে পেরেছে এই গোড়াটুকু আছে বলেই কোনো অপশক্তি তাদেরকে উপড়ে ফেলতে পারেনি। পাকিস্তান আমলের পুরো সময় ধরে এই চেষ্টা করেছে পাকিস্তানি সরকার। এই শক্ত বাঁধনটুকু ছিল বলেই দন্ত-নখর বিস্তৃত করেও কিছুই করতে পারেনি তারা। বরং বাঙালি আত্মশক্তি সঞ্চয় করেছে আরও প্রবলভাবে। নববর্ষ মানুষকে সেই বার্তা দেয় অশুভ শক্তির বার্তায় মানুষ পুনরায় শক্তি সঞ্চয় করে আর একটি নববর্ষ উৎসব উদযাপন করে।

পথচলায় বছরঘুরে নববর্ষ সময়ের বাতিঘর। বিভ্রান্তির যাঁতাকলে পিষ্ট হওয়ার সুযোগ নেই বাঙালির। অমোঘ শক্তির দীপ্তি তার মাথার উপর ছায়া হয়ে আছে। নববর্ষ মানেই পুরানো মোড়ক খুলে নতুনকে আলিঙ্গন করা।কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ‘নববর্ষ’ প্রবন্ধে বলেছেন, ‘এই মহামান্বিত জগতের অদ্যকার নববর্ষ দিন আমাদের জীবনের মধ্যে যে গৌরব বহন করিয়া আনিল, এই পৃথিবীতে বাস করিবার গৌরব, আলোকে বিচরণ করিবার গৌরব, এই আকাশতলে আসীন হইবার গৌরব, তাহা যদি পরিপূর্ণভাবে চিত্তের মধ্যে গ্রহণ করি তবে আর বিষাদ নাই, নৈরাশ্য নাই, ভয় নাই, মৃত্যু নাই।’

বাঙালি এই গৌরবের জায়গাটি তৈরি করেছে। মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দান করে ভাষার মর্যাদা রক্ষা করেছে। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলা ভাষার স্বাধীন রাষ্ট্র অর্জন করে উপমহাদেশের মানচিত্র বদলে দিয়েছে। তারপরও বলতে হবে দুটো গভীর ও ব্যাপক অর্জন বাঙালির সামনে পাহাড় সমান উচ্চতা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এক. যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার এবং দণ্ড প্রদান। দুই. হতদরিদ্র মানুষের জীবন থেকে দারিদ্র্যের অবসান ঘটিয়ে তাদেরকে মানসম্মত জীবনযাপনের ব্যবস্থা প্রদান।

নইলে রবীন্দ্রনাথ তার প্রবন্ধে নববর্ষকে মূলে রেখে যে আনন্দের কথা বলেছেন তা প্রকাশের যথার্থতা এই দেশে থাকবে না, যারা নববর্ষের উত্তরাধিকারী। রবীন্দ্রনাথ তার প্রবন্ধে একটি ঋষি বাক্য উল্লেখ করে বলেছেন ‘কেই বা শরীর চেষ্টা করিত, কেই বা প্রাণ ধারণ করিত যদি এই আকাশে আনন্দে না থাকিতেন। আকাশ পরিপূর্ণ করিয়া তিনি আনন্দিত, তাই আমার হৃৎপিন্ড স্পন্দিত, আমার রক্ত প্রবাহিত, আমার চেতনা তরঙ্গিত। তিনি আনন্দিত, তাই সূর্যলোকের বিরাট যজ্ঞহোমে অগ্নি-উৎস উৎসারিত; তিনি আনন্দিত, তাই পৃথিবীর সর্বাঙ্গ পরিবেষ্টন করিয়া তৃণদল সমীরণে কম্পিত হইতেছে; তিনি আনন্দিত, তাই গ্রহে নক্ষত্রে আলোকের অনন্ত উৎসব। আমার মধ্যে তিনি আনন্দিত, তাই আমি আছি-তাই আমি গ্রহ তারকার সহিত লোক লোকান্তরের সহিত অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত- তাহার আনন্দে আমি অমর, সমস্ত বিশ্বের সহিত আমার সমান মর্যাদা।’

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটি অসাধারণ বাক্য সংযোজন করেছেন- ‘সমস্ত বিশ্বের সহিত আমার সমান মর্যাদা।’ বাঙালির সামনে আজ এই চ্যালেঞ্জ। নববর্ষকে সামনে রেখে বাঙালিকে এই চ্যালেঞ্জ নিতে হবে এবং জয়লাভ করতে হবে ।

সেলিনা হোসেন: বাংলা একাডেমির সভাপতি ও কথাসাহিত্যিক

Header Ad
Header Ad

লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় ঘটে যাওয়া সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে পৌঁছেছে। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজনের মধ্যে একজন শুক্রবার (৪ এপ্রিল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার নাম তসলিমা আক্তার প্রেমা (২০)।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে ওই ঘটনায় আহত আরও দুইজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে সাত বছর বয়সী শিশু আরাধ্য বিশ্বাস আইসিইউতে এবং ২৫ বছর বয়সী দুর্জয় মণ্ডল হাসপাতালের বেডে চিকিৎসাধীন আছেন।

শিশু আরাধ্য বিশ্বাসের উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের এমডি তপন চৌধুরী।

এদিকে, বুধবার (২ এপ্রিল) চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়ার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ জন নিহত হন। আহত তিনজনের মধ্যে আজ আরও একজন মারা গেছেন।

দুর্ঘটনায় নিহত হন শিশু আরাধ্য বিশ্বাসের বাবা দিলীপ কুমার, মা সাধনা রানী ও সাধনার বড় ভাই। তারা ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন। দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়, আরাধ্য জানে না যে তার মা-বাবা আর ফিরে আসবেন না। তার ভরসা এখন তার দাদু দুলাল বিশ্বাস।

বন্ধু ও নিকট আত্মীয়দের সঙ্গে মাইক্রোবাসে বুধবার ভোরে ঢাকা থেকে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার পথে লোহাগাড়ার চুনতি জাঙ্গালিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান দিলীপ, তার স্ত্রী সাধনা রানী ও সাধনার বড় ভাইসহ ১০ জন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নুরুল আলম আশিক জানান, লোহাগাড়ায় দুর্ঘটনায় আহত তিন জনের মধ্যে আজ একজন মারা গেছেন। শিশু আরাধ্য বিশ্বাসের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বর্তমানে দুর্জয় মণ্ডল নামে আরও এক যুবক চিকিৎসাধীন আছেন।

Header Ad
Header Ad

নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে

ছবি: সংগৃহীত

ইন্টার মায়ামির হয়ে লিওনেল মেসি খেলতে নামলেই সাইডলাইনে এক অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হিসেবে ইয়াসিন চুকোকে দেখা যায়। মেসির দেহরক্ষী হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি তার পাশে থাকেন এবং মেসির নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। তবে এমএলএসের নতুন নিয়মের কারণে এখন থেকে আর তাকে মেসির পাশে দেখা যাবে না।

লিওনেল মেসির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ইয়াসিন চুকো সম্প্রতি মার্কিন ফুটবল লিগ এমএলএসের নিয়ম ভাঙায় নিষেধাজ্ঞার শিকার হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে মেসির সঙ্গে পাড়ি দেওয়ার পর থেকেই তার দৃঢ় শারীরিক গঠন এবং মাঠে মেসির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চুকো প্রায়ই খেলোয়াড়দের নির্ধারিত ক্ষেত্রের বাইরে গিয়ে ভক্তদের ঠেকিয়ে দেওয়ায় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। তবে এমএলএস কর্তৃপক্ষের নতুন নিয়মের কারণে চুকোকে এখন থেকে খেলার সময় মাঠে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) নিয়ম অনুযায়ী, খেলা চলাকালে শুধুমাত্র খেলোয়াড়, কোচ ও রেফারিরা মাঠে প্রবেশ করতে পারেন। নিয়মের বাইরে গিয়ে মাঠে প্রবেশ করার জন্য ইয়াসিন চুকোকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, এবং এখন থেকে তিনি কেবল মাঠের বাইরে থেকে মেসির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবেন।

এ সম্পর্কে চুকো নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "আমি নিজে সমস্যা নই, সমস্যাটা এখানকার। ইউরোপে সাত বছর কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার, সেখানে আমি শুধু ৬ জনকে মাঠে প্রবেশ করতে দেখেছি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে গত ২০ মাসে ১৬ জন মাঠে ঢুকেছে। আমি মেসিকে সাহায্য করতে চাই, তবে আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে।”

ইয়াসিন চুকো আরও বলেন, “আমি এমএলএস ও কনকাকাফ ফুটবলকে ভালোবাসি, তবে আমাদের আরও ভালোভাবে একসাথে কাজ করা উচিত। আমি যে নিষেধাজ্ঞা পেয়েছি, সেটা মেনে নিয়েছি, কিন্তু আরও ভালো কাজ করতে পারতাম।”

এদিকে, চুকোর সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার পর এমএলএস কর্তৃপক্ষ মাঠে মেসির নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। তাছাড়া, নিজের দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা দলটির ৫০ সদস্যকে সমন্বয় করছেন চুকো, যারা মেসি ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে ও মাঠের বাইরে কাজ করছেন।

মেসির সঙ্গে কাটানো কয়েক মাসের অভিজ্ঞতা নিয়ে চুকো বললেন, “নিজেকে শুধু মেসির দেহরক্ষী নয়, তার পরিবারের একজন সদস্য মনে করি। আমি শুধু শারীরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করি না, মানসিকভাবেও তাকে রক্ষা করি। মেসি আমাকে পুরোপুরি বিশ্বাস করে, এবং আমি তার ওপর মনোযোগ দিয়ে কাজ করি।”

মেসি ২০২৩ সালে পিএসজি ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পরই ইয়াসিন চুকোকে নিজের দেহরক্ষী হিসেবে নিয়োগ দেন। এরপর থেকে তিনি মেসির নিরাপত্তার দায়িত্বে নিযুক্ত। এমনকি মেসি ও তার স্ত্রীর একাকী সময় কাটানোর মুহূর্তগুলোতেও চুকো তাকে কাছ থেকে তদারকি করতে দেখা যায়।

এমনই একজন নিরাপত্তাকর্মী যিনি মেসি ও তার পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর থাকলেও, এমএলএসের নিয়মের কারণে এখন থেকে তাকে মাঠের বাইরে থেকেই তার দায়িত্ব পালন করতে হবে।

Header Ad
Header Ad

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ

ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আধা ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের কাছে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণসহ বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরা হয়েছে।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

শফিকুল আলম বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি অত্যন্ত গঠনমূলক ও ফলপ্রসূ হয়েছে। আমাদের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে।’

প্রেস সচিব বলেন, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং ভারতে বসে তিনি উস্কানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছেন, এসব বিষয় বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়া সীমান্তে হত্যা, তিস্তা নদীর পানি বন্টনসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বা বাংলাদেশ অন্যান্য যেসব বিষয় তুলে ধরেছে সেসব বিষয়ে ভারত কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সে সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। শুরুতে ভারতের ধারণা ছিল এটা একটা ‘স্টপওভার’ আর তার মেয়াদ বড়জোর ছয়-সাত ঘণ্টা। সেই ভুল ভাঙতে অবশ্য দিল্লির সময় লাগেনি। প্রায় ৮ মাস হতে চললেও শেখ হাসিনাকে এখনও পাঠানো সম্ভব হয়নি তৃতীয় কোনো দেশে– এবং রাষ্ট্রের অতিথি হিসেবে তিনি আজও ভারতেই অবস্থান করছেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এই প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হলো। এর আগে গতকাল বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন। নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশ কিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলতে দেখা গেছে।

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন ২ থেকে ৪ এপ্রিল ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা