বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪ | ৬ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হলেই নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য বলা যায় না

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে ঠিকই, তবে গ্রহণযোগ্য হয়নি। নির্বাচনে বিরোধী দল না থাকলে সেই নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য বলা যায় না। আর বিএনপিই এখানে প্রথম বিরোধী দল। তাদের কোনো প্রার্থী নির্বাচনে ছিল না।

২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী যেভাবে হয়রানি, নির্যাতন, হামলা, মামলার শিকার হয়েছিলেন, তাতে তারা নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। আর যেখানে বিরোধী দলের প্রার্থী নেই, সেখানে সত্যিকার চয়েস (বেছে নেওয়ার সুযোগ) থাকে না। তাই এ নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বলা যাবে না।

কয়েকটি কারণে গাজীপুরে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে বলা যায়। ২০১৮ সালে বিএনপি প্রার্থীকে মাঠছাড়া করা হয়েছিল, এবার তেমন প্রতিপক্ষ ছিল না। যেহেতু বিরোধী দলের প্রার্থী ছিল না, তাই দলীয়ভাবে অনুগত প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা বোধ করেনি। সরকারি দলের নেতা-কর্মীরাও বাড়াবাড়ি করেনি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতিতে পরিবর্তনও নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে বড় ভূমিকা রেখেছে। কারণ, সরকারি দলের নেতা-কর্মী বা যারাই নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন, তাদের মাথার ওপর ভিসানীতির খড়গটা ছিল। নির্বাচনী অপরাধে লিপ্ত হলে তারা নিজেরা ও পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন। আর এই ভিসাটা সবার কাছে আকর্ষণীয়।

প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে ফলাফল যে কারও পক্ষেই যেতে পারে, যা পুরোপুরি প্রার্থীদের ভোটারদের সমর্থন আদায়ের উপর নির্ভর করে। যেসব নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হয় সেগুলোতে ভোট পড়ার হারও বেশি হয়। পক্ষান্তরে, নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ না হলে বা একতরফা হলে ভোটাররাও ভোট প্রদানে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। একাদশ সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী নির্বাচনগুলো যার উৎকৃষ্ট উদাহরণ। নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হলে ভোটারদের সামনে প্রার্থী বেছে নেওয়ার অর্থপূর্ণ বিকল্প থাকে, ফলে ভোটারদের প্রদত্ত ভোট নির্বাচনের ফলাফলের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব রাখতে পারে।

এদিকে জাতীয় নির্বাচনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার রদবদল হবে। সেখানে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। অর্থাৎ যিনি দলের প্রধান, তিনিই সরকারপ্রধান, তিনিই সংসদের প্রধান এবং তার মন্ত্রিসভার অধীনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সেখানে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে তা কোনোভাবেই বলা যায় না। তবে মার্কিন ভিসানীতি যেহেতু জাতীয় নির্বাচনেও প্রযোজ্য, তাই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হলেও হতে পারে। তবে নিশ্চয়তা দেওয়া যাবে না। বরিশালে সরকারি দলের মধ্যেই বিভক্তি আছে। সেখানে শক্তিশালী বিরোধী প্রার্থী আছে। সেখানেও নির্বাচন শাক্তিপূর্ণ হবে নিশ্চিত করে বলা যাবে না।

মনে রাখতে হবে, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য অনেকগুলো স্টেক হোল্ডার বা অংশীজন থাকে। যার মধ্যে নির্বাচন কমিশন হলো সবচেয়ে বড় অংশীজন। নির্বাচন কমিশনকে অগাধ ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে। বুঝতে হবে এটা সাংবিধানিকভাবে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। কাজেই এই প্রতিষ্ঠানে সঠিক ব্যক্তি নিয়োগ পাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি যে, আইন প্রণয়নের মাধ্যমে, আইনের বিধি-নিষেধের মাধ্যমে একটি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় যদি কয়েকজন ব্যক্তিকে নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ দেওয়া হয় তাহলে নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরে আসবে। সেক্ষেত্রে আশা করা যায় যে, আগামীতে আমরা একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পেতে পারি।

বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)

আরএ/

Header Ad

মিয়ানমারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমরাও পাল্টা গুলি চালাবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বক্তব্য রাখছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, মিয়ানমার আর্মি ও আরাকান আর্মিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তারা যাতে বাংলাদেশের দিকে আর গুলি না চালায়। তা না হলে আমরাও পাল্টা গুলি চালাবো।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিজ দফতরে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারে বিভিন্ন জাতি-গোষ্ঠী সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে। আমরা যতদূর শুনেছি আরাকান রাজ্যে আরাকান আর্মি অনেক এলাকা দখল করে নিয়েছে। সেজন্য মিয়ানমারের যে বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) তারা আত্মরক্ষার্থে আমাদের এলাকায় পালিয়ে আসছে। কাজেই সেখানকার অবস্থা কী, সেটা আমরা বলতে পারব না। তবে এটুকু বলতে পারি, তারা মাঝে মাঝে ভুল করে আমাদের বিজিবি দলের ওপর গুলি করেছিল। সেটা তাদের জানিয়েছি। তারা যেটা বলছে যে সুনির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশের পতাকা যেন উড়িয়ে যায়, তাহলে আর কেউ গুলি করবে না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিন যেতে হলে আমাদের এলাকায় নাফ নদী কিছু নাব্য হারিয়েছে। কাজেই সেখান দিয়ে আমাদের নৌ চলাচল করতে পারে না। মিয়ানমারের অংশ দিয়ে যেতে হয়। যে কারণে এ বিপত্তিটা ঘটেছে।

তিনি বলেন, কখনো মিয়ানমার আর্মি, কখনো আরাকান আর্মি ফায়ার ওপেন করে। আমরা উভয়কেই বলে দিয়েছি তারা আর যদি গুলি করে, আমরাও পাল্টা গুলি করব। ওখানে থেকে আর কোনো গোলাগুলি হচ্ছে না। এখানে মিয়ানমারের যে দুটি জাহাজ ছিল সেগুলো ফেরত নিয়ে গেছে। আমরা আশা করছি, সেখানে আর গুলি হবে না। তারপরও আমাদের যারা ওই পথ দিয়ে যাতায়াত করছেন, তারা সাবধানতা অবলম্বন করবেন।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা

ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী (প্লাটিনাম জুবিলি) উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের যৌথ সভায় এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। হীরকজয়ন্তী উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভাসহ ১০ দফা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে দলটি।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আগামীকাল ‌শুক্রবার (২১ জুন) দুপুর ৩টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন থেকে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর র‍্যালি শুরু হবে, যা ৩২ নম্বরে গিয়ে শেষ হবে।

পরের দিন রবীন্দ্র সরোবরে হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ ছাড়াও আগামী রবিবার (২৩ জুন) সকাল ৭টায় ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাবেন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা। পরে দুপুরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশ হবে।

দিনটি উপলক্ষে সারা দেশে গাছ লাগানোর জন্য ‘সবুজ ধরিত্রী’ অভিযান পরিচালনা করা হবে। আগামী সোমবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় হাতিরঝিলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে। এরপর ২৮ জুন হবে সাইকেল র‍্যালি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে দেশের সব মহৎ অর্জন আওয়ামী লীগের মাধ্যমেই অর্জিত হয়েছে। গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস পেরিয়ে এসেছে এ দল।’

তিনি সিলেট অঞ্চলের জনপ্রতিনিধিদের পানিবন্দি মানুষকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছেন। সিলেটে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। এই অবস্থায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ত্রাণ কার্যক্রম এবং উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে।’

ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে

যমুনা নদীতে বাড়ছে পানি, ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ

বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে পানি বাড়ছে। একইসঙ্গে শুরু হয়েছে নদীর পাড় ভাঙন। বিগত ভাঙনের পর যেটুকু সম্বল বেঁচে ছিল, সেটিও ভাঙনের আশঙ্কায় চরম হতাশায় দিন পার করছেন নদীপাড়ের শতশত ভাঙন কবলিত মানুষ। ইতোমধ্যে কিছু কিছু এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) দুপুরে উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের এলাকায় ঘুরে দেখা যায়- চিতুলিয়াপাড়া, ভালকুটিয়া, কষ্টাপাড়া ও নিকরাইল ইউনিয়নের মাটিকাটা, পাটিতাপাড়া, কোনাবাড়ী এলাকাসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় কয়েক দিন ধরে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষগুলো।

নদীপাড়ের মানুষের অভিযোগ, গেল বছর ভাঙনরোধে খানুরবাড়ী, চিতুলিয়াপাড়াসহ বিভিন্নস্থানে নামমাত্র নিম্নমানের জিও ব্যাগ ফেলে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। সেগুলো এখন ধসে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এছাড়া প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রভাব খাটিয়ে নিজ নিজ বাড়ির সামনে জিওব্যাগ ফেলে। দরিদ্র পরিবারের বাড়ির সামনে জিওব্যাগ ফেলা হয় না।

বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

গত বছর ভাঙনের শিকার একাধিক ব্যক্তিরা বলেন- শুকনো মৌসুমে বালু ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে নদীতে জেগে ওঠা চর কেটে ট্রাকযোগে বিক্রি করে। এতে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে নতুন নতুন এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা যায় না। যার কারণে নদীতে পানি আসলে ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়।

গত বছর বন্যায় ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেলা গাইড বাঁধের জিওব্যাগ আনলোড ড্রেজারগুলোর কারণে ধসে যাচ্ছে। যার ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত পাকা ও আধ-পাকা সড়ক, গাইড বাঁধ বসত-বাড়ি, মসজিদ-মন্দির, ছোট-বড় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা স্থাপনা ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে।

পাটিতাপাড়ার ওমেছা, সুফিয়া ও কোরবান আলী বলেন- যমুনা নদীতে গত কয়েকদিন ধরে পানি বাড়ছে। এতে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে ভাঙনও দেখা দিয়েছে। কিন্তু ভাঙনরোধে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। গত বছর বসতভিটা ভেঙে যেটুকু থাকার জায়গা ছিল সেটি এবারও চোখের সামনে নদী গর্ভে বিলীনের পথে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মামুনুর রশীদ বলেন- কিছুদিন ধরে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি শুরু হয়েছে। কিন্তু ভাঙনের বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম। ভাঙনরোধে ঊর্ধ্বতন দপ্তরে অবগত করাসহ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কথা বলব এবং ভাঙনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইল জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন- ভূঞাপুরে ভাঙনের বিষয়টি ইউএনও’র মাধ্যমে জানতে পারলাম। ভাঙন এলাকাগুলোর মধ্যে গোবিন্দাসী ও নিকরাইলের জন্য একটি প্রকল্প জমা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকার ইকোনমিক জোনের কাজ শুরু হলে স্থায়ী বাঁধ হয়ে যাবে।

সর্বশেষ সংবাদ

মিয়ানমারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমরাও পাল্টা গুলি চালাবো: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা
যমুনা নদীতে বাড়ছে পানি, ভাঙন আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্মকালীন ছুটি কমল, শনিবার ছুটি বহাল
বিষাক্ত মদপানে নারীসহ ৩৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৫৫
শিল্পীদের ১০ লাখ টাকা ঈদ উপহার দিলেন ডিপজল
বিয়ের আসরে স্ত্রীর দাবি নিয়ে হাজির বরের খালাতো বোন
সুপার এইটে আসতে পেরে খুশি, এখন যা হবে বোনাস: হাথুরুসিংহে
বিএনপি ভারতের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক তৈরি করে দেশের ক্ষতি করেছিল: ওবায়দুল কাদের
যাত্রাবাড়ীতে বাসায় ঢুকে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা
নওগাঁয় ঈদের আগে ও পরে সড়কে ঝরে গেল ৫ প্রাণ
বিশ্ব শরণার্থী দিবস আজ
মিয়ানমার থেকে গুলিবর্ষণের ঘটনা জাতিসংঘে উত্থাপন
ক্যারিবীয়দের গুঁড়িয়ে দিয়ে সুপার এইটে শুভসূচনা ইংল্যান্ডের
৩ বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস
পালিয়ে মায়ের কাছে যাওয়ার চেষ্টা, সাততলার কার্নিশে আটকে গেল কিশোরী
প্রেমিকা নিয়ে দ্বন্দ্ব, ‘বিশেষ অঙ্গ’ হারালেন দুই বন্ধু
১৫ লাখ টাকায় ছাগল কেনা ইফাত আমার ছেলে নয়: রাজস্ব কর্মকর্তা
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে কর্মচারীদের মানববন্ধন
সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানিবন্দি ৭ লাখ মানুষ