বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ ২০২৫ | ২৮ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আদর্শে উজ্জীবিত হোক তরুণ প্রজন্ম

আজ ১৪ ডিসেম্বর। শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। আমার ভাই শহীদ মুনীর চৌধুরীকে আমরা এদিন হারিয়েছি। ১৯৭১ এর এই দিনে তাকে ধরে নিয়ে নিয়ে যায় পাক হানাদার বাহিনী। আমি তখন ছিলাম দিল্লিতে। ঠিক তখনই আমি খবরটি পাই। নানা রকম উড়ো খবর আসে। দূরে থাকলে যেমনটি হয়, ব্যাপারটি সত্যি না মিথ্যা, বুঝতে পারি না। আমার তো ৮টি ভাই। কবির চৌধুরী, মুনীর চৌধুরীসহ এ রকম কয়েক জনকে ধরে নিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আমরা করেছিলাম। যখন আমার কানে খবরটি পৌঁছায় যে, মুনীর চৌধুরীকে ধরে নিয়ে গেছে, ভাইতো ! আমি অস্থির হয়ে উঠি। এদিকে খবর আসছে দেশ স্বাধীন হয়ে আসছে!

সেদিনটির কথা মনে পড়ে। আমি খুব আনন্দিত যে, দেশে ফিরছি। আমি আমার স্বামী রামেন্দু মজুমদারকে খাবার দিব। উনি স্বাধারণত খাওয়া দাওয়ার পরে শুয়ে পড়েন। কিন্তু সেদিন ঘুমাচ্ছেন না। তখন আমি তাকে বললাম, তুমি খেয়ে শুয়ে পড়। আজ দেরি করছ কেন? তখন উনি আমাকে বললেন, আচ্ছা, তুমি এদিকে এসো। আমি বুঝতে পারছি, কিছু একটা হয়েছে ! আমি পাশে বসতেই তিনি বললেন, দেখো, তোমাদের পরিবারের সবাই খুব ধৈর্যশীল এবং সচেতন। তারা খুবই সংযত। সহজেই ভেঙ্গে পড়েন না। এসব কথার মাঝেই আমার বুকের ভেতর কিছু একটা হচ্ছে ! আমি বললাম, কি হয়েছে? তখন উনি বললেন, দেখো, মুনীর ভাইকে ধরে নিয়ে গেছে।

সেই মুহূর্তটি আমি বর্ণনা করতে পারি না। মুনীর ভাইকে ধরে নিয়ে গেছে, আরও অনেককেই ধরে নিয়ে গেছে। আমি সে রাতে ঘুমাতে পারি নাই। আমার কোন অনুভূতি ছিল না। আমি চুপচাপ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার ফরাসী ভাষার শিক্ষক, মাদাম হুক, উনি আমাকে খুবই স্নেহ করতেন। সেদিন তার কথায় আমি একটি বিষয় উপলব্ধি করি যে, মানুষ কাউকে না কাউকে পাবেই তাকে ভালবাসার জন্য, স্বান্তনা দেওয়ার জন্য। উনি আমাকে বললেন যে, তুমি অস্থির হচ্ছ কেন? ভেঙ্গে পড়ো না।

মুনীর চৌধুরীকে কেন নিয়ে গেলেন? উনি আমাকে বললেন উনাকে, উনাদের মত মানুষদেরকেইতো নিয়ে যাবে, একটি দেশকে খোড়া করে দেওয়ার জন্য বুদ্ধিজীবীদেরকে তো নিতে হবেই। তিনি আমাকে ঘুমের ঔষধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিলেন।

মুনীর চৌধুরী অভ্যাসবশত গোসল করে এসে মা দুপুরের খাবার দিলে তখন খেতে বসতেন। মা খাবার বেড়ে না দিলে উনি বসতেন না। সেদিন মা বললেন যে, মুনীর তুমি একটু বসো। আমি যোহরের নামাজটি পড়ে নিই। তারপর ভাত দিব।তিনি ভাত খেতে পারেন নি।

মুনীর চৌধুরীর কাছে অনেকেই আসতেন। তিনি বাসায় এমনিতে বলে রেখেছিলেন যে, কেউ যদি বলে যে, স্যার আছেন? তাহলে দরোজা খুলে দিবে। কিন্তু যারা সেদিন এসেছিল ওরা ছিল আলবদর। স্যার আছেন? বলাতে আমার ইমিডিয়েট বড় যিনি তিনি দরোজা খুলে দিয়েছিলেন। মুনীর ভাই তখনও শার্ট পড়েননাই।

পাঞ্জাবি আর লুঙ্গি পরা। দরোজা খুলে দেওয়ার পরেই তাঁর পিঠে বন্দুক রাখা হল। আমার ভাই তখন বুঝতে পেরেছেন। উনি তখন বললেন যে, আমি শার্ট পরে আসি। উনি জামা পরে আসলেন। চোখ বন্ধ করে উনাকে নিয়ে যাওয়া হল। আরও একজন মোফাজ্জ্বল হায়দার চৌধুরী স্যার, উনি আমার সরাসরি শিক্ষক ছিলেন। স্যার, অত্যন্ত জ্ঞানী, শান্ত প্রকৃতির, অমায়িক, জীবনে এত লেখাপড়া, এত ভাল ফলাফল তার হয়েছে যে, যেটি না বললেই নয়। উনাকেও নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এ রকম অনেক গুণি মানুষকে নিয়ে যাওয়া হল। যারা সমাজের মাথা ছিলেন তাদেরকে বেছে বেছে নিয়েছে এবং তাদের প্রতি অত্যাচারের মাত্রাও এমন নিসংশ ছিল যে, তা বর্ণনাতীত। যেমন ডাঃ রাব্বী হার্ট স্পেশালিষ্ট ছিলেন, উনার হার্ট কেটে নেওয়া হয়েছে। ডাঃ আলীম চোখের ডাক্তার ছিলেন, তার চোখ উপড়ে নেওয়া হয়েছে। এভাবে কস্ট দিয়ে, যন্ত্রণা দিয়ে উনাদের হত্যা করা হয়েছে। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস ! তাঁরা এটি পাওয়ার মত লোক ছিলেন না! যাইহোক, আমরা অনেকদিন আশা করেছিলাম যে, উনাকে পাওয়া যাবে। আমরা তাঁর লাশও পাইনি। আমি শুধু উনার কথা বলব না, আরও বুদ্ধিজীবী যারা উনার সাথে ছিলেন, যাদেরকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তাদের অনেকেরই কোনো খোঁজ মিলেনি।

বঙ্গবন্ধুর কারণে আমরা যেভাবে মাত্র ন’মাসে একটি স্বাধীন দেশ পেয়েছি। কিন্তু একটি দেশ পাওয়া যত কষ্টকর, সেটি রক্ষা করা আরও বেশি কষ্টকর। এই দেশটিকে আমাদের পরিচর্যা করা উচিত ছিল। আমরা সেটি করতে পারি এবং আমাদের সেটি করা উচিত। আমরা যদি দেশটিকে ভাল না বাসি, দেশ থেকে সাম্প্রদায়িকতা দূর করতে না পারি, আসলে সেরকম কিছুইতো আমরা কার্যত করতে পারি নি। ষড়যন্ত্র, সাম্প্রদায়িকতা, লুটপাট, নির্যাতন, সবই কিন্তু চলছে। আমার শংকা এটিই যে, আমরা যদি নিজেদের মন কে পরিশুদ্ধ না করি, তাহলে বোধয় এ দুক্ষ আর কখনও ঘুচবে না।

আরেকটি বিষয় যেটি, বুদ্ধিজীবী দিবস আসছে। স্বাধীনতা দিবস আসছে। তখনই কেবল আমরা এসব কথা বলি অথবা স্মরণ করি। আমি বলব, যারা দেশের জন্য মূল্য দিয়ে গেছেন, আমরা যেন তাদের স্মরণ করি অন্য সময়েও। আমরা যেন তাদের প্রাপ্য সম্মানটুকু করতে পারি শ্রদ্ধার সাথে। তাহলে বাংলাদেশের মানুষ নিশংসতা ভুলে সুখে কালাতিপাত করতে পারে না। এর প্রতিদানতো আমাদের দিতেই হবে। আমি আর বেশি কিছু বলতে চাই না। শুধু এটুকুই বলব যে, আমার মত অনেক পরিবারই তাদের স্বজন হারিয়েছেন। স্বজন হারানোর বেদনাটুকু হয়তো তাঁরাও মাঝেমাঝে ভুলে যান। কারণ জীবনতো চলতে হবে। আমার মনে হয়, মনে করেই আমাদের তাদের স্মরণ করা উচিত। এই দুঃখগুলো আমাদের ভুলে যাওয়া উচিত না।

বঙ্গবন্ধুর ন’ মাসে তার চরিত্রের যে দৃঢ়তা এবং সংকল্পের জোরে বাংলাদেশকে আমরা লাভ করেছি। তা না হলে আমাদের আরও কী অবস্থা হতো, আরও কতটা খারাপ অবস্থা হতো, সেটা কল্পনা করাও কঠিন! আমি সকল শহীদদের সশ্রদ্ধ চিত্তে স্মরণ করি ও তাদের আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

লেখক: নাট্যব্যক্তিত্ব

Header Ad
Header Ad

আমি জানি না, ওরা কেন মাঠ থেকে অবসর নিতে চায় না : খালেদ মাহমুদ সুজন

আমি জানি না, ওরা কেন মাঠ থেকে অবসর নিতে চায় না : খালেদ মাহমুদ সুজন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের ক্রিকেটে আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেওয়ার সংস্কৃতি এখনো গড়ে ওঠেনি। সর্বশেষ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবসরের ঘোষণা দেওয়ার পর এই প্রসঙ্গ আবার আলোচনায় এসেছে।

২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ খেলে ফুলের তোড়া হাতে নিয়ে হাসিমুখে বিদায় নিয়েছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। একইভাবে ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিদায় নিয়েছিলেন মোহাম্মদ রফিক। কিন্তু এরপর থেকে দুই দশকের বেশি সময়েও বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে মাঠ থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায়ের দৃশ্য দেখা যায়নি।

এ প্রসঙ্গে খালেদ মাহমুদ সুজন বলেন, “ওদের ক্যারিয়ার বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য অসাধারণ ছিল। মাঠ থেকে বিদায় নেওয়ার সুযোগ ওদের প্রাপ্য ছিল। যারা ভালোবেসেছে ও সমর্থন দিয়েছে, তারাও চাইত গ্যালারি ভরা দর্শকের হাততালির মধ্যে তারা বিদায় নিক। কিন্তু সেই সুযোগটা আর হলো না। কেন মাঠে অবসর নেয়নি, সেটা ওরাই ভালো বলতে পারবে।”

অনেকে মনে করেন, বোর্ডের পরিকল্পনার অভাবের কারণেই এমনটা ঘটছে। তবে সুজন এই দাবির সঙ্গে একমত নন। তিনি বলেন, “যখন আমি অবসর নিয়েছিলাম, আগেই জানিয়েছিলাম সেটাই আমার শেষ ম্যাচ। কিন্তু যদি কেউ না জানায়, বোর্ড বুঝবে কীভাবে? ক্রিকেটাররা আগেই বললে বোর্ডও সম্মানজনক বিদায়ের ব্যবস্থা করতে পারে।”

সম্প্রতি মুশফিকুর রহিম ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে এবং মাহমুদউল্লাহ সব ফরম্যাট থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। তাদের এমন সিদ্ধান্তকে সময়োপযোগী বলেই মনে করছেন সুজন। তার মতে, “ওরা চাইলে হয়তো আরও কিছুদিন খেলতে পারত। কিন্তু মাঠ থেকে বিদায় নিলে সেটা আরও স্মরণীয় হয়ে থাকত।”

মাঠ থেকে বিদায় নেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তোলা না গেলে ভবিষ্যতেও এই ধরনের পরিস্থিতি চলতেই থাকবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

Header Ad
Header Ad

উপদেষ্টা মাহফুজ শাহরিয়ার কবিরদের ভাষাতেই কথা বলেছেন : জামায়াত

উপদেষ্টা মাহফুজ শাহরিয়ার কবিরদের ভাষাতেই কথা বলেছেন : জামায়াত। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার ১৩ মার্চ এক বিবৃতিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের মন্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, মাহফুজ আলম গত ১২ মার্চ ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেছেন যে, “জামায়াত যুদ্ধাপরাধের সহযোগী ছিল।” মিয়া গোলাম পরওয়ার এ বক্তব্যকে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা আখ্যা দিয়ে বলেন, মাহফুজ আলম জামায়াত সম্পর্কে যে মন্তব্য করেছেন তা আসলে একটি প্রতিবেশি দেশের গুপ্তচর শাহরিয়ার কবিরদের ভাষার অনুকরণ।

তিনি আরও বলেন, মাহফুজ আলমের উচিত স্মরণ রাখা যে, তিনি একটি অরাজনৈতিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা এবং কোনো রাজনৈতিক দলকে টার্গেট করে এমন মন্তব্য করার অধিকার তার নেই। এমন মন্তব্য দিয়ে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অরাজনৈতিক চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন যে, শেখ মুজিবুর রহমানের সময় গঠিত তদন্ত কমিশনেও জামায়াতের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এমনকি অধ্যাপক গোলাম আযম সুপ্রিম কোর্টে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে নাগরিকত্ব ফিরে পেয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের প্রভাবিত বিচার এবং স্কাইপ কেলেঙ্কারি, বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বক্তব্য এবং সাঈদীর মামলার সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীর বক্তব্য এই বিচার ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, জামায়াতে ইসলামী আহলে সুন্নত আল জামায়াতের অনুসারী এবং এর আক্বিদার বিষয়ে প্রশ্ন তোলা অযৌক্তিক। জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার পর থেকেই দেশের বিভিন্ন ইসলামি দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন করে আসছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আশা প্রকাশ করেন যে, মাহফুজ আলম তার মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করবেন এবং ভবিষ্যতে এমন বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

Header Ad
Header Ad

নওগাঁ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

শফিউল আজম টুটুলকে আহ্বায়ক ও মোস্তাফিজুর রহমান মানিককে সদস্য সচিব করে নওগাঁ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) রাতে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানি ও সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান এই কমিটি অনুমোদন দেন।

কমিটির অন্যান্য নেতারা হলেন, যুগ্ম-আহ্বায়ক দেওয়ান কামরুজ্জামান কামাল,মো. জাহাঙ্গীর আলম গুলজার, শামিম নুর আলম শিপলু,মো. মাহমুদ হাসান,গোলাম মোস্তফা তাতু,আলম তাজ তাজু,মো. মিজানুর রহমান রনি, মো. মামুনুর রশিদ,আব্দুল্লাহ আল মামুন শিমুল,হাসিবুর রহমান প্লাবন,মো. নূর নবী,মো. আব্দুল বারী তুহিন,মো. রাগিব শাহরিয়ার কৌশিক,মো. শহিদুজ্জামান সৌরভ,মো. ফারহিম ইসলাম মুন্না।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

এছাড়া সদস্যরা হলেন, আব্দুল বারী হিরা, মহসিন আলী,মুশফিকুর রহমান সুজন চৌধুরী,মেহেদী হাসান পলাশ,মো. হেলাল উদ্দিন,আরিফুল ইসলাম বাপ্পী,স্বাধীন সরদার,কে এম রাব্বি রিফাত স্বচ্ছ,মো. সুরুজ সরকার,মো. মামুনুর রশিদ বুলেট,মো. মাসুদ রানা,মো. শাহরিয়ার হক রাজু,মো. সালমান ফারসী রাজ,মো. শামীম হোসেন, মো. ইস্রাফিল আলম তিতাস,মো. রায়হানুল ইসলাম রিপন,মো.শামস বিন আইয়ুব,মো. আশাদুল ইসলাম,মো. রুহুল আমিন মল্লিক,মো. ইশতিয়াক আহমেদ মিনার,মো. এনামুল হক (দপ্তরের দায়িত্বে),মো. রাকিন হোসেন (সহ-দপ্তরের দায়িত্বে),মো. পাঠান মুরাদ,মো. আশিক আহমেদ শাওন,মো. সবুজ হোসেন,মো. ডলার,শ.ম. আলেফ হোসেন সুমন,মো. শহীদুজ্জামান মুরাদ,মো. রিপন রেজা, এ্যাড, আলতাফ হোসেন উজ্জল,সোহেলী আক্তার শুভ,সোহাগ কুমার কর্মকার,মোঃ ওমর ফারুক (ওমর),মো. স্বাধীন আহমেদ।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

আমি জানি না, ওরা কেন মাঠ থেকে অবসর নিতে চায় না : খালেদ মাহমুদ সুজন
উপদেষ্টা মাহফুজ শাহরিয়ার কবিরদের ভাষাতেই কথা বলেছেন : জামায়াত
নওগাঁ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা
শিশু আছিয়ার দাফন সম্পন্ন, অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন দিলো বিক্ষুব্ধ জনতা
বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন ড. ইউনূস
‘২০২৬ সালেই বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে উত্তরণ করা হবে’
নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি শোভনের বাবা গ্রেপ্তার
শুক্রবার থেকে বন্ধ হচ্ছে দেশের সব পর্ন ওয়েবসাইট
ট্রাম্পের গাজা দখলের পরিকল্পনা থেকে সরে আসা নিয়ে যা বলল হামাস
গাম্বিয়ার সঙ্গে ভিসা অব্যাহতি চুক্তি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীরতর করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
স্ত্রীসহ সাবেক বিজিবি প্রধান সাফিনুল ইসলামের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
মাগুরার শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার ৭ দিনের মধ্যে শুরু হবে: আইন উপদেষ্টা
আছিয়ার মরদেহ সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে মাগুরায় নেওয়া হবে
ঢাকায় পৌঁছেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস
সোয়া ২ কোটি শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল
ধর্ষণের হুমকি পেলেন ভাইরাল কন্যা ফারজানা সিঁথি, অতঃপর...
যমুনা সেতু মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ২৫
নওগাঁ মেডিকেল কলেজ নিয়ে ষড়যন্ত্র বন্ধ ও স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের দাবি
চুয়াডাঙ্গায় ১ লাখ ৪৭ হাজার শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাপসুল
টাঙ্গাইলে ‘বঙ্গবন্ধু সেনানিবাস ও বঙ্গবন্ধু ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ’র নাম পরিবর্তন