শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বিকল্প কৌশলে নির্বাচনে যেতে মরিয়া জামায়াত!

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে মরিয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ জন্য নানা কৌশল খুঁজছে দলটি। দলের নিবন্ধন ফেরত পেতে আইনি লড়াইয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্বও দেওয়া হচ্ছে। সম্ভব না হলে ভিন্ন নামে নিবন্ধনের চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী দলটি। তবে নিবন্ধন পেতে ব্যর্থ হলে অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মিশে নিজেদের করে নিয়ে সেই দলের প্রার্থী হওয়ার বিষয়েও আলোচনা অব্যাহত রেখেছেন জামায়াতের নেতারা। দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট নেতারা বলোন, নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতের সঙ্গে পুরোনো সম্পর্ক বজায় রেখেই সরকারবিরোধী আন্দোলনে অন্যান্য দলকে পাশে টানছে বিএনপি। তবে আপাতত ২০ দলীয় জোটকে কিছুটা নিষ্ক্রিয় রাখা হচ্ছে সরকারবিরোধী অন্যান্য দলকে কাছে টানার লক্ষ্যে।

এদিকে, ভোটের মাঠে জামায়াত ইসলামীকে ফ্যাক্টর ধরে গোপনীয়তার সঙ্গেই বিএনপি ও ক্ষমতাসীন দলের নেতারা দলটির রাজনীতির কৌশল জানতে দৌড়ঝাঁপ করছেন।

জানতে চাইলে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাছুম ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, অধিকাংশ বিরোধী দল যুগপৎ ধারার আন্দোলনের পক্ষে। আমরাও যুগপৎ আন্দোলনের বিষয়ে ঐকমত্য পোষণ করি। এ জন্য জনগণকে নিয়ে আমরাও তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করছি।

তিনি বলেন, ‘বেশ কয়েক বছর ধরে আমাদের দলের নিবন্ধনের বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। কাজেই আমরাও আইনি প্রক্রিয়াকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। তবে অনেকেই বিভিন্ন সময়ে নতুন দল গঠন করছেন। কখনো বলছেন তারা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত নন, আবার কখনো বলা হচ্ছে এটা জামায়াতের নিবন্ধন পাওয়ার বিকল্প কৌশল। আমাদের বক্তব্যে হচ্ছে, যারা নতুন সংগঠন বা দল করছেন তারা কি জামায়াতের রাজনীতি করেন? নাকি দল ছেড়ে নতুন দল গঠন করছেন, এই জবাব একমাত্র তারাই ভালো দিতে পারবেন। অপেক্ষা করুন, সময় হলে আপনারাও জানতে পারবেন।

হাইকোর্ট জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট রায় দেন। ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর দলটির নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন। ফলে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়েকটি আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন দলটির নেতারা।

এদিকে, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা বিকল্প পথে এগোচ্ছেন। এরই মধ্যে প্রক্রিয়াটি অনেক দূর এগিয়েছে। জানা গেছে, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (অলি আহমদ), বাংলাদেশ লেবার পার্টি (ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম) নেতৃত্বাধীন দলগুলোর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলছেন জামায়াতের নেতারা। যদিও জামায়াতের সঙ্গে নিজেদের সখ্যতাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম। তিনি বলেন, আমাদের দলে জামায়াতের পুনর্বাসনের কোন সুযোগ নেই। আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের দায় বহন করব না।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, জামায়াত নিষিদ্ধ দল নয়। দলের নিবন্ধন বাতিলের বিরুদ্ধে করা মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। অনেকে না বুঝে নতুন দলটি জামায়াতের বলে উদ্দেশ্যমূলক প্রচার চালাচ্ছে। নতুন দলের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। নতুন দল গড়তে চাইলে ঘোষণা দিয়ে করত জামায়াতে ইসলামী।

এদিকে বিএনপি-জামায়াতের জোট বহাল থাকলেও ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে। বিজয়ী হয়ে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে। মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দলটির তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী ও সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুজাহিদসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। সেই প্রেক্ষাপটে অনেকটাই রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল জামায়াত। আর সংগঠন হিসেবে যুদ্ধাপরাধে জড়িত থাকায় হাইকোর্টের রায় মেনে দলটির নিবন্ধন বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। যা এখন আদালতে বিচারাধীন।

তবে প্রকাশ্য কর্মসূচি খুব একটা না থাকলেও ভেতরে ভেতরে বেশ সুসংগঠিত বলে দাবি করছেন জামায়াত নেতারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৪ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে নেওয়া বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রস্তাবনা বিবেচনার জন্য সংগঠনের মজলিসে শূরার সদস্যদের কাছে পাঠানো হয়। এরপর শূরা সদস্যদের অভিমতের ভিত্তিতেই নতুন নামে দল গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এ নিয়ে পাঁচ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করা হয়। অবশ্য ওই কমিটি গঠনের তথ্য গোপন রাখার অভিযোগে ওই বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল পদ থেকে পদত্যাগ করেন লন্ডনে অবস্থানরত ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক। এরপর ১৬ ফেব্রুয়ারি শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার হন ছাত্র শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জু।

জামায়াতের বেশ কয়েকজন নেতাকে নিয়ে ‘জনআকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ’ নামে একটি প্ল্যাটফর্মে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেন ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক ও মুজিবুর রহমান মঞ্জু। পরে ২০২০ সালের মে মাসে তারা ‘আমার বাংলাদেশ পার্টি' বা ‘এবি পার্টি' নামে রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এ দলটিও এবার নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছে। কমিশনে আবেদন জমা দেওয়া জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি নামে আরেকটি দলেও জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা রয়েছেন। সবশেষ নতুন করে জমা দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) নেতারাও আগে জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের দায়িত্বশীল একজন জামায়াত নেতা ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াত ইস্যূতে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানামুখী তৎপরতা চলছে। সরকারবিরোধী আন্দোলন ও নির্বাচনে যেকোনো উপায়ে জামায়াতে ইসলামীসহ ইসলামী দলগুলোকে যেমন পাশে চায় বিএনপি; তেমনিভাবে ভিন্ন কৌশলে বিএনপির কাছ থেকে দূরে রাখতে চায় ক্ষমতাসীন দল।

তিনি বলেন, সারাদেশে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক অবস্থান রয়েছে।

দেশে ধর্মভিত্তিক দল ও গোষ্ঠীগুলোর অবস্থান আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ছিল। বারবার সে সুযোগটি কাজে লাগিয়েছে বিএনপি। ১৯৯১ সালে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করে তারা ক্ষমতায় আসে। তবে এর পরই এই দুই দলের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জামায়াতের সঙ্গে কৌশলগত ঐক্য গড়ে আওয়ামী লীগ। যুগপৎ আন্দোলনের মাধ্যমে বিএনপি সরকারের পতন ঘটায়।

এনএইচবি/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো