শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে যোজন যোজন পিছিয়ে বাংলাদেশ

সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে প্রতিবেশি ভারত ও মিয়ানমার থেকে যোজন যোজন পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। আধুনিক ইকুইপমেন্টের অভাবে দেশীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান বাপেক্স কোন অনুসন্ধান চালাতে পারছে না। যার ফলে ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হলেও দীর্ঘ ১০ বছরেও অনুসন্ধান সেভাবে শুরুই করেনি বাংলাদেশ।

অথচ এই সময়ের মধ্যে মিয়ানমার তাদের সমুদ্রসীমায় গ্যাস অনুসন্ধান শুরু করে এবং গ্যাসের সন্ধানও পেয়েছে। শুধু তাই নয়, মিয়ানমার ইতিমধ্যে গ্যাস উত্তোলনও শুরু করেছে।

ভারতও তাদের সমুদ্রসীমায় গ্যাস অনুসন্ধান শুরু করেছে। একটি ব্লকে বিপুল পরিমাণ গ্যাসের সন্ধানও পেয়েছে দেশটি। ভারতের আশা, ২০২৩ সালেই তারা ওই ব্লক থেকে গ্যাস উত্তোলন শুরু করতে পারবে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায়ও গ্যাসের সম্ভাবনা অতি উজ্জ্বল। তারপরও দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস অনুসন্ধানে তেমন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে বাংলাদেশকে এখন চাহিদা পূরণে উচ্চমূল্যে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করে পরিস্থিতি সামাল দিতে হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ বদরুল ইমাম বলছেন, পুরো আমদানি নির্ভর হওয়ায় ঝুঁকিতে পড়েছে বাংলাদেশে জ্বালানি খাত। বাংলাদেশকে অবিলম্বে গ্যাস অনুসন্ধানে কাজ শুরু করতে হবে। ২০১২ সালে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়েছে। এরপর মিয়ানমার তাদের সীমায় জোরালো অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়ে বড় আকারের গ্যাসক্ষেত্রে আবিষ্কার করেছে।

অনুসন্ধানের পূর্বাপর

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমার এবং বাংলাদেশের মধ্যে সমুদ্রসীমা বিরোধের নিষ্পত্তি উভয় দেশের জন্য একটি যুগান্তকারী ঘটনা ছিল। এই রায়ের আগে মিয়ানমার, বাংলাদেশ ও ভারত স্ব স্ব সমুদ্রসীমার কাছাকাছি তেল গ্যাস অনুসন্ধান সংক্রান্ত বিরোধে লিপ্ত ছিল।

বিরোধ নিষ্পত্তির পর থেকে ভারত ও মিয়ানমার তাদের অফশোর ব্লকে দক্ষ তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানকারীদের সম্পৃক্ত করে সক্রিয় কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে গেছে। এক্ষেত্রে তারা সফলতাও পেয়েছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ যেকোন অফশোর অনুসন্ধান কর্মসূচিতে উদ্যোগী হওয়ার ক্ষেত্রে ধীর এবং কম সক্রিয় ছিল। ভূতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি এখন বিশ্বাস করা হয় যে সমুদ্রসীমায় তিন দেশের সমস্ত অফশোর ব্লকগুলো সম্ভাব্য তেল এবং গ্যাস কাঠামো ধারণ করে।

পেট্রোলিয়াম পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সীমানার উভয় পাশে একটি একক গ্যাস আবিষ্কার হলে, যে দেশ প্রথমে সেখানে খনন করবে তারা এটি থেকে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ যদি দেরিতেও গ্যাস পায় তাহলে ভারত-মিয়ানমারের তুলনায় কম লাভবান হবে।

২০১২ সালে ঘোষিত বাংলাদেশ বিডিং রাউন্ডটি শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলো (আইওসি) থেকে শুধু উষ্ণ প্রতিক্রিয়া পেয়েছিল। বাংলাদেশ তখন ১১টি অফশোর ব্লকের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছিল।

২০১৪ সালে শুধুমাত্র ৩টি অগভীর সমুদ্র ব্লক আইওসি’কে দেওয়া হয়েছিল এবং গভীর সমুদ্রের ব্লকগুলোর জন্য কোনও কোম্পানি পাওয়া যায়নি। বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত তেল জায়ান্ট কোম্পানিগুলোর কোনটাই আবেদন করেনি।

আইওসি প্রতিনিধিদের মতে, অফশোরে অনুসন্ধানের জন্য আইওসিগুলোর জন্য প্রণোদনা তাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। গ্যাসের দাম নিয়ে আইওসি এবং সরকারের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।

মিয়ানমারের রাখাইন অববাহিকায় শ্বে, শোয়ে ফু এবং মিয়া গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে কোরিয়ান দাউই অয়েল এবং ভারতীয় ওএনজিসি’র কনসোর্টিয়াম। ভারতও দক্ষিণে অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলে কৃষ্ণ-গোদাবরী অববাহিকায় গ্যাস আবিষ্কার করেছে।

ভূতত্ত্ববিদরা বলছেন, মিয়ানমারের রাখাইন অফশোর অববাহিকা এবং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অফশোর ব্লকগুলি (টেকনাফ-চট্টগ্রাম উপকূল থেকে) ভূতাত্ত্বিকভাবে একই কাঠামোগত এককের অন্তর্গত যা ভাঁজ বেল্ট নামে পরিচিত। সুতরাং, রাখাইন অববাহিকায় যে ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়াগুলো বৃহৎ গ্যাস পুল তৈরি করেছে তার পরিপ্রেক্ষিতে ভূতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী অফশোর ব্লকগুলোতেও কাজ করা উচিত।

বাংলাদেশের অফশোর ব্লক এসএস-৯, এসএস-১০, এসএস-১১ এবং এসএস-১২ গ্যাসের জন্য সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা রাখে। এছাড়াও, অন্যান্য পূর্বাঞ্চলীয় অফশোর ব্লকগুলিতে হাইড্রোকার্বন থাকার উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে।

বাংলাদেশের এখন ২৬টি অফশোর ব্লক রয়েছে যার মধ্যে ১১টি অগভীর সমুদ্র এবং ১৫টি গভীর সমুদ্র ব্লক। মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তির পর থেকে, বাংলাদেশ আইওসি’র সঙ্গে প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট (পিএসসি) এর অধীনে মাত্র ৩টি অগভীর সমুদ্র এবং ২টি গভীর সমুদ্র ব্লক সক্রিয় করেছে।

এই ৫টি ব্লক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক কনোকোফিলিপস, অস্ট্রেলিয়ান স্যান্টোস, সিঙ্গাপুরভিত্তিক ক্রিস এনার্জি এবং ভারতীয় ওএনজিসি’র হাতে রয়েছে। এর মধ্যে কনোকোফিলিপসের রয়েছে দুটি ব্লক। এই কোম্পানিটি গ্যাসের দাম বাড়ানোর দাবি তোলে এবং বনিবনা না হওয়ায় ২০১৪ সালে চলে যায়।

এখন মাত্র তিনটি অফশোর ব্লক সক্রিয় রয়েছে। ২৩টি ব্লক ‍উন্মুক্ত রয়ে গেছে এখনো। এটি কোন মান দ্বারা একটি যুক্তিসঙ্গত অনুসন্ধান প্রচেষ্টা নয় বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সম্প্রতি জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নোত্তরে বলেন, পেট্রোবাংলার আওতাধীন দেশীয় অনুসন্ধান কোম্পানি বাপেক্সের স্থলভাগে সক্ষমতা থাকলেও সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও উৎপাদন বিশেষভাবে প্রযুক্তিনির্ভর ও ব্যয়বহুল হওয়ায় সে সক্ষমতা নেই।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, বাকি ব্লকগুলো ইজারা দেওয়ার জন্য করোনার আগে দরপত্র আহ্বান করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু করোনার কারণে আবার সেই প্রক্রিয়া পিছিয়েছে।

এগিয়ে ভারত-মিয়ানমার

২০১২ সালে বিরোধ নিষ্পত্তির পর মিয়ানমার দ্রুত তাদের ব্লকগুলোতে অনুসন্ধান শুরু করে। ২০১৬ সালেই থালিন-১ গ্যাস ব্লকে গ্যাস পাওয়ার ঘোষণা দেয় মিয়ানমার। এই গ্যাসক্ষেত্রে সাড়ে চার ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুদ রয়েছে। মিয়ানমার এখান থেকে গ্যাাস উত্তোলন শুরু করেছে এবং ভবিষ্যতে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাসের মুজদ বাড়তে পারে।

বঙ্গোপসাগরের ভারতীয় সীমায় কৃষ্ণা-গোদাভরি বেসিনে প্রায় ৫০ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুদ থাকতে পারে। ভারতের সমুদ্রসীমায় সরকারি প্রতিষ্ঠান ওএনজিসি, গুজরাট এস্টেট পেট্রোলিয়াম করপোরেশন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রিলায়েন্স গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে কাজ করছে। ২০২৩ সালের মধ্যে এখান থেকে গ্যাস উত্তোলন করতে পারবে বলে আশা করছে ভারত।

 

আরইউ/

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০

ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের বদরগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার ও দোকান ভাড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এক জন নিহত এবং সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার এবং বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও কালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম মানিকের অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি শহরের ঢেউটিন ব্যবসায়ী জাহিদুল হক জোয়ারদার এবং দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবুর মধ্যে দোকান ভাড়াকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া দ্বন্দ্বকে ঘিরে সেই বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নেয়।

জানা গেছে, দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবু দাবি করেন, জাহিদুলের দোকান ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে ভাড়াটিয়া জাহিদুলের দাবি, তার চুক্তি ২০২৮ সাল পর্যন্ত বৈধ এবং তিনি দোকান ছাড়বেন, যদি জামানত হিসেবে দেওয়া ৩৫ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। কিন্তু দোকান মালিক সেই অর্থ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার সন্ধ্যায় দোকানঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে ইশতিয়াক বাবুর অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

এর প্রতিবাদে শনিবার শহিদুল ইসলাম মানিকের নেতৃত্বে শহিদ মিনার এলাকায় মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। কিন্তু মানববন্ধন চলাকালে মোহাম্মদ আলী সরকারের অনুসারীরা হামলা চালিয়ে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন ও মাইক ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বদরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম আতিকুর রহমান জানান, “পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।”

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা