বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

এডিটর’স টক অনুষ্ঠানে জিএম কাদের

এরশাদের চেয়ে ছোট স্বৈরাচার কে?

গোলাম মোহম্মদ কাদের জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪৮ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি। পিতা মকবুল হোসেন এবং মা মজিদা খাতুন। পড়াশুনা করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তারপর বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করলেও পরবর্তীতে রাজনীতিতে চলে আসেন। দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে তিনি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং চার চারবারের এমপি। বর্তমানে তিনি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। আজ আমরা তাঁর কাছে থেকেই শুনব তাঁর জীবনের গল্প, রাজনীতির গল্প এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে। তার সঙ্গে কথোপকথনের শেষ পর্ব তুলে ধরা হলো।

মোস্তফা কামাল: আপনি প্রশাসনের দলীয়করণের কথা বলেছিলেন। কখন থেকে এটা শুরু হয় এবং এটা এখনও চলছে কি না?

জিএমকাদের: ৯১ থেকে অর্থাৎ এরশাদ সাহেব চলে যাওয়ার পর থেকেই চলছে এবং ব্যাপকভাবেই তা চলছে।

মোস্তফা কামাল: এটা থেকে পরিত্রাণের উপায় কি?

জি এম কাদের: এটা থেকে পরিত্রাণের উপায়টা কঠিন হয়ে গেছে। জনগণের রুচির বিষয়টা সংকীর্ণ করে দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আমি আর্টিকেলও লিখেছি। আমার যেটা মনে হয়, সংবিধানকে কাটছাঁট করে আমরা যেটা করেছি, অর্থাৎ সংবিধান অনুযায়ী জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার বিষয়টা সেটা জনগণের পক্ষে নেই। সাংবিধানিকভাবে একনায়কতন্ত্র চালু করা হয়েছে।

মোস্তফা কামাল: তার মানে এখনকার সময়টিকে আপনি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বলতে চান না ?

জি এম কাদের: না, আমি বলতে চাই না। আমি এ বিষয়ে লিখেছিও। একনায়কতন্ত্র অথবা রাজতন্ত্র যেটাই আপনি বলেন না কেন এখানে একজনই সকল ক্ষমতার উৎস। তিনি জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে, আইনের ঊর্ধ্বে। সারাদেশের লোক জবাবদিহিতার ভিতর থাকলেও তিনি একা বিচার ব্যবস্থার ঊর্ধ্বে থাকবেন। গণতন্ত্র হলো জনগণের শাসন। প্রতিটি লোক আইনের অধীন থাকবে, প্রতিটি লোক জবাবদিহিতার অধীন থাকবে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ করা হয়। সবচেয়ে বড় কথা, গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় যত ভাল প্রতিনিধি নির্বাচন করা সম্ভব হবে গণতান্ত্রিক চর্চা মজবুত হবে। সঠিক প্রতিনিধি নির্বাচন করা মানে গণতান্ত্রিক চর্চার প্রবেশদ্বার। সার্বক্ষণিকভাবে প্রতিটি মুহূর্ত জবাবদিহিতা থাকতে হবে। এটিই হচ্ছে গণতান্ত্রিক চর্চা । জনগণের কাছে সেই জবাবদিহিতাটুকু নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের নির্বাচন কমিশনে গলদ আছে। আমাদের দেশে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ১১৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে, নির্বাচন কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে সকল দিক বিবেচনা করে সর্বজনগৃহীত ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন করা এবং ১২৬ অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগকে পরিষ্কারভাবে বলা আছে নির্বাচন কমিশনকে সবরকম সহযোগিতা দানের জন্য। কিন্তু আইনগুলি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। তার মানে নির্বাচন ব্যবস্থাকে আমরা সাংবিধানিকভাবেই দুর্বল করে ফেলছি। তারপর যদি আমরা ৭০ অনুচ্ছেদে আসি। যেখানে সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হলো জতীয় সংসদ। প্রধানমন্ত্রী যেকোন চুক্তি করে আসার পরে সেটা সর্বপ্রথম সংসদে উত্থাপন হবে। সেখানে সরকারিদল এমনকি বিরোধীদলের লোকজনও উনার বিরুদ্ধে বলবে। সেখানে জবাবদিহিতার একটি বিষয় থাকবে। ৭০ অনুচ্ছেদ করে জবাবদিহিতার বিষয়টিকে দুর্বল করে ফেলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী যেহেতু সংখ্যাগরিষ্ঠ পার্টির প্রধান, কাজেই উনার কথার বাইরে কেউ যেতে পারবে না। উনি যেটি বলবেন সেটাই। তার মানে ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উনি কিন্তু জবাবদিহিতার বাইরে চলে যাচ্ছেন। এবার বিচার বিভাগের ক্ষেত্রে যদি বলি, ১১৬ ধারার কারণে মহামান্য প্রেসিডেন্টও কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর হাতে মূল ক্ষমতাভার সমূহ ন্যস্ত করেন। তাহলে যে ব্যক্তির হাতে সকল ক্ষমতা, জবাবদিহিতার বিষয়টিও তার অধীন, বিচারবিভাগের অধিকাংশ ক্ষমতা তারই আওতাধীন, সেক্ষেত্রে সেই সরকারকে কি করে গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের শাসন বলা যায় না।

মোস্তফা কামাল: এই অবস্থা থেকে বের হওয়া যায় বা উত্তরণের পথ কি?

জি এম কাদের: গণতান্ত্রিক সরকার বলতে যা বোঝায় এবং তাকে যদি আমরা সংসদীয় পদ্ধতির মাধ্যমে সঠিকভাবে পরিচালনা করতে চাই, তাহলে অন্যান্য দেশে বিশেষ করে ইংল্যান্ড এমনকি ভারতেও যে পদ্ধতি চালু আছে আমরা অনুসরণ করতে পারি। নয়তো একনায়কতন্ত্র ব্যবস্থা তৈরি করে তাকে সংসদীয় ব্যবস্থা বলে চালিয়ে দেয়া এটা আসলে কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মোস্তফা কামাল: আপনিতো এরশাদ সরকারের শাসন আমলকে স্বর্ণযুগ বলেছেন। কিন্তু অনেকেই তাকে স্বৈরাচার বলতো, আপনি কি জানেন?

জি এম কাদের: আমি জানি,শুনি। কিন্তু আসলে কেন বলেন, সেকথা কেউ কখনও বলতে পারেননি। আমি একটা প্রশ্ন করি, একদম বুকে হাত দিয়ে, বিবেকের কাছে প্রশ্ন করুনতো, উনার চেয়ে বড় স্বৈরাচার কে জানতে চাচ্ছি না, কিন্তু উনার চেয়ে ছোট স্বৈরাচার কে? একজনের নাম আমাকে বলুনতো! এরকম কেউ বলতে পারেননি। যারা বলবেন তারা বাধ্য হয়ে বলবেন। কিন্তু নিরপেক্ষভাবে যদি বলেন, কেউই বলতে পারবে না, আমাকে কেউ বলেনি। তাকে স্বৈরাচার বলার একটা কারণ হিসেবে এটুকু বলতে পারি, উনি উনার সময়ে বেশ কিছু কাজ করেছিলেন, যেটা তখন বিরোধীদলে যারা ছিলেন, তারা পছন্দ করেনি। কিন্তু জনগণ পছন্দ করেছিল।

মোস্তফা কামাল: গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় গণমাধ্যমেরও একটি ভুমিকা থাকে। আপনি কি মনে করেন যে, মিডিয়া সেক্ষেত্রে সঠিকভাবে ভূমিকা পালন করছে?

জি এম কাদের: হ্যাঁ, আমি একটা জিনিস স্যালুট করি তাদেরকে যে, বাংলাদেশের মিডিয়া অন্তত চেষ্টা করে যাচ্ছে । আমার কাছে মনে হয় মিডিয়া অনেক সরব এবং তারা চেষ্টা করছে। দেশ জাতির স্বার্থে তাদের প্রচেস্টা আছে। তবে মিডিয়াকে ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে গিয়ে সত্যপ্রকাশে দ্বিধাহীন হতে হবে। মিডিয়ার নিজস্ব সংঘটনগুলিকেও অকেজো করে দেয়া হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে কলুষতা পরিলক্ষিত হলেও তবুও আমি বলবো অন্যন্য ক্ষেত্র থেকে মিডিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এর চেয়ে আরও বেশি সাহসী ভুমিকা পালন করতে পারতো যদি নিজেদের মধ্যে ঐক্যটুকু ধরে রাখতে পারতো।

মোস্তফা কামাল: আগের দিকে রাজনীতিবিদদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কগুলি সৌহার্দ্যপূর্ণ ছিল। এখন সম্পর্কগুলি কেমন মনে হয় আপনার কাছে?

জি এম কাদের: আছে। আমি মনে করি সম্পর্কগুলি এখনও ভাল আছে। সঠিক রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরে এলে যেটুকু ফাটল দেখছি সেটিও ঠিক হয়ে যাবে মনে হয়। মানুষ কিন্তু বিএনপি এবং আওয়ামী লীগকে মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ হিসেবে চিন্তা করে এবং মানুষের এই চিন্তাগুলি নেতিবাচক। তারা আসলে দুইদল থেকেই মুখ ফিরিয়ে আসলে তারা বিকল্প কোন পথ খুঁজছে।

মোস্তফা কামাল: দেশে নানা ধরনের অন্যায় অপকর্ম দুর্নীতিগুলি যেগুলো হচ্ছে, কারও কোন দায়বদ্ধতা নেই যেন এটাই স্বাভাবিক। এই যে একটা অবস্থা আপনি কি মনে করেন যে, এই সমাজ ব্যবস্থাটি ঠিক আছে অথবা এর পরিবর্তন দরকার?

জি এম কাদের: এটি তো মোটেই ঠিক নেই। এটির অবশ্যই পরিবর্তন দরকার এবং পরিবর্তন হবে নিশ্চয়ই এবং হতেই হবে । আমি মনে করি, আমাদের গোঁড়ায় সাংবিধানিকভাবেই কতগুলি ভুল সৃষ্টি করেছি যে কারণে সমাজ ভুলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

মোস্তফা কামাল: এবার একটু ব্যক্তিগত জীবনে যাই। আপনি কি ব্যক্তিজীবনে সুখি?

জি এম কাদের: আসলে সুখ তো রিলেটিভ একটা বিষয় তাইনা? হ্যাঁ, আমি সুখিতো নিশ্চয়ই। তবে অতৃপ্তি থাকবেই। যখন সামাজিক অসংগতিগুলি চোখে পড়ে, সৎ অফিসার এসে বলে যে, সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না তখন দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে অতৃপ্তি থেকেই যায়। এরকম অনেক তিক্ত অভিজ্ঞতা আমার আছে।

মোস্তফা কামাল: অবসরে কি করেন?

জি এম কাদের: অবসর খুব একটা পাই না। তবে বই পড়ার প্রতি আমার সবসময়ের আগ্রহ ছিল। তবে এখন কম পড়া হয়।

মোস্তফা কামাল: সিনেমা দেখেন কি?

জি এম কাদের: হ্যাঁ, সিনেমা দেখা হয় মাঝেমাঝে।

মোস্তফা কামাল: গান শোনেন?

জি এম কাদের: হ্যাঁ, গান শুনি। রবীন্দ্রসংগীত শোনা হয় বেশি।

মোস্তফা কামাল: প্রিয় কোন কবি?

জি এম কাদের: জীবনানন্দ দাশ সুকান্ত র কবিতা ভাল লাগতো।

মোস্তফা কামাল: প্রিয় কোন রাজনীতিবিদ?

জি এম কাদের: মৌলানা ভাসানীর কথাই চলে আসে। আমার খুব পছন্দের মানুষ ছিলেন।

মোস্তফা কামাল: আপনি জীবনে কি হতে চেয়েছিলেন?

জি এম কাদের: ছোটবেলায় পাইলট হতে চেয়েছিলাম।

মোস্তফা কামাল: আপনার না পাওয়ার আক্ষেপ আছে কি না?

জি এম কাদের: না, কোনো আক্ষেপ নাই। আল্লাহ কাছে আমি যা চেয়েছি পেয়েছি। সেজন্য আমি কৃতজ্ঞ।

মোস্তফা কামাল: ঢাকাপ্রকাশের পাঠকদের প্রতি আপনার শেষ কথাটুকু যদি বলেন?

জি এম কাদের: আমি দেশ ও জাতির জন্য কাজ করতে চাই। সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। জনগণ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক, সুখি সমৃদ্ধ দেশ দেখুক আগামী প্রজন্ম। আমার সেটাই কামনা সবসময়। সে লক্ষ্যেই জীবনভর কাজ করতে চাই এবং সকলের কাছে আমি সেই দোয়া চাই।

মোস্তফা কামাল: আমাদের সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

জি এম কাদের: আপনাকেও ধন্যবাদ।

 

Header Ad
Header Ad

কোন বয়সী পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন নারীরা?

প্রতীকী ছবি

প্রেমের কোনও নির্দিষ্ট বয়স নেই, নেই ধরাবাধা কোনও নিয়ম। কিন্তু প্রেমে পড়ার ক্ষেত্রে নিজস্ব কিছু পছন্দ আর অপছন্দ থাকেই। সম্প্রতি, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে নারীরা পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে তাদের বয়সের তুলনায় ছোট বয়সী পুরুষদের প্রতি বেশি আগ্রহী।

এই সমীক্ষা মার্কিন বিজ্ঞান পত্রিকা ‘প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্স’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় ২৫ থেকে ৮২ বছর বয়সী সাড়ে ৪ হাজার পুরুষ-নারী অংশগ্রহণ করেছিলেন, এবং তারা এক ধরনের ‘ব্লাইন্ড ডেট’-এ অংশ নেন, যার মানে হল যে, তারা প্রথমে একে অপরকে জানতেন না এবং শুধু সাক্ষাৎ করার পরই একে অপরকে পছন্দ করেছে কিনা, সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, নারীরা এবং পুরুষেরা মোটামুটি সমানভাবে তাদের থেকে কম বয়সী সঙ্গীর প্রতি আকৃষ্ট হয়েছেন। বিশেষ করে, নারীরা বেশি বয়সী পুরুষের তুলনায় তরুণ পুরুষদের প্রতি আরও বেশি আগ্রহী ছিলেন। অধ্যাপক পল ইস্টউইক, যিনি এই গবেষণার প্রধান গবেষক, তিনি উল্লেখ করেছেন যে সাধারণত সমাজে একটি ধারণা প্রচলিত থাকে যে নারীরা বেশি বয়সী পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হন, কিন্তু এই গবেষণা সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে।

এছাড়া, দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানুষের পছন্দের পার্থক্য থাকতে পারে। অর্থাৎ, প্রথম দিকে কোন ব্যক্তির প্রতি আকর্ষণ হলেও, সম্পর্কের গভীরতা এবং স্থায়িত্বের জন্য অন্য ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি হতে পারে।

এই গবেষণা প্রমাণ করে যে, প্রেমের ক্ষেত্রে বয়সের চেয়ে আরও অনেক কিছু গুরুত্বপূর্ণ—যেমন, সম্পর্কের মান, ব্যক্তিত্ব, এবং অন্য মানসিকতা। তবে, এই সমীক্ষা একটি নির্দিষ্ট সময়ে এবং নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মানুষের প্রথম আকর্ষণ সম্পর্কে তথ্য প্রদান করেছে, যা দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের ক্ষেত্রে পরিবর্তন হতে পারে।

Header Ad
Header Ad

এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা

ছবি: সংগৃহীত

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। বাহিনীটিতে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে জেলা পর্যায়ে একাধিক জনবল নেবে। আগ্রহী চাকরি প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ পুলিশ

পদের নাম: ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি)

পদসংখ্যা: জেলাভিত্তিক শূন্য পদ অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (ন্যূনতম জিপিএ-২.৫ থাকতে হবে)।

বয়সসীমা: ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে হতে হবে।

জাতীয়তা: বাংলাদেশের স্থায়ী নাগরিক

বৈবাহিক অবস্থা: অবিবাহিত হতে হবে। তালাকপ্রাপ্ত গ্রহণযোগ্য নয়।

শারীরিক যোগ্যতা: মেধা কোটার ক্ষেত্রে পুরুষ প্রার্থীর উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের কোটার ক্ষেত্রে বিধি অনুসৃত হবে। নারী প্রার্থীর উচ্চতা মেধা কোটার ক্ষেত্রে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি হতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তান এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি। শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের কোটার ক্ষেত্রে বিধি অনুসৃত হবে।

বুকের মাপ: মেধা ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটার ক্ষেত্রে বুকের মাপ স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি। বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের কোটার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় ৩০ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি।

ওজন: বয়স ও উচ্চতার সাথে ওজন অনুমোদিত পরিমাপের হতে হবে।

দৃষ্টিশক্তি: ৬/৬

আবেদন ফি: আবেদন ফরম পূরণের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যেকোনো টেলিটক প্রিপেইড মোবাইল নম্বর থেকে ৪০ টাকা জমা করতে হবে।

আবেদন যেভাবে: আগ্রহী চাকরি প্রার্থী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আবেদনের শেষ সময়: ১৮ মার্চ ২০২৫।

Header Ad
Header Ad

সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ছবি: সংগৃহীত

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, দেশের প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজশাহী সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারে সপ্তম ‘কর্নেল অব দি রেজিমেন্ট’-এর অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

এ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সেনাপ্রধান বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করলেন।

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, ‘ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট ১৯৭১-এর পর থেকেই দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। আগামীতে এই রেজিমেন্টেকে আরও আধুনিক ও সক্ষম করে গড়ে তোলা হবে।’

রেজিমেন্টের সব সদস্যের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন– সেনাসদর, বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ অনেকে।

এর আগে, রাজশাহী সেনানিবাসের প্যারেড গ্রাউন্ডে সেনাপ্রধান পৌঁছালে তাকে প্রচলিত সামরিক রীতি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অভিবাদন জানানো হয়। এরপর সেনাবাহিনীর প্রধানকে ‘কর্নেল র‍্যাংক ব্যাজ’ পরিয়ে দেওয়া হয়।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

কোন বয়সী পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন নারীরা?
এসএসসি পাসে পুলিশে চাকরি, আবেদন ফি ৪০ টাকা
সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে সর্বোচ্চ দায়িত্বপালনে প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান
দেশ ও জাতির স্বার্থে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে: খালেদা জিয়া
নির্বাচন নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা পাচ্ছি না: মির্জা ফখরুল  
প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পেতে লাগবে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা
অবশেষে ৬ শতাধিক ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিলো ইসরাইল  
চবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে পুলিশে দিল স্থানীয় জনতা
তারেক রহমানের নাম উচ্চারণে ওজু করা নিয়ে বক্তব্যে বুলুর দুঃখ প্রকাশ  
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২৫ শতাংশ ট্যারিফ আরোপের প্রতিশ্রুতি ট্রাম্পের
বাংলাদেশ-পাকিস্তান লড়াই আজ, বাগড়া দিতে পারে বৃষ্টি  
বিএনপির বর্ধিত সভা আজ    
ভোরে ৪ থানা পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, এসআই-কনস্টেবল বরখাস্ত
মিঠাপুকুরে তিন পেট্রোল পাম্পকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা
হার নিয়েই নতুন অধ্যায় শুরু বাংলাদেশের নারী ফুটবলে
৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট
মধুর ক্যান্টিনে হামলায় আহতদের খোঁজ নিতে হাসপাতালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা
হাঁসের মাংস ও রুটি খেয়ে ১২ জন অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
ক্যাম্প শুরুর আগেই বাদ ৮ ফুটবলার, ১৮ মার্চ ঢাকায় যোগ দেবেন হামজা
শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি