শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

আওয়ামী লীগের বিকল্প ভাবছে জাতীয় পার্টি

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে থাকা সাবেক সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকতে চায় না। দলটির শীর্ষ নেতারা বিকল্প ভাবার জন্য দলীয় নেতৃত্বকে চাপ দিচ্ছেন।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জাতীয় পার্টির নেতারা যতই হুঙ্কার দিন না কেন, শেষ পর্যন্ত তাদের অবস্থান ক্ষণে ক্ষণে বদলায়। কারণ তারা মূলত ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে চায়। তাছাড়া গত ৩২ বছরে জাতীয় পার্টি মাঠপর্যায়ে শক্তিশালী রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলতে পারেনি। তার উপর নেতৃত্ব নিয়ে আবার দলে অভ্যন্তরে রয়েছে বহুমুখী সংকট। সব কিছু মিলিয়ে দলটিতে অস্থিরতা বিরাজ করছে।

স্বৈরাচার পতন আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জেনারেল এরশাদের ক্ষমতার অবসান ঘটে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর। এরপর আর রাষ্ট্র ক্ষমতায় বসতে পারেননি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বা তার হাতে গড়া দল জাতীয় পার্টি। তবে সরাসরি রাষ্ট্র ক্ষমতায় না থাকলেও ক্ষমতার ছায়ায় থেকেছে কয়েক দফা।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচনী জোট করে ২০০৯ সাল থেকে ক্ষমতার সাধ নিচ্ছে দলটি। সর্বশেষ সংসদ নির্বাচনেও জাতীয় পার্টি সংসদের প্রধান বিরোধী দল।

গত প্রায় ১৩ বছর ধরে সরকারে এবং সংসদের বিরোধী দলে থেকেও মাঠপর্যায়ে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে পারেনি বা সংগঠনকে শক্তিশালী করতে পারেনি জাতীয় পার্টি। এমনকি পর পর দুই বার সুযোগ পেয়েও সংসদে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে পারেনি দলটি।

২০০৯ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে নবম সংসদে জাতীয় পার্টি আসন পেয়েছিল ২৪টি। ওই সংসদে বিএনপির আসন ছিল ২২টি।

নবম সংসদে জাতীয় পার্টি ছিল প্রধান বিরোধী দল। একই সঙ্গে মহাজোট সরকারের মন্ত্রিসভায়ও প্রতিনিধিত্ব ছিল দলটির।

দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছিল বিএনপি। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে দরকষাকষি করেও জাতীয় পার্টির আসন সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১টি। অর্থাৎ নবম সংসদের তুলনায় আসন বেড়েছিল মাত্র পাঁচটি। কিন্তু একাদশ সংসদে গিয়ে ১১টি আসন কমে জাতীয় পার্টির আসন সংখ্যা দাঁড়ায় ২০টিতে। এ নিয়েই দলটি সংসদের প্রধান বিরোধী দল।

আর একাদশ সংসদ নির্বাচনে মাঝপথে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো বিএনপির প্রতিনিধিত্ব রয়েছে মাত্র ৬টি।

সংসদ নির্বাচনের এই পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে মাঠের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টির অবস্থান কতটা শক্তিশালী। অথচ সর্বশেষ তিনটি সংসদেই জাতীয় পার্টি ছিল সংসদে প্রধান বিরোধী দল এবং প্রথম দুই বার সরকারের অংশীদার। তারপরও মাঠপর্যায়ে যেমন দলকে শক্তিশালী করতে পারেনি, তেমনি সংসদে দলের প্রতিনিধিত্বও বাড়াতে পারেনি স্বৈরশাসক এরশাদের হাতে গড়া দলটি।

বর্তমানে নানাভাগে বিভক্ত জাতীয় পার্টি। এত বিভক্তির মধ্যেও এখনও পার্টিতে ঐক্য নেই, নানামুখী সংকট চলছে। এরশাদের ছোট ভাই গোলাম মোহাম্মদ কাদের বর্তমানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান। আর সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা হচ্ছেন রওশন এরশাদ। অর্থাৎ পার্টির নেতৃত্বে জি এম কাদের থাকলেও পার্টিতে যে অনৈক্য বিরাজ করছে সেটা স্পষ্ট।

অপরদিকে, জি এম কাদেরকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একটি মামলা করেছেন মূল জাতীয় পার্টির দাবিদার এরশাদ পত্নী বিদিশা এরশাদ।

নানা সংকটে জাতীয় পার্টির যখন ত্রাহি অবস্থা তখন আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে হুংকার দিচ্ছেন দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। তারা বিভিন্ন সময় বলে আসছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আর নির্বাচনী জোট করবেন না। এমনও বলেছে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যারাই জোট করেছে তাদের অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। তাই আগামী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বিকল্প ভাবার কথা বলছেন দলের সিনিয়র নেতারা।

সম্প্রতি জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে এত খাতির করলাম, তিন বার চারবার জোট করলাম। নির্বাচন করলাম ক্ষমতায় আনলাম, আসলাম। আর সেই আওয়ামী লীগের ভাইয়েরা যদি জিয়াউর রহমানকে গালি দিতে গিয়ে এরশাদকে গালি দেন তাহলে আর যাই কোথায়? তাহলে তো নতুন করে ভাবতে হবে। কি করব, কোথায় যাব? সম্প্রতি আওয়ামী লীগের এক সংসদ সদস্যকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘ভালো লাগে না, লাগবে। সময় আসতাছে চিন্তা কইরেন না’।

জাতীয় পার্টির শীর্ষ নেতাদের নতুন করে ভাবনার বিষয়টিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন এবার হয়ত জাতীয় পার্টি অন্য হিসাবে কষছে। তবে সেই হিসাবের চূড়ান্ত ফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে সংসদ নির্বাচনের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত। কারণ জাতীয় পার্টির অতীত ইতিহাস বলে তাদের শেষ সিদ্ধান্ত বলে কিছু নেই।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, জাতীয় পার্টির একটা অংশ চায় আওয়ামী লীগ ছাড়তে। আরেকটা অংশ আছে যারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে থেকেই দর কষাকষি করে আসন বৃদ্ধি করে নেওয়ার পক্ষে।

তবে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি জাতীয় পার্টি নিয়ে যেভাবে বিষোদগার করছে তাতে তাদের মন গলানো বেশ কঠিন।

তারা বলছেন, দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ-বিএনপির বাইরে বড় কোনো জোট বা শক্তি এখন পর্যন্ত দেশে গড়ে উঠেনি। তাই আওয়ামী লীগকে ছেড়ে বিএনপির সঙ্গে জোট করতে গেলে জাতীয় পার্টির অনেক বেশি চড়া মূল্য দিতে হতে পারে। কারণ জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান এরশাদকে জেল খাটিয়েছে বিএনপি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক শান্তনু মজুমদার ঢাকাপ্রকাশ’কে বলেন, 'রাজনৈতিক দলগুলো এখন যেসব কথা বলছে শেষ অব্দি এই অবস্থানের পরিবর্তন হতে পারে। নিজেদের মূল্য বাড়ানোর জন্য অনেক সময় ছোট দলগুলো বড় হুংকার দিয়ে থাকে। গত কয়েকটি সংসদ নির্বাচনের পর জাতীয় পার্টি নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে ব্যর্থ বলা যায়। তাই তারা আসলে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে চায়। যে কারণে শেষ পর্যন্ত যে জোট বা দলের ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা বেশি থাকবে সেদিকেই ঝুঁকতে পারে দলটি।'

এনএইচবি/আরএ/

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০

ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের বদরগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার ও দোকান ভাড়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এক জন নিহত এবং সাংবাদিকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী সরকার এবং বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও কালুপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম মানিকের অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সম্প্রতি শহরের ঢেউটিন ব্যবসায়ী জাহিদুল হক জোয়ারদার এবং দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবুর মধ্যে দোকান ভাড়াকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া দ্বন্দ্বকে ঘিরে সেই বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নেয়।

জানা গেছে, দোকান মালিক ইশতিয়াক বাবু দাবি করেন, জাহিদুলের দোকান ভাড়ার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। অন্যদিকে ভাড়াটিয়া জাহিদুলের দাবি, তার চুক্তি ২০২৮ সাল পর্যন্ত বৈধ এবং তিনি দোকান ছাড়বেন, যদি জামানত হিসেবে দেওয়া ৩৫ লাখ টাকা ফেরত দেওয়া হয়। কিন্তু দোকান মালিক সেই অর্থ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে বুধবার সন্ধ্যায় দোকানঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে ইশতিয়াক বাবুর অনুসারীদের বিরুদ্ধে।

এর প্রতিবাদে শনিবার শহিদুল ইসলাম মানিকের নেতৃত্বে শহিদ মিনার এলাকায় মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। কিন্তু মানববন্ধন চলাকালে মোহাম্মদ আলী সরকারের অনুসারীরা হামলা চালিয়ে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন ও মাইক ভাঙচুর করেন। একপর্যায়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে অন্তত ২০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বদরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম আতিকুর রহমান জানান, “পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।”

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার
মার্কিন শুল্ক নিয়ে সন্ধ্যায় জরুরি মিটিং ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা