শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

মুক্তিযোদ্ধা ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭৭০

ছবি : সংগৃহীত

দেশে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা এক লাখ ৯৫ হাজার ৭৭০ জন। ৩৫টি ক্যাটাগরিতে এ সব মুক্তিযোদ্ধাদেরকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত করা তালিকা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। মুক্তিযোদ্ধার এই বিপুল সংখ্যাকে অস্বাভাবিক বলে মনে করছেন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ চৌধুরী। 

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে ৩৫টি ক্যাটাগরিতে চলতি বছরের ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্ত হয় তিন লাখ ৮৬ হাজার ৫৫ জনের। একজন মুক্তিযোদ্ধার নাম বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে অর্ন্তভূক্ত হওয়ার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধাদের ভারতীয় তালিকা ও লাল মুক্তিবার্তায় অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধার নাম দুইবার থাকার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় এই সব তালিকা সমন্বয় করে এক লাখ ৯৫ হাজার ৭৭০ জনকে চুড়ান্ত সংখ্যা হিসেবে নির্ধারণ করেছে। তবে এই সংখ্যাটিও আরো বাড়তে পারে। উপজেলা পর্যায়ের যাচাই-বাছাইয়ের আপিল প্রক্রিয়া শেষ হলে আরো কিছু মুক্তিযোদ্ধার নাম যুক্ত হবে তালিকায়। 

৩৫টি ক্যাগাটরি হলো- ভারতীয় তালিকা, বেসামরিক গেজেট, শহিদ বেসামরিক গেজেট, সশস্ত্র বাহিনী শহিদ গেজেট, শহিদ বিজিবি গেজেট, শহিদ পুলিশ গেজেট, যুদ্ধাহত গেজেট, খেতাবপ্রাপ্ত গেজেট, মুজিবনগর গেজেট, বিসিএস ধারণাগত জেষ্ঠ্যতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গেজেট, বিসিএস  গেজেট, সেনাবাহিনী গেজেট, বিমান বাহিনী গেজেট, নৌ বাহিনী গেজেট, নৌ কমান্ডো গেজেট, বিজিবি গেজেট, পুলিশ বাহিনী গেজেট, আনসার বাহিনী গেজেট, স্বাধীন বাংলা বেতার শব্দ সৈনিক গেজেট, বীরঙ্গনা গেজেট, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল গেজেট, ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন বিশেষ গেরিলা বাহিনী গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা, লাল মুক্তিবার্তা স্মরণীয় যারা বরণীয় যারা, মুক্তিযোদ্ধাদের ভারতীয় তালিকা (নৌ, সেনা ও বিমান বাহিনী), মুক্তিযোদ্ধাদের ভারতীয় তালিকা (পদ্মা), মুক্তিযোদ্ধাদের ভারতীয় তালিকা (মেঘনা), বীরঙ্গনা সামরিক সনদ, যুদ্ধাহত পঙ্গু (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) গেজেট, যুদ্ধাহত (বর্ডারগার্ড) বাংলাদেশ) গেজেট, মুক্তিযোদ্দাদের ভারতীয় তালিকা (সেক্টর), বিশ্রামগঞ্জ হাসপাতালে নিয়োজিত/দায়িত্বপালনকারী মুক্তিযোদ্ধা গেজেট, যুদ্ধাহত সেনা গেজেট, প্রবাসে বিশ্ব জনমত গেজেট এবং শহিদ বুদ্ধিজীবী।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলাওয়ারী মুক্তিযোদ্ধাদের যে সংখ্যা চূড়ান্ত করা হয়েছে, এরমধ্যে সিলেট বিভাগের সিলেটে চার হাজার ২৯৬ জন, সুনামগঞ্জে চার হাজার ২২ জন, মৌলভীবাজারে এক হাজার ৪৯৫ জন ও হবিগঞ্জে দুই হাজার ৬৭ জন। রাজশাহী বিভাগে বগুড়ায় তিন হাজার ২০৪ জন, জয়পুরহাটে ৭৯৩ জন, নওগাঁ তিন হাজার ৬৯ জন, নাটোরে এক হাজার ৫৫৮ জন, চাপাইনবাবগঞ্জে দুই হাজার ১১৩ জন, পাবনায় দুই হাজার ৬৪২ জন, রাজশাহীতে দুই হাজার ৩২৭ জন ও সিরাজগঞ্জে তিন হাজার ১২৫ জন।

রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে দিনাজপুরে তিন হাজার ৭৩৩ জন, গাইবান্ধায় দুই হাজার ৮০ জন, কুড়িগ্রামে চার হাজার ২৮৪ জন, লালমনিরহাটে এক হাজার ৯১৪ জন, নীলফামারীতে ৯১৬ জন, পঞ্চগড়ে এক হাজার ৯৭০ জন, রংপুরে এক হাজার ৩২২ জন ও ঠাকুরগাঁওয়ে এক হাজার ৫০৯ জন।

ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলায় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা হচ্ছে ১২ হাজার ৯২৬ জন। এরমধ্যে জামালপুরে দুই হাজার ৭৮০ জন, নেত্রকোণায় তিন হাজার ৫৮ জন, ময়মনসিংহে পাঁচ হাজার ৭২৯ জন ও শেরপুরে ১৩৫৯ জন।

বরিশাল বিভাগে এপর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা হচ্ছে ১৫ হাজার ৬০২ জন। এরমধ্যে বরগুনায় এক হাজার ২৫৮ জন, বরিশালে ছয় হাজার ৮১১ জন, ভোলায় ১৪৯১ জন, ঝালকাঠিতে এক হাজার ৯৮৯ জন, পটুয়াখালীতে এক হাজার ২৫৬ জন ও পিরোজপুরে দুই হাজার ৭৯৭ জন।

খুলানা বিভাগে মোট মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা হচ্ছে ২৩ হাজার ৩৫৫ জন। বাগেরেহাটে চার হাজার ৪৯৯ জন, চুয়াডাঙ্গায় এক হাজার ৫২৬ জন, যশোরে দুই হাজার ৮২৯ জন, ঝিনাইদহে দুই হাজার ১০৪ জন, খুলনায় এক হাজার ৮৭৫ জন, কুষ্টিয়ায় তিন হাজার ৭৬ জন, মাগুরায় এক হাজার ৭১৫ জন, মেহেরপুরে এক হাজার ১২৮ জন, নড়াইলে দুই হাজার ৩৬৪ জন, সাতক্ষীরায় দুই হাজার ২৩৯ জন।

মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিভাগে মুক্তিযোদ্ধা হচ্ছেন ৩৭ হাজার ৭৮৫ জন। এরমধ্যে বান্দরবানে ৮২ জন, ব্রাহ্মণবাড়ীয়ায় ছয় হাজার ৬৭৪ জন, চাঁদপুরে তিন হাজার ৮৭৮ জন, চট্টগ্রামে সাত হাজার ৯৬৮ জন, কুমিল্লায় আট হাজার ২৮১ জন, কক্সবাজারে ৩৮৪ জন, ফেনীতে দুই হাজার ৯৪৭ জন, খাগড়াছড়িতে ৫৪৯ জন, লক্ষীপুরে এক হাজার ৮৯৩ জন, নোয়াখালীতে চার হাজার ৯৮৭ জন এবং রাঙ্গামাটিতে ১৪২ জন।     

ঢাকা বিভাগে মুক্তিযোদ্ধার মোট সংখ্যা হচ্ছে ৪৭ হাজার ৭৯৯ জন। এরমধ্যে ঢাকা জেলায় পাঁচ হাজার ৪৭ জন, ফরিদপুরে তিন হাজার ৯৭৮ জন, গাজীপুরে তিন হাজার ৬০ জন, গোপালগঞ্জে পাঁচ হাজার ৭৯৪ জন, কিশোরগঞ্জে তিন হাজার ৫৯৬ জন, মাদারীপুরে দুই হাজার ৯১৯ জন, মানিকগঞ্জে এক হাজার ৯২০ জন, মুন্সিগঞ্জে দুই হাজার ৪৪৮ জন, নারায়ণগঞ্জে দুই হাজার ২৬১ জন, নরসিংদীতে চার হাজার ৮৩৬ জন, রাজবাড়ীতে এক হাজার ২৪৫ জন, শরীয়তপুরে দুই হাজার ২৫৯ জন এবং টাঙ্গাইলে আট হাজার ৪৩৬ জন মুক্তিযোদ্ধার নাম চূড়ান্ত তালিকায় অর্ন্তভূক্ত হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৬৪ জেলায় ৩৫টি শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা হচ্ছে এক লাখ ৮৫ হাজার ৯০৬ জন। সেই সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে নয় হাজার ৮৬৪ জনের নাম চূড়ান্ত করে একটি তালিক দেওয়া হয়েছে।

তাদের মধ্যে রয়েছেন, খেতাবপ্রাপ্ত গেজেটে ৬৭৬ জন, শহিদ বেসামরিক তিন হাজার ৩৬৪ জন, যুদ্ধাহত গেজেট দুই হাজার ৪৮২ জন, সশস্ত্র বাহিনী শহিদ গেজেট এক হাজার ৬০৩ জন, পুলিশ শহিদ গেজেট ৪১১ জন, বিজিবি শহিদ ৮১৯ জন, যুদ্ধাহত বিজিবি ৩১৭ জন এবং যুদ্ধাহত সেনা ১৯২ জন।

মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো বলছে, মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত তালিকার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। মুক্তিযোদ্ধাদের চূড়ান্ত সংখ্যা দুই লাখের বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে জানতে চাইলে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল আহাদ চৌধুরী ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, মুক্তিযোদ্ধার এই সংখ্যা অস্বাভাবিক। আমরা প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নীতিমালা অনুযায়ী মুক্তিবার্তর লাল বই করেছিলাম। তখন পাঁচ লাখ ৯৭ হাজার আবেদন জমা পড়েছিল। যাচাই-বছাই শেষে এক লাখ ৫৪ হাজার মুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকাভূক্ত করা হয়েছে।

আব্দুল আহাদ চৌধুরী বলেন, লাল বইকে ভিত্তি ধরে কাজ করলে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা নিয়ে এতো সমস্যা হত না। এ ভাবে প্রকৃত তালিকাকে বার বার বিতর্কিত করা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অবমাননা।

এনএইচবি/এসএন

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো